পর্ব একঃ প্ল্যানেট ইউ২৬৫এফসি – ঘুম থেকে জেগে উঠলাম। পাশে ফাস্টিগ ঘড়িরদিকে তাকিয়ে দেখলাম ঘুমের সময় এখনো শেষ হয়নি। কিন্তু আজ বার বার ঘুম ভেঙে যাচ্ছে। যাবেই বা না কেন? মানব জাতির ইতিহাসের অবিস্বরনীয় একটি মাইল ফলক রচিত হয়ে যাচ্ছে আমার দ্বারা। কিন্তু তার জন্য আরও দুদিন বাকি। তাহলে? আমার অবচেতন মনে কি কিছু ধরা পরেছে? পরতে পারে। আর ঘুমাবনা। উঠে পরলাম। আটোমেটিক লাইট জ্বলে উঠতেই হাজির হল অ্যানি ভি২আর২৫ হাতে এক গ্লাস সবুজ স্পিডাইল । এটাই চাচ্ছিলাম। এজন্যই ৫ মাত্রার মডেল হওয়া সত্বেও অ্যানিকে ছাড়তে পারিনি। কারন ও অনুভিতি বুঝতে পারে। কিন্তু বর্তমানের গুলো পারে না! কারন মানুষের অনুভুতি বোঝার পর রোবট গুলো এমন সব কাজ করে ফেলত যা শুধু মানুষেরই করার অধিকার সংরক্ষিত। তাই ৫ মাত্রার ভি২ মডেলের রোবট গুলো নিষিদ্ধ হয়ে যায়। কিন্তু আমি বিশ্বের শ্রেষ্ঠ বৈজ্ঞানিক হওয়ায় এটা রেখে দিয়েছি। ছাদে যাব বলে ঠিক করলাম।

নেক্সটিউবে ঢুকলাম। আমার ছায়ার মত পেছন পেছন ঢুকে গেল অ্যানি। সবুজ প্রকৃতির তাজা হাওয়ায় দেহ, মন জুরিয়ে গেল। সূর্যের দেখা নেই। এত আগে ওঠার কারনে নিজের উপরেই রাগ হল। বনের মাঝে দোতলা ল্যাবেই আমার বাস। শুধু তাই না এই গ্রহে আমি আর অ্যানি ছাড়া কেউ নেই। শুনতে অবাক লাগলেও আমার নিরাপত্তার জন্যই এত কিছু। আমার অবাস্থান সামরিক বাহিনীর প্রধান ইশতি ছাড়া আর কেউ জানেনা। আরেক জনকে অবশ্য আমি বলেছি…… আমার ভাবনার সাগরে ডুবতে সময় লাগল না।

আমার ভাবনার ব্যাত্যয় ঘটিয়ে সময় হাতের রিটারের বতি জ্বলে উঠল। ওপেন সিগন্যালে কেউ কিছু বলতে চাচ্ছে। কতদিন ইশতি ছাড়া কোন মানুষের সাথে কথা বলি না! যদিও ওপেন সিগন্যালে কথা বলা যাবে না। যেই হোক কথা তো শোনা যাবে!

যান্ত্রিক কন্ঠঃ বিসিভিটি ১৩২৫ ডিআইইউওয়াই বিসিভিটি ১৩২৫-টি৫ ডিএইচইউআইও ইউওপিআরটিজিএইচজেজে

সিগনাল বন্ধ হয়ে গেল। আমার কোড মেসেজ দেখে নয় চরম বিরক্তি হচ্ছিল যান্ত্রিক কন্ঠ শূনে। কি বিশ্রি সে কন্ঠ! মনে হয় যন্ত্রটা ইচ্ছা করেই কম্পাঙ্ক নির্দিষ্ট রেখেছিল। রিটারে দেখলাম……………….

ইউ এইচ ডি সি সদর দপ্তর

হ্যান্সিঃ ওদের কি ডার্ক এস্টার গ্যালাক্সি দিয়ে অরক্ষিত অবস্থায় পাঠানো ঠিক হচ্ছে?

