নানা ধরনের কাজে বর্তমানে মুক্ত সফটওয়্যার বেশ জনপ্রিয়। মুক্ত সফটওয়্যার ব্যবহার যেমন সহজ তেমনি সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও বেড়েছে এর ব্যবহার। বিভিন্ন সুবিধার মুক্ত সফটওয়্যার নিজের ভাষায়ও ব্যবহার করা যায়। নানা কাজের এ ধরনের মুক্ত সফটওয়্যারের বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরা হয়েছে এ বইতে। শুধুমাত্র নির্দিষ্ট মুক্ত অপারেটিং সিস্টেমগুলোর জন্য নয় সফটওয়্যারগুলো প্রায় সব ধরনের অপারেটিং সিস্টেমেই ব্যবহার করা যাবে। আর সেসব সফটওয়্যারের সুবিধা, ব্যবহার, বৈশিষ্টের বিষয়গুলো বইতে দেয়ার চেষ্টা করেছি। এসব সফটওয়্যার ব্যবহারের ক্ষেত্রে একটি সুবিধা হচ্ছে, সফটওয়্যারগুলো ব্যবহারের সবগুলো ব্যবহার করতেই হবে এমন নয়। ইচ্ছে করলে নির্দিষ্ট যে কোন একটি সফটওয়্যারও আলাদা ব্যবহার করা যাবে। বইটি লেখার ক্ষেত্রে মূল সহযোগিতা নেয়া হয়েছে ইন্টারনেট থেকে।
বিশেষ কৃতজ্ঞতা নুসরাত জাহান’র প্রতি। তাঁর আন্তরিক সহযোগিতা, অনুপ্রেরণা বইটি লেখার ক্ষেত্রে বিশেষ সহযোগিতা করেছে। কৃতজ্ঞতা মুনির হাসানে’র প্রতি যার সাথে কাজ করার মাধ্যমে মুক্ত সফটওয়্যার সম্পর্কে জানার সুযোগ হয়েছে। এছাড়াও বিশেষ কৃতজ্ঞতা আইয়ুব সরকার, কাজী সালাহউদ্দিন আহমদ নয়ন, নাসির খান সৈকত ও রাহিতুল ইসলাম রুয়েলের প্রতি। যাদের দারুণ সহযোগিতায় বইটি প্রকাশ হয়েছে। বই সম্পর্কে যে কোন মতামত ই-মেইলে পাঠাতে পারেন  ঠিকানায়।

নুরুন্নবী হাছিব
২৬.০১.২০১২
সূচীপত্র
ক্স উবুন্টু
ক্স ওপেন অফিস ডট অর্গ
ক্স জিম্প
ক্স ফায়ারফক্স
ক্স ভিএলসি
ক্স পিজিন
ক্স থান্ডারবার্ড
ক্স জুমলা
ক্স ওয়ার্ডপ্রেস
ক্স জিএনইউ ক্যাশ
ক্স সিকুয়েল লেজার
ক্স জেনকার্ট
ক্স ই-গ্রুপওয়্যার
ক্স লিব্রে অফিস
ক্স সেভেন জিপ
ক্স ইঙ্কস্কেপ
ক্স ব্লেন্ডার
ক্স অডাসিটি
ক্স ফাইলজিলা
ক্স কমিটবার্ড
ক্স এইচটিট্র্যাক
ক্স ওপেন বিবলিও
ক্স ওপেন ইআরপি
ক্স পেইন্ট ডট নেট
ক্স নাসা ওয়ার্ল্ড উইন্ড
ক্স পার্টেড ম্যাজিক
ক্স ক্ল্যামউইন
ক্স অ্যাজুরস
ক্স হ্যান্ডব্রেক
ক্স আরএসএস আউল
ক্স জিপার্টেড
ক্স আরো নানা মুক্ত সফটওয়্যার তালিকা

দুনিয়া জুড়ে মুক্ত সফটওয়্যার এখন বেশ জনপ্রিয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পাশাপাশি বাংলাদেশেও বেড়েছে এর ব্যবহার। ইন্টারনেট সংযোগদাতা ও নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বর্তমানে সাধারণ ব্যবহারকারীদের মাঝেও বেড়েছে মুক্ত সফটওয়্যার ব্যবহার। কম্পিউটারে বাংলা চর্চার ক্ষেত্রেও এগিয়ে থাকা