কত দিন পরে বন্ধুদের সঙ্গে দেখা হল, মোবাইলে যেই সুন্দর মুহূর্তটা ধরে রাখতে যাবেন, তখনই স্ক্রিনে বড় বড় নোটিফিকেশন ফুটে উঠল ‘নো এনাফ মেমরি’।বোঝেন ঠেলা?এখন কোন‌টা ছেড়ে কোন ছবিটা ডিলিট করবেন বলুন তো? আর কত বারই বা মেমোরি কার্ড বদলাবেন? জানেন কি, মেমোরি কার্ড না বদলেও কিছু টিপস‌ মেনে চললেই ফোন মেমোরির অনেকটা আগলে রাখা যায়। কী সেগুলো দেখে নিন:

১।ক্যামেরার রেজল্যুশন: ফোনের মেমরির সর্বাধিক দখল করে থাকে ছবি এবং ভিডিও। ছবি এবং ভিডিওর সংখ্যা যদি একান্তই কমাতে না পারেন, তা হলে ফোনের রেজল্যুশন কমিয়ে-বাড়িয়ে মেমোরি স্পেস নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেন।

২।হোয়াটসঅ্যাপে অটো-ডাউনলোড: প্রতিদিন হোয়াটসঅ্যাপে সকলেরই একাধিক ভিডিও বা যে কোন রকমের মিডিয়া ফাইল ঢুকে থাকে। যা অটো-ডাউনলোড হয়ে থাকে। আপনাকে হোয়াটসঅ্যাপে কে কী পাঠাচ্ছেন তার নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। তাই হোয়াটসঅ্যাপ ফোন সেটিংসে গিয়ে ‘মিডিয়া অটো-ডাউনলোড’ অপশনটা নিষ্ক্রিয় করে দিন।

৩।ম্যাজিক ক্লিনার অ্যাপ: অটো-ডাউনলোড অপশন নিষ্ক্রিয় করতে না চাইলে মেমোরি স্পেস বাড়ানোর আরও একটা উপায় রয়েছে। আর তা হলো ম্যাজিক ক্লিনার অ্যাপ। এটা অযাচিত হোয়াটসঅ্যাপ ফটো এবং ভিডিও বাছাই করে তা ফোন থেকে সহজেই মুছে ফেলতে সাহায্য করে।

৪।ব্যাকআপ: অ্যানড্রয়েড ফোন ব্যবহারকারীরা তাদের সমস্ত ফটো, ভিডিও গুগল লাইব্রেরিতে জমা করতে পারেন। একই ভাবে, অ্যাপল ব্যবহারকারীরা এই সমস্ত কিছু আইক্লাউড অ্যাপ্লিকেশনে জমা করতে পারেন। এর ফলে মোবাইল ফোনের মেমোরি স্পেস অনেকটাই বাড়বে।

৫।ইমেল সিনক্রোনাইজ: মোবাইল ফোনের ইমেল অপশনে গিয়ে প্রয়োজন মতো সিনক্রোনাইজ-র দিন বাড়িয়ে বা কমিয়ে নিন।

৬।অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ মুছে ফেলুন: এমন অনেক অ্যাপ্লিকেশন এবং গেম আমাদের ফোনে থেকে যায় যেগুলো এখন আর কাজেই লাগে না। কিন্তু মোবাইলের অনেকটা মেমোরি স্পেস দখল করে থাকে তারা। যত দ্রুত সম্ভব এই অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ ফোন থেকে সরিয়ে ফেলুন।

comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.