পুরানোকে সরিয়ে নতুনকে আমরা খুব সহজেই জায়গা দেই বলেই নুতুন আমাদের মাঝে খুব সহজেই জায়গা করে নিতে পারে।সব কিছুরই একটা নির্দিষ্ট মেয়াদ থাকে। একটা সময়ের পর সব কিছুই পুরনো হয়ে যায়। পৃথিবীর সাধারণভাবে প্রচলিত এই নিয়ম মেনেই  পুরনো হয়েছে সেলফিও।আগে সেলফি তোলার হরেক নিয়ম ছিল। যেমন, ‘পাউট’! মানে, বাচ্চাদের মতো ঠোঁটটা একটু ফুলিয়ে সেলফি তোলা! খেয়াল করে দেখুন, একটা সময়ে আপনার ফেসবুকের দেয়াল উপচে পড়ত  বন্ধুদের পাউট-সেলফিতে।এখন ওই পুরনো হয়ে যাওয়ার সূত্র ধরেই একঘেয়ে হয়েছে ‘পাউট’। একঘেয়ে হয়েছে মুখটা একদিকে সামান্য একটু বেঁকিয়ে সেলফি তোলার কায়দাও!

তাহলে এখন সেলফি তোলার নতুন স্টাইল কী?সেলফি তোলার নতুন এই স্টাইলের নাম ‘ফিঙ্গারমাউথিং’। মানে, যে অ্যাঙ্গেলে হাতের আঙুল থাকবে মুখের ভিতরে বা ঠোঁটের কাছে। এবং, শর্ত মেনে দেখা যাবে সামনে থেকে মুখের প্রোফাইল

ফিঙ্গারমাউথিংয়ের অবশ্য একটা মজাদার পোশাকি নাম আছে। সেটাকে বলা হয় ‘টিরেক্সহ্যান্ডস’। মানে, টিরেক্স প্রজাতির ডাইনোসররা যেমন মুখের সামনে হাতদুটোকে তুলে রেখে হঠাৎ, সেরকম আর কী! এই কায়দাটাকে জনপ্রিয় করেছেন কিম কার্দাশিয়ান এবং আরো অনেক বিদেশি সেলেব্রিটিরা! তার পর ধীরে ধীরে তা  নতুন ভাবে জায়গা করে নিচ্ছে এবং জনপ্রিয় হচ্ছে!
কী ভাবে তুলবেন আপনার ফিঙ্গারমাউথিং সেলফি?
স্রেফ হাতটাকে মুখের সামনে বা ঠোঁটের কাছে রাখুন। যেমনটা দেখতে পাচ্ছেন ছবিগুলোয়। অবশ্য, শুধু এই মুদ্রাগুলোই নয়, আরো অনেক উপায়েই আপনি তুলতে পারেন আপনার ফিঙ্গারমাউথিং সেলফি! নতুনত্বের অধিকার তো আপনার আছেই! একটা শব্দ হোক- ক্লিক! তার পরে সেই ছবি আপলোড করুন সোশ্যাল মিডিয়ায়।
আপনাকে নতুন করে খুঁজে নেক বন্ধুরা! আপনিও নিজেকে দেখে নিন নতুন রূপে!

 

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here