“প্রকৃত জ্ঞানী মানুষকে অর্থ উপার্যনের চেষ্টা না করলেও তার জীবন থেমে থাকবে না”। সৃষ্টি কর্তার কাছে, এই দেশের কাছে, এই জাতির কাছে, এই পৃথিবীর কাছে আমরা সবাই দায়বদ্ধ। আমার সন্তানটি যেন এই সত্যটি সর্বদা তার অন্তরে ধারণ করে, সে যেন যা কিছুই দেখে সেটা যেন কুসংষ্কারের মায়াজাল ভেদ করে বিজ্ঞানের চোখ দিয়ে নিজের চোখে দেখে, সে যা শোনে তা যেন নিজের কানে শোনে, সে যেটা করার চেষ্টা করে সেটা যেন বিজ্ঞান দ্বারা বিচার বিশ্লেষণ করে নিজের বুদ্ধি দ্বারা সম্পাদন করে, তাহলেই আমার প্রত্যাশা সফল হবে।

একটি শিশুর জন্মের পরপরই বাবা মা ব্যস্ত হয়ে পরেন শিশুটিকে কিভাবে বড় করবেন, কিভাবে সু শিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলবেন এসব নিয়ে। বহুমুখী চিন্তা ভর করে বাবা মায়ের মনে। সচরাচর বাবা-মা আদর করে বলে আমার ছেলেটি বড় হয়ে ইন্জিনিয়ার হবে আথবা আমার মেয়েটি বড় হয়ে ডাক্তার হবে। কিন্তু আমি কখনো কোন বাবা মাকে বলতে শুনিনি আমার ছেলেটি বড় হয়ে বড় বিজ্ঞানী হবে। ঠিক ভুলটা এখানেই । আমরা আমাদের শিশুদের বহুমাত্রিক প্রতিভার বিকাশের পথটাকে রুদ্ধ করে একমুখী করে ফেলি । ভবিষ্যৎ জীবনে ছেলেটি বা মেয়েটি যখন একমুখী পথে চলতে চলতে লক্ষে পৌছাতে ব্যর্থ হয়, তখন তার জীবনে নেমে আসে সীমাহীন অন্ধকার।

Science24

চিকিৎসা বিজ্ঞানই হোক আর প্রকৌশল বিজ্ঞানই হোক উভয়ই বিজ্ঞানের অন্তর্ভূক্ত। একজন ডাক্তার হতে হলে অথবা একজন চিকিৎসা বিজ্ঞানী হতে হলে উভয়কেই জীব বিজ্ঞান এবং চিকিৎসা বিজ্ঞান বিষয়ে গভীর জ্ঞান অর্জন করতে হয়। একজন চিকিৎসা বিজ্ঞানীর কাজ হচ্ছে লব্ধ জ্ঞানের ব্যবহারিক প্রয়োগ ঘটিয়ে গবেষণার মাধ্যমে চিকিৎসার নতুন নতুন পদ্ধতি আবিষ্কার করা। অন্যদিকে একজন ডাক্তারের কাজ হচ্ছে সেই পদ্ধতির যথযথ প্রয়োগের মাধ্যমে রোগীকে সুস্থ্য করে তোলা। একজন চিকিৎসা বিজ্ঞানী নিজেও কখনো কখনো ডাক্তার হিসেবে ভমিকা পালন করে থাকেন। আমাদের দেশে যে পরিমান ডাক্তার আছেন সে তুলনায় চিকিৎসা বিজ্ঞানী নেই। প্রতি বছরই ডাক্তারের সংখ্যা বাড়ছে কিন্তু চিকিৎসা বিজ্ঞানীর সংখ্যা বাড়ছে না। ঠিক একই অবস্থা প্রকৌশল বিজ্ঞানের ক্ষেত্রেও। আমরা প্রযুক্তিতে পুরোপুরিভাবে বহিরবিশ্বের উপর নির্ভরশীল হয়ে পরেছি।

