একজন প্রযুক্তি প্রেমী সুখী মানুষের কল্পকাহিনীঃ খন্ড-৫
তক্ষণে সন্ধা হয়ে এসেছে। দাদার কথাগুলোর মাঝে আমরা যেন আমাদের ভবিষ্যতের পথ খুঁজতেছিলাম, আমাদের আর কোন কিছুই মাথায় ছিল না। কখন যে সময় চলে গেছে বুঝতেই পারিনি। যা হোক দাদার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে সবাই ফিরে এলাম। দাদা আমাদেরকে আরও জানুন…
ধারাবাহিক বিজ্ঞান কল্পকাহিনিঃ রুনের ঘটনাপঞ্জী – ক্রম ২
সাতটা দিন রুনের খুব অস্থিরভাবে কাটে। বিজ্ঞানী জেডনের সাথে একজন প্রায়শূণ্য মহাকর্ষবলীয় এলাকা ঘুড়ে এসেছেন, এমন একজন আসছেন। নোরা নক্ষত্রপুঞ্জ, বৃত্তাকারে ঘুড়ে বেড়ানো কয়েক কোটি মাইল বিস্তৃত ধূমকেতু, পর পর দশটি মৃত নক্ষত্র, নক্ষত্রের কবরস্থান, মহাকাশে আরও জানুন…
ধারাবাহিক বিজ্ঞান কল্পকাহিনীঃ রুনের ঘটনাপঞ্জী
শেষবার যখন পরিবেশ পরিবর্তন হয়ে গেল তখন রুনের বাবা এক অজ্ঞাত অসুখে হটাৎ করেই মারা যান। রুনের বাবা ছিলেন বসতির দলপতি। বসতিটি খুব একটা বড় নয়। নামও নেই। কদিন আগেও সংখ্যা দিয়ে বুঝানো হতো। ইদানিং ত্রিনার বলে গ্যালাকটিক মানচিত্রে দেখানো আরও জানুন…
একজন প্রযুক্তি প্রেমী সুখী মানুষের কল্পকাহিনীঃ খন্ড-৪
আমাদের মধ্যে অনেক কথা হল। আলোচনার এক পর্যায়ে দাদা বলছিলেন আমি ঠিক করেছি আমাদের প্রথম প্রজেক্ট হবে ভূমিকম্প এবং অগ্নিকান্ড এর উপর। এ বিষয়ে কয়েকজন টেকনোলজিস্ট এর সাথেও কথা হয়েছে, যে কোন প্রয়োজনে তোমরা তাদের কাছ থেকেও টেকনিক্যাল আরও জানুন…
একজন প্রযুক্তি প্রেমী সুখী মানুষের কল্পকাহিনীঃ খন্ড-৩
ইতোমধ্যেই দাদার PLC ফার্মটিও বেশ নাম করে ফেলেছে। বেশ কিছু নতুন ধরণের স্বয়ংক্রিয় মেশিন দাদার হাত ধরে তৈরি হয়েছে। তাই রোবটিক্সকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য প্রাথমিক প্রস্তুতিটুকু ইতোমধ্যেই যে সম্পূর্ণ হয়েছে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। দাদার মত ব্যাক্তিদের আরও জানুন…
একজন প্রযুক্তি প্রেমী সুখী মানুষের কল্পকাহিনীঃ খন্ড-২
হঠাৎ করে ভোরের আলো ফোটার সাথে সাথেই মার্টিন দার কথা মনে পড়ে গেল। আমার বিশ্বাস আজকের দিনটা আমার খুব ভাল যাবে। কে জানে দিনের শেষে হয়তবা কোন শুভ মূহর্ত অপেক্ষা করছে আমার জন্য। আজো দাদার সাথে আমার প্রথম দেখা করার দিনটা স্মৃতির আরও জানুন…
একজন প্রযুক্তি প্রেমী সুখী মানুষের কল্পকাহিনীঃ খন্ড-১
এক টুকরো সুখের আশায় আমাদের নিত্য পথচলা, আমাদের এই কর্মচঞ্চলতা। আমাদের অর্থ সম্পদই হোক অথবা সম্মান বা ব্যাক্তিগত অর্জনই হোক সব কিছুর মুখ্য উদ্দেশ্যই যেন একটু স্বস্তি, একটু স্বাচ্ছন্দ, এক টুকরো সুখ। এই পৃথিবীতে আমাদের প্রত্যেকের অবস্থান একটা আরও জানুন…
বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীঃ কক্ষপথ
