লিনাক্স বিশেষ করে উবুন্টুর নাম শুনলে নতুনদের মনে সর্বপ্রথম যে প্রতিক্রিয়াটি হয় তা হলো “কঠিন”। উবুন্টু বা লিনাক্সের নাম শুনলেই জটিল সব কমান্ড লাইনের ভয়ে হাত-পা কাঁপতে শুরু করে অনেকেরই। একটা সময় ছিল যখন লিনাক্স কেবল হাই-টেক প্রোগ্রামারদের জন্যই। তবে সম্প্রতি ওপেন সোর্সের জয়যাত্রায় লিনাক্সকে সর্বসাধারণের ব্যবহারোপযোগী করে তোলার জন্য কঠোর পরিশ্রম করছে বেশ কিছু টিম এবং গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেসের মাধ্যমে লিনাক্স ব্যবহার অচিন্তনীয়ভাবে সহজ ও দ্রুত করে ফেলেছে।

উবুন্টুকে কঠিন মনে হওয়ার পেছনে মূলত সাইকোলজি কাজ করে। যেহেতু উবুন্টু ইউনিক্স এর উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে, সেহেতু উইন্ডোজের সঙ্গে এর কোনো মিলই নেই। সারাজীবন দরজার জানালা ব্যবহার করার অভ্যাস থাকায় (বিল গেটসের উইন্ডোজ 😉 ) হঠাৎ নতুন একটি পরিবেশে গিয়ে বেশ কষ্টসাধ্য মনে হতেই পারে। কিন্তু একবার উবুন্টুতে অভ্যস্ত হয়ে গেলে উইন্ডোজের ইন্টারফেস দেখলেই মেজাজ খারাপ হবে। ইচ্ছে হবে ২৪ ঘণ্টাই উবুন্টুতে থাকতে। আমি নিজেই তার জলজ্যান্ত প্রমাণ।

যাই হোক, উবুন্টু যে কঠিন নয়, তার কিছু প্রমাণ এই পোস্টের মাধ্যমে আমি দিতে যাচ্ছি। নিচের ৭টি বৈশিষ্ট্য লক্ষ্য করলে দেখবেন এগুলো উইন্ডোজের তুলনায় উবুন্টুতে করা বেশি সহজ। তো আসুন উইন্ডোজের দফা রফা করা যাক! 😀

সফটওয়্যার ইন্সটল করা

উইন্ডোজের জন্য সফটওয়্যার ইন্সটল করতে আপনি কী কী করে থাকেন একটু ভেবে দেখুন তো? সিডি না থাকলে সফটওয়্যারটির ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করেন। আর যদি ঠিকানা জানা না থাকে, তাহলে তো সেরেছেই! গুগলে সার্চ করতে করতে অবস্থা খারাপ হয়।

আবার সফটওয়্যার ডাউনলোড করেই কিন্তু শেষ নয়। আবার তা ইন্সটলেরই ঝামেলা পোহাতে হয়। আর যদি ব্যবহারকারী খুব একটা সতর্ক না হোন, তাহলে ম্যালিশিয়াস সাইট থেকে সফটওয়্যার ডাউনলোড করে ফেলতে পারেন, যা তার অজান্তেই কম্পিউটারে ডাকাত ঢুকিয়ে দেবে।

কিন্তু উবুন্টুতে সফটওয়্যার ইন্সটল করা বোতল থেকে গ্লাসে পানি ঢালার চেয়েও সোজা। কেবল অ্যাপ্লিকেশন মেনু থেকে উবুন্টু সফটওয়্যার সেন্টারে যান, পছন্দের সফটওয়্যারটি খুঁজে বের করুন অথবা বিভাগ অনুযায়ী ব্রাউজ করুন। ইন্সটল বাটনে ক্লিক করুন। ব্যস! একেবারে ডাউনলোডসহ ইন্সটল হয়ে যাবে।