ইশতিঃ সেটা বোধয় আপনার চেয়ে আমি কম বুঝিনা।

হ্যান্সিঃ কিন্তু তাও কেন….

ইশতিঃ দুদিন পর ইতিহাস রচিত হতে যাচ্ছে ভুলে গেলেন?

হ্যান্সিঃ তাই বলে পাচঁটা স্ট্রপার পাঠানো যায় না?

ইশতিঃ না। আপনি আছেন। আপনি বহুবার নীল মানব নিয়ে ডার্ক এস্টার অঞ্চল দিয়ে গিয়েছেন।

হ্যান্সিঃ কিন্তু এবার একটা দুটা নয় ১৫ টা তাও আবার হিমায়িত নয়, জ্যান্ত।

ইশতিঃ স্পেস শিপটাও ১১ মাত্রার যা মহাবিশ্বের সেরা এবং আপনিই প্রথম চালাচ্ছেন।

হ্যান্সিঃ টি-৫৫ সেকেন্ড সময়ের মধ্যে আমরা ডার্ক এস্টার গ্যালাক্সিতে প্রবেশ করব।

ইশতিঃ শুভ হোক।

হ্যান্সিঃ আপনি যদি মনে……….

ইশতিঃ করব না।

ডিসপ্লে থেকে চোখ সরাতেই সামরিক বাহিনী প্রধান ইশতি সার্জেন্ট টিক্সকে হন্তদন্ত ছুটে আসতে দেখলেন।

“এইমাত্র ওপেন সিগন্যালে একটা কোড মেসেজ ৫ টা গ্যালাক্সি ভেতর দিয়ে পাস করেছে” এক নিশ্বাসে বললেন টিক্স।

“এতে কী বলা হচ্ছে?” জিজ্ঞেস করলেন ইশতি।

“আমি তোমার কাছে আসছি” জবাব দিলেন সার্জেন্ট টিক্স।

“যে পাঁচটা গ্যালাক্সি দিয়ে সিগন্যাল গিয়েছে তার মধ্যে ইউওয়াইটি-৫ আছে?” জিজ্ঞেস করলেন ইশতি।

“জ্বী স্যার” সার্জেন্ট বুঝতে পারছেন না কেন জেনারেল এই কথা জিজ্ঞেস করলেন।

“ঠিক আছে তুমি যেতে পার। ভবিষ্যতে সামান্য বিষয় নিয়ে উত্তেজিত হবে না”- উদাসিন ভাবে বললেন সামরিক প্রধান।

“কিন্তু স্যার এটার কম্পাঙ্ক ৩২০০০০-৩২০০০০.০১ এর মধ্যে ছিল”-সার্জেন্ট আরও বললেন “কম্পাঙ্ক ইমুলেটার দিয়ে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে এটা নীল মানবদের কাজ”।

“কিন্তু এধরনের কাজ করতে যে সিস্টেম দরকার তা শুধু এখানেই আছে!” অবাক হয়ে বললেন প্রধান।

“আরেকটা যায়গায় আছে স্যার”- এবার চিন্তিত মনে হল সার্জেন্ট কে।

“হান্সির শিপে!” হঠাৎই উত্তজিত হয়ে হয়ে উঠলেন প্রধান।

দ্রুত তিনি কন্ট্রোল প্যানেলে ছুটে গেলেন। ক্যাপ্টেন হ্যান্সিকে সিগন্যাল প্রেরন করার সাথে সাথে হ্যান্সির গম্ভীর মুখ ভেসে আসল।

কিন্তু দেখে খুশি হলেন না। চিন্তিত মনে। বললেন “ভুলে আপনার সাথে কানেক্ট হয়েছে”- কানেকশান ড্রপ করে বললেন “হায় আল্লাহ মানব জাতিকে রক্ষা করুন”।

“স্যার কিছু হয়েছে?” জিজ্ঞেস করলেন সার্জেন্ট।

“এজনই বলতে পারে” আনমনে বললেন প্রধান।

“কে?” প্রশ্নটা সার্জেন্ট করলেও তাকিয়ে আছে সব কর্মকর্তা কর্মচারী।

“বিজ্ঞানী ইমরান” যেন ঘরে প্লাজমা গ্রেনড ব্রাস্ট হয়েছে এমনি ভাবে সবাই চুপ হয়ে গেল।

