বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম

আজ আপনাদের সাথে কিছু মজার তথ্য শেয়ার করতে বসলাম । এখানে অনেক মজার তথ্য আছে যা আপনি জানেন না ।তাই সময় থাকলে একবার পড়ে নিতে পারেন । চলুন তাহলে শুরু করি ।আমার প্যাচাল না শুনে এবার তথ্যগুলো জেনে নেওয়া যাক ।

১। কি-বোর্ডের একটি সারির অক্ষরগুলো ব্যবহার করে লেখা সবচাইতে বড় শব্দ কি হতে পারে ? আপনাদের চিন্তা করতে হবে না । আর চিন্তা করে বের করাটাও এত সহজ না ! আমিও বের করতে পারি নি । কি-বোর্ডের যেকোন এক সারির অক্ষরগুলো ব্যবহার করে লেখা সবচাইতে বড় শব্দ TYPEWRITER ।

২ ।অজ্ঞান হয়ে উল্টে পড়ার সময় পিপঁড়ারা সবসময় তাদের ডান দিকে পড়ে। কাজেই কোন পিপঁড়াকে যদি বাম দিকে উল্টে থাকতে দেখেন, তাহলে বুঝে নিবেন পিপড়াটি নিশ্চয়ই স্কুল ফাঁকি দেবার জন্য অজ্ঞান হবার অভিনয় করছে।

৩ । সবচেয়ে জোরে শব্দ করে কোন প্রানী ? আপনার উত্তরটা আমিই দেই । আপনি বলবেন “মেয়েরা” । কেননা মেয়েদের ওই কর্কশ গলার চিল্লানি যেকোন প্রানীর সাথে প্রতিযোগিতা করবার জন্য যথেষ্ট । কিন্তু বিজ্ঞান বলছে অন্যকথা । নীল তিমি প্রাণীদের মধ্যে সবচেয়ে জোরে শব্দ করতে পারে। পরস্পর ভাববিনিময়ের সময় ওরা যে শিস দেয়, সেটা ৫৩০ মাইল দূর থেকেও শোনা যায়।

৪ । জানার জন্য NEWS আমাদের কাছে অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটা মাধ্যম । তাই এখনো আমরা ঘরে বসে জানতে পারি কোথায় কি ঘটছে । উত্তর,দক্ষিন,পূর্ব,পশ্চিম অর্থাৎ চারপাশে কি ঘটছে তা আমরা নিউজের মাধ্যমেই জানতে পারি । আর তাই  North, East, West, South এর প্রথম অক্ষরগুলো নিয়েই নিউজ নামকরন করা হয় ।

৫ । যারা টেলিভিশন এর পোকা,তাদেরকে টিভি দেখার জন্য গালি শুনতে হয় কিংবা যাদের ইন্টারনেট চালানোর জন্য অনবরত বকা খেতে হচ্ছে তাদের জন্য একটা সুখবর আছে । আর তাহলো মানুষ ঘুমিয়ে বেশি ক্যালরি খরচ করে বসে বসে টেলিভিশন দেখার চেয়ে । তাহলে…………………তাহলে আর কি এবার থেকে যে সময়টা আপনি ঘুমান সেই সময়টা নাহয় টিভি দেখে আর টেকটিউনস ভিজিট করে কাটিয়ে দিন তাহলে ক্যালরি খরচ হবে কম । তবে শরির খারাপ হলে লেখক দায়ী থাকিবে না ।

৬ । বলুনতো পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট ইংরেজী বাক্য কি ? অনেকেই বুঝে ফেলেছেন নিশ্চই । সবচেয়ে ছোট অর্থপূর্ণ বাক্য হল “I Am”

JEEP গাড়ি প্রথম তৈরি করা হয় ২য় বিশ্ব যুদ্ধের সময়। তখন এর নাম ছিলো “Gerenal Purpose Vehicle” বা  GP. কালক্রমে GP শব্দটি পরিবর্তিত হয় JEEP এ।

৮ । আমরা প্রতিদিন সকালে গলায় দড়ি দেই । তবে কথাটা Colgate টুথপেস্ট ব্যবহারকারীদের জন্য প্রযোজ্য ।কেননা স্প্যানিস ভাষায় Colgate অর্থ হলো “ নিজের গলায় দড়ি দাও” ।

