মহাকাশের বিস্ময় কোয়েসারঃ প্রথম পর্ব
বিজ্ঞানের অনেক কিছু আবিস্কারের পর আমরা এখন জানি যে,মহাবিশ্বর চারপাশের অসংখ্য জ্যেতিস্ক থেকে নানা রকম বিকিরন ছড়িয়ে পরছে। যাদের তরংগ দৈর্ঘ্য কয়েক কিঃমিঃ থেকে শুরু করে এক সেঃমিঃ এর হাজার কোটি ভাগের চেয়ে ও ছোট হতে পারে। এই বিরাট বিস্তারের মাঝখনে আরও জানুন…
নীহারিকার আদি অন্ত
মেঘ মুক্ত রাতে আকাশের দিকে তাকালে আমরা দেখতে পাই অনেক অস্পস্ট আলোর ছোপ এবং বিক্ষিপ্ত ভাবে কিছু অন্ধকার জায়গা, এগুলো হলো নীহারিকা (Nebula)। ফরাসী জ্যের্তিবিদ চার্লস মেসিয়ার যার গবেষনার বিষয় ছিল ধূমকেতু। এই ধূমকেতু বিষয়ে আরও জানুন…
মহাকাশে রয়েছে অসংখ্য ছন্নছাড়া গ্রহ
বিখ্যাত বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইন বিশ্বাস করতেন মহাকাশে অনেক গ্রহই থাকতে পারে যারা কোন নক্ষত্রকে কেন্দ্র করে না ঘুরে ভাসমান ভাবে আছে। এসব গ্রহ কোন নির্দিষ্ট নক্ষত্র পরিবারের অন্তর্গতও বলা যায় না। মূলতঃ বিভিন্ন সময় বিভিন্ন মহাকর্ষ বলের প্রভাবে এসব আরও জানুন…
মহাবিশ্ব সৃষ্টি আজও কৌতুহলের এক মহাসমুদ্র
প্রগতিশীল বিশ্বে আজ সর্বত্র প্রযুক্তি আর বিজ্ঞানের জয়োগান। যুগে যুগে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন স্থানে বিজ্ঞানীদের অবতারণা, তাদের বিজ্ঞান চর্চা, তাদের গবেষণার ফলাফল, আবিষ্কার, উদ্ভাবিত তত্ব, তথ্য বিজ্ঞানকে করেছে ঐশ্বর্যপূর্ণ।আজ আমরা যার সুফল ভোগ করছি। বিজ্ঞান আমাদের আরও জানুন…
পানি সমৃদ্ধ নতুন গ্রহ সুপার আর্থস
বিসমিল্লাহির রহমানীর রাহীম। আশা করি সবাই ভালো আছেন। আজকের আমি আপনাদের সাথে ভিন্ন রকমের একটা পোষ্ট নিয়ে হাজির হয়েছি। আমাদের সৌরজগতের খুব কাছে পানি সমৃদ্ধ এক গ্রহের সন্ধান পেয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। ধারণা করা হচ্ছে, পৃথিবীর মতো আরও জানুন…
সুপার টেলিস্কোপের তুলনায় কম্পিউটারের কার্যক্ষমতা খুবই কম
বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন যে তাদেরকে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্যই ফেলে দিতে বাধ্য হচ্ছে শুধুমাত্র কম্পিউটারেরর কম ধারনক্ষমতা ও কম প্রসেসিং ক্ষমতার কারনে। প্রায় ২.৩ বিলিয়ন ডলার ব্যায়ে ৩০০০ এর বেশি এন্টেনা সহকারে Square Kilometre Array (SKA) অত্যন্ত আরও জানুন…
সময়ের চেয়ে পুরানো ব্ল্যাক হোল আবিষ্কার
আমাদের এ মহা বিশ্ব সৃষ্টি হয় আনুমানিক সারে তের বিলিয়ন বছর আগে বিগ ব্যাঙ এর মাধ্যমে । বিগ ব্যাঙ এর ধারনাটা অনেক টা এরকম- মহা বিশ্ব জন্মের আগে খুবই কম আয়তনের এবং বেশি ঘনত্বের এবং অনেক বেশি তাপমাত্রার ক্ষুদ্র একটি বস্তু ছিল যাতে বিষ্ফোরণ ঘটে আরও জানুন…
এবার শনি গ্রহ দেখার পালা