vlc

এ কথা স্বীকার করতেই হয় যে উবুন্টুতে সফটওয়্যারের এক বিশাল ভাণ্ডার থাকলেও অতীব জরুরি সফটওয়্যারগুলোর অভাব এখনো রয়েই গেছে। তবে এ কথা নিঃসন্দেহে বলা যায় বর্তমান বিশ্বে যে হারে মানুষ লিনাক্সমুখী হচ্ছে, অ্যাডোবিসহ অন্যান্য সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠানরা শিগগিরই লিনাক্সের উপযোগী করে সফটওয়্যার তৈরি করতে শুরু করবেন। কেননা, লিনাক্স বিনামূল্যের হলেও লিনাক্স ব্যবহারকারী পেশাদাররা টাকা দিয়ে ফটোশপ, ইলাস্ট্রেটর ইত্যাদির মতো সফটওয়্যার কিনতে দ্বিধা করবেন না। (উল্লেখ্য, ইতিমধ্যেই অ্যাডোবি এয়ার লিনাক্সের উপযোগী করে বের করা হয়েছে।)

কম্পিউটারকে ব্যবহারোপযোগী করা

সফটওয়্যার ইন্সটল করা ছাড়াও আপনি যখন নতুন কোনো কম্পিউটার ব্যবহার শুরু করেন তখন জাভা, ফ্ল্যাশ প্লেয়ার, কোডেক ইত্যাদি বহু জিনিস ডাউনলোড অথবা ইন্সটল করতে হয়। কিন্তু উবুন্টুতে এই সমস্যা নেই। সফটওয়্যার সেন্টারে গিয়ে ubuntu restricted extras লিখলেই এই প্যাকেজটি প্রদর্শিত হবে। ইন্সটল বাটনে ক্লিক করলে প্রায় ৭০+ মেগাবাইটের এই প্যাকেজটি ডাউনলোড ও ইন্সটল হয়ে যাবে।

restricted extras

উইন্ডোজে কখনো এমনটা চিন্তা করতে পেরেছেন (কোনো তৃতীয়পক্ষের অ্যাপ্লিকেশন ছাড়া)?

ড্রাইভার ইন্সটল

উইন্ডোজে ড্রাইভার ইন্সটলের ঝামেলা পোহাননি এমন ব্যবহারকারী হয়তো কমই পাওয়া যাবে। উবুন্টু প্রতি ৬ মাসে একবার করে আপডেট হয় বিধায় আপনি যত নতুন হার্ডওয়্যারই ব্যবহার করেন না কেন, উবুন্টু তা সাপোর্ট করবেই। কিছু ব্যতিক্রম দেখা যেতেও পারে। তবে ৯৯% ক্ষেত্রেই উবুন্টুতে কোনো ড্রাইভার ইন্সটল করতে হয় না। উবুন্টু নিজেই যা করার করে নেয়।

অবশ্য উইন্ডোজ ৭-এ ড্রাইভার সম্পর্কিত এ সমস্যাটির সমাধান চেষ্টা করার চেষ্টা করা হয়েছে, আর তা বেশ প্রশংসনীয়ও বটে। তবে উবুন্টুর মতো সহজ-সরল কাজ উইন্ডোজ পারেনি।

সফটওয়্যারের তালিকা

উইন্ডোজে স্টার্ট মেনু থেকে প্রোগ্রাম > সফটওয়্যার খুঁজে বের করতে করতে অভ্যস্ত হয়ে গেছি বলে এর সবচেয়ে বড় সমস্যাটা আমার কারোরই হয়তো অনুভব হয়নি। উইন্ডোজ এই স্টার্ট মেনুতে সবগুলো সফটওয়্যার আলাদা আলাদা করে রাখে। মনে করুন, নতুন একজন ব্যবহারকারী কম্পিউটার কিনে আনলো। কেনার সময়ই যেহেতু সফটওয়্যারগুলো ইন্সটল করে দেয়া হয়, তাই তিনি তখনও জানেন না তার পিসিতে কী কী সফটওয়্যার আছে। মনে করুন, তিনি কম্পিউটার সম্পর্কে ধারণা একটু কমই রাখেন। এখন যদি তিনি গান শুনতে চান বা ইন্টারনেটে কাজ করতে চান, তাহলে তিনি কীভাবে বুঝবেন কোন সফটওয়্যারটি রান করতে হবে?

