বায়োস সেটিং বা পাসওয়ার্ড ভাঙ্গার ৫ টি উপায়
বায়োস পাসওয়ার্ড দেওয়া হয় সাধারনত কিছু অতিরিক্ত নিরাপত্তার জন্য। অনেকেই এটা ইউজ করেন বায়োস সেটিং রোধে বা বুটিং রোধে। কিন্তু মাঝে মাঝে এই অতিরিক্ত নিরাপত্তাই বিরক্তির কারন হতে পারে যদি আপনি পাশওয়ার্ড ভুলে যান বা কেউ উদ্দেশ্য প্রনীতভাবে এটা পরিবর্তন করে ফেলে। কিন্তু ত্যাতে ভয় পাবার কোন কারন নেই। বায়োস পাশওয়ার্ড ভাঙ্গা গড়া নিয়ে গত পোষ্টে আলোচনা করেছিলাম। আরো যে উপায়ে বায়সের পাশওয়ার্ড রেসেট/রিমোভ বা বাইপাশ করা যায় তা হলঃ
* CMOS খুলে
* মাদারবোর্ড এর jumper ব্যবহার করে
* MS DOS কমান্ড ব্যবহার করে
* সফটওয়ার ব্যবহার করে
* ব্যকডোর BIOS পাশওয়ার্ড ব্যবহার করে
বিঃদ্রঃ এই পোষ্টটটি অভিজ্ঞ ব্যবহারকারীদের জন্য। এটা সাধারন ব্যবহারকারী/হ্যাকারদের জন্য প্রযোজ্য নহে। অনুগ্রহ করে এটা প্রয়োগ করবেননা যদি আপনি হার্ডওয়ার এর কাজের সাথে পরিচিত না হন। কোন ধরনের সমস্যা বা ক্ষয়ক্ষতির জন্য লেখক দায়ী নন। তাই এটা অনুসরন করুন নিজ দায়িত্বে।
১. CMOS ব্যটারিঃ

সিমোস ব্যাটারি ইউজ করে কিভাবে বায়োস এর পাশওয়ার্ড বাইপাস করবেন তা জানতে এই পোষ্টটি পড়ুন।
২. মাদারবোর্ডের Jumper ব্যবহার করেঃ
কম বেশি সব মাদারবোর্ড এরই জাম্পার আছে যা সিমসের সব সেটিংস ক্লিয়ার করতে পারে বায়োস পাশওয়ার্ড সহ। মাদারবোর্ডের ব্র্যান্ডের উপর নির্ভর করে এই জাম্পারের অবস্থান নির্ভর করে। মাদারবোর্ডের ম্যানুয়াল পড়ে আপনি এটা জানতে পারেন বা নেটে সার্চ দিয়ে। আর ম্যানুয়াল না থাকলে আপনি ফিজিকালি দেখেতে পারেন সিমোস ব্যাটারির আশে পাশে। অধিকাংশ ম্যানুফেকচারার এরই CLR, CLEAR, CLEAR CMOS, ইত্যাদি দ্বারা লেভেল করে থাকে। জাম্পার খুজে পেলে সাবধানে এবং ভাল ভাবে খেয়াল করে দেখুন জাম্পারটি ৩ পিন বিশিষ্ট একটা সেটের মাঝের পিনের সাথে অন্য ডানের বা বামের পিনের সাথে কানেক্ট করা।

আপনাকে যা করতে হবে জাম্পারটি খুলে নিয়ে ঠিক মাঝের পিনের সাথে বিপরীত পিন কানেক্ট করিয়ে দিন।যেমন ১ ২ ৩ টি পিন হয়, এবং প্রথমে যদি ১ ২ কানেক্টেড থাকে পরে খুলে আপনাকে ২ ৩ কানেক্ট করিয়ে দিতে হবে। এখন কিচুক্ষন(মিনিট খানেক) অপেক্ষা করুন। তারপর আবার আগের মত লাগিয়ে দিন। তবে অবশ্যই খেয়াল করবেন যে পিসি খোলার পুর্বে এবং জাম্পার পরিবর্তনের সময় যেন পিসির পাওয়ায় সাপ্লাই ইউনিট বন্ধ থাকে।
৩. MS DOS কমান্ড ব্যবাহার করেঃ
এই পদ্ধতি কাজ করবে তখনই যখন আপনার সিষ্টেম চালু থাকবে, কারন এটা কাজ করতে হয় MS DOS এ। কমান্ড প্রম্পট ওপেন করুন ষ্টার্ট করুন START>>RUN>>cmd>>Enter। তারপর একে একে নিচের কমান্ড গুলো দিন।
