পৃথিবীতে প্রতিনিয়ত পরিবেশ বান্ধব স্থাপনা নির্মাণ করার পরিপল্পনা হয়ে আসছে, হচ্ছে এবং সে অনুযায়ী স্থাপনা তৈরিও করছে। নির্মাণশৈলী এবং পরিবেশবান্ধব দিক থেকে অনেক সুন্দর এবং বিস্ময়কর স্থাপনা রয়েছে। এসবের মধ্যে রয়েছে যেমন বলা যায়- আরবান স্কাইক্রেপার ফার্ম, কিংবা ভাসমান পরিবেশবান্ধব শহর কিংবা আলোকদ্যুতি ছড়ানো শৌর টাওয়ার। কোনটা বিস্ময়কর নয়? এমন ৭টি বিস্ময়কর পরিবেশ বান্ধব-স্থাপনা

সম্পর্কে জানুন এবং দেখুন নিচে-

লিলিপ্যাড প্রজেক্ট:

এটি অসম্ভব সুন্দর এবং বিস্ময়কর একটি সবুজ পরিবেশ বান্ধব ভাসমান স্থাপনা। পরিবেশ বান্ধব দ্বীপ শহর সৃষ্টির প্রকল্পের অংশ হিসেবে এর নির্মান। এরুপ একটিতে ৫০,০০০ লোক বাস করতে পারবে।

বাহরাইন ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার :

বাহরাইন শহর মানামাতে নির্মিত নতুন বাহরাইন ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারটি এত আকর্ষনীয় দেখতে, তাতে কোন সন্দেহ নেই। ৫০ তলা বিশিষ্ট ২টি ভবন যাদের উচ্চতা ২৪০ মিটারের বেশি তিনটি বৃহদায়তন ওয়াইন্ড টারবাইন দুটি টাওয়ারকে সংযুক্ত করেছে। প্রত্যেকটি টারবাইন ৩০ মিটার লম্বা সেতু দ্বারা টাওয়ার দুটির সাথে সংযুক্ত। এর ফলে ২ ভবনের মধ্যে বায়ু চালিত হয় এবং অধিক শক্তি উৎপন্ন করতে পারে।

ম্যাগলেভ ওয়াইন্ড টারবাইন :

বেইজিং এ নির্মিত ম্যাগলেভ ওয়াইন্ড টারবাইন বায়ু শক্তিতে বিশাল অগ্রগতি বয়ে এনেছে বলা যায়। চৌম্বকের আকর্ষণশক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে এটি কাজ করে। এই চৌম্বককে চালানোর জন্য অতিরিক্ত কোন প্রকার শক্তি ব্যয় করতে হয়না।

সোলার টাওয়ার :


স্পেন এ অবস্থিত উজ্জ্বল আলোক বিচ্চুরনকারী এই সোলার টাওয়ারটি দেখলে মনে হবে বাইবেল থেকে আলোকরশ্মি বিকরিত হচ্ছে। এটিই ইউরোপের প্রথম বাণিজ্যিক পাওয়ার ষ্টেশন যা সূর্য থেকে শক্তি উৎপাদনের কাজ করে। সূর্যরশ্মি সরাসরি টাওয়ারের কোন বিন্দুতে পড়ে এবং ঐ বিন্দুর পানি তখন বাষ্প হয়ে টারবাইনে যায় এবং শক্তি উৎপন্ন করে ।অদ্ভুত ব্যাপার কিন্তু খুব কাজের কাজ করে।

আরবান স্কাইক্রেপার ফার্ম :


আরবান স্কাইক্রেপার ফার্ম সত্যিই একটি আলোচনা করার মত বিষয়। স্থানীয় উৎপাদিত ফসল সরবরাহ করে আরবান সেন্টারে গভীরভাবে সংরক্ষণ করে রাখা হয় । অতিরিক্ত বৃষ্টির জল পুনঃব্যবহারের জন্য ধারন করে রাখা হয় এতে। অর্থাৎ তাদের মূল লক্ষ্য হল পরিবেশের বিরুপ প্রভাব কমিয়ে উৎপাদনের পরিমাণ বাড়ানো।

ডংটান ইকো সিটি :


ডংটান ইকো সিটি শুধুমাত্র পরিবেশের সাথে ভারসাম্যপূর্ণভাবে গড়ে তোলা হইনি সামাজিক অর্থনৈতিক এবং সাংস্কৃতিকভাবেও সমৃদ্ধ করে গড়ে তোলা হয়েছে। এটি ৫০ বর্গ মাইল জায়গা জুড়ে গড়ে উঠেছে । এটির কৃষি এবং নগর এলাকা আলাদা করা যাবে । এই শহরটির সকল কার্যক্রম বায়ু এবং সৌর শক্তির মাধমে চালিত হচ্ছে।

ন্যানো ভ্যান স্কিন :

মাইক্রো অরগানিজম দ্বারা তৈরি,ত্বকের মত কাজ করে। এটি বায়ু এবং সূর্য রশ্মি থেকে শক্তি উৎপাদন করে। বিরাট বিরাট স্থাপনার বিকল্প হিসেবে এটি নির্মাণ করা হয়। সবুজ নির্মাণ মানে শুধু যে বৃহৎ নির্মাণ হবে তা নয় এনভিএস নির্মাণ করে তা বোঝানো হয়েছে। এটি ভবন,বাড়ি ট্যানেল বাঁধ ইত্যাদির শক্তি উৎপাদনে ব্যবহার করা যেতে পারে।

পোস্টটি লিখেছেন টিউটোহোস্ট সাপোর্ট বিভাগের নিলুফার ইয়াসমিন।

comments

3 কমেন্টস

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.