বাসায় বসে জুস তৈরি করুন
বাজারে বিভিন্ন কোম্পানির আমের জুস পাওয়া যায় । কিন্তু আসলেই কি এগুলো আম? আমি আজ আপনাদের শেখাবো কিভাবে আমের জুস তৈরি করতে হয়। নিজে যখন তৈরি করবেন এবং জুস সম্পর্কে জানবেন তখন আর জুস খেতে হয়ত ইচ্ছা করবে না। চলুন শুরু করা যাক। এটি একটি সরল জুস তৈরির প্রক্রিয়া। ফ্লেভার পরিবর্তন করে এভাবে যেকোনো জুস বানাতে পারবেন।

যা যা লাগবে
. সি . এম . সি সোডিয়াম
. চিনি (৩ চা চামচ )
. আমের ফ্লেভার ( খুব সামান্য , এক চিমটির কম )
. ফুড কালার
কি করতে হবে
. একটি গ্লাস নিন ।
. আধা চামচের কম সি.এম.সি সোডিয়াম দিন
. পানি দিন।
. গলা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।
. চিনি দিন
. আমের ফ্লেভার দিন
. ফুড কালার দিন
হয়ে গেল আপনার আমের জুস। কি, অনেক সুন্দর আমের গ্রান বের হচ্ছে? এখুনি খেয়ে ফেলতে ইচ্ছা করছে?? মাত্র এক চামচ খেয়ে দেখুন। এর বেশি নয়। এবং আশা করি বাজার থেকেও আর জুস কিনে খাবেন না। আম বলতে জুসে কিছুই নেই। আমার ল্যাব এ পরিক্ষিত। ধন্যবাদ।
সতর্কতা
. সি.এম. সি গুঁড়া বেশি দিলে জুস জমে যেতে পারে, যা কিনা বাজারে লিচু বলে পরিচিত ।
. এ জুস এবং যেকোনো জুস বাচ্চাদের খাওয়ানো থেকে বিরত থাকুন ।
এরকম আরও কিছু পোস্টঃ
- তৈরি করুন আকর্ষণীয় টেক্সট এনিমেশন
- মাইক্রোকন্ট্রোলার প্রজেক্টঃ তৈরি করুন ফ্লাসিং এলইডি
- নিজে নিজেই তৈরি করুন একটি ব্ল্যাক স্টাইল নেভিগেশন বার!
- খুব সহজে নিজেই একটি চ্যাট বট (Chat Bot) তৈরি করুন
- ফেলে দেয়া জিনিস দিয়ে তৈরি করুন ইউএসবি ফ্যান
- তৈরি করুন CSS3 রাউন্ড কর্ণার গ্লুসি নেভিগেশন বার
- প্রজেক্টোরিয়াল ভিবিঃ পর্ব-২: হাসি কান্নার প্রোগ্রাম তৈরি (১)

লেখাটি পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন ☼
লেখাটি পছন্দ হলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন। শেয়ার করার জন্য উপরের বাটনে ক্লিক করুন
পরবর্তী আপডেট পেতে চাইলে আর.এস.এস ফীড অথবা ই-মেইল এর মাধ্যমে সাবস্ক্রাইব করুন
বিজ্ঞান প্রযুক্তি ডট কম এর ফেইসবুক পেইজ বা গ্রুপ অথবা টুইটার প্রোফাইলে যোগ দিন