বাবা-মা ছেলে-মেয়েকে যে কারণে ডাক্তার ইন্জিনিয়ার করতে চায়:

  • বাবা মা সর্বদাই ছেলেমেয়ের ভবিষ্যৎ সুখী সমৃদ্ধ জীবন প্রত্যাশা করেন।scie
  • প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী ছেলেমেয়ে ডাক্তার ইন্জিনিয়ার হলে অল্প পরিশ্রমে অনেক বেশি আয় করতে পারবে ।
  • সমাজে ডাক্তার ইন্জিনিয়ারদের জীবন যাত্রার মান উচ্চ।
  • সমাজে ডাক্তার ইন্জিনিয়ারদের মর্যাদা এবং সম্মান অনেক বেশি।
  • ছেলেমেয়ের ব্যক্তিগত মর্যাদা বৃদ্ধির পাশাপাশি পরিবারের মর্যাদাও বৃদ্ধি পাবে।

বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় বাবা-মা তার ছেলে-মেয়েকে ভবিষ্যৎ জীবনে যে পেশায় দেখতে চায় এবং যে উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে তাদেরকে বড় করে তোলে বাস্তবতার রকমফেরে তা অবলীলায় বদলে যায়। আপনি হয়তবা আপনার ছেলেকে ইন্জিনিয়ার করতে চাইলেন কিন্তু দেখা গেল যে ভবিষ্যৎ জীবনে তাকে শিক্ষকতা অথবা চাকুরী পেশা গ্রহণ করতে হচ্ছে। এক্ষেত্রে তার ভেতরে লালিত স্বপ্ন ভেঙ্গে চুরমার হয়ে যাবে। সে তার কর্মক্ষেত্রে তার উপর অর্পিত দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে পারবে না। সর্বক্ষণ তাকে নিজের মনের সাথে একটা যুদ্ধ চালিয়ে যেতে হবে।

আমি আমার সন্তানকে একজন বিজ্ঞানী হিসেবে দেখতে চাই, কিন্তু কেন এবং কিভাবে?

বিজ্ঞান শিক্ষার প্রধান উদ্দেশ্য অধিক টাকা পয়সা উপার্যনের পথ তৈরি করা বা ডাক্তার ইন্জিনিয়ার তৈরি করা নয়, বিজ্ঞানী তৈরি করা। যেহেতু একজন ডাক্তার বা ইন্জিনিয়ার হতে হলেও বিজ্ঞান শিক্ষার প্রয়োজন রয়েছে তাহলে আমি আমার সন্তানকে ছোট বেলা থেকেই একজন বিজ্ঞানী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার উদ্দেশ্যে বিজ্ঞান শিক্ষার ব্যবস্থা করব। ববা-মা হিসেবে প্রাথমিক পর্যায়ে ছোটবেলা থেকেই যেন তার সন্তানটি বিজ্ঞানের মৌলিক বিষয়গুলি সঠিকভাবে শিখতে পারে তার ব্যবস্থা করা উচিত। পরবর্তীতে তরা বিজ্ঞানের কোন বিষয়টিকে আগ্রহের সাথে গ্রহণ করছে সেটি খুজে বের করা উচিত। ছেলেটি/মেয়েটি যখন বুঝতে শিখবে, Science2aনিজের সিদ্ধান্ত নিজেই গ্রহণ করতে শিখবে তখন সেই ঠিক করবে যে সে কোন বিষয়টিকে তার গবেষণার কেন্দ্র বিন্দু হিসেবে গ্রহণ করবে। জীবনকে সঠিকভাবে পরিচালনা করার জন্য প্রতিটি মানুষকেই কোন না কোন পেশা বেছে নিতেই হয়, ভবিষ্যতে পেশা হিসেবে সে কোনটিকে বেছে নেবে তা সে তার বাস্তবতা, তার অর্জন, তার ইচ্ছা, ন্যয়বোধ ইত্যাদি বিচার করে সে নিজেই ঠিক করে নেবে। শুধুমাত্র বাবা মায়ের কাজ হল তার সন্তানকে এমন ভাবে গড়ে তোলা যেন তারা নিশ্চিন্ত থাকতে পারেন যে তার ছেলেটি/মেয়েটি নিজের জন্য সঠিক সিদ্ধান্তটিই গ্রহণ করবে। ছেলেটি/মেয়েটি পেশা হিসেবে ডাক্তারী, ইন্জিনিয়ারিং, শিক্ষকতা অথবা যে কোন পেশা গ্রহণ করতে পারে, এমনকি প্রয়োজন না হলে সে কোন পেশাই গ্রহণ করবে না। এই পৃথিবীতে অর্থ উপর্যনটাই যদিও সবচেয়ে বেশি আলোচিত তারপরও এটাই সবকিছু নয়। “প্রকৃত জ্ঞানী মানুষকে অর্থ উপার্যনের চেষ্টা না করলেও তার জীবন থেমে থাকবে না”। সৃষ্টি কর্তার কাছে, এই দেশের কাছে, এই জাতির কাছে, এই পৃথিবীর কাছে আমরা সবাই দায়বদ্ধ। আমার সন্তানটি যেন এই সত্যটি সর্বদা তার অন্তরে ধারণ করে, সে যেন যা কিছুই দেখে সেটা যেন কুসংষ্কারের মায়াজাল ভেদ করে বিজ্ঞানের চোখ দিয়ে নিজের চোখে দেখে, সে যা শোনে তা যেন নিজের কানে শোনে,  সে যেটা করার চেষ্টা করে সেটা যেন বিজ্ঞান দ্বারা বিচার বিশ্লেষণ করে নিজের বুদ্ধি দ্বারা সম্পাদন করে, তাহলেই আমার প্রত্যাশা সফল হবে।

