অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করতে কি কি জানতে হয়?

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হচ্ছে, অন্য কারো কোন প্রডাক্টকে কমিশনের বিনিময়ে বিক্রি করে দেওয়া/লিড পাইয়ে দেওয়া। বর্তমানে বিভিন্ন মার্কেটপ্লেস আছে যারা ফিজিক্যাল ও ডিজিটাল প্রডাক্ট অ্যাফিলিয়েট মার্কেটারদের প্রমোশনের মাধ্যমে তাদের পণ্য বিক্রি করার সুযোগ দিয়ে থাকে।  অন্যতম মার্কেট প্লেস হচ্ছে অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম, ক্লিক ব্যাংক, সিপিএ এম্পায়ার, শেয়ার এ সেল, কমিশন জাংশন ইত্যাদি।

10644910_582521591859640_6397149738971031514_n

শুরু করতে যাচ্ছেন দেখে নিন!

অনেকেই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং ভিন্ন ভিন্ন প্রসেসে করে থাকেন। প্রডাক্ট, টার্গেট মার্কেট এবং প্রমোশন স্ট্রেটেজির উপর ভিত্তি করে একেক জনের একেক স্টাইল। কেউবা ডিরেক্ট প্রডাক্ট প্রমোট করে কিংবা কেউ ইনফরমেশন বা রিভিউ বেসড সাইট তৈরি করে আবার অনেকেই শুধু মাত্র প্রডাক্টের উপর ল্যান্ডিং পেজ ক্রিয়েট করে সেটা লিড ক্যাপচার করে প্রমোট করার মাধ্যমে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে থাকে। তাই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করতে হলেই অনেক কিছু জেনে নিয়ে কাজে নামতে হবে যেমন, কোন প্রডাক্ট বাছাই করবো, কেন বাছাই করবো? এই প্রডাক্ট গুলো কিভাবে টার্গেটেড ট্রাফিকের উপস্থাপন করতে হবে এবং  কিভাবে প্রমোট করতে হবে ইত্যাদি।

আচ্ছা যদি ইনফরমেশন বেসড ওয়েব সাইট তৈরি করতে চাই?

হুম। বন্ধুরা আমি বর্তমানে অ্যাফিলিয়েটে কাজ করছি রিভিউ বা ইনফরমেশন বেসড ওয়েব সাইট নিয়ে। ইনফরমেশন বেসড সাইটগুলোতে মূল লক্ষ্য থাকে ট্রাফিককে তাদের অজানা বিষয়ে গাইড করা, বিভিন্ন বিষয়ের উপর নিজস্ব রিভিউ জানানো। এই ধরনের সাইট গুলোতে অনেক অনেক কন্টেন্ট থাকে আর মূল ট্রাফিক স্ট্রেটেজিই তৈরি হয় সার্চ ইঞ্জিনকে টার্গেট করে, কেননা নিশ বাছাই এর সময়ই এমন নিশ খোজা হয় যেখানে টার্গেট মার্কেট সার্চ করে এবং ইনফোরমেশন খোজে।

এই ধরনের ইনফরমেশন বেসড ওয়েব সাইট তখনি ভালো করে যখন পর্যাপ্ত পরিমানে ট্রাফিক সার্চ ইঞ্জিন থেকে আসে। সার্চ ইঞ্জিনে ভালো করতে প্রয়োজন হয় সঠিক কিওয়ার্ড রিসার্স এবং কন্টেন্ট। আপনাদের আরও একটা গুরুত্বপূর্ন বিষয় জানিয়ে রাখি, আমি ইনফরমেশন বেসড ওয়েব সাইট নিয়ে তখনি কাজ করি যখন কোন ভালো মানের নিশ পাই, প্রত্যক্ষ ভাবে সেটার মূল মানিটাইজেশন ফিজিক্যাল কোন প্রডাক্ট দিয়ে ই করতে হয় বা করা যাবে। আর ফিজিক্যাল প্রডাক্ট নিয়ে অ্যাফিলিয়েট করতে আমার প্রথম পছন্দ অ্যামাজন এসোসিয়েট! আরও কিছু সুবিধা রয়েছে…

