বিজ্ঞান প্রযুক্তি ডট কম এর নতুন আয়োজন “ব্লগার ইন্টারভিউ ডেস্ক” এ আপনাদের সবাইকে স্বাগতম। আমরা সব সময় চেস্টা করে আসছি লেখক-পাঠকদের বিভিন্ন সুবিধা প্রদান করতে এবং নতুন কিছু দিতে। এরই ধারাবাহিকতায় আমাদের এই নতুন প্রয়াস। যেসব ব্লগার তাদের অসাধারন সব লেখা দিয়ে আমাদের মুগ্ধ করে চলেছেন, আমাদের জ্ঞান বাড়িয়ে চলেছেন, তাদের সম্পর্কে চলুন কিছু জানা যাক।

ব্লগার ইন্টারভিউ ডেস্ক
আজকের অতিথি

আমিনুল ইসলাম সজীব

আমিনুল ইসলাম সজীব দীর্ঘদিন ধরে ব্লগিং এবং সাংবাদিকতার সাথে জড়িত আছেন। তরুন এই প্রতিভাবান লেখক এই বছর মাধ্যমিক পরীক্ষায় অংশগ্রহন করেছেন। চলুন তার সাথে কিছুক্ষন গল্প করা যাক…

2011-02-22_131930

ইন্টারভিউ ডেস্কঃ পরীক্ষার মাঝেও আপনার মূল্যবান সময় আমাদের দেয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ এবং ইন্টারভিউ ডেস্ক এ স্বাগতম। প্রথমেই আপনার নিজের সম্পর্কে আমাদের কিছু বলুন।

আমিনুল ইসলামঃ আমি সজীব। এবার এসএসসি দিচ্ছি। ব্লগিং করে শখের বশে। পাশাপাশি পত্রিকা/সংবাদ সংস্থায় লেখালেখিও করি। ব্যবসার ছাত্র হলেও ভবিষ্যতে ওয়েব ডেভেলপমেন্টে অথবা জার্নালিজমে ক্যারিয়ার গড়ার ইচ্ছে আছে। সেই ইচ্ছে নিয়েই ধীরে ধীরে পড়াশোনা ও ব্লগিং এবং অল্পবিস্তর ওয়েব ডেভেলপমেন্ট শিখে যাচ্ছি। ভালো লাগে ছবি তুলতে (ক্যামেরা নাই যদিও), ইংরেজি গান শুনতে আর প্রচুর ইংরেজি মুভি দেখতে। স্টিফেন কিং আমার পছন্দের লেখক। এছাড়াও রয়েছেন স্যার আর্থার কোনান ডয়েল, ড্যান ব্রাউন ইত্যাদি। আর বাংলাদেশে আনিসুল হক এবং মুহাম্মদ জাফর ইকবালের বই ভালো লাগে। সেরা চরিত্র শার্লক হোমস এবং টিনটিন।

ইন্টারভিউ ডেস্কঃ কবে, কিভাবে ব্লগিং জগতে পা রাখলেন এবং কোন ব্লগের মাধ্যমে?

আমিনুল ইসলামঃ আমি নিজে প্রথমে বুঝতে পারিনি যে একদিন আমি ব্লগিং-এর প্রতি এতোটা ঝুঁকে পড়ব। ২০০৬ সালে প্রথম সামহোয়্যার ইন ব্লগের সন্ধান পাই। প্রথমে এর কাজ না বুঝলেও ধীরে ধীরে আসক্ত হয়ে পড়ি। এখনো আমি সামহোয়্যারে ব্লগিং করি, তবে আগের মতো ততোটা রেগুলারলি না। যদিও ব্লগিংএ আমি যথেষ্ট নিয়মিত।

ইন্টারভিউ ডেস্কঃ তথ্য প্রযুক্তির বিকাশে বাংলা ব্লগগুলোর ভূমিকা কতটুকু?