comments

14 কমেন্টস

  1. আমাদের অভিভাবকেরা বাক্সের বাহিরে চিন্তা করতে চান না। আমার মনে হয় তাদের চিন্তা ধারা তে পরিবর্তন আনা টা সবচাইতে জরুরি।
    অসীম দা, আগেও বলেছি, আপনার পোস্ট অসাধারন হয়…… এটাও তার ব্যাতিক্ক্রম হয় নি …… খুবি ভাল লাগল

    • আমাদের অভিভাবকদের দায়িত্ব কিন্তু শেষ এখন চিন্তা ধারার তে যে পরিবর্তন আনা প্রয়োজন সেটা কিন্তু আমাদেরকেই করতে হবে। ধন্যবাদ রিয়াজুল ভাই।

    • ধন্যবাদ রিয়াজুল ভাই। আমাদের অভিভাবকদের দায়িত্ব কিন্তু শেষ এখন চিন্তা ধারার তে যে পরিবর্তন আনা প্রয়োজন সেটা কিন্তু আমাদেরকেই করতে হবে।

  2. প্রথম প্যারাটি মূল নিবন্ধের ভেতরের একটি অংশ বিশেষ । এটিকে বিশেষভাবে উপস্থাপন করার জন্য blockquote করে দিয়েছিলাম সেটি বাদ পড়ে গেছে । বিজ্ঞান প্রযুক্তির এডমিনকে অনুরোধ করছি এটিকে পূণরায় blockquote এর মধ্যে রাখার জন্য অথবা বাদ দিয়ে দেয়ার জন্য।

    • অনেকেই অনেক কিছু হতে চায়, কয় জন পারে? যে মেধাবী ছেলেটি পদার্থ বিদ্যায় পড়তে চায় সে যদি ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ে জীব বিজ্ঞানে চান্স পায় সেখানে পড়বে নাকি পদার্থবিদ্যায় ছোট কোন বিশ্ববিদ্যালয় যেখানে ভাল ল্যাব সুবিধা নাই সেখানে ভর্তি হবে?
      আমাদের দেশের ১% ছাত্রও তাদের ইচ্ছানুজায়ী বিষয়ে পড়ার সুযোগ পায় না।

