বছরে বাজারে নতুন গেইম আসে কতগুলো? সংখ্যাটি নিশ্চিত লাখের ঘরে! কিন্তু সব গেইম তো আর গেইমারদের মনোযোগ আকর্ষণ করতে পারেনা। এখানে কিছু গেইম থাকে যেগুলোকে সবগুলোর সেরা বলা যেতেই পারে। তবে এ সেরা গেইমটি নির্বাচন করবে কে? একাজের জন্যও পেশাদার অনেক প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তবে যেসব প্রতিষ্ঠান সেরা গেইম নির্বাচন করে তাদের মধ্যে সেরা কে?আন্তর্জাতিক গেইমিং বাজারে এক কথায় অনেকেই বলবেন গোল্ডেন জয়স্টিক! এ প্রতিষ্ঠানের নামেই প্রতিবছর সেরা প্রতিষ্ঠানকে অ্যাওয়ার্ড দেয়া হয়। এ সেরা প্রতিষ্ঠানই প্রতিবছর নির্বাচন করে বর্ষসেরা গেইমগুলো।

গত সপ্তাহে তাদের বর্ষসেরা নতুন গেইমের তালিকা প্রকাশ করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এ তালিকায় ১৫ টি বিভাগে ১৫ গেইমকে এবারের বর্ষসেরা হিসাবে ঘোষনা করা হয়েছে। তালিকা থেকে সেরা এবং পছন্দের পাঁচটি পছন্দের গেইম নিয়ে আমার আজকের এ লেখা। হাতে কিছুটা সময় থাকলে একবার অন্তত গেইমগুলো পরখ করে দেখতে ভুলবেন না। 🙂

পোর্টাল ২

জেনেটিক লাইফ ফর্ম এন্ড ডিস্ক অপারেটিং সিস্টেম বা সংক্ষেপে গ্লাডস নামের এক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন কমপিউটারের বিরুদ্ধে এবং মানব জাতির সভ্যতা রক্ষা করার লড়াই চলছে সর্বত্র। সভ্যতা রক্ষার এ লড়াইয়ের নেতৃত্ব পড়বে গেইমারের উপর। তাকে চেল নামের এক মানব চরিত্রে খেলতে হবে শত্রুর বিরুদ্ধে। পোর্টাল টু গেইমটিতে গেমারকে পোর্টাল গানের মতো আধুনিক মরনাস্ত্র নিয়েও খেলতে হবে। পোর্টাল গান ছাড়াও নতুন এ গেমে যুক্ত হয়েছে আরো কিছু অস্ত্র, এগুলো হচ্ছে- র্ট্যাক্টর বীম, লেজার রিডাইরেকশন, পেইন্টজেল ইত্যাদি। নানা রকমের পোর্টালের ভেতর দিয়ে এক প্লাটফর্ম থেকে আরেক প্লাটফর্মে যাতায়াত করতে হবে এবং সেই সাথে সমাধান করতে হবে বিভিন্ন ধরনের পাজল। সিঙ্গেল প্লেয়ার ক্যাম্পেইন বা কো-অপারেটিভ মোডে বা দুটি রোবটের যেকোনো একটিকে নিয়ে খেলতে হবে এখানে। রোবট দুটির নাম হচ্ছে অ্যাটলাস ও পি-বডি। গেইমটির পুরো অন্যবদ্য কাহিনী আর এ অ্যানিমেশন সহ অন্যসবদিক বিবেচনা করে এ গেমটিকেই বছরের সবচেয়ে সেরা গেইম হিসাবে ঘোষনা দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে জয়স্টিক কর্তৃপক্ষ।

এমনিতেই নতুন ধরনের গেমপ্লে এবং অধিকতর বাস্তবসম্মত মুভমেন্টের কারণে এতদিন এটি ফার্স্ট পারসন শুটার ভক্তদের পছন্দের শীর্ষে ছিল। আর সেরা গেইম হিসাবে ঘোষনা পর তো  ফার্ষ্ট পারসন শ্যুটার গেইম ভক্তরা এটির উপর ঝাপিয়ে পড়বেন! এটি মূলত সায়েন্স ফিকশন ধাঁচের ফার্স্ট পারসন শুটিং এবং পাজল গেইম। ২০০৭ সালে এর প্রথম সিকুয়েল বাজারে আনে নির্মাতা ভালব কর্পোরেশন। তবে এটি বাজারে আসে গতবছরের মার্চের দিকে। এসেই প্রথম পর্যায়ে এটি বাজার মাত করে। প্রথম সপ্তাহেই এটি ব্যবসা করে কয়েক মিলিয়ন ডলার। আমাজন ডটকমের হিসাব অনুযায়ী, মুক্তির প্রথম সপ্তাহেই এটি যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ বিক্রি হওয়া গেইমে পরিণত হয়। আর বছর না ঘুরতেই এটি বিশ্বব্যাপী বিক্রি হয় ৫ মিলিয়নেরও বেশি কপি। এটি সব বিভাগের সেরা গেইম হিসাবে অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে এবার।

