বেশিরভাগ স্মার্টফোনের চার্জ একদিনের বেশি স্থায়ী হয় না। নানা অ্যাপস ব্যবহারের ফলে দিন শেষের সঙ্গে সঙ্গে দেখা যায় চার্জও শেষ হয়ে আসতে থাকে।

 

ফোন চার্জ দেওয়ার ক্ষেত্রে অনেকের কাছেই সুবিধাজনক সময় মনে হয় সে সময়টা, যে সময়টাতে পরিচিতজনদের সঙ্গে মেসেজিংয়ে ব্যস্ত থাকা লাগবে না কিংবা ইন্টারনেটে সক্রিয় থাকা লাগবে না।

 

সাধারণত, অনেকেই এজন্য ফোন চার্জ দেওয়ার ক্ষেত্রে ঘুমের সময়টাকে বেছে নেন। এ সময়টাতেই ফোন চার্জ দেওয়াটা যুক্তিসম্মত শোনাচ্ছে, তাই তো?

 

ভুল। এমনটাই অভিমত ডমিনিক লিটলউড নামের এক ভোক্তা বিশেষজ্ঞের। ‘গুড মর্নিং ব্রিটেন’ নামক একটি টিভি অনুষ্ঠানে ব্যাখা করেন, বর্ধিত সময় ধরে চার্জে কোনো কিছু রেখে দিলে অবিশ্বাস্য বিপজ্জনক হিসেবে অগ্নি ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে।

 

এবং এটা শুধু এ কারণে বিপজ্জনক না যে ফোনটি বেশি সময় চার্জে থাকছে, পাশাপাশি চার্জের জন্য ফোনটি কোথায় রাখা হচ্ছে, সেদিকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়ে থাকে না।

 

যারা ঘুম মনিটর অ্যাপ ব্যবহার করেন, তারা ফোনটি বিছানাতেই চার্জে রেখে দেন। কিংবা সকালে ঘুম থেকে ওঠার জন্য অনেককেই দেখা যায় ফোনে অ্যালার্ম দিয়ে তা বালিশের নিচে রেখে দেয়। এ ব্যাপারে ডমিনিক স্পষ্টভাবে সতর্ক করে বলেন, এর ফলে ফোনের ব্যাটারি উত্তপ্ত হয়ে অগ্নিকাণ্ডের মতো ঘটনা বিছানায় ঘটাতে করতে পারে।

 

এর পরিবর্তে তাহলে কী করণীয়? তিনি বলেন, ‘ফোন চার্জ দিয়ে তা বালিশের নীচে রেখে না দিয়ে একটি পিরিচে রেখে দিন। ফোন উত্তপ্ত হয়ে গেলে জ্বলার সম্ভাবনা কিছুটা কমবে।’

 

এছাড়া সারারাত ফোন চার্জ দিলে তা ব্যাটারির দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতিও করে থাকে। পিসি অ্যাডভাইজার ম্যাগাজিনের তথ্যমতে, ফোনের ব্যাটারি কখনোই ১০০ শতাংশ পূর্ণ চার্জ করা উচিত নয়। এর ফলে ব্যাটারি লাইফ ক্ষয়ে যায়।

 

মূল কথা, রাতে ঘুমানোর সময় ফোন চার্জে রেখে দেবেন না। এটা ভালো কোনো কিছু দেবে না।

comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.