ল্যাপটপ, ট্যাব, স্মার্টফোন আমাদের নিত্য প্রয়োজনীয় কিছু জিনিস, যা ছাড়া আমাদের সব কাজই যেনো আটকে যায়। তাই এদের নিতে হয় সঠিক যত্ন। ঠিকমতো পরিষ্কার না রাখলে এসব ডিভাইসের কর্মদক্ষতা কমে যেতে পারে।

আবার ভুল উপায়ে পরিষ্কারের চেষ্টা করলে হতে পারে হিতে বিপরীত। অথচ বেশি ব্যবহার হয় বলে এগুলোই নোংরা হয় সবচেয়ে বেশি।

208_giant পরিষ্কার রাখুন আপনার ল্যাপটপ-স্মার্টফোন!

তাই আসুন জেনে নেই আমাদের এই দরকারি গ্যাজেটগুলো পরিষ্কার করার কিছু সহজ উপায়:

# কটন বাড ও টুথপিক ব্লোওয়ার কিংবা ব্রাশও পৌঁছাতে পারে না এমন ছোট ছোট ফুটো বা পোর্টগুলোতে কটন বাড (মাথায় তুলো লাগানো কাঠি) অথবা টুথপিকের মাথায় তুলো বা টিস্যু পেপার পেঁচিয়ে সেসব ফুটো এবং পোর্টের ভেতর ঢুকিয়ে জমে থাকা ধুলো-ময়লা সাফ করতে পারেন সহজেই।

ইউএসবি বা মাইক্রো ইউএসবি পোর্টসহ ইন্টারনেট পোর্টের মতো জায়গাগুলো, যেখানে ময়লা জমে থাকার কারণে আপনার পেনড্রাইভ, চার্জার বা ইন্টারনেট সংযোগ ঠিকমতো কন্টাক্ট পায় না, অথবা হেডফোনের পোর্টে ধুলো জমে থাকায় হেডফোনে খরখরে শব্দ হয়, সেসব অংশে এ পদ্ধতি বেশ কার্যকর।

চাইলে জমে শক্ত হয়ে যাওয়া ময়লার জন্য কটন বাড বা টুথপিকের টিস্যুর ডগায় অল্প একটু আইসোপ্রোপাইল অ্যালকোহল লাগিয়ে নিতে পারেন। এতে নরম হয়ে ময়লা একেবারে উঠে যাবে।

# ব্রাশ বা পুরোনো টুথব্রাশ যন্ত্রপাতির ছোট ছোট জায়গা, যেখানে মোছার কাপড় ঢুকিয়ে পরিষ্কার করা যায় না, সেখানে কাজে লাগে ব্রাশ। ল্যাপটপের কিবোর্ডের ফাঁকফোকরে বিশেষভাবে তৈরি নরম চুলের ব্রাশগুলো বেশ সহজেই ঢুকে ধুলোবালি পরিষ্কার করতে পারে।

এজন্য যে নতুন ব্রাশই কিনতে হবে এমন কোনো কথা নেই। পুরোনো মেকআপ ব্রাশও এ কাজে ব্যবহার করতে পারেন। চাইলে পুরোনো নরম হয়ে যাওয়া টুথব্রাশও ল্যাপটপ, ফোন বা ট্যাব পরিষ্কারে কাজে লাগাতে পারেন।

তবে এক্ষেত্রে পুরোনো টুথব্রাশই ব্যবহার করবেন, নতুন টুথব্রাশের ব্রিসল তুলনামূলক শক্ত ও ধারালো হয়, যা আপনার শখের দামি সরঞ্জামে আঁচড় ফেলে দিতে পারে।

ব্রাশ দিয়ে ধুলো ঝেড়ে তা সাথে সাথে নরম সুতি কাপড় দিয়ে মুছে ফেলুন যেনো আবার ফাঁকে গিয়ে ঢুকতে না পারে।

comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.