১৯৭৬ সালে প্রথম অ্যাপল কম্পিউটার আসে। আর কম্পিউটারটির নাম ছিল অ্যাপল আই। অ্যাপলের সহপ্রতিষ্ঠাতা স্টিভ ওজনিয়াক এই কম্পিউটারটির ডিজাইন করেছিলেন। ওজনিয়াকের বন্ধু স্টিভ জবসের মাথায় আসে কম্পিউটার বিক্রির আইডিয়া। আর এ থেকেই অ্যাপলের জন্ম।

১৯৭৭ সালে অ্যাপল ২ কম্পিউটারটি ছিল অনেকটাই বাণিজ্যিক পণ্য। এতে ৪ কিলোবাইট র‍্যামের এমওএস টেকনোলজির প্রসেসর ছিল।

১৯৮৩ সালে  অ্যাপলের প্রথম মাউস যুক্ত কম্পিউটার আসে

১৯৮৪ সালে অ্যাপল নিয়ে আসে পোর্ট্যাবল কম্পিউটার। তবে পোর্ট্যাবল হলেও এতে ব্যাটারি সুবিধা ছিলনা।

১৯৮৪ সালে শুধু পোর্ট্যাবল কম্পিউটার নয়, গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস সহ ম্যাকিনটস কম্পিউটার ও উন্মুক্ত করে অ্যাপল। যা সেসময়ে ২,৪৯৫ ডলারে বিক্রি করা হয়। আর জন্ম হয় অ্যাপল ম্যাক এর।

১৯৮৫ সালে ওজনিয়াক, স্টিভ জবসকে চেয়ারম্যান পদ থেকে সরানোর চিন্তা করেন। আর জবস তা জেনে ফেলে  নেক্সট এ যোগ দেয়ার জন্য রিজাইন দেন।

১৯৯১ সালে    অ্যাপলের প্রথম ল্যাপটপ আসে আর অ্যাপলের জন্য এটি ডিজাইন ও তৈরি করে দিয়েছিল সনি। পাওয়ার বুক ১০০ নামের এই ল্যাপটপের দাম ছিল ২,৫০০ ডলার।

১৯৯৩ সালে   অ্যাপলের প্রথম পকেট কম্পিউটার হিসেবে আসে নিউটন মেসেজ প্যাড। আসা এই ডিভাইসটি ছিল শুধু ৫ বছর। তবে এখান থকেই অ্যাপল আইপড এর ডেভলোপ শুরু হয়। 

১৯৯৪ সালে সবচেয়ে কম সময়ের জন্য আসে ডিজিটাল ক্যামেরা। কুইক টেক ১০০ ক্যামেরাটিতে ছিল ১ মেগাবাইট স্টোরেজ এবং তৈরি করেছিলো কোডাক।

১৯৯৭ সালে স্টিভ জবস অ্যাপলে ফিরে আসে এবং প্রতিষ্ঠানের সবকিছু বদলে ফেলে টিম কুককে নিয়ে নতুন ভাবে শুরু

১৯৯৮ সালে অ্যাপল নিয়ে আসে আইম্যাক। এটিকে ইন্টারনেট সক্ষম কম্পিউটার হিসাবে বাজারে আনা হয়।

২০০১ সালে অ্যাপল তার পুরানো অপারেটিং সিস্টেম বাদ দিয়ে নতুন অপারেটিং সিস্টেম ওএস এক্স ১০.০ উন্মুক্ত করে।  যে পণ্যটি অ্যাপলকে শুধু কম্পিউটার প্রতিষ্ঠান থেকে ডিভাইস প্রতিষ্ঠানে নাম লেখায় সেটি হল- আইপড।

২০০৬ সালে অ্যাপল তার পাওয়ার পিসি প্রসেসর বাদ দিয়ে নিয়ে আসে ইন্টেলের আরও শক্তিশালী x৮৬ চিপ। আর এ থেকেই উন্মুক্ত হয় ম্যাকবুক প্রো এবং ম্যাক প্রো।

২০০৭ সালে   আইপডের সাফল্যের পরেই অ্যাপল উন্মুক্ত করে আইফোন আর শুরু হয় নতুন যুগের

২০০৮ সালে অ্যাপল ল্যাপটপ লাইনে ম্যাকবুক এয়ার ছিল সবচেয়ে বড় পরিবর্তন।  –

২০১০ সালে আইফোনের সাফল্যের পাশাপাশি অ্যাপল নিয়ে আসে আইপ্যাড।

২০১১ সালে অগ্ন্যাশয়ের ক্যান্সারের সাথে যুদ্ধ করে মাত্র ৫৬ বছর বয়সে স্টিভ জবস মারা যান।

২০১৪ সালে অ্যাপল ‘বিটস’ কিনে নেয়। আর এটি অ্যাপলের হেডফোন ও মিউজিক সার্ভিস কে অন্য উচ্চতায় নিয়ে যায়।

২০১৫ সালে জবসের মৃত্যুর পর প্রতিষ্ঠানের নতুন মাত্রা নিয়ে যুক্ত করা হয় অ্যাপল স্মার্টওয়াচ যা বর্তমানে সবচেয়ে জনপ্রিয় স্মার্টওয়াচ।

comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.