কম্পিউটার মাউস, আমাদের মত ছেলেদের সবচেয়ে কাছের জিনিস। দিন দিন কীবোর্ডের ব্যবহার কমছে আর মাউসের ব্যবহার বাড়ছে। বর্তমানে আমরা কম্পিউটারের বেশিরভাগ কাজই মাউস দিয়ে করে থাকি। বর্তমানে অবশ্য সব ল্যাপটপের সাথে টাচপ্যাড আছে। তারপরও অনেকেই ট্র্যাডিশনাল মাউসেই বেশি অভ্যস্ত।

think-like-a-blogger1আজকে আমরা যে সব মাউস ব্যবহার করি তা একবারেই আসেনি। এটা ১৯৬৩ সালে উদ্ভাবিত মাউসের ধারাবাহিক উন্নয়ন এবং ইভোলিউশন। ঠিক ওই সময়ই প্রথম মাউসের প্রটোটাইপ উদ্ভাবন করেন Douglas Engelbart এবং তার সহকর্মী Bill English, জায়গাটা ছিল Stanford Research Institute।

mouse1_thumbএর প্রায় দীর্ঘ নয় বছর পর ১৯৭২ সালে Bill English (সহ-উদ্ভাবক) মেকানিকাল বল সহ মাউস তৈরী করেন যা XEROX PARC এর সাথে কাজ করত। এই মাউসটার একটা রোলার বল ছিল যা দিয়ে সহজে মসৃণ জায়গার উপরে নড়াচড়া করতে পারত।

DW-mouse2_thumbএরপর প্রযুক্তির অগ্রগতির সাথে সাথে রোলার বল মাউসের জায়গা করে নিল অপটিকাল মাউস। অপটিকাল মাউসে লাইট এমিটিং ডায়োট এবং ফটো ডায়োট ব্যবহার করা হয়। রোলার বল মাউসের চেয়ে এই মাউস ব্যবহার সুবিধাজনক, কারণ সারফেসের সাথে সরাসরি সংযোগ না থাকায় এটা ব্যবহার করার জন্য কোন নির্দিষ্ট জায়গা প্রয়োজন হয় না।  রোলার বল মাউসের চেয়ে এটা টেকেও বেশিদিন।  আর এটা এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত মাউসও বটে।

DW-mouse3_thumbএরপর রোলার বল এবং অপটিকাল মাউসকে হটানোর জন্য মার্কেটে আসল ওয়্যারলেস অপটিকাল মাউস। যখন এটা কোন নড়াচড়া সনাক্ত করে তখন ইনফ্রারে, রেডিও ওয়েভ এমনকি ব্লুটুথও ব্যবহার করে কম্পিউটারের সাথে যোগাযোগ করে। রিসিভারটা সাধারণত খুব ছোট একটা ডিভাইস হয় যা সিরিয়াল পোর্ট বা ইউএসবি দিয়ে কম্পিউটারের সাথে যুক্ত করা হয়। এই ধরণের মাউস দিয়ে কাজ করার জন্য আলাদা ব্যাটারীর প্রয়োজন হয়। সাধারণত রিচার্জেবল ব্যাটারীই ব্যবহার করা হয়।

DW-mouse4_thumbআর এটা হচ্ছে হাল জামানার স্টাইলিশ কম্পিউটার মাউস।

DW-mouse5_thumb

ধন্যবাদ সবাই, ভাল থাকবেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here