মুক্ত সফটওয়্যার মূলত বিভিন্ন প্রোগ্রামিং সংকেত ব্যবহার করে কম্পিউটার সফটওয়্যার তৈরি হয়। এই সংকেত অন্যের ব্যবহারের জন্য উš§ুক্ত থাকে মুক্ত সফটওয়্যারে। ফলে যেকোনো সফটওয়্যারকে নিজের মতো করে সাজিয়ে নেওয়া যায়। ১৯৫০ সালের দিকে ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস মেশিনস (আইবিএম) করপোরেশন তাদের অপারেটিং সিস্টেম ও অন্যান্য সফটওয়্যারের প্রোগ্রামিং সংকেত সবার জন্য উš§ুক্ত করে দেয়। নব্বইয়ের দশকের শেষের দিকে ফ্রি সফটওয়্যার থেকে মুক্ত (ওপেন সোর্স) সফটওয়্যার কথার প্রচলন শুরু হয়। ফ্রি বললে সেটি অনেক সময়ই বিনা মূল্যে পাওয়া যাবে বলে মনে হয়, যদিও ‘ফ্রি’ এসেছে ইংরেজি ফ্রিডম থেকে। শুধু সফটওয়্যার ব্যবহারেই নয়, নানা কাজে বর্তমানে মুক্ত দর্শনের ব্যাপারটি প্রচলিত আছে। এর পাশাপাশি বর্তমানে বাসা, অফিস কিংবা সাধারণ কাজে ব্যবহারের জন্যও মুক্ত সফটওয়্যার বেশ জনপ্রিয়। কম্পিউটারে বাংলা চর্চার ক্ষেত্রেও এগিয়ে মুক্ত সফটওয়্যার।

মুক্ত সফটওয়্যার আন্দোলন ও শুরুর কথা
মুক্ত সফটওয়্যার আন্দোলনের পুরোধা, মুক্ত সফটওয়্যার ফাউন্ডেশনের জনক রিচার্ড ম্যাথিউ স্টলম্যান। যিনি আরএমএস নামে পরিচিত। তিনি সফটওয়্যারের মুক্ত দর্শন নিয়ে কাজ করেন। মুক্ত দর্শনের বড় একটি উদাহরণ উইকিপিডিয়া, যার পরিচিতি গণমানুষের বিশ্বকোষ হিসেবে। শুরুতে রিচার্ড স্টলম্যান বিশ্বকোষ তৈরির প্রস্তাব দিলেও জিমি ওয়ালেসের হাত ধরে বিকশিত হয়েছে আজকের উইকিপিডিয়া। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ২৭৬টি ভাষার মধ্যে বাংলা উইকিপিডিয়াও (নহ.রিশরঢ়বফরধ.ড়ৎম) এখন বেশ সমৃদ্ধ। বর্তমানে মুক্ত সফটওয়্যারের আওতায় বেড়েছে লোকালাইজেশনের কাজ। অর্থাৎ বিভিন্ন কার্যক্রম বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নিজস্ব ভাষায় করা। সে কাজটিও এগিয়ে চলছে এবং বর্তমানে বাংলা ভাষায় পাওয়া যাচ্ছে ইন্টারনেট দুনিয়ার জনপ্রিয় সফটওয়্যার থেকে শুরু করে অনেক কিছু। স্টলম্যান সফটওয়্যারের চার ধরনের মুক্তির কথা বলেন; যার মধ্যে রয়েছে সফটওয়্যার নিজের পছন্দমতো ব্যবহারের সুযোগ থাকতে হবে, এর সোর্স কোড দেখা এবং সম্পাদনার অধিকার, সফটওয়্যারের পুনর্বিতরণের সুযোগ ও এটি থেকে নতুন কোনো সফটওয়্যার তৈরি করে তা নিজের মতো করে ব্যবহার, বিতরণ ও বিক্রির সুযোগ থাকতে হবে।
বর্তমানে কাজের ক্ষেত্রেই খুব সহজেই ব্যবহার করা যায় মুক্ত সফটওয়্যার। নির্দিষ্ট ভাবে পুরো অপারেটিং সিস্টেম ছাড়াই বেশ কিছু জনপ্রিয় মুক্ত সফটওয়্যার রয়েছে যা যে কেউ ব্যবহার করতে পারেন। এসব সফটওয়্যারে রয়েছে দারুণ সব সুবিধা যা দিয়ে প্রয়োজনীয় সব কাজই করা যাবে।