  • অ্যামাজনের বেশির ভাগ প্রডাক্টই ফিজিক্যাল প্রডাক্ট
  • অনলাইনে কেনাকাটার জন্য পৃথিবীর সবচেয়ে বিশ্বস্ত নাম অ্যামাজন ডটকম।
  • এখান থেকে প্রডাক্ট কেনার প্রবণতা ইউজারের অনেক বেশি।
  • কোন ভিজিটরকে অ্যামাজনের যেই প্রডাক্টেই পাঠান সে যেই প্রোডাক্টই ক্রয় করুক না কেন আপনি সেই অ্যামাউন্টের উপর ভিত্তি করে কমিশন পাবেন।
  • ক্রেতা বায়িং ডিসিশন নেয়ার জন্য সাধারণত যে ধরণের তথ্যগুলো প্রয়োজন তা আমাজন ডটকমের প্রোডাক্ট পেইজগুলোতে যথেষ্ট রয়েছে।

আমার ছোট ভাই ও ব্যাবসায়িক পার্টনার আল আমিন কবির এই লেখাতে জানিয়েছেন কেন অ্যামাজন তিনি অ্যামাজান প্রডাক্ট নিয়ে তিনি কাজ করতে পছন্দ করেন।

ইনফরমেশন বেসড ওয়েবসাইট তৈরি করার ভিত্তি গুলো হলো –  নিশ নির্বাচন, কিওয়ার্ড রিসার্চ, প্রডাক্ট নির্বাচন, কন্টেন্ট ডেভেলপমেন্ট, অনপেইজ এসইও,  লিংক বিল্ডিং ও সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং। এই ধরনের সাইট তৈরি করার মেথড নিয়ে আমার সিরিজ লেখাটি পড়তে পারেন এই লিংকে। আশাকরি শুরু করতে পারবেন।

আসুন জেনে নেই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করতে হলে কি কি জানতে হয়…

  • নিশ নির্বাচন
  • কিওয়ার্ড রিসার্স
  • প্রোডাক্ট রিসার্স
  • ওয়েব সাইট তৈরির যাবতীয় প্রসেস
  • কন্টেন্ট ডেভেলপমেন্ট
  • ল্যান্ডিং পেজ বানানো
  • ইমেইল লিস্ট বিল্ডিং
  • কনভার্সন রেট অপটিমাইজেশন (লিংক বিল্ডিং)
  • সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন
  • সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং
  • পেইড মার্কেটিং (অ্যাডওয়ার্ড, ফেসবুক, মিডিয়া বাই প্রভৃতি)

একজন সফল অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার হিসেবে সর্বশেষ আমি আপনাদেরকে এতটুকু বলতে পারি যে উক্ত বিষয় গুলা যদি আপনি ভালো করে আয়ত্ত করতে পারেন তবে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। বর্তমানে আমাদের দেশে এন্ট্রি লেভেলের এমন অনেক মার্কেটার আছে যারা মোটামুটি প্রতিমাসে ১০০০ থেকে ২০০০ ডলার আয় করছে। এবং আমি মনে করি এটি অনেক সম্মান জনক পেশা। আপনাদের শুভ কামনাই আজকের মতো শেষ করছি। আশা করছি পরবর্তীতে আরও কিছু টিপস নিয়ে আপনাদের সামনে আসতে পারবো।

অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং- সফল হবার কিছু কার্যকরী টিপস !

