অবাক হবার কিছু নেই এবারে সত্যি সত্যি বাজারে আসছে ৩ চাকার বাই সাইকেল। তবে মজার ব্যাপার হলো এই যে বাচ্চাদের ট্রাই-সাইকেলের মতো এটিতেও রয়েছে তিনটি চাকা। তবে দুটি চাকাই সামনে। সাইকেলটির চাকা গুলা ভীষণ মোটা এবং চাকাগুলো স্বাভাবিক সাইকেলের চাকার তুলনায় ৫০ শতাংশ বেশি জায়গা দখল করে থাকে। যার ফলে অনেকটা হাওয়াই ভেসে থাকার মতোই এ সাইকেল টি পাথুরে জমি এবং বালুর ওপর আরামছে চলতে পারে।

সাইকেলটির উৎপাদনকারি প্রতিষ্ঠান হচ্ছে “রাঙ্গু” এবং সাইকেলের মডেলের নাম রাখা হয়েছে ‘বুলফ্রগ ট্রায়িক’। সাইকেলের আরেকটি প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে,  এটি বালুর ওপর দিয়ে একেবারে সার্ফিং বোর্ডর মতো চালাতে পারবে। বরফের ওপর দিয়ে মালপত্র টেনে নিতেও এটি ব্যবহার করা যাবে। এখানেই শেষ না নির্মাতাদের দাবি করেছে যে, এটি অনায়াসে দু-চারটা সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠতে পারবে। এবং চলার পথে ছড়ানো ছয় ইঞ্চি পর্যন্ত পাথর টপকাতে পারবে। এককথাই ভাঙ্গাচোরা উঁচুনিচু রাস্তাই চলার জন্য এটি বেস্ট একটি সাইকেল।

তিন চাকার বাইসাইকেল

বর্তমানে বাজারে জাগারনাট ও কিলিমাঞ্জারো নামে ভিন্ন ধাঁচের এ সাইকেলের দুটি মডেল বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। ২৬ ইঞ্চি ব্যাসের ও সাড়ে চার ইঞ্চি পুরু জাগারনাট বালু ও বরফের ওপর চলাচলের উপযোগী করে তৈরি করা হয়েছে। অন্যদিকে, কিলিমাঞ্জারোর সামনের চাকার ব্যাস ২৯ ইঞ্চি ও পুরুত্ব আড়াই ইঞ্চি। বেশ বোঝা যাচ্ছে, ধূলি-ধূসরিত শক্ত পথে চলার কথা মাথায় রেখেই এটি তৈরি। আবহাওয়া ও তাপমাত্রা বিবেচনায় পেছনের চাকাটিতে হাইড্রোলিক ব্রেক রাখা হয়েছে। যেহুতু এই বাইসাইকেলের সমানে ২টি চাকা ব্যাবহার করা হয়েছে তাই এর ব্রেক করার ক্ষমতা স্বাভাবিকের চেয়ে দ্বিগুণ করা হয়েছে ২টি চাকাতে ২টা ব্রেক ব্যাবহার করার মাধ্যমে।

এটি সম্বন্ধে আরও জানতে দেখতে পারেন এই লিংকে

comments

2 কমেন্টস

  1. এরকম একটা আমার দরকার।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.