উর্বর ভূমি যাবে প্রযুক্তির হাতে

আজ থেকে বিশ বছর পর আমাদের ক্ষুধা নিবারণের জন্য আর খাদ্যের প্রয়োজন হবে না। কৃষক লাঙ্গল দিয়ে আর জমি চাষ করবে না। হয়তো এক খন্ড সফটওয়্যারের মাধ্যমেই আমাদের সকল চাহিদা পূরণ করা হবে।

কৃষিকাজকে পুরো মাত্রায় প্রযুক্তিতে রুপান্তরিত করার ধারণাটি নতুন নয়। এটি এমন একটি বিপ্লব যা শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে করে আসা হচ্ছে।  বিজ্ঞানীরা বলছেন যে পুরনোভাবেই যদি আমরা আমাদের চাষবাষ অব্যাহত রাখি, তাহলে ২০৫০ সালে এসে দেখা যাবে প্রায় ২ বিলিয়ন মানুষ অভুক্ত অবস্থায় আছে।

সৌভাগ্যজনকবভাবে বলা যাচ্ছে যে, আমেরিকার সকল কৃষি খামারে এখন অত্যাধুনিক প্রযুক্তির যন্ত্র পৌঁছে যাচ্ছে।এর মাধ্যমে আগের মত ঝামেলা আর কৃষকদের পোহাতে হয় না। নানা ধরণের কর্ম ও শিল্প ক্ষেত্রের প্রসারের ফলে কৃষিনির্ভর সফটওয়্যারগুলো আরো উন্নত হয়ে যাচ্ছে এবং মানুষের কষ্ট লাঘব করবার জন্য তারা হাজির হচ্ছে নতুনভাবে।

একটি ধানের শিষ
একটি ধানের শিষ

 

আমেরিকার যেসব খামারে ড্রোন দিয়ে কাজ করা হয় তার কিছু অংশ
আমেরিকার যেসব খামারে ড্রোন দিয়ে কাজ করা হয় তার কিছু অংশ

বিজ্ঞানী লংহার্ট ও তার সহকর্মী স্টিভ জোসেফ বলেন যে, আগের আমলে মানুষকে প্রচুর কষ্ট করে জমি চাষ করতে হত এবং ক্ষুধার অন্ন নিবারণের জন্য ফসল ফলাতে হত। এটি ছিল একটি কষ্টকর ও দীর্ঘমেয়াদী প্রক্রিয়া। কিন্তু প্রযুক্তির উন্নতির ফলে এখন এমন অবস্থায় চলে এসেছি যে আমাদের আর কিছু নিয়ে চিন্তাই করতে হয় না। তাহলে কেন আমরা প্রযুক্তির এই সুবিধাটুকু গ্রহণ করব না?পৃথিবীর মানুষের খাবার কি তাহলে প্রযুক্তিনির্ভরই হবে?

সূত্রঃ Techcrunch.com

comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.