একটা সময় ছিল যখন মানুষ শুধুমাত্র কায়িক পরিশ্রমের মাধ্যমে সকল কাজ সম্পাদন করত। সময়ের পরিবর্তনে এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির কল্যানে সে পেক্ষাপট পাল্টেছে। এখন আমরা সুযোগ পেলেই যন্ত্রকে ব্যবহার করছি, মানুষের কষ্টকে লাঘব করার জন্য। মানুষের হতে তৈরি যন্ত্র মানুষের ভৃত্য হিসেবে ভালোই সেবা দিয়ে যাচ্ছে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ভাল কিন্তু সামান্য গোলযোগ ঘটলেই আবার বিপদ, আপনার তৈরি যন্ত্রটি আপনারই ক্ষতি করতে পারে।আবার নিজে ধ্বংশ হলেও ক্ষতিটা আপনার উপর এসেই বর্তাবে।

অফিসে, বাড়িতে, বা বাহিরে, আমাদের দৈনন্দিন কাজ করতে গিয়েই অসংখ্য ইলেকট্রনিক্স এবং ইলেকট্রিক্যাল ইন্সট্রুমেন্ট এর সাথে আমরা নিবির ভাবে জড়িয়ে পড়েছি। অনেকে জানি এই যন্ত্রাংশ সমূহ কিভাবে কাজ করে, আবার অনেকে কিছু না জেনেই এগুলোকে ব্যবহার করছি বছরের পর বছর ধরে।

বৈদ্যুতিক সিগন্যাল ব্যবহারের সাতকাহন

dgআমরা ইনেকট্রনিক্স এবং ইলেকট্রিক্যাল ইন্সট্রুমেন্ট এ দুই ধরণের সিগন্যাল বেশি ব্যবহার করি। একটি হচ্ছে এনালগ সিগন্যাল এবং অপরটি হচ্ছে ডিজিটাল সিগন্যাল। আগের দিনের ইনেকট্রনিক্স এবং ইলেকট্রিক্যাল ইন্সট্রুমেন্ট সমূহে এনালগ সিগন্যাল বেশি ব্যবহার করা হত। কিন্তু বর্তমান সময়ে ডিজিটাল এবং মাইক্রো ইলেকট্রনিক্সের অভাবনীয় উন্নতির ফলে সকল প্রকার ইনেকট্রনিক্স ইন্সট্রমেন্টকে ডিজিটাল ফরমেটে নিয়ে আসা হচ্ছে। ফলাফল হিসেবে ইন্সট্রুমেন্ট সমূহের দক্ষতা, কাজের পরিধী, এবং বিশ্বস্ততা বৃদ্ধি পেয়েছে অনেক গুণে, কিন্তু দাম এবং আকৃতি এবং বিদ্যুৎ খরচ অনেক কমেছে।উভয়ই আমাদের জন্য আশির্বাদ স্বরূপ।আগের দিনের ক্যাসেট প্লেয়ারে গান প্লে করার জন্য এক ধরণের ম্যাগনেটিক টেপ ব্যবহার করা হত। এই ম্যাগনেটিক টেপে গান তথা অডিও সিগন্যাল এনালগ সিগন্যাল আকারে জমা থাকত।বর্তমানে আমরা অডিও বা ভয়েজ অথবা ভিডিও সংরক্ষণের জন্য যে মেমরি কার্ড বা যে ফ্লাস ড্রাইভ ব্যবহার করি তাতে ডিজিটাল সিগন্যাল আকারে তথ্য সংরক্ষিত থাকে।

ccএকবার ভাবুন তো সেই দিন গুলোর কথা, মাত্র ৮-১০ টা অডিও গান রেকডিং করার জন্য রেকডিং এর দোকানে প্রায় এক থেকে দেড় ঘন্টা দাড়িয়ে থাকতে হত।আর বর্তমানে আমরা কয়েক শত থেকে কয়েক হাজার গান বা অডিও ফাইল মূহর্তের মধ্যেই ট্রান্সফার করতে পারি এক ফ্লাস ড্রাইভ থেকে অন্যটিতে।