উবুন্টু (টনঁহঃঁ)
বর্তমান সময়ে সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং ক্রমবর্ধমান অপারেটিং সিস্টেম (ওএস) হচ্ছে উবুন্টু। উবুন্টু শব্দটি এসেছে একটি আফ্রিকান ধারণা থেকে যার অর্থ অনুবাদ করলে দাড়ায় অনেকটা ’অন্যের জন্য মনুষ্যত’¡ এরকম। উবুন্টু হচ্ছে লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমের একটি সংস্করণ। একটি অপারেটিং সিস্টেম হচ্ছে সেই সফটওয়্যার যা আপনার কম্পিউটারকে চালায়।
মুক্ত অপারেটিং সিস্টেম লিনাক্সের জনপ্রিয় ডিস্ট্রো উবুন্টুর পাশাপাশি রয়েছে এডুবুন্টু, গবুন্টু, কুবুন্টু, লুবুন্টু, উবুন্টু মোবাইল (মোবাইল সংস্করন) ইত্যাদি সংষ্করনও। উবুন্টু ডেস্কটপ ব্যবহারকারীদের জন্য তৈরি করা হলেও এর রয়েছে নেটবুক ও সার্ভার সংস্করন। বিশ্বের প্রায় ১২ মিলিয়নেরও বেশী ডেস্কটপ ব্যবহারকারী বর্তমানে উবন্টু ব্যবহার করছেন। উবুন্টু হচ্ছে সম্পূর্ণ আধুনিক একটি অপারেটিং সিস্টেম, যাতে উইন্ডোজ বা ম্যাক অপারেটিং সিস্টেমে যা পাওয়া যায় তার সবকিছুই রয়েছে। এটি সবকিছুকে সহজভাবে উপস্থাপন করে এবং আধুনিকতম ফিচার প্রদান করে। এ অপারেটিং সিস্টেমে সংযুক্ত রয়েছে ওয়েবসাইট দেখার জনপ্রিয় সফটওয়্যার মজিলা ফায়ারফক্স, তাৎক্ষনিক বার্তা আদান-প্রদানের (চ্যাট) জন্য রয়েছে পিজিন ম্যাসেঞ্জার যা ইয়াহু, জিমেইল, এআইএম, এমএসএন-এর মত প্রায় সকল সার্ভার সাপোর্ট করে। লেখালেখি করা, স্প্রেডশীট, প্রেজেন্টেশনের জন্য রয়েছে ওপেন অফিস ডট অর্গ নামক সফটওয়্যার, ছবি সম্পাদনার জন্য রয়েছে জিআইএমপি সফটওয়্যার, গান শোনা ও ভিডিও গান দেখার জন্য রয়েছে রিদমবক্স, ভিএলসি প্লেয়ার ইত্যাদি। এই সকল প্রোগ্রামগুলো উবুন্টুর সাধারণ ইন্সটলেশনের সাথেই বিনামূল্যে পাওয়া যায়। পাশাপাশি আছে কোন সফটওয়্যার প্রয়োজন হলে সেটি ইনস্টল করার ব্যবস্থা। উবুন্টুর হার্ডওয়্যার সাপোর্ট খুবই চমৎকার। প্রাত্যহিক জীবনের সাউন্ডকার্ড, গ্রাফিক্সকার্ড, প্রিন্টার, ওয়্যারলেস, ক্যামেরা, ইউএসবি ড্রাইভ, আইপডসহ প্রায় সকল হার্ডওয়্যার সাপোর্ট করে উবুন্টুতে। উবুন্টু পুরাতন হার্ডওয়্যারেও ভাল কাজ করে। বর্তমানে ৫৫টিরও বেশী ভাষায় সংস্করনগুলো পাওয়া যাচ্ছে । প্রায় সকল লিনাক্সের সংস্করণের মত, উবুন্টুও বিনামূল্যে পাওয়া যায়। উবুন্টু সম্পর্কে বিস্তারিত জানা ও ডাউনলোড করা যাবে িি.িঁনঁহঃঁ.পড়স ঠিকানা থেকে।