অ্যাসাসিনস ক্রিড : ব্রাদারহুড

অ্যাসাসিনস গেইম সিরিজেরই নতুন পর্ব ‘অ্যাসাসিনস ক্রিড: ব্রাদারহুড’। ‘অ্যাসাসিনস ক্রিড টু’ ঠিক যেখানে শেষ হয়েছিল সেখান থেকেই শুরু হয়েছে ব্রাদারহুডের কাহিনী। এখানেও গেইমার নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন ‘ইজিও অদিতর দা ফিরাঞ্জে’ কে। স্বর্গের টুকরা বা ‘পিস অব ইডেন’ এর সন্ধানে গেমের মূল চরিত্র ডেসমন্ড মাইলসকে খুঁজে বেড়াচ্ছে প্রাচীন সংগঠন ‘অ্যাবস্টরগো করপোরেশন’। ‘অ্যানিমাস’ নামের একটি যন্ত্রের সাহায্যে মাইলসের জিন থেকে তার পূর্বপুরুষের স্মৃতি উদ্ধার করে সেই রহস্যময় ‘পিস অব ইডেন’-এর খোঁজ বের করাটাই অ্যাবস্টারগো করপোরেশনের উদ্দেশ্য। কাহিনীপর্বে তরুণ ইজিও চোখের সামনে দেখে নিজের বাবা ও ভাইয়ের মৃত্যুদণ্ড। আর এ ষড়যন্ত্রের মূল হোতা রড্রিগো বোর্গিয়া ও মেডিচি পরিবারকে শেষ করে দেওয়ার শপথ নেয় সে। নিজস্ব মিশন ছাড়াও সে ভাড়া করে নতুন গুপ্তঘাতক।

এ ই হলো অ্যাসাসিনস ক্রিড ব্র্যাদারহুড গেইমটির সিঙ্গেল প্লেয়ার মোডের গল্প। এছাড়া অনলাইন মাল্টিপ্লেয়ারেও তিনটি বিশেষ মোডে গেইমটি খেলার সুযোগ রয়েছে। ওয়ান্টেড মোডে সর্বোচ্চ আটজন গেইমার একসঙ্গে অংশ নিতে পারেন এতে।

গেইমটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠান গেম জায়ান্ট ইউবিসফট। ২০১০ সালের নভেম্বর এটি প্লেস্টেশন থ্রি ও এক্সবক্সের জন্য রিলিজ করা হয়। এটি রিলিজ হওয়ার মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যেই বিক্রি হয়ে যায় ১ মিলিয়নেরও বেশি কপি! এটি ইউবিসফটের সর্বোচ্চ ব্যবসা করা গেইমের একটি। ২০১১ সালের মে মাস পর্যন্তই এটি বিক্রি হয়েছে ৮ মিলিয়ন কপিরও বেশি! আর অ্যাসাসিনস সিরিজের মোট গেইম বিক্রি হয়েছে ২৮ মিলিয়ন কপি। জয়স্টিক অ্যাওয়ার্ডে অ্যাকশন গেইম বিভাগে এটি শীর্ষ নির্বাচিত হয়েছে।