৯। পৃথিবীর মানুষের সাথে অন্যন্য গ্রহের প্রানীদের প্রধান পার্থক্য হাসি । কে হাসতে ভালোবাসেনা বলুন । সবাই হাসতে ভালোবাসে । কিন্তু জানেন হাসতে হলে আপনাকে কয়টি পেশি ব্যবহার করতে হয় ? উত্তরটা আমিই দিলাম । প্রতিবার হাসার সময় মুখের কমপক্ষে ৫ জোড়া মাংশপেশী আমাদেরকে ব্যবহার করতে হয়। আর বেশী হাসি পেলে তো মোট ৫৩টা পেশী লাগবে।
১০ । না খেয়ে মরার চেয়ে না ঘুমিয়ে আপনি আগে আগে মরতে পারেন । কেননা আপনি ১০ দিন না ঘুমালে মারা যেতে পারেন । তাহলে যারা মারা যেতে চান তারা ১০ দিন না ঘুমিয়ে কাটান । আর যারা সারাটা রাত ফোন করে কাটিয়ে দেন তাদের জন্য এটা একটা দুঃসংবাদ !!! তারা এই পোস্টটি দ্বারা রোমিওদের সাবধান করা হলো ।

১২ । ওয়াল্ট ডিজনিকে চেনেন তো? তিনিই  মিকি মাউসের স্রষ্টা। কিন্তু এটা কি জানেন যে তিনি নিজেই ইঁদুর মারাত্মক ভয় পেতেন।

 

১৩। মোনালিসার ছবি দেখেন নাই এমন কাউকে হয় তো বা আর পাওয়া যাবে না । তার ওই রহস্যময় হাসির জন্য জন্য তিনি এখনও মানুষের হৃদয় ছুয়ে আছেন । কিন্তু লক্ষ্য করেছেন যে তার ছবিতে কোন আইব্রো আছে কিনা ? উত্তরটা নিজেই বের করুন ।

১৪ । আমরা ভূলকরেও একচোখ খোলা রেখে ঘুমাই না । কিন্তু জানেন কি ডলফিন একচোখ খোলা রেখে ঘুমায়। আপনিও চেষ্টা করে দেখেন তো পারেন কি না ? যদি পারেন তাহলে টেকটিউনস আর ভিজিট কইরেন না কিন্তু না পারলে প্রতিদিন টেকটিউনস ভিজিট করতেই হবে  :D

১৫ । মানুষের শরীরের রক্ত শরীরের ভেতর প্রতিদিন ১৬ লাখ ৮০ হাজার মাইল সমান পথ অতিক্রম করে।

১৬ । স্টোনফিশ(সোর্ডফিস নয়) নামের একটি মাছ পাওয়া যায় অস্ট্রেলিয়ার তীর ঘেঁষে। এই স্টোনফিশের শরীর পাথরের মত শক্ত কিনা জানি না, পৃথিবীর সবচেয়ে বিষাক্ত মাছ কিন্তু এটাই।

১৭ । পানি না খেয়ে বাচা যায় না এটা ঠিক ।তবুও কোন যায়গায় তেষ্টা পেলে কলাই আপনার চেস্টা মেটাবে । কেননা একটি কলার শতকরা পঁচাত্তর ভাগই পানি। তাই আপনি যদি ছোট্ট এক গ্লাস পানির বদলে এক গ্লাস কলা খাবো বলেন তাহলে কিন্তু খুব একটা ভুল হবে না! এছাড়া আপেলেরও ৮৪ ভাগই পানি।

১৮ । জানেন কি হিমালয় পর্বতের পানির পরিমাণ প্রতিবছরে ৪ মিমি বাড়ছে । বিশ্বাস না হলে নিজে পরিমাপ করে দেখুন ।

১৯ । মানুষের নখ প্রতিদিন ০.০১৭১৫ ইঞ্চি করে বাড়ে। তাই আজই হিসেব করে রাখুন কতদিন পরপর নখ কাটবেন ।

২০ । পিঁপড়েও চিরুনি ব্যবহার করে। শুধু কি তাই ওরা নিজের কাছে চিরুনি রাখেও সবসময় সামনের দুপায়ের ভাঁজের কাছে। যা দিয়ে প্রয়োজন মতো নিজেকে একটু পরিপাটি করে নেয়।

এগুলো আমার গবেশনা করা নয় ( আমি নিজে এগুলো বের করতে পারলে ডঃ ইউনুস আর আমার আগে নোবেল প্রাইস পায় কিভাবে ) । সব গুগল মামার কাছে ধার করা । তাই ভূলত্রুটি থাকলে লেখক দায়ী নয় ।

ফেইসবুকে আমি

comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.