ব্রাজিলের বৃক্ষ

বিজ্ঞানীরা এতোদিন ব্রাজিলের জাতীয় গাছ “পাও-ব্রাজিল” এর একটি জুতসই নাম খুঁজছিলেন, কিন্তু পাচ্ছিলেন না। অবশেষে তারা একটি নাম পেলেন এবং আশ্চর্যজনক ভাবে এই নামের বুৎপত্তি অনেক আগে থেকেই। ব্যপারটা বরং খোলাসা করেই বলা যাক।

একটি নতুন গবেষণায় উপকূলীয় প্রায় ২০০ গাছের ডি এন এর সাথে পাও ব্রাজিলের নানা ধরণের মিল খোঁজার চেষ্টা করা হয়। যেহেতু তারা “সিজালপিনিয়া” গোত্রের, তাই তাদের মধ্যে নানা ধরণের মিল খুঁজে পাওয়া যায়। এদের মধ্যে যেটি সবচাইতে আশান্বিত করেছে বিজ্ঞানীদের, তা হচ্ছে বিবর্তনের কাল থেকেই এদের মাঝে একটি সূত্রধর খুঁজে পাওয়া যায়।

ঐতিহাসিক সূত্র ধরেই ব্রাজিলের জাতীয় গাছের বৈজ্ঞানিক নাম রাখা হয়েছে “পাওব্রাসিলিয়া”। পর্তুগীজ নামের একটি লাতিনীয় একটি মূলধারার সংযোগ ঘটিয়ে নতুন নামটি রাখা হয়েছে।

কানাডার মনট্রিল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানী ডক্টর এডেলিন গ্যাগনোন, রিও ডি জেনেইরো ইন্সটিটিউটের বিজ্ঞানী হারোলদো ক্যাভাল্কান্তে দে লিমা এবং সাথে আরো অনেকে ফাইটোকেইস নামক জার্নালে তাদের এই নতুন নামকরণের তথ্যটি প্রকাশ করেছেন।

পাওব্রাসিলিয়া
পাওব্রাসিলিয়া

একই গবেষণাপত্রে তারা আরো নতুন তিন প্রজাতির গাছের কথা উল্লেখ করেছেন। এগুলো হচ্ছেঃ হেরেরোল্যান্ডিয়া(নামিবিয়া), হুলথোলিয়া(কম্বোডিয়ার বিজ্ঞানী সোভানমোলি হুল থলের স্মরণে) এবঙ গেলেরেবিয়া( সোমালিয়ান শব্দ গ্যালরেব থেকে; যেটি কিনা একটি কাটাবহুল ঝোপ অর্থে বোঝায়)।

পাওব্রাসিলিয়া একটা সময় ব্রাজিলীয় উপকূলে যেসব বণিকরা এসে ভিড়ত, তাদের কাছে খুব জনপ্রিয় ছিল। এর কারণ হচ্ছে, এর মাঝে একধরণের লাল রস পাওয়া যায়। এই রস থেকে নানা ধরণের সুগন্ধী দ্রব্য তৈরি করা যেত।

বিজ্ঞানীরা আশা করছেন যে সকল গাছ বর্তমানে ব্রাজিলে নির্বিচারে কেটে ফেলা হচ্ছে, সরকার সেগুলোর দিকে একটু সুনজর দেবেন। কারণ, গাছ ও এর  থেকে তৈরিজাত দ্রব্য থেকে ব্রাজিলের প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা আয় হয়।

সূত্রঃ Phys.Org

 

 

 

Read more at: http://phys.org/news/2016-10-scientific-brazil-national-tree.html#jCp

 

comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.