আপনার কম্পিউটার টিকে যদি বলা যায় অসংখ্য সুইচের মহাসমাবেশ তাহলে খুব বেশি ভুল হবে না। কারণ কম্পিউটারের প্রসেসর র‌্যাম রোম সবই ডিজিটাল সিগন্যাল প্রসেসিং এর মাধ্যমে কার্য সম্পাদন করে থাকে। ঠিক ট্যাংকি থেকে পাইপের মাধ্যমে যেমন পানির প্রবাহ বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করে অসংখ্য কাজ করা হয়, ঠিক কম্পিউটারেও বৈদ্যুতিক সিগন্যালকে অসংখ্য ভাগে বিভক্ত করে এর প্রবাহ, গতি ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করে পুরো কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

acকম্পিউটারে যদিও বেশির ভাগ অংশে ডিজিটাল সিগন্যাল নিয়ে কার্যক্রম পরিচালিত হয় তারপরও আউটপুট এবং ইনপুটের সিগন্যাল বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এনালগ প্রকৃতির হয়।

আগের দিনের টিভি বা রেডিওর টিউনারের কথায় ধরুন না, নব ঘুরিয়ে কষ্ট করে চ্যানেল টিউন করতে হত। কখনো দেখা যেত ছবি আছে তো শব্দ নেই ইত্যাদি। অথচ এখন আমরা রিমোট কন্ট্রোলের মাধ্যমে দূর থেকেই এ কাজ গুলো করতে পারছি।

ডাটা কন্ট্রোলিং, সংরক্ষণ এবং প্রসেসিং এর সুবিধার কারণে বর্তমানে বেশির ভাগ যন্ত্রাংশে ডিজিটাল সিগন্যাল এর ব্যাবহার বৃদ্ধি পেলেও সকল প্রকার এমপ্লিফায়ারে এবং পাওয়ার সাপ্লাই হিসেবে এখনো এনালগ সিগন্যাল ব্যবহার করা হয়।

ডিজিটাল সিগন্যাল এবং এনালগ সিগন্যাল সম্পর্কে আরো জানতে এক বার দেখে নিতে পারেন

এনালগ এবং ডিজিটাল সিগন্যাল সম্পর্কে ধারণা এবং ডিজিটাল সিগন্যালের সুবিধা

………………………………………………………………………………..

এখানেই শেষ করছি। সবার জন্য শুভকামনা রইল ।

comments

12 কমেন্টস

  1. মাইন্ডব্লোয়িং পোস্ট। চালিয়ে যান……………

  2. টাইটেল দেখে ভাবসিলাম, বৈদ্যুতিক সিগন্যাল কিভাবে কাজ করে তার বিস্তারিত লিখবেন। এতো দেখি ইতিহাস টাইপের পোস্ট! 😐

    • কেন আপনার ভাল লাগে নি? বৈদ্যুতিক সিগন্যাল কিভাবে কাজ করে তার বিস্তারিত পোস্টের নিচের লিংক টা থেকে একবার দেখে নিতে পারেন।
      ধন্যবাদ

      • না, ভাল লাগেনি তা না। তবে যা ভেবেছিলাম তেমনও পাইনি। এমনিতে ভাল হইছে 🙂

  3. ভাইয়া আমি মাইক্রোকন্ট্রোলার সমন্ধে আরো জানতে চাই আমাকে কি আপনার মোবাইল নাম্বার টা দেওয়া যাবে।

  4. প্রেরক :
    মাহফুজ, মোহাম্মাদপুর, ঢাকা । ই-মেইল # mahfuz08@yahoo.com

    ব্লগারদের কাছে কিছু প্রশ্নের উত্তর চাই।

    ১/ উইন্ডোজ # ৭ উপরের আপগ্রেড কনফিগারেশনে চালানো সম্ভব কিনা ?
    ৩২ বিট এবং ৬৪ বিট – এর মধ্যে কোনটি উপরের আপগ্রেড কনফিগারেশনে চালানো সম্ভব ?
    উইন্ডোজ # ৭ – এর মধ্যে কি কি ভাগ আছে এবং কোনটি ভালো ?
    ১ বা ২ টেরাবাইট হার্ডডিস্কের পার্টিশন কি পরিমাণে ভাগ করা হবে ?
    আমি যদি অন্যান্ন সফ্টওয়ার প্রোগ্রাম ফাইলের ডিরেক্টরি এবং মাই ডকুমেন্ট সি এর পরিবর্তে ডি ড্রাইভে
    ইন্সটল করতে চাই তবে উইন্ডোজ # ৭ – এ প্রোগ্রাম ফাইলের পাথ (রুট ডিরেক্টরি) কি ভাবে পরিবর্তন
    করতে হয় ?
    বড় হার্ডডিস্কের ব্যবহারের ফলে উইন্ডোজ # ৭ বা এক্স-পিতে কোন সমস্যা হয় কিনা ?

