প্রোজেক্টের চেয়ে বেশি টাকা দাম হাঁকাবেন কেন এবং কখন?
অনেক দিন পরে ফ্রিল্যান্সিং বিষয়ে লিখতে বসতে পেরেছি। ইদানিং আগের কয়েকজন লোকাল ক্লাইন্টদের নিয়মিত সার্ভিস দিয়ে যাচ্ছি যাদের প্রজেক্টের কাজ অনেক আগেই শেষ করে দিয়েছি। আজ সেই আভিজ্ঞতার আলোকেই কথাগুলো বলা, সবার জন্য প্রযোজ্য হয় কিনা জানি না। কোন একটি প্রোজেক্টের কাজে হাত দিলে প্রথমতঃ টাকার প্রশ্নটি আসে। প্রোজেক্টিতে কত টাকা নিবেন সেটা মূলতঃ সবাই প্রোজেক্টটির ব্যাবচ্ছেদের মাধ্যমে নির্ণয় করে জানিয়ে দেয়। কিন্তু প্রজেক্টের ব্যবহারিক দিক, রিডিজাইন করতে হবে কি না, কত দিন প্রোজেক্টি চলবে, ক্লাইন্টের সাথে সম্পর্ক ইত্যাদি অনেক অনেক বেপার নির্ভর করতে পারে।
অভিজ্ঞতাঃ
পাঁচ/’ছ মাস আগে পরিচিত একজনের সাইটের একটা সাদামাটা ডিজাইন করে দিলাম। মূলতঃ ১৭৬ ডলারের একটা ওয়ার্ডপ্রেস থিম কিনে কাষ্টমাইজ করে দিয়েছিলাম। সাইট ডিজাইনের সময় তার সাথে প্রতিদিন প্রায় ১০/১২ মিনিট ফোনে কথা বলতে হতো , রিকয়ারমেন্টগুলো মূলতঃ নিয়মিত পরিবর্তন হতো। পরিচিত বিধায় তার সাইটের বেপারে প্রতি সপ্তাহে কয়েক ঘন্টা আলাপ করা হয়। কথা বলার মূল বিষয় সাইটের সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন , ডিজাইন ও স্পিড। ইদানিং একটা বেপার আমায় ভাবিয়ে তুললো- তা হলো তার সাইটের জন্য যতটুকু কাজ করেছি এবং যত টাকা নিয়েছি তার চেয়ে আনেক বেশি সময় ও চিন্তা খরচ হয়ে গেছে তার সাথে নিয়মিত যোগাযোগে। সাইট ডিজাইনের সময় এত কিছু ভেবে কাজ করি নি, এখন সার্ভিস দেওয়ার বেপারটা একটা বিরক্তকর বেপার হয়ে দাড়িয়েছে।
কি কি কারনে বেশি চার্জ করা যেতে পারে?
১. সার্ভিসঃ
এ বেপারে কয়েকজনের সাথে আলাপ করে জানতে পারলাম যে, সাইট ডিজাইনের আগেই সার্ভিসের বেপারটা পরিষ্কার করে নিতে হবে। অনেকে মাসিক চার্জ করে, বড় কোন প্রোজেক্টের কাজ করলে ব্যাকআপ সহ বেশ কিছু কাজ করে দিতে হতে পারে সে জন্য মাসিক চার্জ নির্ধারন করে নিতে পারেন। বড় কয়েকটি প্রজেক্টে মাসিক চার্জ করতে পারলে নিজের ফ্রিল্যান্স কাজের ঝুকি অনেকটাই কমে যেতে পারে।
২. রি-ডিজাইনঃ
অনেকেই সাইটের রিডিজাইনে নতুন করে চার্জ দিতে বা কম চার্জ দিতে চেষ্টা করে। তাই এ বেপারটি আলোচনা করে নিতে পারেন বা সাইট ডিজাইনের ও টাকা পয়সার হিসেবের সময় বিষয়টি আলাপ করে নিতে পারেন।
৩. সার্ভার, ব্যাক আপ ও অন্যান্য বাড়তি কাজঃ
অনেক ক্লাইন্ট হোষ্টিং, ব্যাকআপ, কনটেন্ট, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন ইত্যাদি বেপারগুলো নিয়ে মোটেও কাজ করতে নারাজ বা অপারগ। তাদের ক্ষেত্রে ডিজাইন ও বাড়তি কাজ দুইটা মিলিয়ে টাকার হিসেবটা করা উচিৎ। একটা জিনিস মনে রাখতে হবে, কাজের ক্ষেত্রে সব সময় প্রোফেশনাল ভাব নিয়ে চলতে হবে। নিজের অবমূল্যায়ণ না করে, আবেগে না পড়ে, সময় ভাগ করে কাজ করা উচিৎ।
এরকম আরও কিছু পোস্টঃ
- নতুন ফ্রীল্যান্সারদের কিছু প্রশ্ন এবং তার সহজ সমাধান!