অ্যাংরি বার্ডস

ইয়া বড় একটা গুলতি। তার নিচে জমায়েত হয়েছে একঝাঁক খুদে পাখি। ভীষণ খ্যাপাটে ওরা, এত খ্যাপাটে যে নামের সঙ্গেই রীতিমতো ‘অ্যাংরি’ যুক্ত করা হয়েছে! গুলতি নিয়ে নাদুসনুদুস ছোট্ট পাখিগুলো প্রস্তুত শত্রুর মোকাবিলা করতে। আর এদের শত্রু হলো দাঁত বের করে হাসতে থাকা কিছু শূকর। এ শূকরগুলোর সঙ্গে তাদের শত্রুতা পাখির ডিম খেয়ে ফেলা নিয়ে। পাখির কাছে অস্ত্র বলতে রয়েছে একটি গুলতি। তবে গুলতিতে কি লাগিয়ে সেগুলোকে শত্রুর দিকে পাঠানো হবে? তেমন কোন ধারালো পাথর বা এধরণের অস্ত্র তাদের নেই। ধূর, এত শত ভাবার সময় কি ওদের আছে? গুলতিতে চড়ে নিজেই উড়ে গিয়ে এসব শত্রুদের উপর আক্রমণ চালায় রাগি পাখিগুলো! বাব্বাহ!! রাগি পাখি বলে কথা! 🙂 এভাবে একে একে শত্রুগুলোকে ঘায়েল করে এগিয়ে যাওয়াই রাগি পাখিগুলোর কাজ। আর এ রাগি পাখিগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করতে হয় গেইমারকে! কি সাংঘাতিক কথা না! হ্যা, বলছিলাম অ্যাংরিবার্ড গেইমটির কাহিনী সংক্ষেপ। প্রযুক্তি বাজারে এ রাগি পাখিগুলোকে নিয়ে এসেছিল ফিনল্যান্ড ভিত্তিক গেম নির্মাতা প্রতিষ্ঠান রোভিও মোবাইল। ২০০৯ সালের ডিসেম্বরে আইওএস অপারেটিং সিস্টেমের জন্য প্রথম ‘অ্যাংরি বার্ড’ বাজারে আনে রোভিও। অ্যাপলের অ্যাপস্টোরে এটি প্রথম সপ্তাহেই শীর্ষ স্থান দখল করে। ব্যাপক জনপ্রিয়তার সূত্র ধরে একে একে অ্যানড্রয়েড সহ অন্যান্য স্মার্টফোনগুলোর জন্যও এটির আলাদা সংস্করণ বাজারে আনা হয়। অ্যাংরি বার্ডের মূল গেইমের পাশাপাশি এর ৩ টি বিশেষ সংস্করণ রয়েছে, অ্যাংরি বার্ড সিজনস, অ্যাংরি বার্ড রিও এবং অ্যাংরি বার্ড মিউজিক। মূলত এবছর অ্যাংরি বার্ড রিও-র জন্যই গেইমটিকে মোবাইল বিভাগে বর্ষসেরা  হিসাবে ঘোষনা করা হয়েছে। অ্যাংরি বার্ড রিও গেমটি অনলাইন স্টোর থেকে বিক্রি হয়েছে ১০ মিলিয়ন বারেরও বেশি বার!

ফল আউট: নিউ ভেগাস

বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থের কারণে নষ্ট হয়ে যাওয়া পৃথিবীর পরিবেশের হাত থেকে বাঁচার জন্য মানুষ ঠাঁই নিয়েছে মাটির নিচের এক সুরক্ষিত স্থানে, যার নাম ভল্ট। অনেক বছর ধরে মানুষ সংগ্রাম করে বেঁচে আছে এ ভল্টে। এখানে গেইমারের ভূমিকা হচ্ছে এক কুরিয়ার বা বার্তা বাহক হিসেবে দায়িত্ব পালন করা। গেইমারকে প্লাটিনাম পোকার চিপস ডেলিভারি দেয়ার জন্য পাঠানো হয়েছে নিউ ভেগাস সিটিতে। কিন্তু বিধিবাম, পথিমধ্যে পোকার চিপসের প্যাকেজটি লুটে নিয়েছে বেনি নামের এক ডাকাত সর্দার। একই সঙ্গে মেরে ফেলা হয়েছে কুরিয়ারকে। এপর্বে, রোবটের মাধ্যমে তার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে, আর তার হত্যার রহস্য ও পোকার চিপস উদ্ধারের কাজে পাঠানো হয়েছে বিশেষ গোয়েন্দা। গেইমটিতে গেইমারকে গোয়েন্দা চরিত্রে খেলতে হবে। গোয়েন্দা হয়েই তাকে খুঁজে বের করতে হবে বেনি কোথায় আছে। আর তাকে শাস্তি দেয়ার মিশনও তাকেই খেলতে হবে।

