কারেন্ট বায়োলজি সাময়িকীতে প্রকাশিত পৃথক দুই গবেষণাপত্রে বলা হয়, শরীর বিষমুক্ত রাখার জন্য দায়ী কিছু জিনের কারণেই পাখির রঙের ওপর এমন বৈচিত্র্যময় প্রভাব পড়ে। তার মানে লাল রং পাখির শরীরকে শক্তসমর্থ রাখে এবং ক্ষতিকর উপাদান অপসারণ করে।
যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট লুইসে অবস্থিত ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক যোসেফ কোরবো বলেন, পুরুষ পাখির রং যত বেশি লাল, সঙ্গিনী খুঁজে পেতে তারা তত বেশি সফল হয়। অনেক পাখি প্রজাতির মধ্যে এমনটা দেখা যায়।
ক্যানারি বার্ড ও জেব্রা ফিঞ্চ নামের পাখিরা নানা রকমের বীজ, ফলমূল ও পোকামাকড় খায়। এসব খাবারের প্রভাবেই তাদের শরীরে হলদে রঞ্জক পদার্থ তৈরি হয়, যার নাম ক্যারোটিনয়েড। কিছু পাখি এই হলদে অণুগুলোকে লাল রূপ দিতে পারে, নাম কেটোকেরোটিনয়েড। এ ক্ষেত্রে লাল ও হলদে পাখিরা নিজেদের চোখে সক্রিয় কিছু এনজাইম ব্যবহার করে। একই প্রক্রিয়ায় তাদের পালক ও ত্বক লাল হয়ে যায়।
যুক্তরাজ্যের কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ নিক মান্ডি বলেন, ওই পাখিরা যে জিনের কারণে লাল রং দেখতে পায়, সেই একই জিন তাদের শরীরের রং বদলাতে সহায়তা করে। ব্যাপারটা নিঃসন্দেহে বিস্ময়কর।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here