আউট সোর্সিং কথাটা কয়েক বছর আগে বেশ জোড়ালোভাবে উচ্চারিত হয়েছিল। খুব কম সংখ্যক আইটি প্রতিষ্ঠানই আছে যারা আউটসোর্সে তাদের কাজগুলো করায় না। অন্যান্য কাজের মতো না হওয়ায় তথ্য প্রযুক্তির কাজগুলো বিভিন্ন স্তর থেকে করানো সম্ভব। যোগ্য লোকের অভাব ও কাজের চাপ বেশি হওয়ার কারনে অনেকক্ষেত্রে বেশ কিছু কাজ নিজেদের দ্বারা করা সম্ভব হয় না। আবার বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানের কাজই হলো -কাজ সংগ্রহ করা ও বিতরণ করা। আজ মূলতঃ আউটসোর্সে কাজগুলো কিভাবে করাতে হয় তার বেপারে আলোচনা করবো।

31-01_virtual_assistants_ld_img

১. একাধিক সার্ভিস গ্রহণ করা

কাজ করাতে গেলে একটি সার্ভিস গ্রহণ না করে একাধিক সার্ভিস গ্রহণ করে কাজ ভাগ করে দেওয়াটাই সুবিধাজনক। একজন কাজটি করতে না পরলে অন্যের দ্বারা কাজটি করিয়ে নেওয়া যাবে। এটা অনেকটা ব্যাকআপ হিসেবে কাজ করবে।

২. ধীরে ধীরে কাজের পরিধী বৃদ্ধি করা

প্রত্যেক সার্ভিস প্রভাইডারই এক জায়গায় বসে থাকতে নারাজ। প্রত্যেকেই নিজের উন্নতি চায়। দক্ষতার ভিত্তিতে দিন দিন কাজের টারগেট বাড়িয়ে দিতে পারেন।সময় হলে আউটসোর্স থেকে ভাল কাউকে সরিয়ে এনে মাসিক হিসেবে নিয়োগ দিতে পারেন।

৩. গুরুত্ব ও যোগ্যতা অনুসারে কাজ ভাগ করা

গুরুত্বপূর্ণ কাজের তালিকাটা করে তা যোগ্যতা অনুসারে ভাগ করা উচিৎ। প্রয়োজনে সময় বেধে দিয়ে কাজটি করিয়ে নিতে হবে। কাজের মাঝে মাঝে কাজের অবস্থা সম্পর্কে যোগাযোগ করে জেনে নিতে পারেন।

৪. কাজটির বিস্তারিত বিবরণ দেওয়া প্রয়োজনে প্রশিক্ষণ দেওয়া

অধিকাংশ সময় অনেকে কাজটি সম্পর্কে বুঝতে পারে না। তাই কাজটির বিস্তারিত বিবরণ লিখে দিতে পারেন। অনেক সময় কিছু কিছু বেপারে নিজেকে প্রশিক্ষক হিসেবে কাজ করতে হতে পারে। অনেক নতুন নতুন কাজ আছে যা আমাদের দেশের লোকজন পরিচিত নয়। সেই সব বেপারে প্রশিক্ষণ আবশ্যক।

৫. ধর্য্য ধারণ

কাজের বেপারে আতিমত্রায় ফলোআপ বিরক্তের কারণ হতে পারে। কোন একটি প্রভাইডার কাজটি শুদ্ধভাবে না করে দিলে ধর্য্য ধারণ করা উচিৎ। অনেকেই কাজটি পারবে কি না তা না জেনে কাজটি হাতে নিয়ে ঝামেলা সৃষ্টি করে। এই সব দিক আগে থেকে বিবেচনা করা উচিৎ।

৬. প্রফেশনাল হওয়া

কাজের ক্ষেত্রে নিজেকে একটু আলাদা হতে হয়। যে কোন বেপারে হুট করে সিদ্ধান্ত না নিয়ে নিজের লাভ ক্ষতি প্রথমে ভেবে দেখতে হবে। ভাল সম্পর্ক বা অন্য কোন কারনে কাজের যাতে ক্ষতি না হয় সে দিকটা বিবেচনায় আনতে হবে। নিজেকে প্রফেশনাল ব্যক্তি হিসেবে গড়ে তোলার উপর বিস্তারিত জেনে নিতে পারেন।

সবাইকে ধন্যবাদ।

comments

5 কমেন্টস

  1. আউটসোর্সে কাজগুলো কিভাবে করাতে হয় তার বেপারে তার ব্যাপারে আজ অনেক কিছু জানলাম। ধন্যবাদ টিউটো ভাই।

    • Bux.to দিয়ে খুব সহজেই ইন্টারনেট থেকে টাকা আয় করুন।

      ইন্টারনেট থেকে আয়ে করার অনেক PTC (paid to click) সাইট আছে, কিন্তু এর বেশির ভাগ সাইট কোন টাকা পরিশোধ করে না। আজকে আমি এইটি PTC নিয়ে বিস্তারিতভাবেবলবো যারা টাকা পরিশোধ করে
      PTC তে কাজ করার পূর্বে আপনাকে Alertpay/ Paypal – তে একাউন্ট খুলতে । শুধু
      Alertpay একাউন্ট-ই বাংলাদেশে এখনো সাপোর্ট । তাই আপনাকে Alertpay তে একটি একাউন্ট
      খুলতে হবে। Alertpay তে চেকের মাধ্যমে টাকা তোলার সিস্টেম রয়েছে। তাই এখানে টাকা
      তুলতে কোন ঝামেলা হয় না বললেই চলে। এবারে আসুন কিভাবে আপনি একাউন্ট খুলবেন।

