বই হোক জ্ঞানের পাথেয় ছবি সূত্রঃ গুগল

বিজ্ঞানের প্রতি যাদের আগ্রহ রয়েছে, স্বভাবতই তাদের নজরটি থাকে বিজ্ঞানীদের প্রতি। বিজ্ঞানীদের সেরা সেরা আবিষ্কারের কথা নিয়ে আমরা কথা বলি, আলোচনা করি, চায়ের কাপে ঝড় ওঠাই। যেমন, আইনস্টাইনের কথাই ধরুন না। তার থিওরী অব রিলেটিভিটির কথা আমরা সকলেই জানি। স্কুল কলেজে যাদের বিজ্ঞান ছিল, তারা ই ইকুয়ালজ টু এমসি স্কয়ার, এই সূত্রটির কথা কে না জানে?
কিংবা স্যার আইজাক নিউটন। গাছ থেকে আপেল পড়ার পর তার মাথায় চিন্তার উদ্ভব হয় যে এটি তো ওপরের দিকেও উঠে যেতে পারত। নিচে পড়ল কেন? এই ধরণের চিন্তা থেকেই যে গতিবিদ্যার তিনটি সূত্রের উদ্ভব, তা কিন্তু আমরা জানি। কিন্তু তারপরেও কিছু কথা থাকে। বিজ্ঞানীদের যে বইগুলো লেখা হয়েছে তার কতগুলো সম্পর্কে আমরা জানি? যে বইগুলো সারা বিশ্বকে নাড়িয়ে দিয়েছে, তাদের সম্পর্কে কি আমাদের জানা রয়েছে? আসুন আজ জেনে নেয়া যাক বিজ্ঞানীদের লেখা কিছু বইয়ের কথা, যা তাদের ইতিহাসের পাতায় অমর করে রেখেছেঃ

১) দ্য অরিজিন অভ স্পিসিজ
লেখকঃ চার্লস ডারউইন, ১৮৫৯ সাল
বিষয়ঃ বিবর্তনবাদ। মানুষ কেমন করে এল, কেমন করে মানুষ আধুনিক মানুষে পরিণত হল- তা নিয়ে লেখা হয়েছে এই বইটি।

২) ফিলোসোফিয়া ন্যাচারালিস প্রিন্সিপিয়া ম্যাথমেটিকা
লেখকঃ স্যার আইজাক নিউটন, ১৬৮৭ সাল
বিষয়ঃ পদার্থবিদ্যা। গতিবিদ্যার বিভিন্ন সূত্র ও নানা দিক নিয়ে লেখা হয়েছে এই বইটি।

৩) ডায়ালগ কনসার্নিং দ্য টু চীফ ওয়ার্লড সিস্টেমস
লেখকঃ গ্যালিলিও গ্যালেলেই, ১৬৩২ সাল
বিষয়ঃ জ্যোতির্বিদ্যা ও মহাকাশবিদ্যা। পৃথিবী কেমন করে তার কক্ষপথে ঘুরছে, তাই নিয়ে এই বইটি লেখা হয়েছে।

৪) অন দ্য রেভোলিউশন অভ হেভেনলি স্ফেয়ার
লেখকঃ নিকোলাস কোপার্নিকাস, ১৫৪৩ সাল
বিষয়ঃ মহাকাশবিদ্যা। পৃথিবী ও তার আশেপাশের গ্রহগুলো কেমন করে সূর্যের চারপাশে ঘুরছে তা বিষয়ক।

৫) অন দ্য ফেব্রিক অব দ্য হিউম্যান বডি
লেখকঃ আন্দ্রে ভেসেলি, ১৫৪৩ সাল
বিষয়ঃ শারীরবিদ্যা। এই বইতে মানুষের শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের ও তাদের কার্যক্রমের সচিত্র বর্ণনা দেয়া আছে।

৬) রিলেটিভিটিঃ দ্য স্পেশাল এন্ড জেনারেল থিওরী
লেখকঃ আলবার্ট আইনস্টাইন, ১৯১৬ সাল
বিষয়ঃ আপেক্ষিকতাবাদ।

৭) দ্য সেলফিশ জিন
লেখকঃ রিচার্ড ডকিন্স, ১৯৭৬ সাল
বিষয়ঃ বিবর্তনবাদ।

তথ্যসূত্রঃডিসকভারম্যাগাজিন ডট কম

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here