startmenuannoying_thumb

শুনতে হাস্যকর বা অবাক লাগলেও ব্যাপারটা ঠিক এমনই। উইন্ডোজে প্রোগ্রাম রান করার আগে আপনাকে জানতে হবে কোন সফটওয়্যার কী কাজ করে। এটা না জানলে আপনাকে এক্সপেরিমেন্ট করে সময় নষ্ট করতে হবে।

কিন্তু উবুন্টুতে কী লক্ষ্য করেছেন মেনুগুলো কী সুন্দর ও বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে সাজানো হয়েছে? টপ মেনুবারে মাত্র তিনটি মেনুর মধ্যেই পুরো কম্পিউটারের সবকিছু শ্রেণীবিন্যাস করে সাজানো হয়েছে। এতে করে আপনি প্রোগ্রাম রান করার আগে দেখে নিতে পারবেন প্রোগ্রামটি কোন কাজে ব্যবহৃত হয়। আপনি নিজে যদি কোনো সফটওয়্যার ইন্সটল করেন, তবুও উবুন্টুকে বলে দিতে হবে না। ইন্টেলিজেন্ট এই অপারেটিং সিস্টেমটি নিজে থেকেই নির্দিষ্ট মেনুতে সফটওয়্যারটি রেখে দিবে। এতে করে অ্যাপ্লিকেশন মেনু থেকে সাবমেনুর সাহায্যে সহজেই আপনি প্রোগ্রাম রান করতে পারবেন।

menus

অসাধারণ! তাই না? দৃষ্টিভঙ্গিটাই বড় ব্যাপার। তার সঙ্গে যোগ হয় অভ্যাস। তাই তো এতদিন উইন্ডোজের এই সমস্যাটি বুঝতেই পারেননি। অবশ্য উইন্ডোজ ৭-এ সার্চ অপশন আনার মাধ্যমে মেনুর প্রয়োজনীয়তাই উঠিয়ে দেয়া হয়েছে।

থিম পরিবর্তন করা

থিম পরিবর্তন করা উইন্ডোজে একটি ঝামেলার কাজ তা সবাই জানেন। অন্যদিকে উবুন্টুতে মাত্র একটি ক্লিকের মাধ্যমেই থিম পরিবর্তন করে ফেলা সম্ভব। এছাড়াও থিম কাস্টোমাইজ করাও বেশ সহজ।

themes

এখানেও বলা বাহুল্য, উইন্ডোজ ৭-এ থিম কাস্টোমাইজ ও অ্যাক্টিভেট করা অনেকটা উবুন্টুর মতোই সহজ ও দ্রুত করা হয়েছে।

সিস্টেম ও সফটওয়্যার আপডেট

উইন্ডোজের সিস্টেম আপডেট না হয় সহজ বলেই মেনে নিলাম, কিন্তু ইন্সটল থাকা অন্যান্য সফটওয়্যারের ক্ষেত্রে কি সেটা প্রযোজ্য? উত্তর অবশ্যই না। কারণ, কোনো সফটওয়্যারের আপডেট বের হলেই আপনার কাজ ডিস্টার্ব করে নোটিফিকেশন দেয়া শুরু করে। এটি উইন্ডোজের প্রায় সব সফটওয়্যারেরই ‘বৈশিষ্ট্য’। এর ভালো দিক আছে, একই সঙ্গে খারাপ দিকও আছে। এখনকার যুগে কাজে প্রোডাক্টিভিটির প্রতি বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়। আর তাই এইসব পপ-আপ নোটিফিকেশন বর্জনীয় বলেই অভিহিত করা হয়ে থাকে।

