আজ থেকে মাত্র ১৬ বছর আগে মেমোরি কার্ড যুগের সূচনা। আপনি কী জানেন কত মেমোরি নিয়ে শুরু হয়েছিল মেমোরি কার্ডের সূচনা? মাত্র ১৬ মেগাবাইট নিয়ে শুরু হয়েছিল মেমোরি কার্ড যুগের। আর বিখ্যাত মেমোরি কার্ড নির্মাতা সানডিস্ক শুরু করেছিল মাত্র ৬৪ মেগাবাইট দিয়ে।

 

মেমোরি কার্ড তো দূরে থাক এখনকার যুগের বেসিক ফোনের ইন্টারনাল মেমোরিও এখন আর মেগাবাইটে হিসাব হয়না। সেখানেও হিসাবের একক হচ্ছে গিগাবাইট। সুতরাং বুঝতেই পারছেন মেমোরি কার্ড এখন মেগাবাইট যুগে নেই, ছিল গিগাবাইট যুগে। এখন নিশ্চয়ই আশ্চর্য হচ্ছেন ছিল কেন বলা হচ্ছে? কারণ ১৬ বছর আগে এই সানডিস্ক কোম্পানিই তাদের মেমোরি কার্ড যুগের শুরু করেছিল ৬৪ মেগাবাইটের কার্ড দিয়ে। তারাই আবার নতুন যুগের সূচনা করলো টেরাবাইট দিয়ে!

 

যদিও ১ টেরাবাইট কার্ড এখনো প্রোটোটাইপ পর্যায়ে আছে। মানে সানডিস্ক এখনো এটা বাজারে ছাড়ার ঘোষণা দেয়নি বা দাম সম্পর্কে কোনো ধারণা দেয়নি। তবে তারা এর খসড়া প্রকাশ করেছে। ছবিতে দেখা যাচ্ছে তাদের মেমোরি কার্ডের গায়ে লেখা ওয়ান টিবি ( ১ টেরাবাইট)।

 

কিন্তু হঠাৎ এতো বড় আকারের মেমোরি কার্ডের প্রয়োজন হলো কেন? সানডিস্ক বলছে ইদানিংকালে ফোরকে এবং এইটকে ফুটেজের চাহিদা বেড়েছে একই সঙ্গে ৩৬০ ডিগ্রি ভিডিও ফুটেজও জনপ্রিয় হচ্ছে। ফলে এই হাই রেজুলেশন কনটেন্ট ধরে রাখার জন্যে প্রয়োজন বিশাল মেমোরি।

 

দিনকে দিন নতুন নতুন ফরম্যাট এবং ভিডিওতে আসছে অনেক উৎকর্ষতা। ফলে ভিডিওর রেজুলেশনের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে তার সাইজ। আগে একটি মুভি’র জন্যে মেগাবাইটে হিসাব করা হতো। এখন ব্লুরে প্রিন্ট বা ফুল এইচডি প্রিন্টের জন্যে হিসাব কষতে হচ্ছে গিগাবাইটে। ফলে ভালো রেজুলেশনের বেশ কিছু মুভি রাখলেই ফুরিয়ে যাচ্ছে মেমোরি কার্ড বা মোবাইলের মেমোরি। তাই গত দুবছর আগে সানডিস্ক লঞ্চ করেছিল ৫১২ গিগাবাইটের মেমোরি কার্ড। আর তার পরেও যখন দেখা গেল এটা যথেষ্ট নয়, তখন বাধ্য হয়েই নামতে হলে টেরাবাইটে!

 

সব কিছু ঠিক থাকলে অল্প কিছু দিনের ভেতর মেমোরি কার্ড ‘টেরাবাইট’ যুগে পা রাখবে বিখ্যাত মেমোরি কার্ড নির্মাতা প্রতিষ্ঠান সানডিস্কের হাত ধরে। সুতরাং বোঝাই যাচ্ছে ভিডিও রেজুলেশনের উৎকর্ষতার চ্যালেঞ্জ মেমোরি কার্ড নির্মাতারা ভালো ভাবেই নিয়েছেন। তারাও হাত গুটিয়ে বসে নেই।

 

comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.