আমিনুল ইসলামঃ তথ্য প্রযুক্তির বিকাশে বাংলা ব্লগগুলোর ভূমিকা উল্লেখযোগ্য। বিশেষ করে যেসব বাঙালি ইংরেজিতে অদক্ষ, তাদের জন্য কম্পিউটার, ইন্টারনেট, সফটওয়্যার, নেটওয়ার্কিং, এমনকি হার্ডওয়্যারের কাজও বাংলাদেশিরা এসব বাংলা ব্লগের কল্যাণে শিখতে পারছেন। যা নিঃসন্দেহে এক উল্লেখযোগ্য অবদান। তবে তথ্য-প্রযুক্তির বিকাশে বাংলা ব্লগের ভূমিকা রাখার মতো আরো রুম রয়েছে বলে আমি মনে করি।

ইন্টারভিউ ডেস্কঃ বাংলা নিউজ সাইট এবং খবরের কাগজের মধ্যে কোন পার্থক্য আছে বলে আপনি মনে করেন?

আমিনুল ইসলামঃ বাংলা নিউজ সাইট যদি খবরের কাগজেরই হয় তাহলে তো পার্থক্য নেই-ই। যদি কেবল অনলাইনভিত্তিক সংবাদ সংস্থা হয় তাহলে কিছুটা পার্থক্য আছে। কারণ, এখানে তাৎক্ষণিক খবর পাওয়া যাচ্ছে। মানুষ সংবাদ ঘটা মাত্রই জানতে পারছে। তবে সাহিত্য বিষয়ক বা তুলনামূলক বড় প্রবন্ধগুলোর পাঠক অনলাইনভিত্তিক সাইটে একটু কমই পড়েন বলে আমি মনে করি। কারণ, মুদ্রিত কাগজে পড়া অবশ্যই অনেক বেশি আনন্দদায়ক। তবে বাংলাদেশে কিন্ডল, আইপ্যাড, গ্যালাক্সি ট্যাব ইত্যাদি ইবুক রেডার বা ট্যাবলেট পিসির চল বাড়লে এবং এগুলোয় বাংলার পূর্ণ সাপোর্ট থাকলে নিউজ সাইট অবশ্যই একসময় খবরের কাগজের চেয়েও বেশি জনপ্রিয়তা অর্জনে সক্ষম হবে।

ইন্টারভিউ ডেস্কঃ বাংলা এবং ইংরেজী ব্লগিং, কোনটিতে বেশি সাছন্দবোধ করেন?

আমিনুল ইসলামঃ আমি দু’টোতেই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি, কিন্তু ভিন্ন ভিন্নভাবে। যেমন, বাংলায় স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি কারণ এতে আমি যা লিখছি তা নিশ্চিন্তে লিখে যেতে পারি। ভাষাগত ভুল বা বানানে ভুল হচ্ছে না এ ব্যাপারে মোটামুটি নিশ্চিত থাকতে পারি। অন্যদিকে ইংরেজিতে লিখতে গেলে ব্লগিং-এর মূল বিষয়ের পাশাপাশি ভাষা ঠিক হচ্ছে কি না এ নিয়েও মাথা খাটাতে হয় এবং অনেক ক্ষেত্রে অভিধান ঘেঁটে নতুন শব্দ বা বাক্য গঠনের পদ্ধতি জানতে হয়। যেহেতু ব্লগিং করছি, সেহেতু ন্যাটিভ ইংলিশ স্পিকারদের মতোই লেখার চেষ্টা করি যাতে লেখা রোবটিক বা প্রাণহীন না হয়ে যায়। এক্ষেত্রে ইংরেজি মুভি আমাকে অনেক সাহায্য করে। ইংরেজি ব্লগিং-এ বেশি আনন্দ পাওয়ার কারণটাও সহজ। এতে করে আমি বিশ্বব্যাপী অডিয়েন্স তৈরি করতে পারছি এবং একই সঙ্গে আমার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার একটি অংশ (সাংবাদিকতা) হিসেবে ইংরেজিতে লেখার দক্ষতা বাড়াতে পারছি।

ইন্টারভিউ ডেস্কঃ ব্লগিং নিয়ে আপনার ভবিষ্যত পরিকল্পনা কি?

