মাঝ আকাশে বিমান যদি ভেঙে পড়ে,এই ভয়েই যারা কোন দিন বিমানে চড়বেন না বলে মনস্থ করে রেখেছেন, তারা শুনলে নিশ্চিত বুকে বল পাবেন। ভাঙবেন বিমানে না-ওঠার পণও। আর যাদের কোন উপায় নেই,চাকরি বা ব্যবসার খাতিরে ৩৬৫ দিনের মধ্যে অন্তত ২০০ দিনই বিমানে উঠতে হয়,তারা তো স্বস্তি পাবেনই।দুশ্চিন্তামুক্ত হবেন তাদের পরিবারও।

কারণ ইউক্রেনের ইঞ্জিনিয়াররা দাবি করেছেন,ভবিষ্যতে প্লেন ক্র্যাশ করলেও সেই বিমানের যাত্রীরা সুরক্ষিত থাকবেন। সেই প্রযুক্তি তারা ইতিমধ্যেই বানিয়ে ফেলেছেন। খবর এই সময়ের।

কীভাবে বাঁচবেন যাত্রীরা? এই ইঞ্জিনিয়াররা জানাচ্ছেন, মাঝ আকাশে যান্ত্রিক ত্রুটি হলে বা অন্য কোন কারণে বিমান ভেঙে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হলে,তৎক্ষণাৎ যাত্রীদের কেবিনটি প্লেনের ইঞ্জিনসহ মূল কাঠামো থেকে আলাদা হয়ে যাবে। খুলে যাবে প্যারাশ্যুট। কেবিনটি শুকনো ডাঙায় হলে একরকম ভাবে ল্যান্ড করবে,আবার পানিতে গিয়ে পড়লে যাতে ডুবে না যায়,সেই মতো ব্যবস্থাও থাকছে। তারপর,ধীরে সুস্থে যাত্রীরা বিমানের ওই কেবিন থেকে বেরিয়ে আসতে পারবেন। দুর্ঘটনার কোন আঁচ লাগবে না যাত্রীদের।

জানা গেছে,পরিকল্পনা মতো দ্রুত কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। প্রাথমিক পরীক্ষায় তারা সফলও হয়েছেন। আরও ভাঙাগড়া করে খুব শিগগিরই চলে আসছে ইউক্রেনীয় এই বিমান।

 

comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.