বন্ধুরা,ডেস্কটপ প্রোগ্রামিং এর জগতে সি এক অনন্য নাম,যাকে বলা হয় “Mother of all languages” অর্থাৎ সকল ল্যংগুয়েজের মাতা। আর সি এর এই প্রয়োজনীয়তার প্রেক্ষিতেই সি প্রোগ্রামিং টিউটোরিয়াল। এটি এর ৫ম পর্ব। আর এ পর্বে আপনাদের সবাইকে স্বাগত জানাচ্ছি।

বিগত পর্বগুলোতে আমি আলোচনা করেছিলাম বিট,বাইট,র‍্যাম ইত্যাদি নিয়ে। আরো আলোচনা করেছি সি প্রোগ্রামিং এর জন্য ব্যবহার যোগ্য কম্পাইলার নিয়ে যার নাম টার্বো সি (turbo c)। এই কম্পাইলারে কিভাবে ডিরেক্টরি ঠিক করতে হয় তা তো আগেই বলেছি।

প্রোগ্রাম শুরু করার আগে আমাদের আরো কিছু টার্ম জানা দরকার।

ফাংশনঃ

আমরা যেমন কোনো নির্দিষ্ট কোনো কাজ করি কোনো নির্দিষ্ট অংগ প্রত্যঙ্গের মাধ্যমে ঠিক তেমনি প্রোগ্রামে একেকটি ফাংশনের মাধ্যমে একেকটি কাজ করা হয়। সহজ কথায় ফাংশন হল একেকটি কমান্ড। যেমন, printf(), scanf(), clrscr() ইত্যাদি হল সি তে ব্যবহৃত কিছু কমান্ড বা ফাংশন। printf() এর কাজ কোনো লেখা স্ক্রীনে প্রদর্শন করা, scanf() এর কাজ ইউজারের কাছ থেকে কোনো ইনপুট নেয়া এবং clrscr() এর কাজ প্রোগ্রামে আগে থেকে কোনো ডাটা আউটপুট হিসেবে প্রদর্শিত হলে তা মুছা।

লাইব্রেরী ফাংশনঃ

যে সকল ফাংশন কম্পাইলারে আগে থেকে বিল্ট ইন অবস্থায় থাকে তাদের লাইব্রেরী ফাংশন বলে। উপরের ফাংশন গুলো আগে থেকে টার্বো সি কম্পাইলারে তৈরি করা আছে, তাই এগুলো লাইব্রেরী ফাংশন।

হেডার ফাইলঃ

ফাংশন সাধারণত আলাদা কোনো জিনিস নয়, এগুলোও কোড লিখেই তৈরি করা হয় এবং ডিফাইন করা হয়। লাইব্রেরী ফাংশন গুলো ডিফাইন করে দেয়া হয় সাধারণত একেকটি ফাইলে। এসকল ফাইলকে হেডার ফাইল বলে। যেমন,printf() ফাংশনটির প্রোটোটাইপ stadio.h নামের হেডার ফাইলে ডিফাইন করা আছে। তাই printf() ফাংশনের হেডার ফাইল stdio.h। সি তে কোনো প্রোগ্রামে যখন কোনো ফাংশন ব্যবহার করা হয় তখন তার হেডার ফাইলের নামেও শুরুতেই উল্লেখ করে দিতে হয়।

আসুন তাহলে একটি প্রোগ্রাম দেখি।

TC.exe ওপেন করে file->new কমান্ড দিয়ে নতুন স্পেস পাবেন, তাতে নিচের কোডটি লিখুন।

#include<stdio.h>

#include<conio.h>

main()

{

printf(“hello everybody.”);

getch();

}

নিচের মত পাবেন।

কেন এমন আসলো? সমাধান আগামী পর্বে।

ভালো থাকবেন সবাই।

comments

25 কমেন্টস

  1. ভাই বোবা হোই নাই ।একটু মজা হচ্ছে আর কি। আপনার পোস্ট গুলো অনেক সুন্দর হচ্চে। সামনের গুলো যেন শিঘ্রই পাই।ভাল থাকবেন।

  2. আমাদের পক্ষ থেকে মিঠু ভাইকে অনেক শুভেচ্ছা।

  3. আমি প্রোগ্রামিং নিয়ে আগ্রহী। আপনার লেখাগুলো পড়ে অনেক উপকৃত হচ্ছি। অশেষ ধন্যবাদ।:lol:

      • মিঠু ভাই…ফেইসবুকে আপনাকে ফ্রেইন্ড রিকোয়েষ্ট পাঠিয়েছি….গ্রহণ করলে উপকৃত হই।:-)

  4. মিঠু ভাই সব করলাম কিন্তু শেষে কি করব।save করব নাকি compile করব? একটু বুজিয়ে বলবেন pls.

    • হ্যাঁ, এটা নিয়ে আমি পরের পর্বে লিখতাম। যাই হোক, প্রথমে কোড লেখার পরে run->run এ যান প্রোগ্রামটা চালানোর জন্য। সেভ করার জন্য file->save as

  5. এগুলা দেখলে মাথা ঘুরায়, আমি আবার কমার্সের ছাত্র তো তাই… তবে শিখতে চেষ্টা করবো এক্সাম টা শেষে… আর বিশেষ করে আপনার পোস্ট গুলো থেকে। ধন্যবাদ

  6. আমি যতদূর জানি টার্বো সি বহু পুরাতন প্রাগৈতিহাসিক কালের এক সি কম্পাইলার। ডসের যুগে এটা ব্যবহার হত। এখন জিসিসি/এমএস ভিজুয়াল সি এর যুগে বিশ্বের কোথাও এই নন স্ট্যান্ডার্ড জিনিস ব্যবহার হয়না।

    • ও,এটা জানেন,তাইলে এটা জানেন না, বেশির ভাগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রোগ্রামিং এর হাতেখড়ি হিসেবে সি ই শেখানো হয়(not visual c). আপনার কি মনে হয় নি সি এর এত এপ্লিকেশন না থাকা স্বত্বেও কেন সি শেখানো হয়। কারণ, সি শেখার পর অন্য সব প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ কেউ যদি নিজে থেকেও শিখে তবে তাকে বেশি বেগ পেতে হয় না,এতটাই সহজ হয়ে যায় তার জন্য।

  7. ভাই, run করার পর এমন দেখাচ্ছে

    আমি মনে হয় directory তে ভুল করসি। দয়া করে সমাধান দিন। আর এগুতে পারব না নইলে

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.