আমিনুল ইসলামঃ ব্লগিং নিয়ে আমার তেমন কোনো ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নেই। লক্ষ্য করলে দেখবেন, আমি ইদানীং ব্যক্তিগত ব্লগেই বেশি সময় কাটাই। আমার ব্লগ aisjournal.com ছাড়াও dailysajib.wordpress.com-এ আমি প্রতিদিনকার জীবন যাত্রা নিয়ে লিখে হাত পাকা করার চেষ্টা করছি। উন্নতিটা আমি ঠিকই টের পাচ্ছি। ব্লগে আমার নিজের কথা, নিজের চিন্তাধারা, মতামত ইত্যাদি লিখতেই বেশি পছন্দ করি। তবে ভবিষ্যতে প্রযুক্তিভিত্তিক সংবাদ নিয়ে ইংরেজিতে ভিন্ন আঙ্গিকের ব্লগ তৈরির ইচ্ছে রয়েছে। তবে সিদ্ধান্ত পরিবর্তিত হয়ে তা বাংলায়ও হতে পারে; যদিও সেই সম্ভাবনা কম।

ইন্টারভিউ ডেস্কঃ বর্তমানে বাংলা এবং ইংরেজী মিলিয়ে কতগুলো ব্লগের সাথে আপনি সম্পৃক্ত? সেগুলো কী কী?

আমার অ্যাকাউন্ট অনেকগুলো ব্লগেই রয়েছে। তার মধ্যে নিয়মিত ইংরেজি ব্লগগুলো হচ্ছে
http://www.aisajib.com যেখানে সাধারণত প্রযুক্তিভিত্তিক বিশেষ করে ব্লগিং নিয়ে লিখে থাকি। তবে ইদানীং এতে আমার চেয়ে অতিথি লেখকরাই বেশি পোস্ট লিখছেন।
http://aisjournal.com এটি ওয়ার্ডপ্রেস ডট কমে হোস্টেড একটি ব্যক্তিগত ব্লগ। সপ্তাহে ন্যূনতম একটি পোস্ট প্রকাশের নিমিত্তে পোস্ট এ উইক প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করেছি এই ব্লগ দিয়ে। এতে সাধারণত চিন্তা-ভাবনা, কিছু রিসার্চ ও সময় ব্যয় করে পোস্ট করি।
http://dailysajib.wordpress.com এটি একান্তই ব্যক্তিগত ব্লগ যেখানে ওয়ার্ডপ্রেস ডটকমের পোস্ট এ ডে প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করে দৈনিক একটি করে পোস্ট প্রকাশ করি। এখানে আমি প্রতিদিনকার ডায়েরির মতো করে মনে যা আসে তা-ই লিখি। প্রতিটি পোস্টই কোনোরকম সময় ব্যয় না করে লেখা হয়। অর্থাৎ, জীবনের রাফ খাতা বলতে পারেন।
এছাড়াও আরো বেশ কিছু ইংরেজি ব্লগে (যেগুলোর মালিকানা আমার নয়) গেস্ট হিসেবে প্রায়ই লিখে থাকি।

বাংলা ব্লগগুলো
http://aisajib.wordpress.com এটি বাংলায় ভেবেচিন্তে লেখা পোস্টগুলোর সংগ্রহশালা বলা যায়। এতে আমি সামহোয়্যার ইন ব্লগে প্রকাশিত পোস্টগুলোর ব্যাকআপ হিসেবে প্রকাশ করি। সামহোয়্যার ইনে আমার নিক আমিনুল ইসলাম।

ইন্টারভিউ ডেস্কঃ সব মিলিয়ে লেখা-লেখি এবং ব্লগিং জগৎ কেমন লাগে?