debug
o 70 2E
o 71 FF
quit

লক্ষ্য করুনঃ এখানে প্রথম লেটারটি ইংরেজি o কেউ ভুলেও এটাকে অংক 0 মানে শূন্য মনে করবেন না। উপরের কমান্ড গুলো দেবার পরে আপনার সিষ্টেম রিষ্টার্ট দিন। কাওরন এই কমান্ডগুলো আপনার সিমোস সেটিং রেসেট করে দিবে সাথে সাথে পাশওয়ার্ড ও। আপনি যদি জানতে চান কিভাবে এটা কাজ করছে তাহলে শুনুন।
এই পদ্ধতিতে আমরা MS DOS এর ডিবাগ টুলস ইউজ করি। o ক্যরেক্টারটি কমান্ডগুলোর প্রথমে বসে IO পোর্টের আউটপুট ভেলু বুঝায়। ৭০ ও ৭১ বুঝায় পোর্ট নাম্বার যা সিমোস মেমরিতে প্রবেশে ব্যবহৃত হয়। FF দ্বারা আমরা সিমোসকে বলি যে অখানে ইনভেলিড চেকসাম আছে, আর এই কমান্ডের সাথে এটাকে রেসেত করে যা বায়স পাশওয়ার্ডকেও রেসেট করে।
৪. সফটওয়ার ব্যবহার করেঃ
অনেক সফটওয়ার আছে যেগুলো সিমোসের সেটিংস বা পাশওয়ার্ড অথবা দুইটাই করতে পারে মুহুর্তের মধ্যেই। কিন্তু ঐ যে উপরে উল্লেখ করেছি, এটা করতে হলে আপনাকে পিসির এদমিন একাউন্টে ঢুকে থাকতে হবে যেখান থেকে এটা উইন্ডোজের ডসে কাজ করবে।
৫. ব্যাকডোর বায়োস পাশওয়ার্ড দিয়েঃ
অনেক মাদারবোর্ড প্রস্তুতকারী কোম্পানি একটা পাশওয়ার্ড দিয়ে রাখে যা মাষ্টার পাশওয়ার্ড হিসেবে পরিচিত। এই মাষ্টার পাশওয়ার্ড শুধু মাত্র টেষ্ট ও ট্রাবলশুট করার জন্য তৈরী করা হয়। চলুন নিচে থেকে জেনে নিই বেশ কিছু কোম্পানির পাশওয়ার্ড।
AMI এর বায়োস পাশওয়ার্ডঃ
A.M.I.
AAAMMMIII
AMI?SW
AMI_SW
AMI
BIOS
CONDO
HEWITT RAND
LKWPETER
MI
Oder
PASSWORD
AWARD এর বায়োস পাশওয়ার্ড
01322222
589589
589721
595595
598598
ALFAROME
ALLy
aLLy
aLLY
ALLY
aPAf
_award
award
AWARD_SW
AWARD?SW
AWARD SW
AWARD PW
AWKWARD
awkward
BIOSTAR
CONCAT
CONDO
Condo
d8on
djonet
HLT
J64
J256
J262
j332
j322
KDD
Lkwpeter
LKWPETER
PINT
pint
SER
SKY_FOX
SYXZ
syxz
shift + syxz
TTPTHA
ZAAADA
ZBAAACA
ZJAAADC
PHOENIX এর বায়োস পাশওয়ার্ডঃ
BIOS
CMOS
phoenix
PHOENIX
Misc এর কমন পাশওয়ার্ডঃ
ALFAROME
BIOSTAR
biostar
biosstar
CMOS
cmos
LKWPETER
lkwpeter
setup
SETUP
Syxz
Wodj

অন্যান্য ম্যানুফেকচারারের BIOS পাশওয়ার্ডঃ
Biostar – Biostar
Compaq – Compaq
Dell – Dell
Enox – xo11nE
Epox – central
Freetech – Posterie
IWill – iwill
Jetway – spooml
Packard Bell – bell9
QDI – QDI
Siemens – SKY_FOX
TMC – BIGO
Toshiba – Toshiba
VOBIS & IBM – merlin
কেমন লাগলো জানাতে ভুলবেন না কিন্তু। আর পোষ্ট এ কোথাও বুঝতে সমস্যা হলেও জানাবেন

লেখাটি পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন ☼
