গ্রাহক সংখ্যা বৃদ্ধিতে আরও উন্নত সেবা দেওয়ার জন্য এই উদ্যোগ।স্যামসাং ইলেকট্রনিক্স কো. লি. বাংলাদেশে দুটি সার্ভিস সেন্টার উদ্বোধন করেছে।একটি হলো- নদীবন্দর নগরী নারায়ণগঞ্জে এবং অন্যটি দেশের তৃতীয় প্রাচীনতম শহর কুমিল্লায়। গ্রাহকরা এ সার্ভিস সেন্টার থেকে স্যামসাং- এর বিভিন্ন ধরনের মোবাইল ডিভাইসের বিক্রয়োত্তর সেবা পাবেন।

স্যামসাং-এর গ্রাহকদের ক্রমবর্ধমান চাহিদার ভিত্তিতে মোবাইল ডিভাইসগুলোতে সেরা মানের বিক্রয়োত্তর সেবা নিশ্চিত করতেই এই সার্ভিস সেন্টারগুলো উদ্বোধন করা হয়েছে। বাংলাদেশের বাজারে স্যামসাং গ্রাহকদের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণ অব্যাহত রেখেছে, যার ফলে সার্ভিস সেন্টারের চাহিদা বেড়েছে। স্যামসাং খুবই স্বল্প সময়ে অধিক গ্রাহকদের বিক্রয়োত্তর সেবা নিশ্চিত করতে পারবে। স্যামসাং সবসময় তার গ্রাহকদের শ্রেষ্ঠ পণ্য ও সেরা মানের বিক্রয়োত্তর সেবা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ নগরীতে সার্ভিস সেন্টারগুলো উদ্বোধন হওয়ার মাধ্যমে স্যামসাং-এর গ্রাহকদের ব্যাপকভাবে মানসম্পন্ন সেবাদানের প্রতিশ্রুতি পূরণ হলো।

নারায়ণগঞ্জের সার্ভিস সেন্টারটি টোকিও প্লাজা, দোকান নং-১৭ ও ১৮ (চতুর্থ তলা), ৬৯ বিবি রোড, ডিআইটি-তে অবস্থিত। কুমিল্লার সার্ভিস সেন্টারটি আলবির টাওয়ার (তৃতীয় তলা), হোল্ডিং নম্বর ৫৭১ (পশ্চিম পাশে), নজরুল এভিনিউ, রাণীর বাজার রোডে অবস্থিত। এ সার্ভিস সেন্টারগুলো স্যামসাং-এর আন্তর্জাতিক মান অনুসারে সাজানো হয়েছে। এই সেন্টারগুলো শুক্রবার এবং সরকারি ছুটির দিন ছাড়া বাকি সব দিনেই খোলা থাকবে।

স্যামসাং বাংলাদেশের ম্যানেজিং ডিরেক্টর স্যাংওয়ান ইউন ফিতা কেটে সার্ভিস সেন্টারের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। এতে আরও উপস্থিত ছিলেন হেড অব কাস্টমার সার্ভিস তানভির শাহেদ এবং ফেয়ার সল্যুশন লি. এর ডিরেক্টর খন্দকার হাফিজ আল আসাদ। স্যামসাং বাংলাদেশের ম্যানেজিং ডিরেক্টর স্যাংওয়ান ইউন বলেন, “পণ্য কেনার সাথে সাথেই যেন গ্রাহকদের সাথে আমাদের সম্পর্ক শেষ না হয় তা নিশ্চিত করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা গ্রাহকদের সেরা মানের পণ্য ও সেবাসমূহ দিতে বদ্ধপরিকর। এখন থেকে নদীবন্দর নগরী নারায়ণগঞ্জ এবং কুমিল্লায় গ্রাহকরা স্যামসাং মোবাইল হ্যান্ডসেটে মানসম্পন্ন বিক্রয়োত্তর সেবা পাবেন”।

 

 

comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.