ইন্টারনেটের জালে আজ গোটা বিশ্ব আবদ্ধ। ইন্টারনেট ছাড়া জীবন ভাবাটাই দায়।আর ওয়াই-ফাই  -এর দৌলতে তা আরও হাতের মুঠোয়। কিন্তু, এই  ওয়াই-ফাই  কি  শরীরের জন্য ক্ষতিকর নয়? এত বেশি WiFi ব্যবহারের কোনো প্রভাব কি আমাদের শরীরে পড়ে না?

কোনো ডিভাইস-এর সঙ্গে  ওয়াই-ফাই কে  কানেক্ট করতে হলে কেবল লাগে না। WLAN-এর মাধ্যমে তা কানেক্ট করা হয়। এই WLAN সিগন্যাল বা ইলেক্ট্র ম্যাগনেটিক ওয়েভ মানব শরীরের জন্য স্বাস্থ্যকর মোটেই নয়। বরং এর জেরে মানব শরীরের বৃদ্ধির ক্ষতি হয়। সম্প্রতি এমনই দাবি করেছে এক ব্রিটিশ হেলথ্ এজেন্সি। শুধু প্রাণী নয়, উদ্ভিদও এর প্রভাব থেকে বাঁচতে পারে না।

WLAN-এর সিগন্যালের ফলে যে ল্যুপ সৃষ্টি হয়, তার প্রভাব অত্যন্ত ক্ষতিকর। এর ফলে নিম্নের সমস্যাগুলি দেখা যেতে পারে –

১।মনোযোগের সমস্যা

২।ঘুমের সমস্যা

৩।মাঝেমধ্যেই মাথা যন্ত্রণা

৪।কানে ব্যথা

৫।ক্লান্তি

অথচ  ওয়াই-ফাই -এর ব্যবহার সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করা হয়ত এখনই সম্ভব নয়। তবে তা WiFi-এর কু-প্রভাব কমানোর কিছু উপায় রয়েছে।

১. বেডরুম বা রান্নাঘরে  ওয়াই-ফাই  -এর রাউটার বসাবেন না।

২. যখন ব্যবহার করছেন না WiFi বন্ধ রাখুন

৩. মাঝেমধ্যে কেবল-এর সাহায্যে ফোন ব্যবহার করুন। ওয়াই-ফাই  বন্ধ রাখুন সে সময়ে।

৪. শোওয়ার সময় ওয়াই-ফাই কানেকশন বন্ধ রাখুন।

ব্রিটিশ হেলথ্ এজেন্সির পক্ষে দাবি, বিভিন্ন পরীক্ষার মাধ্যমে দেখা গেছে, উক্ত পদক্ষেপে  ওয়াই-ফাই -এর প্রভাব কমানো সম্ভব। তাই আপনার বাড়িতে  ওয়াই-ফাই  থাকলে, আপনিও শুরু করুন।

 

 

comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.