লেখাটি পছন্দ হলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন। শেয়ার করার জন্য উপরের বাটনে ক্লিক করুন
পরবর্তী আপডেট পেতে চাইলে আর.এস.এস ফীড অথবা ই-মেইল এর মাধ্যমে সাবস্ক্রাইব করুন
বিজ্ঞান প্রযুক্তি ডট কম এর ফেইসবুক পেইজ বা গ্রুপ অথবা টুইটার প্রোফাইলে যোগ দিন






এক কথায় অসাধারন … আমি এর আগে ডস কমান্ডটি জানতাম না …… অনেক অনেক ধন্যবাদ লাকি ভাই কে …
আপনাকেও ধন্যবাদ হাশেম ভাই
কাজে লাগছে জেনে আরো ভালো লাগছে
খুব ভালো লাগলো, ধন্যবাদ
ধন্যবাদ
দরকার পড়লে কাজে লাগাবো। ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য।
আপনাকেও ধন্যবাদ রলিন ভাই
তখনো হাই স্কুল পেরোইনি, যখন এই বিষয়টা জানলাম! আর বাসায় এসেই নিজের পিসিটাকে গিনিপিগ বানিয়ে ধরা খেলাম! পিসিটা আর অন হয় নি! বাসায় অবশ্য খুব বিজ্ঞের মত জানিয়ে দিয়েছিলাম ‘পিসি আউটডেটেড (?!?) হয়ে গেছে’…এবং সে যাত্রা পার পেয়ে গেছিলাম!
তারপর বহুবার বায়োস পাসওয়ার্ড ভেঙেছি; এক্সিডেন্ট হয় নি!
কমেন্ট টা করলাম এ জন্যই যে, অনেকেই কম্পিউটার সম্পর্কিত সতর্কতাগুলোকে হেলাফেলা করেন (যেমন আমি নিযেই করেছিলাম!) যেটা আদপেই উচিৎ নয়। কিছু বিষয় আসলেই সিরিয়াস হতে পারে!
যাহোক, এখনতো সমস্যা হলেই নেট সার্চ করে সমাধান নেই!
ধন্যবাদ। চমৎকার একটা পোস্টের জন্য!
ভাগ্যেস আমি পোষ্টটা করেছি, আর আপনার একটা অভিজ্ঞতাও শেয়ার করেছেন,

আসলেই,
তবে আমি ছোট থেকেই মনে হয় ক্লাস এইট
দেখে দেখেই অনেক কিছু শিখতাম
আর আমার দিক থেকে আমি মনে হয় এমন করতাম, তখন ভয়ে আর পিসিটাকে ধরতামনা,
আম্মা বুঝতো যে ছেলে পিসি নিয়ে এত কিছু সে পিসি ধরেনা
তখন পরে কান ধরে এনে পিসি ছাড়াতো
আর যখন পিসিটা চলতোনা, তখনকার অববস্থা ………
আগের দিনের কথা মনে পড়লে হাসিই পায়
আপনার সুন্দর কমেন্টের জন্য ধন্যবাদ
হাহাহা!
আমরা সবাই দেখি এক নায়েরই মাঝি!
he he he
আরো কয়েকটা বিষয় খুব মনে পড়ে…যেমন, বাসায় পোলাপান (আমি নিজেও খুব একটা বড় কেউকেটা ছিলাম না অবশ্য!) আসার ‘পূর্বাভাস’ শুনলে স্টার্টআপে লগ অফ এর প্রোগ্রামের শর্টকাট রেখে দিতাম আর অন করা মাত্রই পিসি শাট ডাউন হয়ে যেত (আমার দরকার পড়লে আমি রাইট Ctrl চেপে রাখতাম আর ভাব দেখাতাম কম্পিউটার নষ্ট হয়ে গেছে বা কেবল আমাকেই চেনে!)!
অথবা, ডেস্কটপের স্ক্রিনশট নিয়ে ওয়ালপেপার করে আইকন, স্টার্ট মেনু হাইড করে রাখতাম…তখন মাই কম্পিউটার ওপেন করার জন্য রীতিমত মাউসের উপর যুদ্ধ শুরু হয়ে যেত!
আসলেই খুব মজার ছিলো দিনগুলো
লগ অফের ব্যাপারটা বুঝলাম না!
একটু বুঝিয়ে বলবেন কীভাবে করতে হয়?!