      ——–
      প্রথম প্যারায় কোড দিতে গেলে একটু সমস্যা হয়। এজন্যই হয়তো বাদ দেওয়া হয়েছে।

      • ধন্যবাদ মাহাবুব ভাই,
        “যে মেধাবী ছেলেটি পদার্থ বিদ্যায় পড়তে চায় সে যদি ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ে জীব বিজ্ঞানে চান্স পায় সেখানে পড়বে নাকি পদার্থবিদ্যায় ছোট কোন বিশ্ববিদ্যালয় যেখানে ভাল ল্যাব সুবিধা নাই সেখানে ভর্তি হবে?”
        এক্ষেত্রে ঐ ছাত্রটির ইচ্ছা, অনিচ্ছা, মানষিকতা, নতুন করে জীবনের গতিপথ তৈরি করার ক্ষমতা, ইত্যাদির উপর নির্ভর করে । আমি নিজেও এ রকম পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছি। আমি HSC পাশ করার পর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্থ বিজ্ঞানে অনার্সে ভর্তি হয়েও তা বাদ দিয়ে পরবর্তীতে ইলেকট্রনিক্সে ডিপ্লোমা কমপ্লিট করলাম।

        আর একটা ব্যপার হল কোন বিশ্ববিদ্যালয় কিন্তু আপনাকে বিজ্ঞানী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে দেবে না। এ জন্য প্রয়োজন স্বশিক্ষার আগ্রহ। আর কোন বিষয়ে গবেষণা করার জন্য কোন সার্টিফিকেটের প্রয়োজন আছে বলে আমার মনে হয় না। হয়তবা আপনার গবেষণার বিষয় এবং পাঠ্য বিষয় এক হলে কিছুটা বারতি সুবিধা পেতে পারেন।

  3. ইচ্ছাই পারে একজন ব্যক্তিকে তার লক্ষ্যে পৌছে দিতে,
    কারন ধরুন কাউর বাব মা চায় সারাক্ষন পড় আর পড়, এর বাইরে যে আলাদা নিজের জানার জন্য অনেক কিছুই বাকি থেকে যায় তা হয়তো তিনার ভুলেই যান,
    যাহোক ব্যাপারটা আমার দিক থেকে আমি বলবো সম্পূর্ণ নিজের উপর, পাশাপাশি আনুকূল্য সেটাতে পৌছাতে কম সময় নেয়, আর প্রতিকূল পরিবেশ তাতে বিলম্ব ঘটায় মাত্র

    ধন্যবাদ চমৎকার পোষ্টের জন্য

    • “ইচ্ছাই পারে একজন ব্যক্তিকে তার লক্ষ্যে পৌছে দিতে”
      – ইচ্ছাটা তৈরী হতেও মিনিমাম একটা পরিবেশের দরকার হয়। আমি কম্পিউটারের কিছু বিষয় জানি তাই বাংলায় লেখালেখির দিকে আগ্রহের কারনে লিখালেখি করি। আমার অনেক বন্ধুরা (কম্পিউটার সাইন্সের) তা করে না।
      প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অনেক বন্ধু আছে যারা আর হাইস্কুলের মুখ দেখে নি। তারা হাজার চেষ্টা করলেও ইচ্ছা তৈরী করতে পারবে না। তারা অনেকে জানে না কি কি জিনিস করা যেতে পারে। বর্তমান সময়ের নোবেল বিজয়ী প্রায় সব বিজ্ঞানীকেই কোন না কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবে কাজ করতে দেখা যায়।

      • @মাহাবুব ভাই,
        হুম আপনার কথাটা যৌক্তিক,
        তবে আমি কিন্তু বলেছি যে আপনি অনুকুল পরিবেশ পেলে লক্ষ্যে পৌছাতে সময় কম লাগবে, কিন্তু অনুকুল পরিবেশ না পেলে যে লক্ষ্যে যাওয়া যাবেনা, তা কিন্তু ভুল, হয়তো সময় ক্ষেপন বেশি হবে
        আর আপনার ঐ কপমিউটার সাইন্সের ফ্রেন্ডদেরতো ইচ্ছাই নাই কিছু করারমানে লেখালাখি করার(হয়তো), তাই তাদের দ্বারা তা হচ্ছেনা,
        আর আপনার ইচ্ছা আছে বলেই অন্য পেশায় নিয়োজিত থেকেও লেখালখি চালিয়ে যাচ্ছেন, তাই নয় কি?