অনেকদিন ধরেই ভাবছিলাম অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং নিয়ে পোস্ট লিখবো, ঠিক সময় করে উঠতে পারছিলাম না। আমার এই পোস্টটি আশা করি আপনাদের উপকারে আসবে।

প্রফিটেবল নিস বাছাই করা- আপনাকে শুরু করতে হবে একটি প্রফিটেবল নিশ বাছাই করার মাধ্যমে। নিশ বাছাই করার সময় আপনার জানাশুনা, এবং কাজ করতে পারবেন এমন বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়া ভালো কাজে লাগে। তবে যখন আপনি কিওয়ার্ড রিসার্চ করবেন তখন অবশ্যই চেষ্টা করবেন যেন আপনার কিওয়ার্ডটা বাইং বা কল টু অ্যাকশন কিওয়ার্ড হয়। আর সার্চ ভলিওম টা দেখবেন ইউ এস এ ভিত্তিক। তাহলে ভালো ফলাফল পাবেন। কারন এখানকার মানুষ সব থেকে বেশি কেনাকাটা করে আর তাই আপনাকে এই লোকেশন টার্গেট করতে হবে।

AmazonLogo_0 (1)প্রোডাক্ট বাছাই করা- আপনি যখন কোন প্রোডাক্ট বাছাই করবেন তখন একটু দেখে নিবেন যে সেই প্রোডাক্টটি এভারগ্রীন প্রোডাক্ট কিনা। মানে আপনি যে প্রোডাক্ট সিলেক্ট করছেন সেটি অন্তত বছর ২ একেক বাজারে চলবে কিনা। যেমন একটি নিদিষ্ট ব্রান্ডের জুতা বা এমন কিছু। তা না হলে দেখা যাবে যে, যেই প্রডাক্টটা বাছাই করলেন ওটার চাহিদা ইউজারের নিকট কমে যাবে।  তাই চেষ্টা করুন এভারগ্রীন প্রোডাক্ট নিয়ে কাজ করতে।

প্রোডাক্ট রেটিং- অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করার ক্ষেত্রে আপনি যে প্রোডাক্ট গুলা প্রমট করবেন সেগুলার রেটিং যেন ভালোহয়। আমি ব্যক্তিগতভাবে বলবো মিনিমাম ৪.০  থাকে আর ম্যাক্সিমাম তো ৫। আর পজিটিভ ইউজার রিভিউ যেন মিনিমাম ৫+ থাকে।

প্রোডাক্ট রিভিউ- আপনার প্রোডাক্ট রিভিউটা এমন হতে হবে যেন আপনি নিজে সেই প্রোডাক্টের ক্রেতা আর আপনি আপনার নিজের অভিজ্ঞতা থেকে রিভিউ লিখছেন। তাহলে দেখবেন আপনার সেল ভালো হবে আর আপনার সাইটের প্রতি মানুষের আগ্রহ অনেক বাড়বে।

প্রোডাক্ট প্রাইস- প্রোডাক্ট প্রাইস এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আপনি যদি খুব কম দামের প্রোডাক্ট প্রমট করেন তবে সেগুলা সেল হলে আপনি খুব বেশি লাভবান হবেন না আবার আপনি যদি তুলনামুলক বেশি দামের প্রোডাক্ট প্রমোট করেন তবে আপনার সেল অনেক কমে যাবে। তাই সব সময় চেষ্টা করবেন যেন প্রোডাক্ট প্রাইস ক্রেতা সাধারণের হাতের নাগালের ভেতরে থাকে। আর আমি  ব্যক্তিগতভাবে  ৬০ ডলার থেকে ২০০ ডলার মূল্যের প্রডাক্ট প্রমট করি।

নতুন আইডিয়া বের করা- আপনি আপনার প্রমট করা প্রোডাক্ট গুলা ভালো করে মনিটর করবেন আর খেয়াল করবেন যে কোন কোন প্রোডাক্ট বেশি সেল হচ্ছে। তখন যেগুলা বেশি সেল হবে সেগুলা নিয়ে বেশি বেশি কাজ করবেন বা ওইরকম প্রোডাক্ট আরও বেশি করে প্রমোট করবেন।

আশা করছি আমার দেয়া আইডিয়া আপনাদের কাজে লাগবে। আর আপনাদের যদি কোন প্রশ্ন থাকে তবে আমাকে করতে পারেন, আমি আপনাদের যথাসাধ্য হেল্প করার ট্রাই করবো। তাহলে আজকের মতো আল্লাহ্‌ হাফেজ আবার দেখা হবে অন্য কোন বিষয় নিয়ে।

নিস সাইট করবো নাকি অথোরিটি?

