স্মার্টফোন গ্রাহকদের কাছে ব্যাটারি রীতিমত আতঙ্কের বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। স্মার্টফোনের ব্যাটারি তার ইনবিল্ট স্পেসিফিকেশনের উপর নির্ভর করলেও এমন বেশ কয়েকটি অ্যাপ রয়েছে, যারা দ্রুত চার্জ নিঃশেষ করে দেয়।  ভুলেও প্লে-স্টোর থেকে এই ৫ অ্যাপ ডাউনলোড করবেন না।

১. ব্যাটারি সেভার অ্যাপস:  প্লে-স্টোরে এমন প্রচুর অ্যাপ রয়েছে যেগুলি র‍্যাম ক্লিন করার, ব্যাটারি সেভ করার প্রতিশ্রুতি দেয়। ভুলেও ওই অ্যাপগুলি ডাউনলোড করবেন না৷ এগুলি ব্যাকগ্রাউন্ডে চলতে থাকে, এমনকী ফোনের স্ক্রিন ‘লকড’ থাকলেও৷

২. সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপস:  ফেসবুক বা হোয়াটসঅ্যাপ-এর মতো সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপগুলি সবসময় ব্যাকগ্রাউন্ডে চলতে থাকে। ইন্টারনেট সংযোগ পেলেই এই অ্যাপগুলি নোটিফিকেশন দেখাতে দেরি করে না। মেসেঞ্জারের মতো অ্যাপ প্রচুর ডেটা ও ব্যাটারি-দুই খরচ করে। পারলে ফেসবুক লাইট ব্যবহার করুন। এতে ব্যাটারি ও ডেটা-দুটোই বাঁচবে।

৩. অ্যান্টি-ভাইরাস অ্যাপস:  ব্যাটারি সেভার অ্যাপের মতো যে কোন অ্যান্টি-ভাইরাস অ্যাপ ব্যাটারির বারোটা বাজিয়ে দেয়। স্পাইওয়্যার খুঁজতে ক্রমাগত ফোনকে স্ক্যান করে যায়। বন্ধ করলেও খানিকক্ষণ পর ফের নিজে থেকেই এই ধরনের অ্যাপগুলি চালু হয়ে যায়।

৪. ফটো-এডিটিং, গেমিং অ্যাপস:  ছবি তুলতে ভালবাসেন ক্ষতি নেই, কিন্তু জেনে রাখুন এডিটিং অ্যাপগুলি কিন্তু স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি ব্যাটারি খরচ করে। শুধু ফটো-এডিটিং অ্যাপই বা বলছি কেন, গেমিং অ্যাপগুলিও কম ক্ষতিকারক নয়।

৫. ইন্টারনেট ব্রাউজার অ্যাপস:  চেষ্টা করুন অপেরা মিনি-র মতো লাইট ব্রাউজিং অ্যাপ ব্যবহার করতে। ডিফল্ট ব্রাউজিং অ্যাপ ছাড়া বাকি ব্রাউজারগুলি ডিলিট করে ফেলুন। প্রশ্ন উঠতেই পারে, উপরের সবকটি অ্যাপ ডিলিট করলে স্মার্টফোনে থাকার মতো অ্যাপ আর রইল কী? সবকটি অ্যাপ ডিলিট বা অন-ইনস্টল করতে আপনাকে বলছি না, কিন্তু ব্যাটারির খরচ কমাতে হলে ওই সব অ্যাপের মধ্যে থেকে যেগুলি সবচেয়ে কম দরকারি-সেগুলি মুছে ফেলুন। তাহলেই দেখবেন আপনার ফোনের ব্যাটারি-লাইফ দীর্ঘায়ু হবে।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here