নবম গ্রহ আছে আমাদের সৌজগতে? ছবিসূত্রঃ গুগল

যুগটা বিজ্ঞানের। বিজ্ঞান তার নানা ধরণের আশীর্বাদের মাধ্যমে আমাদের জীবনকে গড়ে তুলেছে গতিশীল, করেছে মায়াময়। একজন মানুষ এখন তার নানা প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পেতে চেষ্টা করেন বিজ্ঞানের মাধ্যমে। নিত্য নতুন আবিষ্কারের ফলে মানুষ এখন বিজ্ঞানের ওপর নির্ভর করেন। ২০১৭ সালে প্রবেশ করেছি আমরা কিন্তু ২০১৬ সালকে কি সাইলেই ভোলা সম্ভব? আসুন এক নজরে দেখে নেয়া যাক, ২০১৬ সালের সেরা কিছু আবিষ্কারঃ

১) আমাদের সৌরজগতে নবম গ্রহ থাকবার সম্ভাবনাঃ

নবম গ্রহ আছে আমাদের সৌজগতে? ছবিসূত্রঃ গুগল
নবম গ্রহ আছে আমাদের সৌজগতে?
                 ছবিসূত্রঃ গুগল

কথাটা সত্যি। আমাদের সৌরজগতে নবম একটি গ্রহের অস্তিত্ব থাকতে পারে এবং এটি প্লুটোর কাছাকাছি। বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন গ্রহটি বড় এবং শীতল তাপমাত্রার একটি গ্রহ। কিন্তু এই গ্রহটি সম্পর্কে বিজ্ঞানীরা কিভাবে জানলেন?
কুইপার বেল্টের কাছাকাছি তারা নতুন একটি কক্ষপথের সন্ধান পান। কক্ষপথটির সূত্র কোথা থেকে এসেছে তা অনুসন্ধান করতে গিয়ে তারা নতুন এই গ্রহের সন্ধান পান।

২) আমাদের জানার বাইরে দশগুণ বেশি গ্যালাক্সি রয়েছেঃ

গ্যালাক্সির সংখ্যা অগণিত ছবিসূত্রঃ গুগল
গ্যালাক্সির সংখ্যা অগণিত
                        ছবিসূত্রঃ গুগল

কতগুলো গ্যালাক্সি এই সৌরজগতে রয়েছে তা জানতে পারা আসলে নির্ভর করে টেলিস্কোপের শক্তিমাত্রার ওপর। যত শক্তিশালী টেলিস্কোপ, তত বেশি জানতে পারা নির্ভর করবে সৌরজগতের মাঝে কি আছে তা জানার জন্য। আধুনিক বিজ্ঞান, গণিতের প্রসারতাকে ধন্যবাদ। বিজ্ঞানীরা আগে যা জানতেন বরঞ্চ তার থেকে বেশি ফলাফলই এখন তারা পেয়েছেন। তাদের ধারণায়, গ্যালাক্সির সংখ্যা তাদের জানার চাইতেও অনেক বেশি।

৩) কেভফিশ সরীসৃপের মত দেয়াল বাইতে পারেঃ
এটি মূলত প্রাণীজগতের সাধারণ একটি তথ্য আবিষ্কার। কিন্তু যারা বিবর্তনশীলতা নিয়ে পড়াশোনা করছেন কিংবা এ সম্পর্কে জানার আগ্রহ রাখেন, তাদের জন্য এই তথ্যটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য। পৃথিবীর দক্ষিণাঞ্চলের দেশগুলোতে কেভফিশ পাওয়া যায়। সাধারণত এগুলো গুহায় বসবাস করে বলে এদের এরকম নাম দেয়া হয়েছে।
নাম শুনেই বুঝতে পারছেন এটি এক প্রজাতির মাছ। তবে বিজ্ঞানীদের কাছে যে তথ্যটি গুরুত্বপূর্ণ তা হচ্ছে, এই মাছ টিকটিকির মত দেয়াল বাইতে পারে!

৪) ভবিষ্যতের খাদ্য সমস্যা নিরসন করবে “সুপার হুইট”:

খাদ্য সমস্যা নিরসনে আসছে সুপার হুইট ছবিসূত্রঃ গুগল
খাদ্য সমস্যা নিরসনে আসছে সুপার হুইট
               ছবিসূত্রঃ গুগল

ভবিষ্যতে মানুষ বাড়বে, মানুষের জন্য বসতি বাড়বে এবং প্রয়োজন হবে বিপুল পরিমাণের খাদ্যের। এত খাদ্য কি পৃথিবীর মাটি আমাদের দিতে পারবে? জি এম ও তাই নতুন এক জাতের গম আবিষ্কার করেছে। এর নাম দেয়া হয়েছে “সুপার হুইট’। এটি সাধারণের তুলনায় বেশি পরিমাণে সালোকসংশ্লেষণে অংশগ্রহণ করে এবং ৪0 শতাংশ বেশি শস্য প্রদান করবে। বিজ্ঞানীরা ভাবছেন ভবিষ্যতে সুপার হুইট মানুষের খাদ্য সমস্যা নিরসনে সাহায্য করবে।

৫) ডাইনোসরের লেজের অংশ পাওয়া গেল অ্যাম্বারেঃ
জুরাসিক পার্ক এখন আর শুধু পর্দার মাঝেই আটকে নেই। তা উঠে এসেছে বাস্তব জীবনেও। কোলিওসরাস নামক এক ডাইনোসরের লেজের সারাংশ পাওয়া গিয়েছে বিজ্ঞানীরা এখনো পরীক্ষা নিরীক্ষা করে দেখছেন নতুন কি কি তথ্য এর থেকে পাওয়া যায়।

সূত্রঃ লাইভ সাইন্স

comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.