অন্যদিকে উবুন্টু কিন্তু আপনাকে এতো জ্বালাবে না। আপনার কম্পিউটারে যত সফটওয়্যারই ইন্সটল থাকুক না কেন, আপডেট বের হলে সেগুলোর তালিকা একসঙ্গে উবুন্টুর ইন্টেলিজেন্ট আপডেট ম্যানেজার প্রদর্শন করবে। এতে আপনি একটি ক্লিকের মাধ্যমেই সব সফটওয়্যার আপডেট করে ফেলতে পারছেন। আর এটি বারবার পপ-আপও হবে না। প্রতিবার কম্পিউটার চালু করার পর একবার এই আপডেট ম্যানেজার আসবে। অবশ্য চাইলে আপনি সেটাও বন্ধ করে দিতে পারেন। পরবর্তীতে সিস্টেম > অ্যাডমিনিস্ট্রেটর > আপডেট ম্যানেজার থেকে সময়-সুযোগমতো আপডেট করে নিতে পারবেন।

updates

এই সুবিধা এখনো উইন্ডোজ ৭ দিতে পারেনি যদিও। 😉

ডেস্কটপ শেয়ারিং

উইন্ডোজ ব্যবহার করে রিমোট ডেস্কটপ শেয়ারিং বেশ ঝামেলার। আমি নিজে কয়েকবার চেষ্টা করে হাল ছেড়ে দিয়েছি। থার্ড পার্টি অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার ছাড়া এটি উইন্ডোজে বেশ কঠিন। কিন্তু উবুন্টুতে এটি এতোই সহজ যে আমি প্রথমবার দেখে অবাক হয়ে গেছি।

desktop sharing

ডেস্কটপ শেয়ারিং-এর সবচেয়ে সহজ উপায় হলো উবুন্টুর ডিফল্ট চ্যাটিং সফটওয়্যার এমপ্যাথি ব্যবহার করে। আপনি এবং আপনার বন্ধু দু’জনকেই এমপ্যাথিতে লগইন থাকতে হবে। এরপর নামের উপর রাইট-ক্লিক করে শেয়ার মাই ডেস্কটপ লেখায় ক্লিক করলেই আপনার বন্ধু আমন্ত্রণ পাবেন। আমন্ত্রণ গ্রহণ করলেই আপনার বন্ধু আপনার ডেস্কটপ চালাতে পারবেন। 😉

শেষ কথা

এতক্ষণ উবুন্টুর প্রশংসা ভালোই করলাম। কিন্তু মাঝে মাঝে উইন্ডোজ ৭-এর প্রশংসাও চলে এসেছে। তবে তাই বলে আমি লিখতে দ্বিধাবোধ করিনি। কারণ, যার যেই সুবিধা আছে, তার সেটার জন্য প্রশংসা প্রাপ্য। তবে আসল কথা হলো, আমাদের বেশিরভাগ মানুষই উইন্ডোজ ব্যবহার করি যেগুলো জেনুইন নয়। এছাড়াও ধারণা করা হচ্ছে ২০১৫ অথবা এই সময়ের দিকে বাংলাদেশেও জেনুইন ছাড়া উইন্ডোজ ব্যবহার না করার লক্ষ্যে কঠোর পদক্ষেপ নেবে মাইক্রোসফট। তখন উইন্ডোজ ব্যবহারকারীদের বেশ ভালো বিপদেই পড়তে হবে।

এছাড়াও কেবল জেনুইনের কথা চিন্তা করে উবুন্টু ব্যবহার করা উচিৎ। অনেক প্রফেশনালদেরও আমি দেখেছি যারা তাদের জেনুইন উইন্ডোজ ছেড়ে উবুন্টু ব্যবহার করছেন। এখন নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন কেন হঠাৎই উবুন্টুর এতো সাড়া পড়ে গেল।