উবুন্টুর নানা ধরনের বৈচিত্রতা সম্ভব হয়েছে মুক্ত সফটওয়্যারের স্বাধীনতার কারণে। এখানে যে কেউ লিনাক্সের একটি সোর্স কোড নিয়ে, তাতে পরিবর্তন করে নিজের একটি সংস্করণ তৈরি করতে পারে। কোন কোন সংস্করণকে বাণিজ্যিকভাবে অর্থায়ন করা হয়, বাকীগুলো গঠিত হয় সারা বিশ্বে ছড়িয়ে থাকা লিনাক্স ব্যবহারকারীদের বিশাল কমিউনিটির সুসংঘটিত একদল মানুষের প্রচেষ্টার মাধ্যমে। উবুন্টু গঠিত হয়েছে এই দুটি মাধ্যম দ্বারাই এটিকে অর্থায়ন করছে ক্যানোনিকাল নামক দক্ষিণ আফ্রিকান একটি প্রতিষ্ঠান যার গঠন হয়েছে ২০০৪ সালে। কিন্তু উবুন্টু বিশাল কমিউনিটির স্বেচ্ছাশ্রমের সুবিধাও নিয়ে থাকে। উবুন্টু গঠিত হয়েছে ডেবিয়ান (িি.িফবনরধহ.ড়ৎম) নামক আরেকটি কমিউনিটি নির্ভর লিনাক্সের উপর ভিত্তি করে। যে বিষয়টি উবুন্টু উপস্থাপন করে তা হচ্ছে স্বাধীনতা, ব্যবহার এবং শেয়ারের স্বাধীনতা, এটি দিয়ে যে কোন কিছু করার স্বাধীনতা এবং শেখার স্বাধীনতা।

উবুন্টুর নানা সুবিধা
সাধারণভাবে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম কিংবা ম্যাকিন্টোশ অপারেটিং সিস্টেমে যা পাওয়া যায় তার মধ্যে সব ধরনের সুবিধাই রয়েছে উবুন্টুতে। উবুন্টু সবকিছুকে সহজভাবে উপস্থাপন করে, পাশাপাশি থাকে আধুনিকতম ফিচার সুবিধা। ওয়েব ব্রাউজিং এর জন্য রয়েছে মজিলা ফায়ারফক্স। বিশ্বের জনপ্রিয় ব্রাউজারের তালিকায় ফায়ারফক্সের অবস্থান বেশ শক্ত। ফায়ারফক্সে প্রয়োজন অনুযায়ী অ্যাড-অন্স যোগ করার অপশন থাকায় নিজের প্রয়োজনীয় সবকিছুই করা সম্ভব হয়। ইন্সট্যান্ট ম্যাসেজিংয়ের জন্য রয়েছে পিজিন (চরফমরহ) যা ইয়াহু, জিমেইল, এআইএম, এমএসএন-এর মত প্রায় সকল সার্ভার সাপোর্ট করে। লেখালেখি করা, স্প্রেডশীট, প্রেজেন্টেশনের জন্য রয়েছে ওপেন অফিস ডট অর্গ (ঙঢ়বহঙভভরপব.ড়ৎম) নামক সফটওয়্যার, যা উইন্ডোজের মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের মতোই। এতে করা যায় সব ধরনের অফিসিয়াল কাজই। ছবি সম্পাদনার জন্য রয়েছে জিম্প (এওগচ)। এছাড়া গান শোনার জন্য আছে রিদম বক্স (জযুঃযসইড়ী) এবং ভিডিও দেখানোর জন্য আছে টোটেম, ভিএলসি (ঞড়ঃবস, ঠখঈ) প্লেয়ার। এ সকল প্রোগ্রামগুলো উবুন্টুর সাধারণ ইন্সটলেশনের সাথেই বিনামূল্যে পাওয়া যায়। এর পাশাপাশি ইন্টারনেট সংযোগ থাকলে নিজের প্রয়োজনীয় যে কোন মুক্ত সফটওয়্যার নামিয়েও নেয়ার সুযোগ রয়েছে।