- ফ্রীল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস ‘ফ্রীল্যান্সার’ টিউটোরিয়ালঃ পর্ব ৩
- ফ্রীল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস ‘ফ্রীল্যান্সার’ টিউটোরিয়ালঃ পর্ব ৪
- ফ্রীল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস ‘ফ্রীল্যান্সার’ টিউটোরিয়ালঃ পর্ব ৫
- ফ্রীল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস ‘ফ্রীল্যান্সার’ টিউটোরিয়ালঃ পর্ব ৬
- ফ্রীল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস ‘ফ্রীল্যান্সার’ টিউটোরিয়ালঃ পর্ব ১০ (শেষ)
- মানিবুকার্স এ পাসওয়ার্ড পরিবর্তনঃ সমস্যা ও সমাধান

লেখাটি পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন ☼
লেখাটি পছন্দ হলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন। শেয়ার করার জন্য উপরের বাটনে ক্লিক করুন
পরবর্তী আপডেট পেতে চাইলে আর.এস.এস ফীড অথবা ই-মেইল এর মাধ্যমে সাবস্ক্রাইব করুন
বিজ্ঞান প্রযুক্তি ডট কম এর ফেইসবুক পেইজ বা গ্রুপ অথবা টুইটার প্রোফাইলে যোগ দিন






আপনার সাথে সহমত পোষণ করছি , যেহেতু আমি ফ্রিল্যান্সার হিসাবে কাজ করি সেজন্য বেশিরভাগ কাজই রি-ডিজাইন করতে হয় এজন্য আমি কম টাকা পাই , কিন্তু শুরু থেকে ধরলে তার সাথে আমি সাইটের ডিজাইন , কতদিনের মধ্যে করতে হবে , রি-ডিজাইন আমাকে দিয়েই করাবেন কিনা এ বিষয়ে পরিষ্কার জেনে নেই। ধন্যবাদ , মাহবুব ভাইকে সুন্দর একটি পোষ্ট উপহার দেবার জন্য।
Bux.to দিয়ে খুব সহজেই ইন্টারনেট থেকে টাকা আয় করুন।
ইন্টারনেট থেকে আয়ে করার অনেক PTC (paid to click) সাইট আছে, কিন্তু এর বেশির ভাগ সাইট কোন টাকা পরিশোধ করে না। আজকে আমি এইটি PTC নিয়ে বিস্তারিতভাবেবলবো যারা টাকা পরিশোধ করে
PTC তে কাজ করার পূর্বে আপনাকে Alertpay/ Paypal – তে একাউন্ট খুলতে । শুধু
Alertpay একাউন্ট-ই বাংলাদেশে এখনো সাপোর্ট । তাই আপনাকে Alertpay তে একটি একাউন্ট
খুলতে হবে। Alertpay তে চেকের মাধ্যমে টাকা তোলার সিস্টেম রয়েছে। তাই এখানে টাকা
তুলতে কোন ঝামেলা হয় না বললেই চলে। এবারে আসুন কিভাবে আপনি একাউন্ট খুলবেন।
Alertpay তে একাউন্ট খোলার জন্য ক্লিক করুন।
একাউন্ট খোলার পরে মোবাইল নাম্বার ভেরিফাই করতে হবে। মোবাইল ভেরিফাই শেষ হ লে
আপনার একাউন্ট রেডি হয়ে যাবে।
আমি যে PTC সাইত নিয়ে বলব সেতি হলো Bux.to, সাইটটি অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য একটি সাইট।
তাদের ফোরামে অনেক বাংলাদেশী সদস্য খুজেঁ পাওয়া গেছে যারা এ সাইট থেকে টাকা উপার্জন
করেছে। আমি এই সাইটের একজন নিয়মিত সদস্য। প্রতিদিন আপনি ২৫-৩০ টি এড’স দেখার সুযোগ
পাবেন । প্রতেক এড আপনি দেখবেন মাত্র ৩০ সেকেন্ড, প্রতি এড জন্য আপনি পাবেন ১