মনে করা হয় সূর্য পরিবারের সমস্ত গ্রহগুলির মাঝে সবচেয়ে দৃষ্টিনন্দন গ্রহ এই শনি। আমরা প্রায় সকলেই জানি শনিগ্রহের বলয় বা রিং এর কথা। এই বলয় ঘিরে শোনা যায় অনেক কথা। আর এই বলয় বা রিং এর জন্যই শনির এই মহনীয় রূপ। আজ যে কারণে শনির কথা উঠলো আরও জানুন…
কৃষ্ণ গ্রহ, শিশু মহা বিশ্ব এবং অন্যান্য রচনা – স্টিপেন হকিং
যারা মহা বিশ্ব নিয়ে আগ্রহী তাদের জন্য আরেকটি বই। স্টিপেন হকিং এর Black Holes and Baby Universes and Other Essays বাংলা অনুবাদ। বইটি পড়ে পদার্থ বিজ্ঞান সম্পর্কে আরো কিছু ভালো ধারনা নিতে পারবেন। এখানে স্টিপেন হকিং এর শৈশব সম্পর্কে কিছু আরও জানুন…
শুক্র গ্রহের আদি-অন্ত
শুক্র গ্রহ বা ভেনাস (Venus) সৌরজগতের দ্বিতীয় গ্রহ। কারণ সূর্য থেকে দূরত্বের দিক থেকে হিসেব করলে সূর্যের একেবারে কাছের গ্রহ হচ্ছে বুধ গ্রহ, আর এর পরই শুক্র গ্রহের অবস্থান। বুধ আর পৃথিবীর মতই এই গ্রহটিও কঠিন পদার্থ দিয়ে তৈরি বলে একে পার্থিব গ্রহ বলা হয়। পৃথিবী আরও জানুন…
রাতের আকাশ ও তারা পরিচিতি
সেই সে অতি প্রাচীন কাল থেকেই আকাশের তারাদের দিয়ে নানা প্রকারের ছবির কল্পনা করেছে মানুষ। আদি কালের যাযাবর জাতীর যাযাবর লোক খোলা আকাশের নিচে তাদের পালিত গরু, ছাগল, ভেড়া ইত্যাদি রাতের পর রাত পাহারা দিতে দিতে আকাশে ফুটে থাকা অসংখ্যা আরও জানুন…
চাঁদের বুকে হেঁটে আসা চন্দ্র-মানবেরা
চাঁদে প্রথম কে পা রেখেছিলেন? সকলেই জানে – Neil Armstrong। কিন্তু আপনি বলতে পারবেন ‘মোট কতজন ব্যাক্তির ভাগ্যে চাঁদের বুকে পা রাখার সুযোগ হয়েছে?’ উত্তর হচ্ছে ১২ জন। হেঁ, পৃথিবীর ছয়শত কোটিরও বেশি মানুষের মধ্যে মাত্র ১২জন সৌভাগ্যবান ব্যাক্তি আরও জানুন…
গ্রহরাজ বৃহস্পতির আদি অন্ত
রাতের আকাশে এখন চাঁদের পাশেই যে বড় আলোক বিন্দুটি উজ্জ্বল হয়ে দেখা দিচ্ছে সেদিকে টেলিস্কোপে চোখ রেখলে দেখা যাবে চারটি বিন্দু। একটি বড় আর তিনটি ছোট। বড় বিন্দুটিই হচ্ছে বৃহস্পতি গ্রহ। আর ছোট তিনটি বিন্দু হচ্ছে বৃহস্পতির তিনটি বৃহৎ উপগ্রহ। আসুন আরও জানুন…
সৌরজগতের সবেচেয়ে ছোট গ্রহ ‘বুধ’ এর আদি অন্ত
বুধ গ্রহের ইংরেজী Mercury বা মার্কিউরী। বুধ হচ্ছে সূর্যের সবচেয়ে নিকটতম গ্রহ। সূর্যের খুব কাছে হওয়ার ফলে বুধ পৃষ্ঠ থেকে সূর্যের দিকে তাকালে সূর্যকে পৃথিবীতে যত বড় দেখায় তার চেয়ে আড়াইগুণ বড় দেখা যাবে। সেই সাথে সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম গ্রহ হচ্ছে এই বুধ আরও জানুন…
নতুন আরেক পৃথিবী ৪২ আলোক বর্ষ দূরে
নতূন আরেকটি গ্রহ পাওয়া গিয়েছে। মহাবিশ্বে আমাদের এই পৃথিবীর মত দেখতে এই গ্রহ টি খুজে পাওয়ার দাবি করেছেন জ্যোতির্বিদেরা। এই গ্রহ টি আকারে পৃথিবীর চেয়ে বড় বলে, তাঁরা জানিয়েছেন। তাঁরা আরো জানিয়েছেন এটি ইউরেনাস ও নেপচুনের চেয়ে ছোট আরও জানুন…





