ইন্দোনেশিয়ার সুরাবায়া থেকে হঠাৎ করে নিখোঁজ হয়েছে মালেশিয়ান ভিত্তিক “এয়ার এশিয়ার” একটি বিমান। নিখোঁজ হবার সময় বিমানটিতে ৭ জন ক্রু সহ মোট ১৬২ জন যাত্রী ছিল। দুর্ঘটনাটি ঠিক তখন ঘটে যখন বিমানের পাইলট কে তার যাত্রাপথ পরিবর্তন করতে বলা হয়।

Air Asia

বিমানটি ৩২ হাজার ফুট ওপর দিয়ে চলছিল তবে আকাশের ওই স্তরে খুব বেশি মেঘ থাকার কারনে পাইলটকে ৩৮ হাজার ফুট ওপর দিয়ে উড়তে বলা হয়। তবে হঠাথ করে রুট পরিবর্তন করা এবং এতোটা উঁচু দিয়ে ওড়া একটু অস্বাভাবিকই মনে হচ্ছিলো। পাইলট তার বিমানের উচ্চতা এবং রুট পরিবর্তন করার সাথে সাথে ভূমির সাথে সকল ধরনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

উড়োজাহাজটিতে ৭ জন ক্রু ও ১৫৫ জন যাত্রী মিলিয়ে সর্বমোট ১৬২ আরোহী ছিলেন। এদের মধ্যে ২ জন পাইলট ও ৫ জন ক্রেবিন ক্রু ছাড়া বাকি ১৪৯ জনই ইন্দোনেশিয়ান। বাকি আর ছয়জনের মধ্যে তিনজন কোরিয়ান এবং একজন মালয়েশিয়ান এবং একজন সিঙ্গাপুরিয়ান। তবে অপর একজনের জাতীয়তা প্রথমে ব্রিটিশ বলা হলেও এখন বলা হচ্ছে তিনি ফরাসি নাগরিক।

উড়োজাহাজটি যখন শেষবারের মতো যোগাযোগ করে তখন সেটি কালিমানতান ও বেলিতুং দ্বীপের মাঝামাঝি এলাকা অবস্থান করছিলো বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ইন্দোনেশিয়ার যোগাযোগমন্ত্রী হাদি মুস্তফার বরাত দিয়ে জানা গেছে, বিমান “কিউজেড ৮৫০১” রবিবার স্থানীয় সময় ভোর ৫টা ২০ মিনিটে সুরাবায়া থেকে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে উড্ডয়ন করে। স্থানীয় সময় ৮টা ৩০ মিনিটে তার গন্তব্যে পৌঁছানোর কথা। হাদি মুস্তফা আরো জানিয়েছে, বিমানটি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করার আগে ভিন্ন গতিপথে চলছিল।

তবে কি এই ভিন্ন পথে পরিচালনা হবার কারনেই কি বিমানটি গায়েব হয়ে গেলো? ইতিমধ্যে এয়ার এশিয়ার পক্ষ থেকেও ফ্লাইটটি নিখোঁজ থাকার কথা নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে কি আমরা আবারো সেই মালেশিয়ান এয়ারলাইন্স দুর্ঘটনার মতো আরেকটি দুর্ঘটনা দেখতে চলেছি? সত্য ঘটনা কি ঘটেছে সেটি জানার জন্য আমাদের এখন অপেক্ষা করতে হবে।

comments

1 COMMENT

  1. সড়কপথে দূর্ঘটনার মতো আকাশপথে দূর্ঘটনাও স্বাভাবিক হয়ে যাচ্ছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.