মানে আপনি লগ অফের শর্টকাত করে তা শ্তার্টাপে রেখে দিলে তা টাইমিং অনুযায়ি আপনার পিসিকে অফ করে দিবে
লাকি ভাই ঠিক বলেছেন…ওভাবেই করা হয়েছিল!
এত কিছু জানানোর জন্য ধন্যবাদ
আপনাকেও ধন্যবাদ
আমি আমার কম্পিউটারে comand এর মাধ্যমে রিসেট করার সিস্টেম ট্রাই করেছি কাজ করেনা।কি সমস্যা বলবেন কি।আর তথ্যগুলি জানানোর জন্য ধন্যবাদ।
আপনার বায়োসের পাশওয়ার্ড দেওয়া থাকলে কাজ করতো,
আপনাকেও ধন্যবাদ
ভাই আপনি বলেছেন যে টেকটিউনে ডুকতে যাদের সমস্যা হচ্ছে তার সমাধান দিবেন। সমস্যা হলো টেকটিউনে ডুকলে ব্রাউজার কেমন জানি হ্যাঙ হয়ে যায় আবার ডাউলোডের বক্স চলে আসে। ভাই এর সমাধান কি জনাবেন।
এর সমাধান নিয়ে একটা পোষ্ট দিচ্ছি বিপিতে
সাথে থাকুন, পেয়ে যাবেন
ভাই ডস কমান্ড টি খুব গুরুত্বপূর্ণ । জানা ছিল না। ধন্যবাদ।
আপনাকেও ধন্যবাদ
অসাধারন ………………….অনেক অনেক ধন্যবাদ
ধন্যবাদ আপনাকেও
বিজ্ঞানপ্রযুক্তির মধ্যে আমার পড়া অন্যতম সেরা পোস্ট
অনেক ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য
ঃ 
আপনাদের মন্তব্যের মাধ্যমেই অনুপ্রানিত হই
ধন্যবাদ আবারো
খুব ভাল লাগল। আগে শুধু জাম্পার এর ব্যাপারটা জানতাম। এখন আর অভিজ্ঞতা হল।
…………………………………অনেক ধন্যবাদ……।।
বিস্তারিত জানাতে পেরে ভালো লাগছে
লাকি ভাই
সালাম নিবেন, আপনার লেখা পাসোয়ার্ড মুঝে ফেলা পরেছি কিন্তু আমি যদি লেবটবের পাসোয়ার্ড মুছে ফেলতে চাই তাহলে আমি কি করব। দয়া করে জানাবে কি?
মো – কুতুব উদ্দিন
ল্যাপটপের কাজ একটু টাফ, কারন আনাড়ি কেউ এতে হাত দিলে পরবর্তীতে সমস্যা হতে পারে,
বাট একই রকম পদ্ধতি ফলো করতে পারেন, তবে ভেবে চিনতে করবেন
Asus ল্যাপটপের পাসোয়ার্ড মুছে ফেলতে চাই এই কোড গুলা কি কাজ করবে?
প্রথমে এটা খেয়াল করে দেখুন বিঃদ্রঃ এই পোষ্টটটি অভিজ্ঞ ব্যবহারকারীদের জন্য। এটা সাধারন ব্যবহারকারী/হ্যাকারদের জন্য প্রযোজ্য নহে। অনুগ্রহ করে এটা প্রয়োগ করবেননা যদি আপনি হার্ডওয়ার এর কাজের সাথে পরিচিত না হন। কোন ধরনের সমস্যা বা ক্ষয়ক্ষতির জন্য লেখক দায়ী নন। তাই এটা অনুসরন করুন নিজ দায়িত্বে।
আপনি যদি মনে করেন আপনি প্রস্তুত তাহলে চেষ্টা করে দেখতে পারেন
It is too late. but very good. Thanks.
what’s the late about??
জানা থাকলো… কাজে আসবে…
কাজে লাগলে বেশ ভালোলাগবে
ধন্যবাদ
ল্যাপটপ ব্র্যান্ডঃ Toshiba.
