কথাটা সুনতে পুরনো মনে হচ্ছে সবার ঠিক না? হ্যাঁ কথাটি সত্যি পুরনো কিন্তু আবারো নতুন করে বলতে হচ্ছে। আর তার কারন হলো, এর আগে গুগল যে চালক বিহীন গাড়ি আবিস্কার করেছিল সেটিতে চালকের বসার মতো জাইগা বা চালকের নিদিষ্ট আসন ছিল এবং প্রয়োজনে সে সেখানে বসে গাড়ির নিয়ন্ত্রন নিজের হাতে নিতে পারতো। গতবার যে গাড়িটিতে এই পরীক্ষা চালানো হয়েছিলো সেটি ছিল টয়োটা কোম্পানির একটি সেলুন মডেলের কার। কিন্তু এবারের গাড়িটিতে আর সেটি হচ্ছে না। কারন গুগল এবার যে গাড়িটি নিয়ে গবেষণা চালাচ্ছে সেটিতে ড্রাইভারের বসবার কোন জায়গা নেই, নেই কোনো স্টিয়ারিং হুইল, অ্যাকসেলারেশন প্যাডল কিংবা ব্রেক! নিজে নিজেই গাড়িটি চলতে পারে, থামতে পারে এবং শুধুমাত্র ২ জন যাত্রী বসবার ব্যাবস্থা করা হয়েছে।

google-self-car

ঠিক এমনটাই ঘোষণা দিয়েছে তারা। গাড়িটি সম্পূর্ণ তার নিজের বুদ্ধিতে চলতে সক্ষম। যেমন ধুরুন আপনি নিউওয়ার্ক থেকে বোস্টনে যাবেন তখন আপনাকে জাস্ট গাড়িটির ম্যাপে লোকেশন সেট করে দিতে হবে তারপর গাড়িটি নিজে নিজেই আপনাকে সেখানে নিয়ে যাবে। এই প্রকল্পটির পরিচালক ক্রিস উর্মসন বলেন, এটা আমাদের জন্য অনেক বড় একটি উদ্যোগ আর সবে মাত্র আমরা শুরু করেছি,আগামীতে প্রকল্পটি নিয়ে আরও সামনে আগাতে চাই। গাড়িটি চালনা করা হবে বিশেষ একটি সফটওয়্যারের মাধ্যমে যেটি এর আগের গাড়িতে ব্যাবহার করা হয়েছিলো। আর গতবারের নেভিগেশন সফটওয়্যারের মাধ্যমে চালিত গুগলের পরীক্ষামূলক গাড়িগুলো ইতিমধ্যে ৭০ হাজার মাইল রাস্তা পাড়ি দিয়েছে।

google-self-car

এ ছাড়া তারা চেষ্টা করে যাচ্ছে গাড়িগুলো যেন প্রয়োজনে সফটওয়্যারের মাধ্যমে পার্কিং এলাকাও খুজে বের করতে পারে এবং নিজে নিজে সেখানে গাড়ি পার্ক করতে পারে। গুগলের এবারের উদ্ভাবনের মুল উদ্দেশ্য হচ্ছে যারা বৃদ্ধা বা বয়স্ক মানুষ ঠিক মতো চলাফেরা করতে পারেনা তাদের নিরাপদে বাড়িতে পউছে দেয়া। পোস্টে দেয়া ভিডিও টি দেখলে আপনি আরও বিস্তারিত জানতে পারবেন। এখন দেখার বিষয় কবে নাগাত গাড়িটি বাজারে ছাড়া হয় বা আদৌ এটি আনুমোদন পাই কিনা।

comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.