রেয়াড়ার মত নিরবতা ভাঙ্গলেন সার্জেন্ট টিক্স “কিন্তু তিনি তো মৃত”।

“না” এই ছোট্ট উত্তর দিয়েই কমুনিকাশান ঘরের সবাইকে কাপিয়ে দিলেন প্রধান।

তিনি চিবিয়ে চিবিয়ে আদেশ দিলেন “সব ইনডোর, আউট ডোর বন্ধ করে দাও। একাটা পরমাণুও যেন এপাশ ওপাশ না হয়। সব সার্ভিস বন্ধ করে দাও। পাওয়ার উৎপাদন সর্বোচ্চ কর। প্ল্যানেট ইউ২৬৫এফসি তে ফোকাস কর। সিভি১২৫ ছাড়া কোন সিগন্যালে আমার উনমুতি ছাড়া সাড়া দেবে না। এসভি১১সি১ শিপের হিডেন এলাগ্রিম চালু কর। রিটার সিভি১২৫ তে সিগন্যাল পাঠাও”।

তার কাছে থেকে কখনো এ ধরণের গলা শুনেনি ইউ এইচ ডি সি এর কোন কর্মকর্তা কর্মচারী। তারা সাথে সাথে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে শুরু করল।

“বাইদা ওয়ে সার্জেন্ট, কেউ যেন একা চলা ফেরা না করে। কমপক্ষে দুজন এক সাথে থাকে সেটা দেখার দায়িত্ব তোমায় দিলাম”- হাসি মুখে বললেন প্রধান।

“ইয়েস স্যার। মাই প্লেজার” বলে স্যালুট করে দ্রুতই কমুনিকাশান রুম থেকে বের হয়ে গেলেন সার্জেন্ট।

নিজ হাতে কমুনিকাশান রুম লক করলেন প্রধান। এখানে কেউ ঢুকতে হলে এটা ভেঙে ঢুকতে হবে। এখন পর্যন্ত কোন অস্ত্রের সন্ধান পাওয়া যায়নি যা দিয়ে এটা ভাঙ্গা যায়। সে মতে কেয়ামত ছাড়া কেউ ঢুকতে পারার কথা নয়। কিন্তু একটু আগের ঘটনায় প্রভু আল্লাহ্‌র বলে দেওয়া “আমি মানুষকে শ্রেষ্ঠ হিসেবে সৃষ্টি করেছি”- বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছে। নাকি সেটা মানুষের অন্য পর্যায় এর কথা বলা হয়েছে? তারা আগে চলে গেছে নাকি ভবিষ্যতে আসবে? কারন বর্তমানে বিশ্বের যে অবস্থা এতে মানুষের শ্রেষ্ঠত্বে চির ধরেছে। তারা দুর্নিতি, রাহাজারিতে বিশ্ববাসীকে অবাক করেছে। অতীতের “কেভ ম্যান” যদি শ্রেষ্ঠ না হয় তবে, বর্তমানের গুলো শ্রেষ্ঠ তার প্রমান কী? অথবা ভবিষ্যতে শ্রেষ্ঠরা আসবে। নাস্তিক কিংবা গবেষক যার মতই সামরিক প্রধান চিন্তা করছিলেন না কেন তার চিন্তায় ব্যাঘাত ধটাল একটা কন্ঠ।

“স্যার ক্যাপ্টেন হ্যান্সি এর শিপ, দুঃখিত এসভি১১সি১ শিপের হিডেন এলাগ্রিম চালু করা যাচ্ছে না” বললেন কমুনিকাশান সেক্টরের ক্যাপ্টেন টিনা।

