উনিশ শতাব্দীর পূর্বে দু’জন বিজ্ঞানি এই ব্যাপারে কিছু পরিকল্পনা করে গেছেন। পরবর্তীতে ১৮৯১ সালে আর্জেন্টিনাতে এক জন বিজ্ঞানী (Juan Vucetich) সন্ত্রাসীদের আঙুলের ছাপ ধরে রাখার মতো একটি যন্ত্র সামরিক বাহিনীর হাতে তুলে দেন। তখন থেকেই বায়োমেট্রিক প্রক্রিয়া শুরু হয়। বায়ো শব্দের অর্থ জীবন, প্রাণ। আর মেট্রিক হলো একটি প্যারামিটার যা দিয়ে কোনও কিছুর কাজ করার যে বৈশিষ্ট্য দিয়ে সবার থেকে আলাদা করা হয় তা বুঝানো হয়। এককথায় বায়োমেট্রিক হলো ‘কোনো প্রাণীকে তার যে বৈশিষ্ট্যর জন্য আলাদা করা হয় সেই পদ্ধতি। এটি যেভাবে কাজ করে : মানুষ এবং অন্যান্য প্রাণীর শরীরের কিছু অঙ্গ থাকে যেগুলো একজনের থেকে অন্যজনের সম্পূর্ণ ভিন্ন। যেমন চোখ, ডিএনএ, আঙুলের ছাপ ইত্যাদি। বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে এই ভিন্ন অঙ্গগুলো নিয়ে কাজ করা হয় দুই ধাপে। প্রথম ধাপে অবজেক্টের (যার হাতের ছাপ নেওয়া হবে) হাতের চাপ, চোখের প্রকৃতি বা ডিএনএ নমুনা নেওয়া হয়। শেষ ধাপে অবজেক্টেরের নাম, ঠিকানা, ইত্যাদি নেওয়া হয়। এক্ষেত্রে অবজেক্ট যদি পরে নিজের নাম ঠিকানা পরিবর্তন করে কোনো অপরাধ করে তাহলেও তাকে চিহ্নিত করা সম্ভব

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here