সায়েন্স ফিকশনভিত্তিক ফলআউট:নিউভেগাস গেইমটির পটভূমি হচ্ছে ২২৮১ সাল, যা ফলআউট ৩ গেমের চার বছর পরের কাহিনী নিয়ে গড়ে উঠেছে। গেমটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অবসিডিয়ান এন্টারটেইনমেন্ট। ২০১০ সালের অক্টোবরে এক্সবক্স ৩৬০, প্লেস্টেশন ৩ এবং মাইক্রোসফট উইন্ডোজের জন্য প্রথম গেইমটি বাজারে আসে। একই বছরের নভেম্বরের মধ্যেই গেইমটি ৫ মিলিয়নেরও বেশি কপি বিক্রি হয় আর এটি ব্যবসা করে ৩০০ মিলিয়ন ডলার। রোলপ্লে বিভাগে এটি গোল্ডেন জয়স্টিক পুরস্কার জিতেছে এবার।

কল অব ডিউটি : ব্লাক অপস

১৯৬০ সালের পটভূমি কেন্দ্রিক এ গেইমটির লোকেশনগুলো বেশ চমকপ্রদ। এটি মূলত কল অব ডিউটি গেইমেরই বিশেষ একটি সংস্করণ। আগের গেইমটির কাহিনী নিয়েই বিশেষ এ গেইমটি গড়ে উঠেছে। বোনাস হিসাবে এসেছে নতুন সব লোকেশন। এসব লোকেশনেই গেইমারকে শত্রুর সঙ্গে যুদ্ধ করতে হবে। গেইমারদের সুবিধার্থে রয়েছে কমব্যাট ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা। আরও রয়েছে নতুন অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্র  এবং কাস্টোমাইজ ম্যাপিং সিস্টেম। শক্তিশালী এ ম্যাপিং সিস্টেমের মাধ্যমে গেইমার বিভিন্ন ক্ষেত্র বেশ ভালোভাবে বুঝতে পারবেন। গেইমটির মাল্টিপ্লেয়ার মোডে একসঙ্গে ১৮ জন খেলার সুযোগ রয়েছে। এখানে গেইমারকে কখনও রেসকিউ, অ্যামবুশ, মাইনিং, কাউন্টার অ্যাটাক, মাউন্টেন অ্যাটাক কিংবা স্পেশাল অবজেক্ট উদ্ধারে নামতে হবে। গেইমটির যানবাহনের ব্যবহার বেশ গুরুত্বপূর্ণ। বিভিন্ন স্থলমিশনে গেইমার, গানার এবং যানবাহন দুটো বিষয় ব্যবহার করবেন। তবে সবচেয়ে আগে গেইমার অবশ্যই মিশনের অবজেক্ট ভালোভাবে বুঝে নেয়ার চেষ্টা করবেন।

ত্রিয়ার্স নামক একটি প্রতিষ্ঠান এ গেইমটির নির্মাতা। ২০১০ সালের নভেম্বরে এটি প্রথমবার মাইক্রোসফট উইন্ডোজ, এক্সবক্স ৩৬০ এবং প্লেস্টেশন ৩ এর জন্য বাজারে আসে। গেইমটি রিলিজ হওয়ার মাত্র ২৪ ঘন্টার মধ্যেই ৭ মিলিয়ন কপি বিক্রি হয়ে যায়! শুধু যুক্তরাষ্ট্রেই গেইমটি বিক্রি হয়েছে ১৩.৭ মিলিয়ন কপি। আর বিশ্বব্যাপী এটি ব্যবসা করেছে ১ বিলিয়ন ডলার! শ্যুটিং বিভাগে তাই এবার এটিই হয়েছে সেরাগেইম। 🙂

অন্য সেরা ১০ গেইম

অন্যান্য বিভাগে সেরা গেমগুলোর তালিকাও প্রকাশ করেছে গোল্ডেন জয়স্টিক। এমএমওজি বিভাগে সেরা হয়েছে ‘ওয়ার্ল্ড অব ওয়্যারক্রাফট‘ গেইমটি। রেসিং বিভাগের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে ‘গ্রান টুরিজমো ফাইভ’ গেইমটি। স্পোর্টস বিভাগে বরাবরের মতো ফিফা ১১ তার নিজস্ব অবস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। মিউজিক বিভাগে গিটার হিরো: ওয়ারিয়রস অব রক, ফাইটিংয়ে মরটাল কমব্যাট, ফ্রি টু প্লে বিভাগে লিগ অব লিজেন্ড, ডাউনলোডেবল বিভাগে মিনেক্রাফট, ওয়ান টু ওয়াচ বিভাগে এল্ডার স্ক্রলস ভার্সেস স্কাইরিম, স্ট্রাটেজিতে স্টারক্রাফট ২, ইনোভেশন বিভাগে নিনটেন্ডো থিডিএস ডিভাইস আর আউটস্টান্ডিং বিভাগে সনিক দ্যা হেজহগ গেইমটি সেরা নির্বাচিত হয়েছে। 🙂