আমিনুল ইসলামঃ লেখালেখি ও ব্লগিং জগত আমার জীবনের অবিচ্ছেদ্য একটি অংশ হয়ে গেছে। কোনো কারণ ছাড়াই বা লাভ ছাড়াই কেবল মনের খোরাকের জন্যই আমি লেখালেখি ছাড়তে পারি না। তবে আমি সবসময়ই লেখালেখি থেকে অল্পবিস্তর আয়ের রাস্তা বের করে নেই। 😉 ভবিষ্যতে ওয়েব ডেভেলপার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে পারলেও লেখালেখি বজায় থাকবে। আর যদি সাংবাদিকতায় জড়িয়ে যাই, তাহলে তো কথাই নেই। টাকা হলে গল্পের বই লেখারও ইচ্ছে আছে। আগ্রহীরা aisajib.wordpress.com এ গিয়ে ইতোমধ্যেই প্রকাশিত দু’টি ইবুক ডাউনলোড করে পড়তে পারেন।

ইন্টারভিউ ডেস্কঃ বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতে কি কি সমস্যা আছে বলে আপনি মনে করেন?

আমিনুল ইসলামঃ বাংলাদেশে প্রযুক্তি খাতের প্রধান সমস্যা এর স্তম্ভ। স্তম্ভ বলতে আমি বোঝাচ্ছি যার উপর ভিত্তি করে প্রযুক্তি ও সভ্যতা দাঁড়িয়ে আছে। হ্যাঁ, আমি বিদ্যুতের কথাই বলছি। বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধানের আগ পর্যন্ত বাংলাদেশকে কোনোভাবেই ডিজিটালে রূপান্তর করা সম্ভব নয়। বিদ্যুতের পর আসে ইন্টারনেটের সহজলভ্যতা, উচ্চমূল্য ও নিম্মগতি। আমাদের দেশের ইন্টারনেট স্পিডের কথা বহিঃবিশ্বের ক্লায়েন্ট বা সহব্লগার/পাঠকরা শুনলে ভাবেন মশকরা করছি। আমরা এতোই ধীরগতির ইন্টারনেট ব্যবহার করি যে কচ্ছপও এই গতিকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে আগে চলে যায়। বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট ছাড়া দেশের তথ্য-প্রযুক্তিগত অগ্রগতি কীভাবে সম্ভব তা আমার মাথায় আসে না (অবশ্যই বিমানবন্দর স্থাপন তথ্য-প্রযুক্তি ক্ষেত্রে কোনো অগ্রগতি হিসেবে গণ্য নয়)।

আরেকটি বড় সমস্যা হচ্ছে পেমেন্ট গেটওয়ের অভাব। বহিঃর্বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলাতে গেলে বিশেষ করে ফ্রিল্যান্সিংয়ে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বিপ্লব আনতে বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সাররা অনেক আগে থেকেই প্রস্তুত। কেবল বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় ও স্বীকৃতিপ্রাপ্ত পেপাল বাংলাদেশে আনা গেলেই এ বিপ্লব ঘটতে শুরু করবে বলে আমার বিশ্বাস। তবে এ পদক্ষেপ কে নিবে সে ব্যাপারে এখনো ততোটা তথ্য বের করার চেষ্টা করিনি। শুধু এতটুকু জানি যে, সহজে পেপাল বাংলাদেশে আসছে না। বিভিন্ন কর্পোরেট হাউজই আসতে দিবে না। যেমন পেপাল আসলে ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন, মানিগ্রাম ইত্যাদির ব্যবসা শেষ।

ইন্টারভিউ ডেস্কঃ সরকার হয়তো বিমানে করে ব্যান্ডউইথ এবং বিদ্যুত আনার চিন্তা করছে 😀 যাই হোক, এইসব সমস্যার সমাধানের কি কোন উপায় আছে বলে আপনি  মনে করেন?