ব্লগিংয়ে আপনি নতুন, শুরু করতে চাচ্ছেন তবে ভাবছেন কেমন সাইট বানাবেন, নিশ সাইট নাকি অথোরিটি সাইট? তাহলে আমার আজকের এই লেখাটি আপনারই জন্য। আসুন শুরুতেই জেনে নেই নিস সাইট এবং অথোরিটি সাইট কি, কেমন হয় এসব নিয়ে!

নিস সাইট

নিস সাইট তৈরি হয় যেকোনো একটি নিদিষ্ট বিষয় এর উপর ভিত্তি করে, হতে পারে সেটি অ্যামাজন বা অন্য কোন মার্কেটের প্রোডাক্ট ভিত্তিক। নিস সাইট গুলা খুব তাড়াতাড়ি গুগলে রাঙ্ক করানো যায় আর এতে করে সাইট থেকে আর্নিংটা তাড়াতাড়ি আসে। একটি নিস সাইটে সাধারণত দুই ভাবে আর্নিং হয়ে থাকে, ১ গুগল অ্যাডসেন্স ২ অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং থেকে। এছাড়াও অনেকেই অনেক ভাবেই সাইট মানিটাইজ করে।

অথরিটি সাইট

যখন কেউ আথরিটি তৈরি করে তখন সে যেকোনো একটি বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা। এক্ষেত্রে তার চিন্তা ভাবনা থাকে সুদূর প্রসারী। সে চায় তার একটি ব্র্যান্ড প্রতিষ্ঠা করতে। নিস সাইটের মতো খুব অল্প সময়ে আর্নিং না আসলেও সময়ের ব্যাবধানে সে অনেক ভালো ফিডব্যাক পেয়ে থাকে।

niche-vs-authorityআমার কিছু কথা!

কিছু মানুষের কথা শুনে আমাদের মধ্যে একটা ধারনা কাজ করে, অথরিটি সাইট তৈরি করার চেয়ে নিশ সাইট নিয়ে নামাই ভালো, হয়তো তাদের কাছে অনেক যুক্তিই আছে। জানি খুব অবাক হবেন যদি বলি, বাংলাদেশে আমরা নিশ সাইট নিয়ে যখন মেতে উঠলাম (২০১২-১৩ মাঝামাঝি) তারও ২/৩ বছর আগে বাহিরের মার্কেটারটরা এর ক্রিম সম্পূর্ণ নিয়ে ফেলেছিলো।

আমি আর আমার বন্ধু যখন শুরু করেছিলাম নিশ ব্লগিং/ব্যবসায় তখনো এখানে তেমন সাড়া পড়েনি। সর্বোপরি সার্চ ইঞ্জিন গুলোর বেশ কিছু পরিবর্তনের সাথে সাথে কৌশল গুলোও কম কাজ করছে। আমি এমন অনেক নিশ সাইট বিল্ডারকে দেখেছি যারা এখন নিশ বাদ দিয়ে অথোরিটি ব্লগিং নিয়ে কাজ শুরু করেছেন। জানি, পাশাপাশি কাজ করছেন নিশ সাইটের নতুন কৌশল রপ্ত করা নিয়ে, নিয়মিত চালিয়ে যাচ্ছেন এক্সপেরিমেন্ট।

ব্লগিং শুরুর দিকে নিজের ব্লগে টেক বিষয়ে নিয়মিত লেখালেখি করতাম, ব্লগিং এর বিভিন্ন বিষয় গুলো জানাশুনা বাড়লো পাশাপাশি প্রমোশন স্ট্রেটেজি গুলো আয়ত্ব আনতে বেশ বেগ পেতে হয়েছে তাই তখন আমরা দীর্ঘ মেয়াদি প্লানে এগিয়েছি। নিয়মিত shamimnasir.com এ লিখতাম আমি, এছাড়াও বেশ কয়েক বছর আমার পছন্দের এড়িয়া “টেক্স টাইল” বিষয়ক ব্লগে লিখেছি, আস্তে আস্তে অথোরিটি ব্লগ দ্বার করিয়েছি, সফলতা আসতে লাগলো। নিশ সাইট নিয়ে তখনো ভাবিনি, কারন আমার জানার শুনার স্টেজ প্রাইমারিতে। নিজেকে সময় দিতে চেয়েছি… শুরু বছর ২ পরেই যখন অভিজ্ঞতা বাড়তে লাগলো, নিশ থিওরি গুলো রপ্ত করলাম, প্রমোশন স্ট্রেটেজি গুলো নিয়ে বিস্তারিত বুঝলাম শুরু করলাম নিশ সাইট!