প্রিয় পাঠক, শীর্ষ গেইমগুলোর মধ্যে কোনটি কোনটি আপনার এ পর্যন্ত খেলা হয়েছে? কোনটি কেমন লেগেছে আপনার কাছে? প্লিজ লেট আস নো থ্রু কমেন্টস। 🙂

comments

23 কমেন্টস

  1. assassin’s creed brotherhood! এর মত গেম এখন পর্যন্ত আর কোনটি বের হয় নি। অবাক হলাম Dragon age II এই রেঙ্কিং এ থাকলো না দেখে।

  2. অনেক সুন্দর লিখা। চমৎকার রিভিউ। কয়েকটা খেলা হয়েছে । বাকিগুলো দেখি খেলতে পারি কিনা 🙂

  3. পোর্টাল ২ এবং ফল আউট: নিউ ভেগাস নিয়ে আমার চরম আপত্তি আছে !!!!!!

    পোর্টাল ১ খেলেছি, ২ খেলি নাই। পোর্টাল ১ এর প্রথম কিছুক্ষন খেলেই আমি গেমটিকে মুছে দিয়েছি । জানি না আপনাদের কি মতামত, তবে আমার কাছে গেমটি ভালো লাগে নি। আর যে গেমটির প্রথম পার্ট এর এই বেহাল দশা, তার পরবর্তি পার্ট কেমন হবে, আমি বেশ ভালোই বুঝতে পারছি (আমার ভুল হতেও পারে)। অন্য দিকে , ফল আউট: নিউ ভেগাস এর গ্রাফিক্স আমার কাছে খুবি সাদা মাটা মনে হয়েছে।

    তবে আল-আমিন কবির ভাই কে অনেক অনেক ধন্যবাদ সুন্দর করে গুছিয়ে লিখাবর জন্য।

  4. Ekhan theke 4ta game khelesi …..
    1. Fifa 11
    2. Assasin Creed: Brother Hood..
    3. Call of duty: Black Ops..
    4. off course ANGRY BIRD ! 🙂
    Nice Review ! 🙂

  5. ভাইয়া, Assassin’s Creed II -এর অনেক মিশন শেষ করেছি। কিন্তু আজ অপারেটিং দেবার ফলে saved games delete হয়ে গেছে। যার ফলে আবার নতুন করে গেম খেলতে হচ্ছে। future-a যাতে এই ধরনের mistake na হয় সে বেপারে কোন advice কি দিতে পারেন

  6. ভাইয়া আমি একজন windows 7 user. তাই আমি ভালভাবে বুঝি নাই, রিয়াজুল হাশেম ভাইয়া।

    • ভাই, আপনি আপনার C:\ড্রাইভ এ গিয়ে দেখুন Users নামের একটি ফোল্ডার আছে, ফোল্ডার টিতে ঢুকুন। এবার আপনি যে নামে আছেন, সেই ফোল্ডার টিকে খুলুন।
      দেখুন ফোল্ডার টির মধ্যে Desktop এবং My Documents নামের দুটি ফোল্ডার আছে, সেই দুটি কে CUT করে C:\ ড্রাইভ ছাড়া অন্য যে কোন ড্রাইভ এ Paste করে দিন।
      এবার আপনার কম্পিউটার টিকে একটি Restart দিন। এখন দেখুন, আপনার Desktop এবং My Documents এর সকল তথ্য আপনার C:\ ড্রাইভ এ না সেভ হয়ে নতুন জায়গায় সেভ হচ্ছে …… এখন আপনি C:\ ড্রাইভ ফরম্যাট করলেও আপনার Desktop এবং My Documents এর তথ্য মুছবে না।
      ধন্যবাদ …

  7. কবির ভাই গেমের তথ্যগুলো ভালো লাগল। আপনার উপস্থাপনও চমৎকার। লেখা চালিয়ে যান। অনেক অনেক ধন্যবাদ।:smile:

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.