আহ!!!!!!!!!….কি মজা আম……
শুদু আমের জুস না । এই সি.এম.সি গুরা দিয়ে লিচু , জেলি , সূপ তৈরি করা যায় । এবং এগুলো অত্যন্ত সুসাদু হয়। কারন এগুলতে স্বাদ বর্ধক কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয় ।
হায়রে মানুষ !!!!!! আমরা কি খাচ্ছিলাম। আর আদরের সন্তান কে কত আদরেই না জুস কিনে খাওয়াচ্ছে।
কামরুল ভাই কে অনেক অনেক ধন্যবাদ, অনেক মুল্যবান একটা পোস্টের জন্য।
জানার পরেও তো আমরা খাচ্ছি…… জটিল আমাদের হজম শক্তি……তবে প্রতিক্রিয়া ত আছেই
ভাই সব জুস -ই একই…?
সব জুস ই এক…। এত আম কোম্পানি কোঁথায় পাবে ??? তাছাড়া আম প্রক্রিয়া করা অনেক ব্যয় সাপেক্ষ…।
বড়দের জন্যে ক্ষতি তেমন নাই। সি.এম.সি গুরা এক প্রকারের সেলুলোজ । পরিমিত পরিমানে খাওয়া যায়, না খাওয়া গেলে ত আর বি.এস.টি.আই অনুমোদন দিত না । কিন্তু দয়াকরে শিশুদের খেতে দিয়েন না । শিশুদের তাজা শাকসবজি , তাজা মাছ ( ফরমালিন মুক্ত ) খেতে দিন । আপনি খান, তবে ভাই একটু বেশি দিন বাচতে চাইলে কম খাইয়েন।
ধুর ভাই এইটা কেমন পোষ্ট লিখলেন? এখন শুধু আমার জুস খেতে ইচ্ছা করতাছে। হি হি
আমার ও………ধন্যবাদ
হি হি হি ……
অনেক ভাল একটি পোষ্ট। যা কিনা আমাদের আদরের সন্তানদের আজেবাজে খাবারের বিষক্রিয়া থেকে বাচিয়ে রাখতে সাহায্য করবে। তবে আমার কষ্ট হয় যে, কোন কোম্পানী কি পারেনা সত্যিকারের ভেজালমুক্ত আম বা অন্য কোন ফলের জুস তৈরী করতে! হোক না তা একটুখানি দামী।
একমত
আমি ও একমত । টাকা থাকলে নিজেই একটা ফ্যাক্টরি করতাম ।
মেঙ্গো পাল্প ব্যবহার করে এটা করা যায় । কিন্তু জুস যদি খেতেই হয় , খান না । খাঁটি আম থেকে জুস বানিয়ে খেতে পারেন ।
তাছাড়া সবার ধান্দা শুদু ব্যবসা করা । বেশি খরচে কম লাভ কে চায় ???
আগে দুষ্টামি করে কুমরার জুস বলতাম। এখন দেখি তার চেয়েও বেশি।
আগে ত আমি ও তাই জানতাম । আমার প্রতি রবিবার বন্ধ থাকে , তাই একটু টাকার লোভে একটা মিক্স ফ্রুত জুস কম্পানিতে সময় দেই । আর তখন ই আসল ব্যপার জানতে পারি । সত্যি কথা বলতে কি কোম্পানিটির খাঁটি বি.এস. টি. লাইসেন্স আছে ।
সি,এম,সি সোডিয়াম, ফুড কালার বা ফ্লেভার কোথায় পাওয়া যায় যদি বলতেন…
সাপ্লাইয়ার নাম ছিল ………… ক্যমিকেল এন্তারপ্রাইজ । দুঃখিত……।। একটু খোঁজ করলেই জানতে পারবেন ।
সাধারন দোকানে ও পাওয়া যেতে পারে । আমি সামান্য কেমিক্যাল নিয়ে আসছিলাম । তাই দিয়ে তৈরি করেছি । তবে সাধারন দোকানে সি.এম.সি সোডিয়াম হয়ত পাবেন না ।
অত্যন্ত ভয়াবহ …
হয়ত তেমন না । খাওয়া যায় তো । আমরা খাচ্ছি ত । কিছুই ত হচ্ছে না ।
ধন্যবাদ ভাই এই ধরনের একটি পোষ্ট করার জন্য। আশা করি এই ধরনের ব্যাবহার সবারই কমানো উচিৎ !
আপনাকে ও ধন্যবাদ । আপনি ঠিকই বলেছেন ।
ভাই ট্যাং ও গুড়া দুধ কি দিয়া বানায়।ট্যাং খাইলে পানি পানি লাগে ।গুড়া দুধে তো ময়দা দেয়া মনে হয় ।দানা দানা থাকে ।বিশেষ করে এ্যাংকর টা ।এ গুলু কি বাচ্চার কোন ক্ষতি করে।জানালে খুশি হব।Please জানাবেন।
ভাই , গুড়া দুধে আরও ভয়ংকর জিনিস দেয়া হয় । মেলামাইন এক প্রকার প্রোটিন । প্রোটিনের পরিমাণ ঠিক রাখার জন্যে গুড়া দুধে মেলামাইন দেয়া হয় । এই কারনে প্রায় সকল গুড়া দুধে ই এক বছর বয়সের কম বাচ্চাদের খাওয়া নিষেধ থাকে ।
ভাই ট্যাং এ কি সি . এম . সি সোডিয়াম থাকে ।
না…।।
অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানতে পারলাম……… কামরুল ভাই আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ।
আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ , মনোযোগ দিয়ে পড়ার জন্যে ……
আমি তো ২০১২ কেমন যাবে নামক পোস্ট করেছিলাম টিউনার পেজে । সেখানে আমি ওদের ছাড় দিয়েছি আপনি তাও দিলেন না ।
মকর (২২ ডিসেম্বর-২০ জানুয়ারি)
দেশ নিয়ে ভাবতে ভাবতে আপনি ক্লান্ত হয়ে যাবেন ।আপনাকে আম রোগে ধরবে রাজশাহী, চাঁপাই নবাবগঞ্জ এর প্রায় ১৫০ প্রজাতির আমেও আপনার তৃপ্ত হবেনা মন ।রাজশাহী, চাঁপাই নবাবগঞ্জ থেকে কেনা সস্তাই গনহারে ভাল, পচাঁ,অর্ধ পচাঁ, গুটি আমের জুস আপনাকে আম মনে হবে বাকি সব আমড়া ।
কুম্ভ (২১ জানুয়ারি-১৮ ফেব্রুয়ারি)
কর্ম দক্ষতা বাড়াতে বেশী বেশী হট পানিও পান করা থেকে বিরত থাকুন ।নয়ত আপনি এক রকম মাদকাসক্তে পরিণত হতে পারেন চাকুরী চ্যুত হতে পারেন।হট পানিও পান করে কাজ নো প্রবলেম করে বেকার সমস্যা বাড়ানোর মানে হয়না ।
বিজ্ঞাপন তো দেয় পানিয় খেয়ে কাজ করার জন্যে , মানুষ কোনটা বিশ্বাস করবে……।
বাচাঁও বিধাতা বাচাঁও- আম ছাড়াই আমের জুস
আরও আছে লিচু ছাড়া লিচু, বিভিন্ন ফল ছাড়া সেই ফল………
ভাই খুবই দরকারি একটি পোস্ট দেয়াছেন। এজন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। বাসার গিন্নি খুবই খুশি ।
বুঝলাম না ভাই, গিন্নি কেন খুশি হবে……।
ভাইয়া গণিত পাঠশালা তে কি আপনার লেখা গুলা শেয়ার করবেন, তাহলে আরো অনেকে এই বিষয় গুলা জানতে পারতো, হাজার হলে ও গণিত কমিউনিটি বলে কথা। আর লেখাটি চমৎকার হয়েছে।
ধন্যবাদ
আপনাকে ধন্যবাদ………।। আমি আসছি……………………।
ভাই , গুড়াটা কিভাবে পাব ?