  4. “বর্তমান সময়ের নোবেল বিজয়ী প্রায় সব বিজ্ঞানীকেই কোন না কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবে কাজ করতে দেখা যায়।” এখানে নোবেল বিজয় কিন্তু মুখ্য নয়।

    “প্রকৃত জ্ঞানী মানুষকে অর্থ উপার্যনের চেষ্টা না করলেও তার জীবন থেমে থাকবে না”। সৃষ্টি কর্তার কাছে, এই দেশের কাছে, এই জাতির কাছে, এই পৃথিবীর কাছে আমরা সবাই দায়বদ্ধ। আমার সন্তানটি যেন এই সত্যটি সর্বদা তার অন্তরে ধারণ করে, সে যেন যা কিছুই দেখে সেটা যেন কুসংষ্কারের মায়াজাল ভেদ করে বিজ্ঞানের চোখ দিয়ে নিজের চোখে দেখে, সে যা শোনে তা যেন নিজের কানে শোনে, সে যেটা করার চেষ্টা করে সেটা যেন বিজ্ঞান দ্বারা বিচার বিশ্লেষণ করে নিজের বুদ্ধি দ্বারা সম্পাদন করে, তাহলেই আমার প্রত্যাশা সফল হবে।

    আমি আমার সন্তানকে ছোট বেলা থেকেই একজন বিজ্ঞানী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার উদ্দেশ্যে বিজ্ঞান শিক্ষার ব্যবস্থা করব। ববা-মা হিসেবে প্রাথমিক পর্যায়ে ছোটবেলা থেকেই যেন তার সন্তানটি বিজ্ঞানের মৌলিক বিষয়গুলি সঠিকভাবে শিখতে পারে তার ব্যবস্থা করা উচিত। পরবর্তীতে তরা বিজ্ঞানের কোন বিষয়টিকে আগ্রহের সাথে গ্রহণ করছে সেটি খুজে বের করা উচিত। ছেলেটি/মেয়েটি যখন বুঝতে শিখবে, নিজের সিদ্ধান্ত নিজেই গ্রহণ করতে শিখবে তখন সেই ঠিক করবে যে সে কোন বিষয়টিকে তার গবেষণার কেন্দ্র বিন্দু হিসেবে গ্রহণ করবে।

    এভাবে পরিকল্পিত পরিবেশে একটি ছেলে/মেয়ে বড় হলে ছোট বেলা থেকেই তার চিন্তাশক্তি, সিদ্ধান্ত নেয়ার দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে সে নিজেই তার গবেষণার জন্য উপযুক্ত পরিবেশের (ল্যাব) ব্যবস্থা করতে পারে সেটা কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবও হতে পারে।

    আমার কুষ্টিয়া ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ হয়নি কিন্তু আমার জীবনের বেশ কিছুটা সময় কুষ্টিয়া ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবে কাটানোর সুযোগ হয়েছে। মাইক্রোকন্ট্রোলারের উপর যতটুকু শেখার সুযোগ হয়েছে সেটাও সেখান থেকেই আর বড় ভাইদের কাছ থেকে।

    তাই “ইচ্ছাই পারে একজন ব্যক্তিকে তার লক্ষ্যে পৌছে দিতে” এজন্য যে আমাকে কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতেই হবে এমনটা নয়। ইচ্ছা থাকলে সুযোগ সৃষ্টি হবেই।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.