“জানতাম” উদসিন ভাবে বললেন সামরিক প্রধান।

ভয়ানক চটে গেলেন রাগচটা ক্যাপ্টেন টিনা আরে এটা চালু করতে আমার ঘাম ছুটে মেকাপ উঠে গেল। বদমাশ তুই আগে বলববি না! তাহলে এমনি কষ্ট হয়? এভাবেই মনে মনে ক্ষোভের ঝাল মেটালেন টিনা। কারন তিনি ভালো ভাবেই জানেন “মাইন্ড রিডার” টাইপের কোন যন্ত্র এখনো আবিষ্কার হয়নি। হলেও অন্তত এই বেকুবটার কাছে নেই। কেননা থাকলে যেদিন প্রথম এ রুমে ঢুকেছিলেন সেদিনই তার চাকরি চলে যেত! (পাঠক, তিনি মনে মনে যাই বলুক তাতে আমার মাথা ব্যাথা নেই। আপনার আছে?) – গম্ভীর স্বরে বললেন, “রিটার সিভি১২৫ তে সিগন্যাল পাঠাতে পুরো ইউনিভার্স সার্চ করব। নাকি লোকেশানটা বলবেন?”

“প্ল্যানেট ইউ২৬৫এফসি” আস্তে আস্তে বললেন সামরিক প্রধান।

“স্যার, সা্কসেসফুলি কানেক্টেড………..একি………….

শিপ এসভি১১সি১

আর কতক্ষণ আছে? অনির্দিষ্ট কাউকে জিজ্ঞেস করলেন ক্যাপ্টেন হ্যান্সি।

“টি-১৫৬৮ সেকেন্ডের মধ্যে আমরা ডার্ক এস্টার গ্যালাক্সিতে ঢুকব” বললেন প্রফেসর সাবিহা।

“স্যার আমার একটা প্রশ্ন আছে। আপনি বিরক্ত না হলে বলতাম” অনুমুতি চাইলেন সাবিহা।

“অবশ্যই। আপনি শিক্ষানিবিশ একথাটা আমি ভুলিনি” হাসি মুখে বললেন ক্যাপ্টেন হ্যান্সি।

“ল্যাবে আপনার সম্পর্কে যা ধারনা পেয়েছি তাতে বোঝা যায় আপনার ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় আপনাকে বিপদ-আপদ আগে জানিয়ে দেয়। আপনি ১৫টা জ্যান্ত নীল মানব নিয়ে আমরা ডার্ক এস্টার গ্যালাক্সি দিয়ে যাচ্ছেন। তাও আবার অতিরিক্ত স্ট্রুপার ছাড়া । তার মানে কোন বিপদের সম্ভাবনা নেই?” নিজের ভয় লুকানোর ব্যার্থ চেষ্টা করলেন সাবিহা।

“না। আমার মনে হয়েছে নিলেই বেশি বিপদ হত। তাছাড়া বহুবার আমি নীল মানব নিয়ে আমি আমরা ডার্ক এস্টার গ্যালাক্সি দিয়ে গিয়েছি। হয়ত আগে একটা দুটা তাও হিমায়িত। কিন্তু হিমায়িত মানে মৃত নয়। তাছাড়া হিমায়ন পদ্ধতি হয়ত নীল মানবদের উপর কাজ করেনা। যেহেতু একটা নিতে পেরেছি দশটাও নিতে পারব কিংবা বিশটাও” ভিত সাবিহা কে আশস্ত করতে চাইছেন হ্যান্সি। কিন্তু তার মনে হচ্ছে নিজের নাকেই বিপদের গন্ধ পাচ্ছেন।

“চাইলে ওই মনিটরে দেখ” এই বলে তিনি নীল মানবদের সেলের ছবি তুলে ধরলেন।

“সারা দিন তাকিয়ে থাক”- হাসতে হাসতে বললেন তিনি।

কিন্তু মনিটরে যা দেখলেন…………..

চলবে……………………

নির্ঘন্টক

১ ফাস্টিগ ঘড়িঃ বিশেষ ধরণের ধড়ি। যাতে ইউনিভার্সাল সময় দেখা যায়।

দেখুন তো আমার কল্পনার সাথে আপনার কল্পনা মিলে কিনা?

