ব্লগের সাবস্ক্রাইবার বাড়ানোর জন্য ১০টি টিপস
নিত্য নতুন ব্লগ তৈরি হচ্ছে প্রতিদিন। ইন্টারনেট ব্যবহারকারী প্রায় সবারই এখন ব্যক্তিগত ব্লগ রয়েছে। তবে একটি ব্লগের কার্যক্রম শুধু লেখালেখির মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা উচিৎ নয়। এটির আর.এস.এস সাবস্ক্রাইবার, টুইটার ফলোয়ার, ফেইসবুক ফ্যান ইত্যাদি বাড়ানোর দিকেও নজর দিতে হয়।

ব্লগের সাবস্ক্রাইবার, ফলোয়ার ইত্যাদি বাড়ানোর জন্য কিছু টিপস থাকছে এই পোস্টে।
১. সঠিক স্থানে আর.এস.এস আইকন
বেশিরভাগ ব্লগারই প্রথমে এই ভুলটি করে থাকেন। ব্লগের আর.এস.এস ফীড এবং ই-মেইল আপডেট এর আইকন প্রদর্শন করানো খুবই গুরুত্বপূর্ন একটি বিষয়। আপনি এটি ব্লগের সাইডবার অথবা হেডার এর ডান পাশে দেখাতে
পারেন। আর.এস.এস ফীড এবং ই-মেইল এর পাশাপাশি ফেইসবুক এবং টুইটারে অনুসরন করার জন্যও আইকন যুক্ত করতে পারেন।
২. সাবস্ক্রিপশন পদ্ধতি সংক্ষিপ্ত করুন
সাবস্ক্রাইব করার ক্ষেত্রে কোন জটিলতা রাখবেন না। কোন ভিজিটর সাবস্ক্রাইব করতে গিয়ে যদি দেখে এটি খুবই জটিল একটি প্রক্রিয়া, তখন সে সাবস্ক্রাইব না করেই ফিরে যেতে পারে। ব্লগের ফীড বার্ন করার জন্য ফীডবার্নার ব্যবহার করতে পারেন। এটি ব্যবহার করে সহজেই আপনার ব্লগে আর.এস.এস ফীড এবং ই-মেইল আপডেট অপশন যুক্ত করতে পারবেন।
৩. নিয়মিত কন্টেন্ট যুক্ত করা
ব্লগের সাবস্ক্রাইবার বৃদ্ধি করতে এবং পরবর্তিতে তাদের ধরে রাখতে, নিয়মিত কন্টেন্ট যুক্ত করুন। আর এই ক্ষেত্রে আপনি যদি অলস হন, তাহলে খুব তাড়াতাড়ি ভিজিটর এবং সাবস্ক্রাইবার দু’টোই হারাবেন।
৪. মানসম্মত কন্টেন্ট যুক্ত করুন
নিয়মিত শুধু ব্লগে লিখে গেলেই হবে না। আপনার লেখা নূন্যতম মানসম্মত হতে হবে। লেখার মান ভালো হলে সাবস্ক্রাইবার খুব দ্রুত বৃদ্ধি পায়। উদাহরন হিসেবে smashingmagazine ব্লগটি দেখতে পারেন।

এর পোস্টগুলো খুবই মানসম্মত বিধায় সাবস্ক্রাইবার সংখ্যা অনেক বড়।
৫. অন্যান্য ব্লগে মতামত দিন
আপনার ব্লগটি যে বিষয়ক, সেই একই বিষয়ের অন্যান্য ব্লগে মাঝে মাঝে মতামত দিন। এতে করে একদিকে যেমন আপনার ব্লগের ভিজিটর বাড়বে তেমনি অন্য দিকে সাবস্ক্রাইবারও বৃদ্ধি পাবে।
৬. অতিথি পোস্ট লিখুন
আপনার সমগোত্রীয় ব্লগ গুলোতে অতিথি পোস্ট লিখুন। আর অবশ্যই ভালো মানের পোস্ট লিখার চেস্টা করুন, যাতে এটি প্রকাশিত হয় এবং পোস্টের শেষে অথবা লেখক পরিচিতিতে থাকা লিংক ধরে পাঠকরা আপনার ব্লগে আসে।
৭. ফোরাম এ সক্রিয় হোন
ব্লগের ভিজিটর এবং সাবস্ক্রাইবার বাড়ানোর ক্ষেত্রে ফোরাম গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করতে পারে। ফোরাম এ পোস্ট লিখুন এবং বিভিন্ন আলোচনায় অংশগ্রহন করুন। আর বেশিরভাগ ফোরামই সাইন আকারে আপনার ব্লগ বা ওয়েব সাইটের লিংক স্থাপন করার সুযোগ দিবে।
৮. পোস্টের শেষে ট্যাগলাইন যুক্ত করুন
প্রতিটি পোস্টের নিচে ইচ্ছে করলে সাবস্ক্রাইব করার জন্য আমন্ত্রন জানিয়ে কয়েকটি লাইন যুক্ত করতে পারেন। এতে করে পোস্টটি পড়া শেষ হলেই নিচে সাবস্ক্রাইব করার অপশন দেখতে পাবে পাঠকরা। এতে করে সাবস্ক্রাইবার বৃদ্ধি পাবার ব্যপক সম্ভাবনা থাকে।