এখানে একটা কথা বলে নেওয়া ভালো, আমরা তখন ব্যক্তিগত ভাবে কাউকে পাইনি যিনি নিশ সাইটের ব্যাপারে সারাসরি গাইড করবেন। আমি নিজেই প্রথম ২/৩ টা প্রজেক্টে খুব একটা সফলতা পাইনি, অনেক গুলো কারনে। তবে এখন দিন পাল্টিয়েছে, অনেক ব্লগ আছে যারা নিয়মিত নিশ ব্লগিংয়ের স্ট্রেটেজি, ক্যাস স্ট্যাডি শেয়ার করছে পাশাপাশি নিয়মিত লিখে যাচ্ছেন। বাংলাদেশের অনেক ছেলেই এখন নিশ ব্লগিং করছেন। বেশ ভালোও করছেন এমন অনেকের সাথেই পরিচয় আছে আমার। আমি নিজেও অনেককে পার্সোনালি, অফিসিয়ালি শিখিয়েছি।

niche-marketing-destroyed

নিশ সাইট নাকি অথোরিটি সাইট, কোনটা ভালো হবে?

আমি লেখাটিতে চেষ্টা করবো যুক্তি দিয়ে নিশ সাইট ও অথোরিটি সাইট তৈরির পজিটিভ দিক গুলো তুলে ধরতে। এবং সর্বোশেষ আপনার ব্যক্তিগত প্রেক্ষাপট কি কি হতে পারে সেটার উপর ভিত্তি করে কোনটা আপনি শুরু করবেন সেই বিষয়ে আমার নিজে মতামত ব্যক্ত করবো।

অথোরিটি সাইটের পক্ষে যুক্তি…

# অথোরিটি সাইট মানেই ব্রান্ড

– যখন কেউ অথোরিটি সাইট বানাবে তার লক্ষ হবে একটি ব্রান্ড প্রতিষ্ঠা করা এবং স্থায়ি ভাবে সেই সাইট থেকে আয় জেনারেট করা। আমার কাছে মনে হয় নিচের এই কারন গুলো আমাকে ব্রান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে যা আস্তে আস্তে আমাকে অথোরিটিতে রুপান্তর করবে। পয়েন্ট গুলো দেখুন…

  • অথোরিটি সাইটে বিষয় ভিত্তিক অনেক ইনফরমেশন/কন্টেন্ট থাকবে। মানুষ চাহিদা মত তাদের তথ্যবহুল কন্টেন্ট খুঁজে নিবে। প্রোডাক্ট ভিত্তিক হলে, লিস্টে অনেক অনেক প্রোডাক্ট থাকবে এবং ক্রেতারা যাচাই বাছাই করে পছন্দমত প্রোডাক্ট কিনতে পারবে।
  • অনেক গুলো নিশকে বাছাই করে ক্যাটাগরি করে এগুনো যাবে।
  • বিষয় ভিত্তিক এবং নিয়মিত কন্টেন্ট ডেভেলপের ফলে ইউজারদের এঙ্গেজমেন্ট বাড়বে সাথে সাথে তারা নির্ভরযোগ্য সাইট হিসেবে সাইটটা অন্যের কাছে রেফার করবো।
  • কন্টেন্ট এরিয়া বড় হওয়ায় অনেক বেশি ট্রাফিক পাওয়া যাবে, আর ট্রাফিক বাড়লে আয়ও তুলনামূলক বৃদ্ধি পাবে।
  • ট্রাস্টেড সাইট কিন্তু সব সময়ই অন্যরের রিকমেন্ডেশন পায়, যা আয় বাড়াবে নিঃসন্দেহে।
  • এক কথাই বলতে গেলে অথোরিটি সাইট হচ্ছে কচ্ছপের মতো আর দিন শেষে কিন্তু খরগোশের তুলনায় কচ্ছপই বিজয়ি হয়। :)