সেন্ট । সময়তো কতভাবেই নষ্ট হচ্ছে একবার না হয় একটা রিক্স নিয়েই দেখলেন।
এই সাইটে কাজ করতে গেলে প্রতিটি এডের সাথে ৩০ সেকেন্ড এর একটি ঘড়ি দেখতে পাবেন। ৩০
সেকেন্ড শেষ হয়ে Done লেখাটি উঠে একটি টিক চিহ্ন আসলেই বুঝবেন আপনার কাজ শেষ।
অবশ্যই এক আইপি এবং একটি কম্পিউটারে ১ টির বেশি একাউন্ট করতে পারবেন না। নিয়ম-এর বাইরে
কিছু করলে আপনার লগ ইন এড্রেসটি বাতিল করে দেবে।
রেজিষ্ট্রেশন করার সাথে সাথে আপনি পাবেন একটি রেফারেল আইডি। এই আইডি দ্বারা আপনি
আরও অনেক-কে রেফার করতে পারবেন। তাদের প্রত্যেকের আয়ের সমান পরিমান অর্থ জমা হবে
আপনার একাউন্টে। আপনি সমান পরিমান অর্থ পাবেন যখন তারা কাজ করবে।
তাই আর দেরি না করে সাইন আপ করুন ।
ধরুন, আপনার একটি একাউন্ট আছে সেখানে আপনি প্রতিদিন আয় করেন মাত্র ১০ সেন্ট আর
আপনার রেফারেল করেছেন ৫০ জনকে। এখন তারা প্রতেকে যদি মাত্র ১০ টি করে এডস ক্লিক করে,
তাহলে যে তারা পাবে ১০ সেন্ট করে এবং আপনি পাবেন মোট ১০+(৫০*১০)=৫.১ ডলার প্রতিদিন।
অর্থাৎ বাংলাদেশের হিসেবে ৩৫০ টাকা তাও আবার মাত্র ১৫ মিনিট সময় ব্যয় করে। এবার
সিদ্ধান্ত নিন করবেন কি করবেন না।
http://Bux.to তে একাউন্ট খোলার প্রক্রিয়া:
১. সাইটটিতে প্রবেশ করুন এরপর register লেখা বাটনটিতে ক্লিক করুন।
২. এরপর ফরমটি পূরন করুন।
Selectas your Country, Bangladesh না থাকলে indea িদন কোন problem নাই, কারন টাকা আশবে Alertpayতে।
মনে রাখবেন: Alertpay লেখা ঘরে Alertpay তে ব্যবহৃত ইমেইল এড্রেস, referrer ঘরে nishatbogra লিখুন এবং I agree লেখা চেক বক্সটি ক্লিক করুন।
এরপর register বাটনে ক্লিক করুন।
কিভাবে কাজ করবেন:
১. লগ ইন বাটনে ক্লিক করে তৈরিকৃত একাউন্টটি দ্বারা লগইন করুন।
২. ইউজার নেইম, পাসওয়ার্ড এবং ক্যাপচা দিয়ে ঘরটি পূরন করে লগইন করুন।
৩. লগইন হয়ে গেলে যে পেইজটি আসবে সেখান থেকে Surf ads বাটনে ক্লিক করুন।
৪. এই পেইজে যে লিঙ্কগুলো দেখতে পাচ্ছেন মূলত সেগুলোই হচ্ছে এডস। এরপর যেকোন
এড’স ক্লিক করুন। দেখবেন কিছু সময় পরে এড’দ পেইজে ৩০ সেকেন্ডের একটি ঘড়ি চলছে। ৩০
সেকেন্ড পরে ঘড়িটি বন্ধ হয়ে Done এবং পাশে একটি টিক চিহ্ন উঠবে। এখন আপনি পেইজটি
Close করে একইভাবে এই পেইজের সকল এড’স দেখুন।
৫. সকল এড’স দেখা শেষে আপনার মোট এমাউন্ট অর্থাৎ কত সেন্ট বা ডলার হল সেটি দেখে
নিন My Stats লিঙ্কটিতে ক্লিক করে।
৬. সবশেষে logout করে বেরিয়ে আসুন।
http://www.bangladeshgirlwallpaper.blogspot.com/
লেখাটি ভাল হয়েছে…….
খুবই গুরুত্বপূর্ণ ইনফো দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ মাহবুব ভাই
ফ্রিল্যান্সিং নিয়ে আসলে এভাবে কখনো চিন্তা করা হয়নি।
যখন চিন্তা করবো তখন আরোও ফিডব্যাক পাবেন আশা করছি।
এক কথায় অদ্ভুত ……………..