প্রাচীনকালে কিছু মানুষ বিজ্ঞান নিয়ে অনেক কিছুই কল্পনা করেছে, কল্পকাহিনী লিখেছে যেগুলো বেশিরভাগই ছিল আজগুবি, বানোয়াট। এরকমই একজন লেখক ও বিজ্ঞানী ২০৪৪ সালের দিকে কল্পনা করে বসলেন যে, ৩০৪৮ সালের দিকে পৃ্থিবীর মতই আরেকটি গ্রহ পৃ্থিবীর আরও জানুন…
লিখিত ভাষা – ভাষা দিবসের উপর সাইন্স ফিকশন
গত বছর ২১ এ ফেব্রুয়ারি ভার্সিটি ম্যাগাজিনের জন্য লিখলাম এ সাইন্স ফিকশনটি। আমি জমা দিয়ে আসলাম। প্রকাশ হয়েছে কিনা তার জন্য কোন খবর নি নাই। প্রায় ৪-৫ মাস পরে আমি জানতে পারলাম আমার গল্পটি ছাপা হয়েছে। তাও এক মজার কাহিনী। অন্য এক আরও জানুন…
সায়েন্স ফিকশনঃ শুভ্র রঙের গ্রহে
পর্ব একঃ প্ল্যানেট ইউ২৬৫এফসি – ঘুম থেকে জেগে উঠলাম। পাশে ফাস্টিগ ঘড়ির১ দিকে তাকিয়ে দেখলাম ঘুমের সময় এখনো শেষ হয়নি। কিন্তু আজ বার বার ঘুম ভেঙে যাচ্ছে। যাবেই বা না কেন? মানব জাতির ইতিহাসের অবিস্বরনীয় একটি মাইল ফলক রচিত হয়ে আরও জানুন…
সায়েন্স ফিকশনঃ ড. নাফিস
ড. নাফিস তার সারা জীবন ব্যয় করেছে শিক্ষার পেছনে। সে একটি বিষয়ে পড়ালেখা করে সে বিষয় Phd করেই অন্য বিষয়ে পড়ালেখা আরম্ভ করে । এ ভাবেই সে তার জীবন পার করে আসছে । শিক্ষার মধ্যে সে কি পেয়েছে তা সেই জানে। শেষ যে বিষয়ে সে পড়া আরও জানুন…
সায়েন্স ফিকশনঃ ব্ল্যাক হোল এর কবলে
হ্যাল্লো, আমি জাকির, এন্ড্রমিডা থেকে। সবার কাছেই আমি একজন টেকি ব্লগার। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির নিয়মিত পাঠক হলেও কোন পোস্ট এ পর্যন্ত দেওয়া হয় নি। টেকনোলজি ব্লগ লিখার আগে আমার একটা শখ ছিল, সাইন্স ফিকশন লিখা। ব্লগ লিখার কারনে অনেক দিন আরও জানুন…
বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীঃ এ এবং বি ক্যাটেগরির মানুষ
আজকে থার্টি ফার্স্ট নাইট। সেই প্রাচীন যুগ থেকে রীতি চলে আসছে নতুন বছরকে আনন্দের সাথে বরণ করে নেয়ার। রাত বারটা বাজার সাথে সাথে একে অপরকে চিৎকার করে বলে, “হ্যাপি নিউ ইয়ার”, “হ্যাপি নিউ ইয়ার”। রূপকের এসব রীতিতে একটুও আগ্রহ নেই। শুধু শুধু আরও জানুন…
বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীঃ জিনিয়া
পূর্বকথাঃ ত্রিশ শতাব্দীর দিকে পৃথিবীর অবস্থা খারাপ হতে থাকে। পৃথিবীর বায়ুমন্ডল এতটাই দূষিত হয়ে পড়েছিল যে দিন দিন মানুষের বাসের অযোগ্য হতে থাকে পৃথিবী। সে সময়ে মানুষ ধারনা করেছিল মানুষ হয়ত মঙ্গল গ্রহতে বসতি স্থাপন করতে যাচ্ছে। কিন্তু তা আদৌ আরও জানুন…
সায়েন্স ফিকশনঃ জন্মকথা
বাইরে কি বৃষ্টি হচ্ছে? এই মধ্যরাতে এক পশলা বৃষ্টি হলে মন্দ হয় না। ভাবে লিয়ান। অনেক্ষন ধরেই সিডি প্লেয়ারে গান শুনছে সে। ঘরে টেবিল ল্যাম্প জ্বলছে ঠিক তার বিছানার কাছে। এই আলোতে বিছানায় শুয়ে থাকতে বেশ মজা লাগে লিয়ানের। আলো আঁধারিতে মন কেমন আরও জানুন…





