২০১০ সালের ২৬ ডিসেম্বর থেকে ২০১১ এর ২৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত তিন মাসে এপলের মুনাফার পরিমান ছিল প্রায় ২৪.৬ বিলিয়ন ডলার। এর কতভাগ আইফোন থেকে হতে পারে বলে আপনার ধারনা? ২০%? অথবা ৩০%? নাহ, পুরো ৫০% মুনাফাই এসেছে আইফোন এবং আইফোন সম্পর্কিত পন্য ও সেবা থেকে। এপলের সর্বশেষ আয় বিবরনী থেকে এমন তথ্যই পাওয়া গেছে।

গত তিন মাসের এই কোয়ার্টারে এপল প্রায় ১৮.৬৫ মিলিয়ন আইফোন বিক্রি করেছে বিশ্বব্যাপী। আর এটি তাদের আগের আইফোন বিক্রির রেকর্ডও ভেঙ্গে ফেলেছে। এতগুলো আইফোন বিক্রি করে তারা মুনাফা অর্জন করেছে প্রায় ১২.৩ বিলিয়ন ডলার যা তাদের মোট অর্জিত মুনাফার প্রায় অর্ধেক।

তবে এটি শুধুমাত্র আইফোনের হার্ডওয়্যার বিক্রি থেকে নয়, বরং আইফোন সম্পর্কিত অন্যান্য পন্য এবং সেবা থেকে অর্জিত মোট মুনাফা। আইফোন থেকে এপলের মুনাফা অর্জনের পরিমান প্রতিটি কোয়ার্টারেই বেড়ে চলেছে। এর আগের দু’টি কোয়ার্টারে আইফোন থেকে তাদের আয় ছিল যথাক্রমে ৩৩% এবং ৩৯% যা এবার ৫০% ছুঁয়েছে।

বাজারে স্যামসাং এবং এইচটিসি এর মত স্মার্টফোন নির্মাতা থাকলেও কেন আইফোনের এই জনপ্রিয়তা? এক্ষেত্রে বলা যায় এপল আর দশটি সাধারন কোম্পানীর মত নয়। তারা বরাবরই ভিন্ন এবং নতুন কিছু দিতে চেস্টা করেছে। আর এ কারনেই এপল বর্তমানে প্রযুক্তি দুনিয়ার সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্র্যান্ড। বেশ কিছু দিন আগে একটি পোস্ট দিয়েছিলাম যেখানে আলোচনার চেস্টা করেছি বাজারে নিত্য-নতুন ট্যাবলেট বের হলেও কেন আইপ্যাডের কোন প্রতিদ্বন্দী নেই। আর এককভাবে সবচেয়ে জনপ্রিয় স্মার্টফোনও আইফোন এবং খুব তাড়াতাড়ি এই অবস্থান থেকে সরে যাওয়ারও কোন আশংকা নেই।

comments

2 কমেন্টস

  1. বিধাতা যাকে যা দেয়নি তাকে সেই অভাব পূরণের বিকল্প পদ্ধতি দিয়েছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.