বর্তমানে বাংলাদেশে এখন ল্যাপটপের ব্যাপক চাহিদা। বিভিন্ন সুবিধার কারনে অনেকেই এখন ডেস্কটপ এর পরিবর্তে ল্যাপটপ ব্যাবহার করছে। যদিও প্রোফেশনাল কাজের জন্য ডেস্কটপই উপযুক্ত। তবে যারা শখের বশে কম্পিউটার ব্যবহার করেন, তাদের ল্যাপটপ কেনাই উচিত। ল্যাপটপ সাধারনত দুই ধরনের হয়ে থাকেঃ
১) নেটবুক
২) নোটবুক

যারা হাল্কা কাজ বা অনলাইনে কাজ করে থাকেন তারা সাধারনত নেটবুক ব্যাবহার করে থাকেন। আর অপেক্ষাকৃত ভারী কাজ ও হাই গ্রাফিক্স এর গেমিং এর জন্য অনেকে নোটবুক কিনে থাকেন। শুধু ল্যাপটপ কিনে ব্যাবহার করলেই চলবে না। ব্যাবহার এর সাথে সাথে নিয়মিতভাবে এর যত্নও নিতে হবে। তা না হলে আপনার সাধের ল্যাপটপ একদিন হঠাৎ পটল তুলবে। 😛

আপনার সাধের এই ল্যাপটপটি যাতে দীর্ঘদিন ঠিকভাবে সার্ভিস দিতে পারে সে জন্য কিছু টিপস দিব আজ। আশা করি টিপস গুলো আপনাদের সাধের ল্যাপটপটিকে হঠাৎ পটল তুলার হাত থেকে কিছুটা রক্ষা করবে সাথে সাথে ল্যাপটপটি পারফরমেন্স ও বারাবে 😉

  • দরকারি ছাড়া অন্য উইন্ডোগুলো মিনিমাইজ করে রাখুন
  • প্রসেসরের উপর চাপ কমাতে অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রামগুলো বন্ধ করে দিন
  • ব্যাটারিতে ল্যাপটপ চালানোর সময় স্ক্রিনের ব্রাইটনেস কমিয়ে রাখুন
  • ব্যাটারির কানেক্টর এর লাইন মাঝে মাঝে পরিষ্কার করুন
  • সব সময় হার্ডডিস্ক থেকে মুভি ও গান চলাবেন। কারন ল্যাপটপের সিডি/ডিভিডি রমের ক্ষমতা কম হয়ে থাকে
  • সরাসরি সূর্যের আলোতে ল্যাপটপ ব্যাবহার করবেন না। কারন এতে আপনার ল্যাপটপ খুব দ্রুত গরম হয়ে যে কোন ধরনের ক্ষতি হতে পারে
  • এয়ার ভেন্টের পথ খোলা রাখবেন এবং সহজে বাতাস চলাচল করে এমন স্থানে ল্যাপটপ রেখে কাজ করবেন
  • শাট ডাউন এর পরিবর্তে হাইবারনেট অথবা স্লিপ অপশন ব্যাবহার করবেন
  • দরকার ছাড়া ব্লু-টুথ ও ওয়াই-ফাই কানেকশন বন্ধ রাখবেন
  • ভালো মানের এন্টি ভাইরাস যেমন- Avast ব্যাবহার করুন। Avast এক বছরের ফ্রি লাইসেন্স দেয়,
  • হার্ডডিস্ক ও সিপিইউ এর মেইটিনেন্স এর সময় কোন কাজ করা উচিত নয়
  • ব্যাটারি যদি কম ব্যাবহার করা হয় বা একবারেই ব্যবহার না করা হলে এর আয়ু কমে যায়। এর থেকে বাঁচার জন্য সপ্তাহে ২ থেকে ৩ দিন ব্যাটারি দিয়ে ল্যাপটপ চালানোর চেষ্টা করুন
  • সপ্তাহে অন্তত একবার হার্ডডিস্ক ডিফ্রাগমেন্ট করুন
  • অপ্রয়োজনীয় বা ব্যবহার করেন না এমন প্রোগ্রাম/সফটওয়্যার গুলো আনইনষ্টল করুন।

আপাতত এতটুকুই। আশা করি পোষ্টটি আপনাদের উপকারে আসবে।

comments

11 কমেন্টস

  1. শাটডাউনের পরিবর্তে হাইবারনেট কেন এই জিনিসটাই এখনো বুঝতে পারলাম না। 🙁

    • আপনি জানতে চেয়েছেন “শাটডাউনের পরিবর্তে হাইবারনেট কেন” কারন শাটডাউনের পরিবর্তে হাইবারনেট ব্যাবহার করলে আপনার ল্যাপটপ এর হার্ডডিস্ক কর্মক্ষম থাকবে। সাথে সাথে আপনার কাজের ও কোন সমস্যা হবে না। ঠিক যে অবস্থায় হাইবার নেট করবেন ১ দিন, ১ সপ্তাহ, ১ মাস এমন কি এক বছর পরও যে অবস্থায় হাইবার নেট করেছিলেন ওই খান থেকে চালু হবে। কিন্তু শাটডাউন করলে এই সুবিধা পাবেন না।

  2. শাটডাউনের পরিবর্তে হাইবারনেট কেন এই জিনিসটাই বুঝতে পারলাম না:?:

  3. I just want to say I am beginner to weblog and really savored this blog. Almost certainly I’m planning to bookmark your blog . You surely have perfect articles. Kudos for revealing your blog.

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.