সমুদ্রে কোন প্রাণীর উপস্থিতি বা অবস্থান নির্ধারণ করার জন্য ব্যবহার করা হয় সোনার (SONAR) প্রযুক্তি। এবার এই প্রযুক্তি ব্যবহার করেই তৈরি করা হল স্মার্টফোন এবং স্মার্ট ঘড়ি। এদের বিশেষত্ব হচ্ছে বাতাসে কোন নড়াচড়া এরা টের পাবে এবং আপনি যদি এদের সামনে বাতাসে কিছু লেখার চেষ্টা করেন তবে এরা তা ধরতে পারবে।খুব শীঘ্রই এই যন্ত্রটি বাজারে একটি নুড়ি পাথর বা তার চাইতেও ছোট আকারে আসছে।

গ্যারি স্টেইনগার্ডের একটি সাইন্স ফিকশন গল্প “সুপার স্যাড ট্রু লাভ স্টোরি” অবলম্বনে বিজ্ঞানীরা এমন একটি প্রযুক্তি বানাতে চাইছেন, যার সাহায্যে আপনি পর্দাতেই লিখতে পারবেন আপনার মনের সব কথা। যতই দিন যাচ্ছে মানুষের জীবন হচ্ছে আরো সহজ। কিন্তু ফোন কিংবা ঘড়ির পর্দায় লেখার ধারণাটি কিন্তু নতুন নয়।
তবে দিন দিন পর্দার আকৃতি ছোট হয়ে যাবার কারণে বিজ্ঞানীরা এবার চিন্তা করেছেন মানুষের কষ্ট লাঘব করার জন্য এমন একটি প্রযুক্তি ব্যবহার করবেন যার ফলে পর্দাতে আপনাকে কিছু লিখতে হবে না, আপনিই তা ফুটে উঠবে পর্দাতে। বাতাসে কিছু একটা লিখলেই তার অবস্থান ও নড়াচড়া টের পেয়ে লেখাটি ভেসে উঠবে।
এই প্রযুক্তি, যার নাম দেয়া হয়েছে FingerIO, এটি আপনার আঙুলের নড়াচড়া ও কোন দিকে তা যাচ্ছে তা বুঝতে সমর্থ ও এটিকে খুব ভালো একটি পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এই কাজটি করা যাবে আপনার ডিভাইসে সোনার পদ্ধতিটি এক্টিভেশনের মাধ্যমে মাইক্রোফোন ও স্পিকারের সাহায্যে সংযুক্ত করে।

comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.