আমিনুল ইসলামঃ বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধানে প্রথমে আমাদের সবাইকে সাশ্রয়ী হতে হবে এবং সরকারকেও উৎপাদন বাড়ানোর এবং ব্যয় কমানোর উদ্যোগ নিতে হবে। অধিকাংশ ভবনেই বা বাসা-বাড়িতেই অকারণেই একাধিক এসি চলতে থাকে, অন্যদিকে মানুষ আলো পায় না। এসব যেভাবেই হোক নিয়ন্ত্রণে এনে সবাই যেন সমানভাবে বিদ্যুৎ পায় সে ব্যবস্থা করতে হবে। আর ইন্টারনেট সুবিধা ঠিক করা এবং পেপাল বাংলাদেশে আনার ক্ষেত্রে সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সদিচ্ছাই যথেষ্ট বলে মনে করি।

ইন্টারভিউ ডেস্কঃ আগামী পাঁচ বছর পর নিজেকে আপনি কোন পর্যায়ে দেখতে চান?

আমিনুল ইসলামঃ টাইম, বা নিউ ইয়র্ক টাইমস, বা টেলিগ্রাফ, বা বিবিসির সাংবাদিকরূপে! তবে এগুলোর কোনোটাই না হয়ে যদি একজন সফল ওয়েব ডেভেলপার হতে পারি সেক্ষেত্রেও খুশি থাকবো।

আপনাকে আমাদের মাঝে পেয়ে অনেক ভাল লাগলো। আপনার মূল্যবান সময় এবং মতামত গুলোর জন্য বিজ্ঞান প্রযুক্তি ডট কম এবং ব্লগার ইন্টারভিউ ডেস্ক এর পক্ষ থেকে অনেক শুভেচ্ছা এবং ধন্যবাদ।

comments

20 কমেন্টস

  1. ব্লগারদের সম্পকে আনেক মু্ল্যবান তত্ত যানতে পারলাম বিজ্ঞান প্রযুক্তিকে আনেক ধন্যবাদ এ রকম একটি বিভাগের জন্য।

  2. আমিনুল ইসলাম সজিবের ইন্টারভিউ থেকে অনেক কিছু জানতে পারলাম।
    বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডট কম কে ধন্যবাদ ”ইন্টারভিউ ডেস্ক” নামে বিভাগ খোলার জন্য 🙂
    শুভ কামনা।

  3. সজীব ভাই আপনার আত্মবিশ্বাস আপনাকে ভবিষ্যতের দ্বার প্রান্তে নিয়ে যাক।

  4. ইন্টারভিউ ডেস্ক ও আমিনুল ইসলাম সজীব ভাই কে ধন্যবাদ এমন একটি ইন্টারভিউ এর জন্যে।

  5. সুন্দর আরেকটি পদক্ষেপ। প্রিয় ব্লগারের সম্পর্কে জানার জন্য অনেকেই উদ্গ্রীব হয়ে থাকে। এবার তা সফল হতে যাচ্ছে।

  6. বিপি নি:সন্দেহে ভালো উদ্দোগ নিয়েছে , এতে করে আমরা ব্লগারদের অনুভুতি গুলো জানতে পারবো। একটি ব্যক্তিগত কৌতুহল- ইন্টারভিউ যে নিয়েছে তার নাম জানতে পারি?

  7. প্রথমেই বিপ্রকে অনেক ধন্যবাদ ইন্টরভিউ ডেস্ক নামে গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ খোলার জন্য আর সজীব ভাইকে অনেক শুভ কামনা। এরকম পোষ্ট থেকে অনেক কছু শেখার আছে। আর ধন্যবাদ জানাই যিনি কষ্ট করে ইন্টারভিউ নিয়েছেন। আরও পোষ্ট চাই. . . . .

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.