    ২/ আমার কম্পিউটারে ইন্টারর্নাল সাটা হার্ডডিস্ক আছে যা ৮০ গিগা. । আমি একে এক্সট্রার্নাল হার্ডডিস্কে
    রুপান্তর করতে চাই।
    ‌ইন্টারর্নাল সাটা হার্ডডিস্ক কে এক্সট্রার্নাল হার্ডডিস্কে রুপান্তর করার সহজ উপায় কি ?
    ইন্টারর্নাল সাটা হার্ডডিস্ক কে ইউ.এস.বি এক্সট্রার্নাল হার্ডডিস্কে রুপান্তর করা যায় কি না এবং কি ভাবে?

    বি.দ্রু. : দয়া করে উত্তরটি অভ্র বা ইউনিকোডের মাধ্যমে বাংলায় এম.এস.ওয়ার্ড ফাইলে লিখে তা ই-মেইলে
    যুক্ত করে পাঠান ।

  5. প্রেরক :
    মাহফুজ, মোহাম্মাদপুর, ঢাকা । ই-মেইল # mahfuz08@yahoo.com

    আমার কম্পিউটার আপগ্রেড করব। তাই ব্লগারদের কাছে কিছু প্রশ্নের উত্তর চাই। আমি কম্পিউটারটি ২৪/০৭/২০০৬ ইং তারিখে কিনেছি। বর্তমানে কোন ওয়ারেন্টি নেই । তাই উল্লেখিত সব গুলো বিষয় আপগ্রেড হবে কিনা দ্রুত জানতে চাই। আমার বাসায় কোন টেকি লোক নেই। দয়া করে উত্তরটি অভ্র বা ইউনিকোডের মাধ্যমে বাংলায় এম.এস.ওয়ার্ড ফাইলে লিখে তা ই-মেইলে যুক্ত করে পাঠান ।

    পিসি কনফিগারেশন হচ্ছে :

    প্রসেসর :
    ইন্টেল পেন্টিয়াম ৪ , সি পি ইউ : ২.৬৬ গিগাহার্টজ।

    মাদারবোর্ড :
    মডেল নেম # জিএ – ৮❙৯১৫ এমডি – জিভি
    ইন্টেল # ৯১৫ জিভি / আই.সি.এইচ. # ৬
    পি ৪ সকেট ৭৭৫ / মাইক্রো এ.টি.এক্স
    গিগাবাইট এল. জি. এ. ৭৭৫, ইন্টেল পেন্টিয়াম ৪ ।
    ইন্টেল বায়স # ইন্টেল ৯১৫ জিভি ফর ৮❙৯১৫ এমডি – জিভি এফ ২।

    অপারেটিং সিস্টেম :
    উইন্ডোজ এক্স-পি প্রফেশনাল।

    মনিটর :
    ১৭ ইঞ্চি সিআরটি মনিটর ।
    র্যা ম :
    ডিডিআর -২ র্যা ম # ১ গিগাবাইট ।

    নিচের বিষয় গুলো আপগ্রেড হবে। কিন্তু প্রসেসর এবং মাদারবোর্ড বদল করা হবে না।

    ১/ আমি ডিডিআর -২ র্যা ম ২ গিগাবাইট কিনব। মাদারবোর্ডে ২ গিগাবাইট পর্যন্ত ব্যবহার করা যায়
    এবং ২টি র্যাামের স্লট আছে ।
    আমি কি ডিডিআর -২ র্যা ম ২ গিগাবাইটের ১টা কিনব, নাকি ১ গিগাবাইটের ২টা কিনব ?
    যেহেতু ২টি র্যাামের স্লট আছে , তাই ২ টি নাকি ১ টি র্যাখম , কোনটি বেশী কর্যকর হবে ?
    র্যা ম কোনটি কিনবো , তা কি ভাবে নির্ধারণ করব ?
    কোন কোম্পানি ভালো এবং এর দাম কত ?

    ২/ আমি ১ অথবা ২ টেরাবাইট সাটা হার্ডডিস্ক কিনব।
    উপরের কনফিগারেশনে ১ অথবা ২ টেরাবাইট সাটা হার্ডডিস্ক ব্যবহার করা যাবে কিনা ?
    কোন কোম্পানি ভালো এবং এর দাম কত ?

