বিজ্ঞানীরা এমন একটি নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছেন, যার সাহায্যে বন্ধ থাকা বইয়ের ভেতরের পাতায় কী লেখা রয়েছে তা সহজে পড়ে নেওয়া যাবে। এর ফলে পুরোনো অনেক ঐতিহাসিক তথ্য সংবলিত বইয়ের মধ্যে কী রহস্য লুকিয়ে রয়েছে, তা জানা সম্ভব হবে বলে মনে করা হচ্ছে। প্রত্নতাত্ত্বিকদের জন্য এই প্রযুক্তি বেশ উপকারী হতে পারে, কারণ এন্টিক বইগুলো স্পর্শ না করেই ভেতরে কী লেখা রয়েছে তা জানা যাবে।

 

ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির গবেষক দল পরীক্ষামূলকভাবে প্রস্তুতকৃত নতুন সিস্টেমটি নিয়ে গবেষণাটি চালান। পরীক্ষায় কাগজের ডাই করা ছিল। প্রতিটি কাগজে একটি করে ইংরেজি অক্ষর ছাপা ছিল। নতুন প্রযুক্তির সাহায্যে প্রতিটি অক্ষর চিনে নেওয়া গেছে বলে গবেষকরা দাবি করেছেন।

 

এই ঘটনা জানার পরই নিউ ইয়র্কের মেট্রোপলিটন মিউজিয়াম এই বিষয়ে রীতিমতো গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেছে। কারণ তারা চায়, বিভিন্ন প্রাচীন বই, যেগুলোকে স্পর্শের বাইরে রাখা হয়েছে সেগুলো যদি না খুলেই পড়ে নেওয়া যায় তাহলে তা এক অভিনব ব্যাপার হতে পারে।

 

এমআইটি-র সঙ্গে মিলে জর্জিয়া ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির গবেষকরা এমন অ্যালগারিদম উদ্ভাবন করেছেন যা আলাদা আলাদা পাতা থেকে বেছে নিয়ে লেখনী উদ্ধার করতে পারবে। এমনকি ভেঙে যাওয়া অক্ষর বা ছেঁড়া পাতা থেকেও অক্ষর চিনে তা জানিয়ে দেবে এই প্রযুক্তির সাহায্যে।

 

এই সিস্টেমে টেরাহার্জ রেডিয়েশন ব্যবহৃত হয়েছে, যা মাইক্রোওয়েব এবং ইনফ্রারেড আলোর মধ্যেকার ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক রেডিয়েশন। এক্সরে, শব্দ তরঙ্গসহ অন্যান্য তরঙ্গ থেকে এই রেডিয়েশন অনেক বেশি উন্নত।

comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.