উবুন্টু সর্বাবস্থায়ই জেনুইন এবং সহজ-সরল ও শক্তিশালী একটি অপারেটিং সিস্টেম। আপনি যত ইচ্ছে কাজ একসঙ্গে উবুন্টুকে দিতে পারেন, উবুন্টু তার সবগুলো ধীরে সুস্থে শেষ করবে, উইন্ডোজের মতো হ্যাং করবে না। আর তাছাড়া ল্যাপটপের ক্ষেত্রেও আপনার ব্যাটারি পাওয়ার কম খরচ করবে উবুন্টু।

সস্তার তিন অবস্থা বলে একটি কথা থাকলেও একেবারে বিনামূল্যে হওয়ার পরও প্রতি ৬ মাসেই আপডেট বের হচ্ছে উবুন্টুর। তার উপর প্রতিটি আপডেটেই লেটেস্ট সব প্রযুক্তিকে উবুন্টুর দুনিয়ায় নিয়ে আসার কাজও চলছে সমান তালে। এটাই উবুন্টুর সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য।

comments

21 কমেন্টস

  1. আমিনুল ভাইতো দেখি ছক্কা মারছেন। চরম পোস্ট দিছেন …
    মনে হইতেছে এবার লিনাক্স একটা ট্রাই মারা দরকার। ডুয়েল বুটে চালামু কিনা চিন্তা করতেছি। কিন্তু জেনুইন উইন্ডোজটার লাইগাও ভয় লাগে। হার্ডডিস্ক যদি ফরমেট হইয়া যায় 🙁

    • চিন্তার কি আছে? আর এত ডরাস কেন? আমিও তো জেনুইন উইন্ডোজ সেভেন ব্যাবহার করি 😛
      আর ডুয়েল বুটে লিনাক্স মিন্ট চালাই। তবে আপডেট করার সময় সাবধান!!!

    • ইমতিয়াজ ভাই এখনো উবুন্টু ট্রাই করেন নাই! 😮
      যত তাড়াতাড়ি সম্ভব করেন! আর জেনুইন তো সমস্যা কী? ফরম্যাট হয়ে গেলেও জেনুইন ভার্সন এর কী টা তো আছেই, আবার ইন্সটল করে নিলেই হয় 😀
      আর একবার উবুন্টুর মজা পাইলে আর ভুলেও উইন্ডোজে ব্যাক করবেন না, এইটুকু শিউর থাকেন 😉

      • জেনুইন ভার্সন এর কী নাই। পিসির সাথে বান্ডেল দিছিলো। চিন্তা করতেছি একটা নেটবুক কিনা তারপর ট্রাই করমু। ডেস্কটপে দরকারী অনেক জিনিস আছে। ফরমেট হইলে শেষ 🙁

        • একজন একটু অভিজ্ঞ উবুন্টু/মিন্ট বা অন্য লিনাক্স ব্যবহারকারীকে সাথে নিয়ে ইনস্টল করুন। ফরম্যাট হয়ে গায়েব হবে না।

          গত চার বছরে একবারের জন্যও এই আকামটা আমি করতে পারি নাই। কারণ প্রতিটা মেসেজে ওকে/ফরোয়ার্ড ক্লিক করার আগে মেসেজটা পড়ে দেখার একটা বদ(!)অভ্যাস আছে আমার। যাদের ফর্মাট হয়ে ডেটা হারিয়েছে, তাদের কারোরই এই বদ(!)অভ্যাসটা নাই; বরং ওকে/ফরওয়ার্ড দেখামাত্রই ক্লিক করার একটা দারুন সুঅভ্যাস আছে।

          একটু সচিত্র টিউটোরিয়াল পড়ে কি কি জিনিষ আসবে সেটা জেনে নেয়াটা একটা ভাল প্রস্তুতি।