    ৩/ উইন্ডোজ # ৭ উপরের আপগ্রেড কনফিগারেশনে চালানো সম্ভব কিনা ?
    ৩২ বিট এবং ৬৪ বিট – এর মধ্যে কোনটি উপরের আপগ্রেড কনফিগারেশনে চালানো সম্ভব ?
    উইন্ডোজ # ৭ – এর মধ্যে কি কি ভাগ আছে এবং কোনটি ভালো ?
    ১ বা ২ টেরাবাইট হার্ডডিস্কের পার্টিশন কি পরিমাণে ভাগ করা হবে ?
    আমি যদি অন্যান্ন সফ্টওয়ার প্রোগ্রাম ফাইলের ডিরেক্টরি এবং মাই ডকুমেন্ট সি এর পরিবর্তে ডি ড্রাইভে
    ইন্সটল করতে চাই তবে উইন্ডোজ # ৭ – এ প্রোগ্রাম ফাইলের পাথ (রুট ডিরেক্টরি) কি ভাবে পরিবর্তন
    করতে হয় ?
    বড় হার্ডডিস্কের ব্যবহারের ফলে উইন্ডোজ # ৭ বা এক্স-পিতে কোন সমস্যা হয় কিনা ?

    ৪/ সাটা ডিভিডি রাইটার কিনব ।
    সাটা ডিভিডি রাইটার পাওয়া যায় কিনা এবং কোথায় ?
    কোন কোম্পানি ভালো এবং এর দাম কত ?

    ৫/ গ্রাফিক্স কার্ড কিনব , যাতে ভারি গেম খেলা যায় ।
    আমার মাদারবোর্ড এবং উপরের আপগ্রেড কনফিগারেশনে কোন ধরনের এবং কত শক্তিশালী গ্রাফিক্স
    কার্ড কিনব ?
    কোন কোম্পানি ভালো এবং এর দাম কত ?

    ৬/ ইন্টারনাল ডায়াল-আপ মডেম কিনব, যাতে ইন্টারনেট, ফোন এবং ফ্যাক্স ব্যবহার করা যায় ।
    কোন কোম্পানি ভালো এবং এর দাম কত ?

    ৭/ ইন্টারনাল টিভি কার্ড কিনব ।
    ডিস লাইন ছাড়া ইন্টারনাল টিভি কার্ডের মধ্যমে কি ভাবে টিভি দেখা যায় ?
    কোন কোম্পানি ভালো এবং এর দাম কত ?

    ৮/ পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট কিনব , যাতে উপরের কনফিগারেশনে কোন ধরনের সমস্যা না হয় ।
    কত ওয়াট পিএসইউ কিনতে হবে ?
    কোন ডিভাইস কি পরিমাণ কারেন্ট টানবে ?
    অধিক পাওয়ারের পিএসইউ কিনলে আইপিএস এর ব্যাকআপ কমে যায় কিনা ?
    কোন কোম্পানি ভালো এবং এর দাম কত ?

    ৯/ আমি ট্রান্সসেন্ড জে এফ ৩০ পেন-ড্রাইভ ব্যাবহার করি, যা ৪ গিগাবাইট। এটা ৩/৪ বছর আগে কিনা
    হয়েছে, এটা উইন্ডোজ এক্স-পি সাপোর্ট করে।
    আমি এটা উইন্ডোজ # ৭ এর সাথে চালাতে পারব কিনা ?

    ১০/ আমার মাদারবোর্ডে কোন ধরণের এবং ক্ষমতা সম্পূর্ণ গ্রাফিক্স কার্ড বিল্টইন আছে , তা কি ভাবে বুঝব ?
    মাদারবোর্ডের কনফিগারেশন কি ভাবে লিখে পাঠাতে হয় ?

    ১১/ মাদারবোর্ডের ফিচারে দেখা যায় যে, চিপসেট , অনবোর্ড ল্যান, আইডিই কানেকশানস,অনবোর্ড সাটা –
    এ ( সাপোর্টেট অন দি উইন ২০০০ / এক্স-পি অপারেটিং সিস্টেমস ) লিখা আছে ।
    উইন্ডোজ # ৭ অপারেটিং সিস্টেম চালু করলে ব্রডব্যান্ড লাইন বা অন্য কোনো ইন্টারনেট লাইনে
    কোনো সমস্যা হবে কিনা ?
    চিপসেটের ক্ষেত্রে উইন্ডোজ # ৭ অপারেটিং সিস্টেম চালু করলে কি ধরনের সমস্যা হবে ?

    ১২/ উইন্ডোজ # ৭ এবং উইন্ডোজ এক্স-পি এর মধ্যে কোনটি কেন ব্যাবহার করা উচিত বা ভাল ?
    ৩২ বিট এবং ৬৪ বিট – এর মধ্যে কোনটি কেন সুবিধাজনক বা অসুবিধাজনক ?

    ১৩/ বর্তমান মাদারবোর্ডের পরিপ্রেক্ষিতে আমি যদি নতুন প্রসেসর কিনতে চাই, তবে ইন্টেলের কোন ধরনের
    এবং কি পরিমাণ শক্তিশালী প্রসেসর কিনা যাবে ?

