প্রাচীন যুগে হার্ট রেট নির্ণয় করা হতো হাতের সাহায্যে, যা এখনো চলমান। তবে নির্ভুলভাবে সম্ভব নয়। বিজ্ঞানের কল্যাণে এখন ইকো কার্ডিও গ্রাম (ইসিজি) যন্ত্র দিয়ে হার্ট রেট মাপা হয় প্রায় নির্ভুলভাবে। হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ইসিজি যন্ত্র আকারে বড় ও এর বহুবিধ ব্যবহার থাকায় তেমন সহজলভ্যও নয়।এমন একটি নতুন যন্ত্র তৈরিতে হাতে নেন নিজস্ব প্রকল্প। কয়েক মাস পর তারা সফলও হন। এ প্রকল্পটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে পরিচালিত এটুআই প্রোগ্রাম কর্তৃক দিনাজপুরে আয়োজিত ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলায় শ্রেষ্ঠ তরুণ উদ্ভাবনী দল হিসেবে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে। এ গ্রুপের সদস্যরা বর্তমানে হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় ও তৃতীয় বর্ষে অধ্যয়নরত। আকারে খুবই ছোট হওয়ায় সহজে পরিবহনযোগ্য, স্বপ্লমূল্যে এ যন্ত্র বাজারজাত করা সম্ভব। দুর্গম এলাকা, খেলার মাঠ, বিমানসহ সর্বত্র খুব সহজেই ব্যবহার উপযোগী। যে কেউ ব্যক্তিগতভাবে ব্যবহার করতে পারবেন। এ যন্ত্রের স্ক্রিন হিসেবে একটি ডিভাইস সংযুক্ত থাকে। তা ছাড়াও ল্যাপটপ, কম্পিউটার, স্মার্ট ফোনও স্ক্রিন হিসেবে ব্যবহার করা যাবে। প্রথমেই কি প্যাড ডিভাইসের মাধ্যমে রোগীর বয়স ও পুরুষ/মহিলা সংক্রান্ত তথ্য ইনপুট দিতে হবে। এ যন্ত্র চালু করার আগেই হাতের আঙুল/কানের লতির সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে। যন্ত্র চালুর ৩০ সেকেন্ড পর্যন্ত হার্ট রেট গণনা করবে।  হার্ট রেট গণনার পর ডিসপ্লেতে স্বাভাবিক বা অস্বাভাবিক রেট নির্দেশ করবে। যদি অস্বাভাবিক হয় তবে যন্ত্রে আগে জমাকৃত ফোন নাম্বারে ওই তথ্য ক্ষুদে বার্তায় পরিবারের কাছেও প্রেরণ করা যাবে। এমনকি এ যন্ত্র ব্যবহারকারী/রোগীকে সঙ্গে সঙ্গেই প্রাথমিক পরামর্শও প্রদান করতে পারবে। এ যন্ত্রটি তৈরিতে মাত্র তিন হাজার টাকা খরচ হবে। ‘যোগ্য পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এ যন্ত্র আরো উন্নত করা সম্ভব। তখন বস্নাড প্রেসার, তাপমাত্রা, ডায়াবেটিসসহ আরো কয়েকটি রোগ নির্ণয় করা সম্ভব হবে। ‘

 

comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.