উবুন্টুর হার্ডওয়্যার সাপোর্ট খুবই চমৎকার। সাধারণত আমাদের নিত্য যে ধরনের কাজের প্রয়োজন হয় তার সবই করা সম্ভব উবুন্টুর মাধ্যমে। এছাড়া উবুন্টুতে ইউএসবি মেমোরি ডিভাইস, ক্যামেরা, আইপড, স্মার্টফোনসহ অসংখ্য প্রয়োজনীয় ডিভাইস ব্যবহার করার ক্ষেত্রে সিডির প্রয়োজন হয় না। প্র্যাক্টিক্যালি উবুন্টু ইন্সটল করার পর এই ডিভাইসগুলো সরাসরি ব্যবহার উপযোগী হয়ে উঠে। বর্তমান সময়ের উন্নত হার্ডওয়্যারের পাশাপাশি উবুন্টু পুরোনো সংস্করনেও ভালো কাজ করে। প্রায় সকল লিনাক্সের সংস্করণের মত, উবুন্টুও বিনামূল্যে পাওয়া যায়। রিলিজের পর সাধারণত ১৮ মাস পর্যন্ত এর আপডেটগুলোও বিনামূল্যে পাওয়া যায়। বাংলা ভাষাভাষীদের জন্য রয়েছে উবুন্টুর বাংলা সহায়িকা। এটি বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্কের (বিডিওএসএন) ওয়েবসাইট (িি.িনফড়ংহ.ড়ৎম) থেকে বিনামূল্যে ডাউনলোড করা যাবে।

উবুন্টুতে বাংলায় লেখার পদ্ধতি
লিনাক্সের উবুন্টু সংস্করণসহ প্রায় লিনাক্সের সব সংস্করণেই বাংলা লেখা যায়। তবে এর জন্য শুরুর দিকে ইংরেজিকে ডিফল্ট ভাষা হিসাবে নির্বাচন করা উচিত। পরবর্তীতে সহজেই বাংলায় যাওয়া সম্ভব এবং লেখাও সম্ভব। উবুন্টু লিনাক্সে বাংলা টাইপিংয়ের জন্য প্রথমে ইন্টারনেট সংযোগ প্রয়োজন। এবার ঝুংঃবস>> অফসরহরংঃৎধঃরড়হ>> ঝড়ভঃধিৎব ঝড়ঁৎপবং এ যান এবং টনঁহঃঁ ঝড়ভঃধিৎবং ট্যাবে প্রথম চারটি অপশন বাছাই করে দ্বিতীয় ট্যাবে যান। এখানে উভয় অপশন নির্বাচন করে পরের ট্যাবে যান এবং এখানে টহংঁঢ়ঢ়ড়ৎঃবফ টঢ়ফধঃবং বাদে অন্যগুলো নির্বাচন করে উইন্ডোটি বন্ধ করে দিন। এবার ঝুংঃবস>> অফসরহরংঃৎধঃরড়হ>> খধহমঁধমব ঝঁঢ়ঢ়ড়ৎঃ এ ক্লিক করে ল্যাঙ্গুয়েজ সাপোর্ট আপডেট সংক্রান্ত কোন তথ্য আসলে সেটি ঙশ করুন। ইন্সটল হয়ে গেলে ল্যাঙ্গুয়েজ লিস্ট থেকে বাংলা নির্বাচন করে অঢ়ঢ়ষু করুন। কিছুক্ষণের মধ্যেই বাংলা ল্যাঙ্গুয়েজ প্যাক ইন্সটল হবে। ইন্সটল হয়ে গেলে উইন্ডোটি বন্ধ করে দিন। এবার ঝুংঃবস>> চৎবভবৎবহপবং>> কবুনড়ধৎফ এ যান এবং খধুড়ঁঃং ট্যাব থেকে অফফ বাটনে ঈষরপশ করে খধুড়ঁঃং ড্রপডাউন মেনু থেকে বাংলাদেশ এবং ঠধৎরধহঃং মেনু থেকে চৎড়নযধঃ সিলেক্ট করে দিন এবং ট.ঝ. ঊহমষরংয কে ডিফল্ট লে-আউট হিসাবে নির্বাচন করে দিন। এবার খধুড়ঁঃ ঙঢ়ঃরড়হং ট্যাবে যান এবং এৎড়ঁঢ় ঝযরভঃ/খড়পশ ইবযধারড়ঁৎ মেনু থেকে পছন্দমত কীবোর্ড লে-আউট পরিবর্তে শর্টকাট (যেমন অভ্রতে ঋ১২) নির্বাচন করে নিন এবং উইন্ডোটি বন্ধ করে দিন। হয়ে গেল আপনার বাংলা কি-বোর্ড। এবার লিখুন উবুন্টু নিজের ভাষায় এবং উপভোগ করুন বাংলা লেখার আনন্দ।

উবুন্টুতে ফন্ট ইনস্টল