২ ওপেন সিগন্যালঃ বিশেষ ধরণের আন আন-এনক্রিপ্টেড সিগন্যাল যা যে কেউ ধরতে পারে।

দেখুন তো আমার কল্পনার সাথে আপনার কল্পনা মিলে কিনা?

৩ ইউ এইচ ডি সিঃ ইউনিভার্সাল হিউম্যান ডিফেন্স অ্যান্ড সিকুরিটি।

দেখুন তো আমার কল্পনার সাথে আপনার কল্পনা মিলে কিনা?

৪ কম্পাঙ্ক ইমুলেটারঃ মহাজগতে আছে হাজারো প্রানী। সবার কম্পাঙ্ক এক নয়। তাই কম্পাঙ্ক ইমেলেটার দিয়ে ভাব আদান প্রদান হয়।

৫ নীল মানবঃ মানুষের এক অপভ্রংশ। যারা নিজেদের উন্নত করতে। শরীরে নানা উন্নতি ঘটিয়েছে। তাদের দেহ এতই উন্নত হয়েছে যে তারা আর মানুষ নেই। তারা পূর্ণ ইউনিভার্স দখল করতে চায়। দেহ নীল হয়ে গেছে। বিস্তারিত পাবেন মুহাম্মদ জাফর ইবালের বইয়ে 😛 ।

দেখুন তো আমার কল্পনার সাথে আপনার কল্পনা মিলে কিনা?

৬ রিটারঃ এক ধরণের যন্ত্র। যা হাতে লাগানো থাকে। ওপেন সিগন্যাল ও এনক্রিপ্টেড সিগন্যাল। রিড করতে পারে। কম্পাঙ্ক ইমুলেশান করতে পারে।

দেখুন তো আমার কল্পনার সাথে আপনার কল্পনা মিলে কিনা?

৭ ডার্ক এস্টার গ্যালাক্সিরঃ একটা গ্যালাক্সি যাতে কোন জীবিত নক্ষত্র নেই! সব কটাই শক্তিশালী ব্ল্যাকহোল 🙁 এই যায়গা মানুষের জন্য অনেক বিপদজনক। কারন মানুষ শারীরিক সীমা ব্দধতার কারনে ব্ল্যাক হোল দেখতে পায়না। কিন্তু নীল মানবদের সীমাব্দধতা কম। তাই এই গ্যালাক্সি তাদের অভয় অরণ্যে পরিণত হয়েছে।

দেখুন তো আমার কল্পনার সাথে আপনার কল্পনা মিলে কিনা?

৮ স্ট্রপারঃ স্পেস শিপ। যা আধুনিক গোলাবারুদ ও অস্ত্র যুক্ত এবং ইউ এইচ ডি সি এর তিনজন সদস্য এক একটা পরিচালনা করেন।

দেখুন তো আমার কল্পনার সাথে আপনার কল্পনা মিলে কিনা?

৯ স্পিডাইলঃ পানিয় বিশেষ। যাতে প্রয়োজনীয় পুষ্টি ও ভিটামিন থাকে। খেতে অনেক মজা! 😆

দেখুন তো আমার কল্পনার সাথে আপনার কল্পনা মিলে কিনা?

উৎসর্গঃ

আমার আব্বা,আম্মা

বিশেষ দ্রব্যষ্টঃ আমার পূর্ব অনুমতি ব্যাতিরে এই টিউন/পোস্ট/গল্প/সায়েন্স ফিকশান কোন প্রকার কপি হলে। কপি পেস্টার সাইট/পোস্ট এডমিন বিপদে পরবেন।

পরের পর্ব পড়তে মন্তব্য করুন। নয় তো……………

পূর্বে টেকটিউনসে প্রকাশিত

পুনশ্চঃ গত বছর থেকে নিয়মিত বিজ্ঞান ☼ প্রযুক্তি পড়লেও মন্তব্য বা লিখতে সাহস করিনা! আজ একটু সাহস করে ফেললাম 😀

comments

5 কমেন্টস

    • না ভাই আমি দুঃখিত। আমিই বেশি কঠিন শব্দ দিয়ে বোঝাই করে ফেলেছি। 😳

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.