নতুন স্মার্টফোন দেখতে ভালো লাগার পাশাপাশি গতিও মেলে বেশ। যে কোনো কাজ করা যায় দ্রুতই। তবে দিন যতো যেতে থাকে ফোনের গতিও একটু একটু করে কমতে থাকে। এ সমস্যা অ্যান্ড্রয়েড, উইন্ডোজ বা আইওএস সব অপারেটিং সিস্টেমেই দেখা যায়।এ কারণেই যে ঘন ঘন ফোন বদলাতে হবে তা কিন্তু নয়।

ফোন পুরনো হলেই যে সেটি শামুকের মতো হয়ে যাবে তা নয়। কোনো কমান্ডে মিনিটের বেশি পার হয়ে যাবে কিংবা যখন তখন হ্যাং হওয়ার মতো ঘটনা ঘটবে তা নয়।এজন্য জানতে হবে কিছু কৌশল।এসব টিপস জানা থাকলে স্মার্টফোনটিকে সব সময় নতুনের মতো গতিময় রাখা যায়।আসুন জেনে নেই-

১।অপারেটিং সিস্টেমের সর্বশেষ আপডেট রাখা

স্মার্টফোনে সব সময় সর্বশেষ অপারেটিং সিস্টেম (ওএস) ব্যবহার করা উচিত। সে জন্য নতুন ওএস এলে সেটি আপডেট করে রাখা উচিত। এতে ফোন থাকবে গতিময়।

অ্যান্ড্রয়েড, আইওএস, উইন্ডোজ ডিভাইসের সেটিংস অপশন থেকে সফটওয়্যার আপডেট অপশন থেকে দেখে নেয়া যাবে কোনো নতুন আপডেট আছে কিনা। সেখানে ক্লিক করে ইন্টারনেট সংযোগ থাকলে ওএসটি আপডেট করে নেয়া যাবে।

২।অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ আনইন্সটল করা

স্মার্টফোনে অনেক অ্যাপ  থাকে যেগুলো একবারের পর আর প্রয়োজন পড়ে না। এ ছাড়া অনেকে কিছু অ্যাপ ইন্সটল করলেও তা হয়ত ব্যবহারও করেন না। এমন অনেক অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ ইন্সটলের কারণে ফোনের ইন্টারনাল মেমোরি কমে যায় ও র‍্যাম এর উপর চাপ পড়ে। যে কারণে স্মার্টফোনটির গতি কমে যায়।

তাই ফোনে থাকা অতিরিক্ত ও অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ মুছে ফেলা উচিত।এতে আপনার ফোন থাকবে নতুনের মতো গতিময়।

৩।ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপ বন্ধ রাখা

সবগুলো মোবাইলের ওএসে কিছু অ্যাপ ব্ল্যাকগ্রাউডে চালু থাকে, যা কিছুক্ষণ পর পরই অটোরিফ্রেশ ও আপডেট হয়। এর মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য হলো ফেইসবুকের মতো সোশ্যাল মিডিয়ার অ্যাপগুলো। এ ছাড়া আরও কিছু অ্যাপ রয়েছে যেগুলো ব্যাকগ্রাউডে চালু থেকে প্রতিনিয়ত রেমের  উপর চাপ সৃষ্টি করে।

এমন ক্ষেত্রে ফোনের সেটিংস থেকে রানিং অ্যাপ্লিকেশন অপশনে গিয়ে অপ্রয়োজনীয় অ্যাপগুলোর ব্যাকগ্রাউন্ডের কাজ বন্ধ করে দিতে হবে। এতে ফোন থাকবে আরো গতিময়।

৪।হোম স্ক্রিন পরিষ্কার রাখা

অ্যান্ড্রয়েড ফোনের হোম স্ক্রিনে নানা উইজেট থাকে। এগুলোর সাহায্যে কম ক্লিকে অনেক কাজ করা যায়। এ ফিচারের সুবিধার মতো অসুবিধাও রয়েছে। অনেক বেশি উইজেট হোমে থাকলে তা রেমের  উপর চাপ ফেলে। এতে ফোনের গতি কিছুটা হলেও কমে যায়। তাই সেখানে অপ্রয়োজনীয় উইজেট কিংবা অ্যাপের আইকন না রাখাই ভালো।

৫।অ্যানিমেশন বা লাইভ ওয়ালপেপার ব্যবহার বন্ধ

আপনি স্মার্টফোনে একটি অ্যাপ চালু রেখেছেন।এমন সময় আরেকটি অ্যাপ চালুর প্রয়োজন হয়েছে। দেখা যাবে এক অ্যাপ থেকে আরেকটিতে যেতে সময় লাগবে বেশি। ফোনের গতি কমে যাওয়ার কারণেই তা হয়ে থাকে।

ফোনে যদি লাইভ ওয়ালপেপার ব্যবহার করা হয়, তাহলে তা একই সঙ্গে রেম ও চার্জের ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলে। এ ছাড়া টাস্ক পরিবর্তনের সময় বিভিন্ন অ্যানিমেশন দেয়া হয়। সেটিও একই রকম প্রভাব ফেলে। তাই ওয়ালপেপার ও অ্যানিমেশন অপশন দুটি সেটিংস থেকে বন্ধ রাখা উচিত।

৬।ইন্টারনাল স্টোরেজ খালি রাখা

অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ আনইন্সটল করার পরেও ফোনের ইন্টারনাল স্টোরেজ খালি রাখলে দারুণ গতি পাওয়া যাবে। এ ক্ষেত্রে অপ্রয়োজনীয় ডাউনলোড ফাইল, ব্রাউজারের হিস্টোরি, অনেকদিন আগের ছবি ইত্যাদি সরিয়ে মেমোরি খালি রাখা উচিত।

মেমোরি পরিপূর্ণ হয়ে গেলে ফোন ধীর হয়ে পড়ে। এ জন্য ছবি বা প্রয়োজনীয় ফাইলগুলো কম্পিউটার ব্যাকআপ কিংবা অনলাইনের ক্লাউড স্টোরেজ সংরক্ষিত রাখা যায়। এতে ইন্টারনাল মেমোরি থেকে অতিরিক্ত ফাইল মুছে ফেলার মাধ্যমে কিছু স্টোরেজ

comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.