          প্রথমে লিনাক্সের জন্য একটা ড্রাইভ খালি করে নিলে, কাজটা একটু সহজ হবে। কারণ সবচেয়ে দীর্ঘ খালি জায়গা চিনে নেয়ার জন্য একটা সিস্টেম আছে ইনস্টলারে। আর যদি “সাইড বাই সাইড’ (উইথ উইন্ডোজ) বলে একটা অপশন ব্যবহার করতে হয় তবে যেই ড্রাইভে উইন্ডোজের পাশাপাশি ইনস্টল হবে, সেখান থেকে একটু অংশ নিজের জন্য আলাদা করে নেবে, তবে সেই কাজ করার আগে উইন্ডোজ থেকেই ঐ ড্রাইভটাকে ডিফ্রাগমেন্ট করে নিতে হবে।

          আমার নেটবুকে এক্স.পি. সা.প্যা-৩ লাইসেন্সড বান্ডেল। ঐটাতেও উবুন্টু দিয়েছি পাশাপাশি।

  2. আমিনুল ইসলাম সজিব ভাই লিনাক্স ভীতি দূর করার জন্য আপনার এই পোষ্ট নতুন দের অনেক কাজে আসবে। পোষ্ট এর জন্য ধন্যবাদ। আর আমি এই মতামত টি লিনাক্স মিন্ট থেকে দিচ্ছি 😀

  3. ধন্যবাদ। উবুন্টুর আরও কি কি সুবিধা আছে জানাবেন।

  4. আমি এখনো লিনাক্স ব্যবহার করি নাই। পোস্টটি পড়ে লোভ লাগছে। …………..এইবার একটা ট্রাই মেরে দেখবো।

  5. খুবই ভাল লেগেছে পোস্টটি। আশা করি আপনার কছ থেকে আরও শিখতে পারবো।
    উবুন্তু ইন্সটল করেছি। ব্যবহার করে ভালই লাগে। ওয়্যারলেস মডেমটা কনফিগার করতে না পারায় অবশ্য কম বসা হয় ।

  6. Very Nice Post, Thanks you Very Much ….

    i want about Linux many post

  7. আমি দুই দিন হলো উবুন্টু ব্যবহার করছি। উবুন্টুতে ব্রাউজিং স্পিড বেশি মনে হয়েছে আমার কাছে। 🙂
    তবে বেজাল মনে হয়েছে একটাই নেট থেকে সব কিছু অনলাইন ইন্সটল করতে হয়।
    অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

    • উইন্ডোজে যেমন অন্যের পিসি থেকে কপি করে প্রোগ্রাম আনা যায় (কিছু ক্ষেত্রে যা পাইরেসি), তেমন সিস্টেম উবুন্টুতেও (বা অন্য লিনাক্স ডিস্ট্রিবিউশনেও) আছে এবং এটা পাইরেসি নয়। আমার বাসার আর অফিসের পিসির ক্ষেত্রে বাসায় সব আপডেট করি, সফটওয়্যার ইনস্টল করি। ভাল লাগলে সেটা অফিসে নিয়ে যাই। ফলে অফিসের অত্যন্ত ধীরগতির নেটের উপর নির্ভরশীল হতে হয় না।

  8. Post ta pore bhalo laglo kintu ami ubuntur cd kothay pabo? Ubuntu shomporke ektu details janale valo hoy. Dhonnobad.

  9. উবুন্টুর সব ভাল লাগে তবে সমস্যা হচ্ছে এর সফট গুলো বাজারে পাওয়া যায়না। ইন্টারনেট থেকে নিতে হয়। আর সবার কাছে নেট থাকে না। এর সফট গুলো যদি বাজারে সিডি আকারে বের করা হত তাহলে আমার মত ব্যবহার কারীদের উবুন্টু ব্যবহার করতে সুবিধা হত।

LEAVE A REPLY

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.