উদাহরন হিসেবে উপরের ছবিটি দেখতে পারেন।
৯. ফ্রী ই-বুক প্রকাশ করুন
একটি ফ্রী ই-বুকও প্রকাশ করা যেতে পারে সাবস্ক্রাইবার বাড়ানোর জন্য। লেখার মত কিছু না পেলে, আপনার ব্লগের ভালো পোস্টগুলো একত্র করে পিডিএফ আকারে প্রকাশ করতে পারেন। আর.এস.এস ফীড অথবা ই-মেইল সাবস্ক্রাইবারদের বইটি ডাউনলোড করার সুযোগ দিন।
১০. প্রতিযোগীতার আয়োজন করুন
ব্লগে একটি ছোট-খাট প্রতিযোগীতার আয়োজন করতে পারেন। এতে করে আপনার ব্লগে বিভিন্ন জায়গা থেকে নতুন
নতুন ভিজিটর আসতে থাকবে এবং একই সাথে সাবস্ক্রাইবার, ফলোয়ার্স এবং ফ্যান সংখ্যাও বৃদ্ধি পাবে।
এরকম আরও কিছু পোস্টঃ
- ব্লগিং এ আমার জনপ্রিয়তা আমার ব্লগের চেয়েও বেশি
- আপনার ব্লগ কি ধীর গতিতে লোড হচ্ছে? কেন দেখুন তো
- ব্লগে কাঙ্খিত ভিজিটর পেতে আপনার করনীয় কাজগুলো
- কোম্পানীর সাফল্যে ‘কোম্পানী ব্লগ’ এর ভূমিকা
- প্রফেশনাল ব্লগার হতে অত্যাবশ্যকীয় করনীয় : পর্ব-১

লেখাটি পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন ☼
লেখাটি পছন্দ হলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন। শেয়ার করার জন্য উপরের বাটনে ক্লিক করুন
পরবর্তী আপডেট পেতে চাইলে আর.এস.এস ফীড অথবা ই-মেইল এর মাধ্যমে সাবস্ক্রাইব করুন
বিজ্ঞান প্রযুক্তি ডট কম এর ফেইসবুক পেইজ বা গ্রুপ অথবা টুইটার প্রোফাইলে যোগ দিন






দারুন আমার মনে হয় আমার পোেষ্টর বিষয় টা কি সেটা সবছে জরুলি তার চেয়ে জরুলি প্রচার লেখা লেখলে হয়না প্রচার করতে হয় ।ধন্যবাদ।
টিপস গুলো অত্যন্ত কাজের।অনেকগুলো ব্লগে দেখেছি তারা সাবস্ক্রাইব বাড়ানোর জন্য ফ্রি ইবুক দিয়ে থাকেন।আর ভাইয়া অনুরোধ রইল ৮ নং টিপসটা পরে কোনো এক পোস্টে আলোচনা করবেন।
৮ নং এর কাজটি খুবই সহজ। single.php ফাইলে ছোট একটি কোড যুক্ত করেই এটি করা যায়। ওয়ার্ডপ্রেস নিয়ে ধারাবাহিক টিউটোরিয়াল লেখার ইচ্ছা আছে। তখন এই বিষয়টি নিয়েও লিখবো ইনশাল্লাহ।
মানসম্পন্ন কন্টেন্ট, অন্যান্য ব্লগে মতামত দেয়া এবং সঠিক স্থানে সাবস্ক্রাইব অপশন বসানো সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করি।