মুক্ত অপারেটিং সিস্টেম উবুন্টু লিনাক্সের ক্ষেত্রে প্রায়ই ফন্ট ইনস্টলেশন সমস্যায় পড়েন অনেকে। উবুন্টুতে ফন্ট ইনস্টল করতে প্রথমে আপনি যে ফন্ট ইনস্টল করতে চান তা ডাউনলোড করুন এবং টেম্পরারি ফোল্ডারে (/ঃসঢ়) ডাউনলোডকৃত আর্কাইভ এক্সট্র্যাক্ট করুন। এবার রুট এক্সেসে আপনার হধঁঃরষঁং ফাইল ব্রাউজারটি খুলুন এবং ফন্ট ফোল্ডারে যান। এবার আপনি যে ফন্ট ইনস্টল করতে চান তার জন্য একটি নতুন ফোল্ডার খুলুন এবং টেম্পরারি ফোল্ডার থেকে আপনার এক্সট্র্যাক্টকৃত ফাইলগুলো বা কাট করে নিয়ে আসুন সদ্য তৈরিকৃত ফোল্ডারে। সবশেষে ফন্ট ক্যাশ রান করুন এবং টার্মিনালে ংঁফড় ভপ-পধপযব –ভ রান করুন। দেখুন আপনার ফন্টটি ইনস্টল হয়ে গেছে।
ওপেন অফিস ডট অর্গ (ঙঢ়বহঙভভরপব.ড়ৎম)
ওপেনঅফিস ডট অর্গ মুক্ত সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় সফটওয়্যার। মাইক্রোসফট অফিসের সমকক্ষ এই সফটওয়্যার দিয়ে লেখালেখি, হিসেবনিকেশ, উপস্থাপনা, গ্রাফিক্সসহ সব কাজ করা যায়। পাশাপাশি এই সফটওয়্যার দিয়ে প্রেজেন্টেশন, স্প্রেডশীট, ডায়াগ্রাম, ডেটাবেজ তৈরি, চিঠি, ফ্যাক্স সম্পাদনা ইত্যাদি সব কাজ করা যায়। পাশাপাশি থাকছে একটি ড্রয়িং এডিটর, এইচটিএমএল, এক্সএমএল ও ফরমুলা নিয়ে কাজ করার সুবিধা। ওপেনঅফিস এ মাইক্রোসফট অফিসের সকল ফাইল সমর্থন করে এবং ওপেনঅফিস এ কাজ করে মাইক্রোসফট অফিসের এক্সটেনশনে সেভ করা যায়। ওপেনঅফিস ডট অর্গ বিশ্বের বেশিরভাগ ভাষায় এবং সব ধরনের অপারেটিং সিস্টেমে কাজ করে। এ ছাড়া এটি অন্য কাউকে বিতরণ করতে কোনো রকম লাইসেন্সের প্রয়োজন হয় না। বিভিন্ন ভাষার পাশাপাশি ওপেন অফিস বাংলা ভাষায়ও পাওয়া যায় এবং আছে বাংলা বানান পরীক্ষকও। বাংলা পরীক্ষকটি যঃঃঢ়://ংড়ঁৎপবভড়ৎমব.হবঃ/ঢ়ৎড়লবপঃং/নবহমধষরহীঁ/ভরষবং/নবহমধষরংঢ়বষষপযবপশ/নহথইউ০.০৬.ড়ীঃ/ফড়হিষড়ধফ ওয়েব সাইট থেকে বিনামূল্যে ডাউনলোড করা যাবে। সরাসরি পিডিএফ ফরমেটে ফাইল সংরক্ষণ করা যায়। ওপেন অফিস ইংরেজি ও বাংলা সংস্করণ ডাউনলোড করা যাবে িি.িড়ঢ়বহড়ভভরপব.ড়ৎম/ফড়হিষড়ধফ/ড়ঃযবৎ.যঃসষ ঠিকানা থেকে। উইন্ডোজ, লিনাক্স সহ অন্যান্য সকল অপারেটিং সিস্টেমে এটি কাজ করবে ।
ওপেন অফিসের নানা সুবিধা
সাধারণত যে মাইক্রোসফট অফিস সফটওয়্যার ব্যবহার করেন অনেকেই তার বেশীরভাগই পাইরেসি কপি ইনস্টল করে ব্যবহার করা। অন্যদিকে, ওপেনঅফিস ডট অর্গ সফটওয়্যারটি একটি মুক্ত সফটওয়্যার যা সবাই নিজের ইচ্ছেমত ব্যবহার, বিতরণ, কপি, পরিবর্তন করতে পারবেন। সেদিক দিয়ে এটি কোন ধরনের লাইসেন্সিং ফি ছাড়াই ব্যবহার করা যায়। রয়েছে ক্রস প্ল্যাটফর্ম সুবিধা। ওপেনঅফিস মাইক্রোসফট উইন্ডোজসহ লিনাক্স, ম্যাক, সান সোলারিস অপারেটিং সিস্টেমেও চলে। ওপেন অফিস ডট অর্গের রয়েছে