# দেরি হলেও রিটার্ন ভালো আসে

শুরুতে একটি অথোরিটি সাইট বানাতে কিন্তু আপনাকে খুব বেশী ইনভেস্ট করতে হয় না, তুলনামূলক সময় দিতে থাকলে আয় অনেক বেশি হয়।

# নতুনদের জন্য নিস সাইট কিন্তু একটু রিস্কি

কি আমার কথা শুনে অবাক হচ্ছেন? হা এটাই সত্য কথা। কেন রিস্কি?

  • আপনার অভিজ্ঞতা নেই বললেই চলে। নিশ সাইট তৈরিতে যেমন স্ট্রেটেজিক প্লান আর কাজের অভিজ্ঞতা প্রয়োজন সেটার তুলনায় আপনার জ্ঞান অপ্রতুল।
  • নিত্যই সার্চ ইঞ্জিন গুলোর অ্যালগোরিদম পরিবর্তন হচ্ছে, প্রাইমারি কিওয়ার্ডে বেশি দিন যে আপনি টিকে থাকতে পারবেন অথবা প্যানাল্টি খেলে ব্যক করতে পারবেন সেটা কিন্তু নিশ্চিন্তে বলা যাবে না।
  • গুরুত্বপূর্ন সময়ে মানিটাইজের ঝামেলায় ভুগতে পারেন।
  • অনেক সময় ডিরেক্ট কোন প্রডাক্ট নিয়ে কাজ করতে গেলে মার্কেটপ্লেসে প্রডাক্ট এভেইলএবল নাও থাকতে পারে।

এক্ষেত্রে অথোরিটি সাইট শুরু করা অনেক এগিয়ে আছে। আমি শুধু এত টুকুই বলবো আপনি যথেস্ট সময় পাবেন নিজেকে শুধরে নিয়ে ওয়েবমাস্টারিও ভাষায় এগিয়ে চলতে।

চলবে…

থ্রিজি নেটওয়ার্ক না থাকলেও যেভাবে থ্রিজি ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারেন!

মোবাইল কোম্পানি গুলো ইতিমধ্যে প্রচার শুরু করেছে ৬৪ জেলা থ্রিজি নেটওয়ার্ক এর আওতায় এনেছে, কিন্তু দু:খজনক হলেও সত্য শহরের আশপাশের মানুষ তো থ্রিজি ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারছেনই না, বরং শহরেও অনেকের ক্ষেত্রে থ্রিজি ইন্টারনেট চালাতে সমস্যা হচ্ছে।

যারা নিজের এলাকায় দুর্বল সিগনালের কারণে কিংবা একেবারেই কোন নেটওয়ার্ক না থাকার কারণে থ্রিজি ব্যবহারের সুযোগ পাচ্ছেন না তাঁরা এই পদ্ধতিটি ব্যবহার করে সহজেই থ্রিজি ইন্টারেনট ব্যবহার করতে পারেন। আরও জানুন…

ড্রাইভিং লাইসেন্স করবেন কিভাবে? ধাপসমূহ!

প্রথমে শিক্ষানবনীশ লাইসেন্স!