      Alertpay তে একাউন্ট খোলার জন্য ক্লিক করুন।
      একাউন্ট খোলার পরে মোবাইল নাম্বার ভেরিফাই করতে হবে। মোবাইল ভেরিফাই শেষ হ লে
      আপনার একাউন্ট রেডি হয়ে যাবে।

      আমি যে PTC সাইত নিয়ে বলব সেতি হলো Bux.to, সাইটটি অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য একটি সাইট।
      তাদের ফোরামে অনেক বাংলাদেশী সদস্য খুজেঁ পাওয়া গেছে যারা এ সাইট থেকে টাকা উপার্জন
      করেছে। আমি এই সাইটের একজন নিয়মিত সদস্য। প্রতিদিন আপনি ২৫-৩০ টি এড’স দেখার সুযোগ
      পাবেন । প্রতেক এড আপনি দেখবেন মাত্র ৩০ সেকেন্ড, প্রতি এড জন্য আপনি পাবেন ১
      সেন্ট । সময়তো কতভাবেই নষ্ট হচ্ছে একবার না হয় একটা রিক্স নিয়েই দেখলেন।

      এই সাইটে কাজ করতে গেলে প্রতিটি এডের সাথে ৩০ সেকেন্ড এর একটি ঘড়ি দেখতে পাবেন। ৩০
      সেকেন্ড শেষ হয়ে Done লেখাটি উঠে একটি টিক চিহ্ন আসলেই বুঝবেন আপনার কাজ শেষ।
      অবশ্যই এক আইপি এবং একটি কম্পিউটারে ১ টির বেশি একাউন্ট করতে পারবেন না। নিয়ম-এর বাইরে
      কিছু করলে আপনার লগ ইন এড্রেসটি বাতিল করে দেবে।
      রেজিষ্ট্রেশন করার সাথে সাথে আপনি পাবেন একটি রেফারেল আইডি। এই আইডি দ্বারা আপনি
      আরও অনেক-কে রেফার করতে পারবেন। তাদের প্রত্যেকের আয়ের সমান পরিমান অর্থ জমা হবে
      আপনার একাউন্টে। আপনি সমান পরিমান অর্থ পাবেন যখন তারা কাজ করবে।
      তাই আর দেরি না করে সাইন আপ করুন ।
      ধরুন, আপনার একটি একাউন্ট আছে সেখানে আপনি প্রতিদিন আয় করেন মাত্র ১০ সেন্ট আর
      আপনার রেফারেল করেছেন ৫০ জনকে। এখন তারা প্রতেকে যদি মাত্র ১০ টি করে এডস ক্লিক করে,
      তাহলে যে তারা পাবে ১০ সেন্ট করে এবং আপনি পাবেন মোট ১০+(৫০*১০)=৫.১ ডলার প্রতিদিন।
      অর্থাৎ বাংলাদেশের হিসেবে ৩৫০ টাকা তাও আবার মাত্র ১৫ মিনিট সময় ব্যয় করে। এবার
      সিদ্ধান্ত নিন করবেন কি করবেন না।
      http://Bux.to তে একাউন্ট খোলার প্রক্রিয়া:
      ১. সাইটটিতে প্রবেশ করুন এরপর register লেখা বাটনটিতে ক্লিক করুন।
      ২. এরপর ফরমটি পূরন করুন।

      Selectas your Country, Bangladesh না থাকলে indea িদন কোন problem নাই, কারন টাকা আশবে Alertpayতে।
      মনে রাখবেন: Alertpay লেখা ঘরে Alertpay তে ব্যবহৃত ইমেইল এড্রেস, referrer ঘরে nishatbogra লিখুন এবং I agree লেখা চেক বক্সটি ক্লিক করুন।
      এরপর register বাটনে ক্লিক করুন।
      কিভাবে কাজ করবেন:
      ১. লগ ইন বাটনে ক্লিক করে তৈরিকৃত একাউন্টটি দ্বারা লগইন করুন।
      ২. ইউজার নেইম, পাসওয়ার্ড এবং ক্যাপচা দিয়ে ঘরটি পূরন করে লগইন করুন।

      ৩. লগইন হয়ে গেলে যে পেইজটি আসবে সেখান থেকে Surf ads বাটনে ক্লিক করুন।
      ৪. এই পেইজে যে লিঙ্কগুলো দেখতে পাচ্ছেন মূলত সেগুলোই হচ্ছে এডস। এরপর যেকোন
      এড’স ক্লিক করুন। দেখবেন কিছু সময় পরে এড’দ পেইজে ৩০ সেকেন্ডের একটি ঘড়ি চলছে। ৩০
      সেকেন্ড পরে ঘড়িটি বন্ধ হয়ে Done এবং পাশে একটি টিক চিহ্ন উঠবে। এখন আপনি পেইজটি
      Close করে একইভাবে এই পেইজের সকল এড’স দেখুন।

      ৫. সকল এড’স দেখা শেষে আপনার মোট এমাউন্ট অর্থাৎ কত সেন্ট বা ডলার হল সেটি দেখে
      নিন My Stats লিঙ্কটিতে ক্লিক করে।
      ৬. সবশেষে logout করে বেরিয়ে আসুন।
      http://www.bangladeshgirlwallpaper.blogspot.com/

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.