একটি পোর্টেবল সংস্করণ। ওপেনঅফিসের ব্যবহারকারী ইন্টারফেসটি ৪০টিরও বেশী ভাষায় পাওয়া যায়। রয়েছে বাংলা ভাষায়ও। বাংলা ওপেনঅফিস সংস্করণের অন্যতম বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে রয়েছে বাংলা ইউজার ইন্টারফেস হালনাগাদ করা, বাংলা বানান পরীক্ষার জন্য লক্ষাধিক শব্দের বাংলা অভিধান এবং বিশেষ সহায়িকা। রয়েছে ফাইল কম্পাবিলিটি সুবিধা। নিজস্ব ডকুমেন্ট ফরম্যাট ছাড়াও ওপেনঅফিসে আছে পিডিএফ ও ফ্ল্যাশ কম্পাবিলিটি সুবিধা। মাইক্রোসফট, এইচটিএমএল, এক্সএমএল.ওয়ার্ড ফরম্যাটেও সংরক্ষন করা যায়। এছাড়া আছে বিশেষ আরেকটি ফিচার আছে যার মাধ্যমে কিছু পিডিএফ ফাইল ইমপোর্ট করে সম্পাদনা করা যায়। এছাড়াও ওপেন অফিসে বড় একটি সুবিধা হলো এতে সরাসরি পিডিএফ ফরমেটে ফাইল সেভ করা যায়। এছাড়াও এ সফটওয়্যারটিতে আছে নিজস্ব দারুন কিছু ফিচার। এগুলোর মধ্যে ফ্লোটিং ফ্রেম এবং গ্যালারি ফ্রেম অন্যতম। এ ফ্রেমটি না রাখতে চাইলে সেখানে রাখা যাবে নোট। খুব বেশি জটিল কোন টপিক বা টেকনিক্যাল শব্দকে সহজ করে বণর্না করতে এই নোট ব্যবহারের মাধ্যমে সেবা পাওয়া সম্ভব। গ্যালারি ফ্রেমটিও বেশ সুন্দর একটি টুলস। এর সাহায্যে প্রতিটি প্যারাগ্রাফের জন্য আলাদা আলাদা ব্যাকগ্রাউন্ড সেট করা যায়। এতে দেয়া আছে শ্রুতিমধুর বেশ কিছু সাউন্ড ক্লিপ, অল্প কিন্তু আকর্ষণীয় কিছু বুলেট, চমৎকার কিছু রুলার এবং দৃষ্টিনন্দন কিছু ব্যাকগ্রাউন্ড। এগুলো দিয়ে সহজেই তৈরী করা যাবে পছন্দের থিম। গান শোনার জন্য ওপেন অফিসে আছে হালকা একটি মিডিয়া প্লেয়ার। যার সাহায্যে কাজ করার সময় শোনা যাবে গানও। এর টুলস মেনুতে আছে অপশন ও কাস্টোমাইজ সাব মেনু। এখান থেকে ইচ্ছে মত সাজিয়ে নেয়া যাবে মেনুবার থেকে আরম্ভ করে এক্সটেনশন, কালার, জাভা, লোড, সেভ, এক্সপোর্ট, ইমপোর্ট, ল্যাংগুয়েজ, ফন্ট, সিকিউরিটি, ভিউ, পাথ ইত্যাদি। এছাড়া কোন সমস্যায় পড়লে এ মেনুতে থাকা হেল্প ফাইলে ক্লিক করলেই পাওয়া যাবে সমাধান।

জিম্প (এরসঢ়)
জিএনইউ ইমেইজ ম্যানিপুলেশন প্রোগ্রাম (জিম্প) বিভিন্ন ছবি সম্পাদনার জন্য দারুণ একটি মুক্ত সফটওয়্যার। অনেকে একে গিম্প নামেও চেনেন। অ্যাডবি ফটোশপের সমতুল্য এই সফটওয়্যারটি দিয়ে ছবি আঁকা, লোগো বানানো, রিসাইজ, ক্রপ, ছবি একসাথে মেলানো, ছবির ধরণ পরিবর্তন ইত্যাদি কাজ ছাড়াও ছোটখাট অ্যানিমেটেড ইমেজ জিপ ফরম্যাটে সহজেই করা যায়। জিম্পের ইন্টারফেস বা সফটওয়্যারের অবয়বটিকে নিজের মতো করে তৈরী করা যায়। এমনকি উইজেটের আকার, থিমের সাথে সাথে টুল বক্সের বিভিন্ন আইকনের চেহারা পরিবর্তন করা সম্ভব। রয়েছে প্রায় ৫২টি ভাষায় যার সবগুলোই বিনামূল্যে ডাউনলোড করা যাবে। জিম্প নামানো যাবে িি.