বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং

আজকের এই আধুনিক যুগে স্টিফেন হকিংএর নাম আমরা কে না জানি? কসমোলজি কিংবা তত্ত্বীয় পদার্থবিদ্যার ক্ষেত্রে স্টিফেন হকিং একজন পুরোধা। তার আলোচিত ব্রিফ হিস্টোরি অফ টাইম বা কালের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস বইটি বিজ্ঞানমনস্কদের কাছে খুবই জনপ্রিয় একটি বই। আজ সে স্টিফেন হকিংকে নিয়েই আমাদের এই আলোচনাঃ

১) স্টিফেন হকিং এর মেধা বা তার কৃতিত্ব নিয়ে আমাদের সন্দেহ জানাবার কোনই অবকাশ নেই। তবে যদি তার স্কুলজীবনের ফলাফলের কথা শুনি, তাহলে আমাদের একটু নড়েচড়ে বসতে হবে। কারণ, স্কুল জীবনে স্টিফেন হকিং কখনোই ভালো ছাত্র ছিলেন না। তার বয়স যখন নয় বছর ছিল, পরীক্ষার ফলাফল ছিল গড়পড়তা ফলাফলের চাইতেও অনেক খারাপ।

২) ছোটবেলা থেকেই হকিং এর জীববিদ্যার ওপর এক ধরণের বিতৃষ্ণা ছিল। তার বাবা চেয়েছিলেন তিনি যেন চিকিৎসা বিদ্যা নিয়ে পড়াশোনা করেন। কিন্তু হকিং তার বাবার মতের বিরুদ্ধে থাকেন। তিনি বলেন, তিনি এমন কোন বিষয় নিয়ে পড়তে চান যেখানে তিনি মজা পান এবং যাতে তিনি তত্ত্বীয় সব ঘটনার সম্মিলন ঘটাতে পারেন।

৩) স্টিফেন হকিং এর আত্মজীবনী যিনি লিখেছেন, ক্রিস্টিন লারসেন, তিনি বলেন যে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বছর থেকেই হকিং এক ধরণের একাকীত্বে ভুগতেন। এই একাকীত্ব ঘোচানোর জন্য তিনি নৌকাবাইচ দলে যোগদান করেন।

৪) ১৯৮৩ সালে স্টিফেন হকিং তার এক তত্ত্বে বলেন যে, পৃথিবীর কোন সীমা নেই।

৫) ২০০৪ সালে হকিং তার একটি তত্ত্বের ভুল স্বীকার করেন এবং তিনি বলেন যে ১৯৯৭ সালে ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণগহ্বর নিয়ে তিনি যে মডেলটি দিয়েছিলেন, সেটি ভুল ছিল।

৬) স্টিফেন হকিং ছোটদের জন্যও গল্পের একটি বই লিখেছেন। এটির নাম হচ্ছে George’s secret key to the universe.

সূত্রঃ science.howstuffworks.com

comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.