গাড়ির ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার জন্য গাড়ি চালনার পরীক্ষায় অংশগ্রহণের আগে শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স সংগ্রহ করতে হয়। পেশাদারি ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য ২০ বছর এবং অপেশাদারি ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য নূন্যতম ১৮ বছরের যেকোনো ব্যক্তি আবেদনপত্র দাখিল করতে পারবেন। তবে লাইসেন্স দেওয়ার আগে বিআরটিএ তিন স্তরের পরীক্ষা গ্রহণ করে থাকেন। আরও জানুন…

চলুন ঘরে বসেই তৈরী করি ড্রাই হ্যান্ডওয়াশ

অনেক সময় অনেক কিছুই দরকার হয় যা আমরা বাজারেও খুজে পাইনা, আবার কাজ চালানোর মত  অন্য কোন কিছু পাওয়াও যায়না। উদাহরণ দিতে গেলে এমন অনেক কিছুর কথা বলা যায়।। সেক্ষেত্রে হয়তো এর বিকল্প কিছু খুজে নিতে হয়।

এমনি একটা বস্তু হলো ড্রাই হ্যান্ডওয়াশ।
বলছিই না যে সকলের এটা প্রয়োজন কিন্তু আমার অভিজ্ঞতা বলে এই জিনিসটা সাথে থাকলে বিপদে বেশ কাজে লাগে। :D আরও জানুন…

ওয়েবসাইটের বাউন্স রেট কম রাখার ৬টি টিপস

ওয়েবসাইটের বাউন্স রেট কম রাখার ৬টি টিপস

ব্লগের ডিজাইন একটি ব্লগের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ব্লগের ডিজানই পাঠককে অনেকক্ষণ ব্লগে অবস্থান করতে বাধ্য করে। প্রত্যেক ব্লগারের উচিত নিজের সাইটের টেমপ্লেটকে হালকা ও কিছুটা চমকপ্রদ রাখা। অনেক সময় পাঠক মুগ্ধ না হয়ে সাইটের প্রথম পাতা থেকেই আরও জানুন…

উইন্ডোজ ব্যবহারকারীদের জন্য কিছু টিপস এন্ড ট্রিক্সস

উইন্ডোজ ব্যবহারকারীদের জন্য কিছু টিপস এন্ড ট্রিক্সস

আপনার পাওয়ার বাটন কি নষ্ট হয়ে গিয়েছে অথবা আপনি কি অধৈর্য্য হয়ে পড়েছে রিসাইকেল বিনের নাম পরিবর্তন করতে না পেরে। অথবা এও হতে পারে পিসিতে কাজের চাপে এক গাদা উইন্ডো আপনাকে জালিয়ে যাচ্ছে। আপনি যদি এমন অসুবিধার সম্মুখীন হোন তাহলে আরও জানুন…

ক্ষতিকর ইমেইল এটাচমেন্ট সনাক্ত করার ৫টি কৌশল

ক্ষতিকর ইমেইল এটাচমেন্ট সনাক্ত করার ৫টি কৌশল

ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের দৈনন্দিন জীবনে ইমেইল একটি অবিছেদ্দ অংশ। যোগাযোগ, নিউজলেটার সাবস্ক্রিপশন, সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইল তৈরি সহ আরও অনেক কাজে ইমেইলের প্রয়োজন হয়। তবে অসাবধানতার কারনে এই ই-মেইল অনেক সময় বিপদের কারন আরও জানুন…

ইউটিউব ভিডিও ডাউনলোডের ঝামেলাহীন পদ্ধতি!

ইউটিউব ভিডিও ডাউনলোডের ঝামেলাহীন পদ্ধতি!

Keepvid.com দিয়ে ইউটিউব ভিডিও ডাউনলোড নিয়ে এর আগেও একটি পোস্ট করেছিলাম। তবে সেই পোস্টের পদ্ধতিটি মাঝে মাঝে প্রবলেমে ফেলতে পারে আপনাকে। যেমন, বাংলাদেশে কিছুদিন  ইউটিউব বন্ধ থাকার কারণে কিপভিড ইউটিউব এর সার্ভার থেকে আরও জানুন…

ইয়াহু ইমেইল টিপসঃ স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইমেইল রিসিপিয়েন্ট ঠিকানা যুক্ত করুন

ইয়াহু ইমেইল টিপসঃ স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইমেইল রিসিপিয়েন্ট ঠিকানা যুক্ত করুন