    ১৪/ আমি কম্পিউটারটি ২৪/০৭/২০০৬ ইং তারিখে কিনেছি। বর্তমানে কোন ওয়ারেন্টি নেই।
    তাই উল্লেখিত সব গুলো বিষয় প্রসেসর এবং মাদারবোর্ড বদল না করে আপগ্রেড হবে কিনা ?

    ১৫/ ব্রাউজারে অভ্র কিবোর্ডে লিখতে গেলে যুক্ত অক্ষর হয় না ।
    যুক্ত অক্ষরের মাঝে ্‌ থাকে ।
    যেমন :
    শিক্ষা = শিক্‌ষা
    এর ফলে গুগল সার্চ ঠিক মত হয় না।
    এই সমস্যা থেকে মুক্তির উপায় কি ?

    ১৬/ ফায়ার ফক্স # ৪ – এর এড-অনস ইন্সটল করা যাচ্ছে না।
    কাজেই ব্যাকআপ এড-অনস পাওয়া গেলে তা ইন্সটল করা যেত।
    এটা কোথায় পওয়া যাবে ?

    ১৭/ আমার কম্পিউটারে ইন্টারর্নাল সাটা হার্ডডিস্ক আছে যা ৮০ গিগা. । আমি একে এক্সট্রার্নাল হার্ডডিস্কে
    রুপান্তর করতে চাই।
    ‌ইন্টারর্নাল সাটা হার্ডডিস্ক কে এক্সট্রার্নাল হার্ডডিস্কে রুপান্তর করার সহজ উপায় কি ?
    ইন্টারর্নাল সাটা হার্ডডিস্ক কে ইউ.এস.বি এক্সট্রার্নাল হার্ডডিস্কে রুপান্তর করা যায় কি না এবং কি ভাবে?

    ১৮/ আমার কম্পিউটারে ইসেট স্মার্ট সিকিউরিটি এন্টিভাইরাস আছে। আমার ইন্টারনেট কানেকসান আছে।

    বিভিন্ন পত্রিকায় দেখলাম ইন্টারনেট কানেকসান থাকলে এন্টিভাইরাসের পাশাপাশি ইন্টারনেট সিকিউরিটি
    এবং এন্টিম্যালওয়ার ইন্সটল থাকতে হবে।তার মানে উক্ত ৩ টি জিনিস কি একই সাথে ইন্সটল থাকতে হবে ?

    ইসেট স্মার্ট সিকিউরিটি এন্টিভাইরাসের পাশাপাশি আর কি কি সতর্কতা মূলক জিনিস ইন্সটল এক সাথে রাখা যাবে ?

    ফ্রি হিসাবে যে সব সতর্কতা মূলক জিনিস ইসেট স্মার্ট সিকিউরিটি এন্টিভাইরাসের পাশাপাশি একই সাথে
    রাখা যাবে সেগুলোর মধ্যে সব চেয়ে ভালো কোন গুলা ?

    যেমন নড ৩২ তেমন ভাল লিন্ক চেকারের নাম কি ?

    ভাল পি ডি এফ চেকার হিসেবে কি ব্যবহার করা যায় ?

    উপরের সব গুলা কি একই সাথে ব্যাবহার করা যায়, যেমন: ইসেট স্মার্ট সিকিউরিটি ও পান্ডা ভ্যাকসিন?

    ম্যালওয়ার কম্পিউটারে ঢুকে গেলে কি করে বুঝব এবং কি করব ?

    পেনড্রাইভে যদি অন্য কম্পিউটার থেকে আগে থেকেই ম্যালওয়ার autorun.inf ফাইল প্রবেশ করে তবে
    এবং তা ইতিমধ্যে আমার কম্পিউটারে ব্যবহার করা হয় তবে এখন কি করা যাবে ?

    ভাইরাস মুক্ত রাখার জন্য এডবি রিডারে স্ক্রিপ্টকে নিষ্ক্রিয় করার জন্য পিডিএফ এডিট অফসনে গিয়ে
    Enable menu items JavaScript execution privileges – টিক চিন্হ দিয়ে ওকে করতে হবে কিনা ?

    দয়া করে উল্লেখিত সব গুলো বিষয় প্রশ্নের
    উত্তর দিলে বাধিত হব ।

    বি.দ্রু. : দয়া করে উত্তরটি অভ্র বা ইউনিকোডের মাধ্যমে বাংলায় এম.এস.ওয়ার্ড ফাইলে লিখে তা ই-মেইলে
    যুক্ত করে পাঠান ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.