সমস্যাঃ BIOS পাসওয়ার্ড দেয়া। সফটওয়ার ব্যাবহার করে পাসওয়ার্ড মুছে ফেলার চেষ্টায় ব্যর্থ হয়েছি।নির্দিষ্ট করে কোন উপায় জানালে উপকৃত হব।
অসাধারণ একটি পোষ্ট এর জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
উল্লেখ্যঃ পাসওয়ার্ড মুছে ফেলার ব্যর্থ চেষ্টার কারণে আমার অর্থেরও অপচয় হয়েছিলো।
উপরের চেষতাগুলো করে দকেহতে পারেন, যদি কনফিডেন্ট হন
সেরাম লাগলো লাকি ভাই, আমি কিন্তু ব্যাটারি খুলেই পাসওয়্যারড রিসেট করি…
সব সময় সব মেশিনে ব্যাটারি টেকনিক কাজ করেনা
কথা একেবারে ঠীক। কয়েকদিন আগে আমি ডেল একটা পিসির বায়োস পাশ ভাঙ্গার সময় এই জিনিসটি বুঝতে পারি।
ভাই সালাম নিবেন আমার আকটা প্রশ্ন ছিল, আমি আমার কম্পিউটারে ফোল্ডার লক সফট ওয়ার বেবহার করে ফোল্ডার লক করেছি কিন্ত আমি পরে পাসওয়ারড ভুলে জাই, আমি এখন কি করব ফোল্ডার টি ডিলেট হচ্ছেনা। কি করে ডিলেত করব বলবেন কি।
ফোল্ডার লক সফটওয়্যার টা আনইনস্টল করে আবার নতুন পাসোওয়ার্ড দিয়ে ইন্সটল করুন!
আমি অনেকদিন আগে যে ভার্শনটা ব্যবহার করেছিলাম…সেটাতে এই ত্রুটি ছিল!;);)
ভাই কাজী আসিকুজ্জামান আপনি আমার প্রশ্ন হয়ত বুজতে পারেন নাই আমি বলেছি ফোল্ডারটা কি করে ডিলেট করব বা ওপেন করব আপনি বলেছেন আমি জেন সফটওয়্যার টা আনইনস্টল করে আবার ইন্সটল করি এতে করে পাসওয়ারড ত চেইংজ হয় না পাসওয়ারড থেকে জায় আর আমি যে ফোল্ডার পাসওয়ারড লাগিয়েছি সেটা ডিলেট করা জাচ্ছেনা কি ভাবে আমি আটা ওপেন অথবা ডিলেট করব বলবেন কি ?
যেটা আমি বলতে চেয়েছিলাম তা হল, রিইন্সটল করে নিলে ফোল্ডারলক এর নতুন পাসওয়ার্ড দিয়েই আপনি পুরোনো ফাইল ওপেন করতে পারবেন। কন্ট্রোল প্যানেল এবং রেজিস্ট্রি থেকে সফটওয়্যারটা ডিলিট করে দিলে হার্ড ডিস্ক থেকে ফাইল ডিলিট করতে পারাটা সমস্যা হবার কথা নয়। তারপরও সমস্যা হলে ২টি পদ্ধতি ব্যবহার করে দেখতে পারেন…১. সিস্টেম মেকানিক ব্যবহার করে ফাইলটাকে রিমুভ করুন। অথবা, ২. পেনড্রাইভে উবুন্টু লাইভ ক্রিয়েট করে আপনার পিসিতে লগিন করুন এবং ফাইলটা ডিলিট করুন। নেটে সার্চ করলে আপনি ইউনেটবুটিন নামে একটা ফ্রিওয়্যার পাবেন লাইভ উবুন্টু তৈরি করার জন্য!
ধন্যবাদ।
আমার পিসির মাদারবোর্ড ইন্টেল ৩১ পি.আর। আমার পিসি রিস্টার্ট করলে ঠিক মতই বন্ধ হয়ে যাই, কিন্তু পুনরাই চালু হবার সময় হ্যাং হয়ে যাই । পিসি চালু হবার সময় ইন্টেল এর লোগো সম্বলিত স্ক্রীন আসে, কিন্তু “Press F2 For BIOS” লেখাটি আসে না । এবং এ অবস্থাই পিসি হ্যাং হয়ে থাকে । দয়া করে এ সমস্য থেকে বাঁচার উপায় কেউ জানাবেন কি ?
হার্ডওয়ার জনীত সমস্যা কোন একটি ইন্টারনাল ডিভাইস ডিটেক্ট করছেনা
তাই সমস্যাটা হচ্ছে মনে হচ্ছে
realy very improtant tips many many thanks.
ধন্যবাদ আপনাকে
খুব প্রয়োজনীয় একটি পোষ্ট করেছেন ধন্যবাদ আপনাকে অনেকের এই টা কাজে আসবে
কাজে লাগার লাঝেই আমার পশ্তের স্বার্থকতা
Folder Security Personal 3.0 এই সফটওয়্যার এর পাসওয়ার্ড ভাংতেয় চাই জানা থাকলে বলবেন কি?