আমরা প্রতিনিয়তই নানান কাজে ইয়াহু ইমেইল ইউজ করি। অনেকের মেইল রিসিভ করি আবার অনেকেই মেইল পাঠাই। ধরুন, আপনি ৫০ জন ব্যক্তির সাথে প্রায়ই ইমেইল এ যোগাযোগ রাখেন কাজে অথবা ব্যক্তিগত প্রয়োজনে। প্রবলেম হল, এই ৫০ জনের মেইল আপনার জানা আরও জানুন…

বানিয়ে নিন নিজের একটি ওয়াইফাই হটস্পট

বানিয়ে নিন নিজের একটি ওয়াইফাই হটস্পট

বন্ধুরা কেমন আছেন সবাই? অনেক দিন পর লিখতে বসলাম। আজকে আমি আপনাদের সাথে এমন একটি সফটওয়্যার নিয়ে শেয়ার করতে যাচ্ছি, যা কি খুব সহজেই আপনার ডেস্কটপ অথবা ল্যাপটপ কে ওয়াইফাই হট স্পট এ পরিনত করতে পারে। আসুন দেখি কি দরকার আরও জানুন…

বাঁচুন হ্যাকিংয়ের বহুল পরিচিত একটি ফাঁদ থেকে

বাঁচুন হ্যাকিংয়ের বহুল পরিচিত একটি ফাঁদ থেকে

আজ আপনাদের পরিচয় করিয়ে দেব বহুল পরিচিত এবং বহুল ব্যাবহৃত একটি হ্যাকিং পদ্ধতির সাথে। আপনার সবারই এ বিষয়ে কিছু ধারনা আছে। পদ্ধতি টি হলো “ফিশিং” অনেকে আবার একে অনেক নামে ডেকে থাকেন। এই পদ্ধতিটি বিশ্বের নামি দামী হ্যাকাররাও আরও জানুন…

মোবাইলের ডিজিটাল জুম দেখে প্ররোচিতো হবেন না!

মোবাইলের ডিজিটাল জুম দেখে প্ররোচিতো হবেন না!

বিজ্ঞান প্রযুক্তি ব্লগে এইটা আমার প্রথম পোস্ট। অনেক দিন ধরে ভাবছি লিখব কিন্তু কেমন যেন নারভাসনেস কাজ করছিল। আজ সাহস করে লিখেই ফেললাম। আশা করি আপনাদের কাজে লাগবে। যাই হোক আমি আজকে মোবাইল এর ক্যমেরা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ন কিছু কথা আরও জানুন…

ইমেইল সাবজেক্ট লাইনে ৫টি সাধারণ ভুল এবং এড়ানোর উপায়

ইমেইল সাবজেক্ট লাইনে ৫টি সাধারণ ভুল এবং এড়ানোর উপায়

যদি আপনি একজন ব্লগার, ওয়েবসাইেটর মালিক অথবা অনলাইন কর্মী হয়ে থাকেন, সম্ভবত আপনার সব সময় ইমেইলের মাধ্যমে মানুষের সাথে যোগাযোগ প্রয়োজন হয়। মাঝে মাঝে আপনাকে হয়ত একটি কথোপকথন শুরু করা এবং উত্তর দিতে হয়। উদাহরণস্বরূপ আরও জানুন…

বানিয়ে ফেলুন নিজের Run কমান্ড আর কাজ করুন দ্রুত গতিতে!

বানিয়ে ফেলুন নিজের Run কমান্ড আর কাজ করুন দ্রুত গতিতে!

বিসমিল্লাহির রহমানীর রাহীম। কেমন আছেন সবাই? নিশ্চয়ই ভালো? ভালো তো থাকতেই হবে নয়তো নিয়মিত বিজ্ঞান ☼ প্রযুক্তির বিজ্ঞানের সাগরে গোছল দিবেন কিভাবে তাই নাহ? হিহি যাই হোক আমরা যারা উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করে থাকি তাদের কাছে আরও জানুন…

  • পৃষ্ঠা 1 - মোট পৃষ্ঠা 11
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • ......
  • 11
  • >>