গত প্রায় এক বছর ধরে আইফোন এবং থ্রিজি আইপ্যাড গোপনে ব্যবহারকারীদের অবস্থান রেকর্ড করে চলেছে। দু’জন সিকিউরিটি বিস্লেষক এর এক রিপোর্টে এই তথ্যই বেরিয়ে এসেছে সম্প্রতি। ব্যবহারকারীর অবস্থান রেকর্ড করে ডিভাইসগুলো একটি ফাইল তৈরি করে যার কপি থাকে সেই ডিভাইসে এবং সেটিকে সংযুক্ত করা কম্পিউটারে।

সফটওয়্যার হ্যাকার Peter Warden এবং Alasdair Allen আইওএস ৪ সফটওয়্যার এর ভেতর এনক্রিপ্টেড নয় এমন একটি ফাইল খুঁজে পান। ফাইলটি পর্যবেক্ষন করে দেখা যায় সেখানে বিভিন্ন স্থানের অবস্থান দাগ দিয়ে চিহ্নিত করা রয়েছে এবং একটি ম্যাপ আকারে দেখার সুযোগ রয়েছে।

এ ব্যাপারে ‘দ্যা গার্ডিয়ান’ কে Warden জানান,

“At first we weren’t sure how much data was there, but after we dug further and visualized the extracted data, it became clear that there was a scary amount of detail on our movements,”

গত বছর জুনে আইওএস ৪ বের হওয়ার পর থেকেই আইফোন ব্যবহারকারীদের বিভিন্ন অবস্থান “consolidation.db” নামক একটি ফাইলে রেকর্ড করে চলেছে ব্যবহারকারীর অজান্তে। Allan এবং Warden মনে করেন সেলফোন টাওয়ার হতে পাওয়া তথ্য দিয়েই ব্যবহারকারীর অবস্থান চিহ্নিত করা হোত। যদিও সব সময় সঠিক অবস্থান পাওয়া যেত না, তবে মোটামুটিভাবে অবস্থানগুলো জানা যেত।

কি কারনে এপল এই কাজটি করছে এই ব্যপারে এখনো কিছু জানা না গেলেও অনেকেই বলছেন এটি উদ্দেশ্যমূলক। এপলকে এই ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলেও তারা কোন উত্তর দেয়নি। তবে অনেকের মতে এটি খুবই গুরুত্বপূর্ন একটি নিরাপত্তা ইস্যু এবং এপলকে এই ব্যাপারে সামনের দিকে আইনি ঝামেলায় পড়তে হতে পারে।

comments

4 কমেন্টস

  1. কিন্তু সেই তথ্য কি অনলাইনে অন্য কারো কাছে গিয়েছে কিনা সেটাই দেখার বেপার। নিজের ফোনে থাকলে সেটি একটি সুবিধাই বলা চলে। 💡 ফোনটি নিয়ে কোথায় কথায় গেলাম তা ইতিহাস হয়ে থাকলো :mrgreen:

    • অনলাইনে এপল এটি সংরক্ষন করছে না যদিও, তবে কোন থার্ডপার্টি এপ্লিকেশন এই ফাইলের খোঁজ পেয়ে গেলে নিরাপত্তা সংক্রান্ত সমস্যা দেখা দিতে পারতো।

      • সেটা সেই থার্ট পার্টি সফটওয়্যারের সমস্যা হিসেবে দেখা হবে।
        তবে এপল এই এপ্লিকেশনের ইউজার ইন্টারফেসটা উম্মুক্ত করে রাখলেই পারতো। তবে সম্পূর্ণ বেপারটির প্রচার একটি ব্যবসায়ীক প্রতিদন্ডিতার বেপার বলেই আমার মনে হয়।

  2. আসলে প্রযুক্তির উন্নয়নের সাথে সাথে এর ব্যবহারকারীদের তথ্য নিরাপত্তার ঝুকি রাড়ছে প্রতিনিয়তই। ভাল অথবা মন্দ যেকাজেই ব্যবহারকারীর তথ্য নেয়া হোক না কেন, সেটা জানায় নেয়াটাই উচিৎ। এর দরুন অন্তত্য ব্যবহারকারীরা জানবে যে কোথায় তথ্য ব্যবহার হচ্ছে। আর মন্দ কাজে কেউ তার তথ্য দিবে না এটা বলার অপেক্ষা রাখে না। 😀

    যারা না বলেই তথ্য নিচ্ছে তারা কি কারনে নিচ্ছে এটাও অজানা। যার ফলে সেই প্রতিষ্টানকে অচিরেই আইনের সামনাসামনি হতে হবেই হবে। শুধু এ্যাপেল না আরো বেশকিছু প্রতিষ্টানই ব্যবহারকারীর তথা চুরি করছে অবাধে। 🙁

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.