িমরসঢ়.ড়ৎম ঠিকানার ওয়েবসাইট থেকে। স্পেনসার কিমবেল ও পিটার ম্যাটিস নামে দুই জন ১৯৯৫ সালে নিজেদের বিশ্ববিদ্যালয়ের সেমিস্টারের প্রকল্প হিসেবে জেনারেল ইমেজ ম্যানিপুলেশন প্রোগ্রামটি তৈরী করেছিলেন। পরের বছরের প্রথম মাসেই এটি উন্মুক্ত করেন তারা। পরবর্তী ১৯৯৭ সালে এটি জিএনইউ প্রজেক্টে আসলে এর আদ্যাক্ষরের অর্থ জেনারেল থেকে জিএনইউ হয়ে যায়। বর্তমানে জিম্প জিনোম প্রজেক্টের অধীনে একদল স্বেচ্ছাসেবক দ্বারা এটি পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও পরিমার্জিত হয়ে থাকে। জিম্পের অন্যতম একটি সুবিধা হচ্ছে এটি নিজের মতো তৈরী করে নেয়ার সুবিধা। আর এটি অন্যান্য ছবি সম্পাদনার সফটওয়্যারের চেয়ে অনেক হালকা। জিম্পের ইন্টারফেস বা সফটওয়্যারের অবয়বটিকে নিজের মতো করে তৈরী করা যায়। এছাড়াও এর উইজেটের আকার, থিমের সাথে সাথে টুল বক্সের বিভিন্ন আইকনের চেহারা পরিবর্তন করা সম্ভব। এই সফটওয়্যারে একজন ব্যবহারকারী ফুল স্ক্রিন মুডে কাজ করার সুবিধা পাবেন। এতে নিজের ছবিকে বড় আকারে দেখার পাশাপাশি ছবি সম্পাদনার ক্ষেত্রে বাড়তি সুবিধা পাওয়া যায়। জিম্পে সাধারণত টুলবক্স উইন্ডো, ইমেজ উইন্ডো এবং ডায়ালগ ডোকিং উইন্ডো নামে তিনটি উইন্ডো থাকে। জিম্পের প্রধান উইন্ডো হল টুলবক্স উইন্ডো। কোন ছবি খোলা বা জিম্প থেকে বেরিয়ে আসার মতো জরুরী কাজগুলো এই উইন্ডো থেকেই সম্পন্ন করতে হয়। এই উইন্ডোর মধ্যে একটি মেনুবার, টুল বাটন এবং কিছু প্রয়োজনীয় কন্ট্রোল আছে যা জিম্পকে সুচারুভাবে চালনা করতে সাহায্য করে। টুলবক্সকে নিজের ইচ্ছামত রিসাইজ করা যায়। টুলবক্স যেভাবে রিসাইজ হবে টুল বাটনগুলো সেভাবে স্বয়ংক্রিয়ভাবে রিসাইজ হয়ে যায়। প্রত্যেকটি টুলের কি কাজ, সেটি সেই টুলটির ওপর মাউস রাখলে যে টুলটিপ আসবে তাতে লেখা থাকে। উল্লেখ্য, জিম্প পুরোটাই ড্র্যাগ অ্যান্ড ড্রপ সাপোর্ট করে। যে কোন ছবিকে জিম্পে খুলতে হলে ছবিটিকে টুলবক্সের ওপর ড্র্যাগ করে ড্রপ করলেই হয়। জিম্পের একটি বৈশিষ্ট্য হল ছবি খোলার জন্য জিম্প একটি আলাদা উইন্ডো তৈরী করে, এই উইন্ডোটিকেই ইমেজ উইন্ডো বলা হয়। এছাড়া এতে প্রচুর প্রয়োজনীয় ডায়ালগ উইন্ডো আছে। প্রত্যেকটি ডায়ালগ উইন্ডোকে আলাদাভাবে বলা হয় ডক। অনেকগুলি ডককে একসাথে একত্রে ব্যবহার করার ব্যবস্থাকে বলা হয় ডোকিং। জিম্পের ডোকিং উইন্ডোতে দুটি ডায়ালগ থাকে কিন্তু ইচ্ছা করলে আরও অনেকভাবে নিজেদের সুবিধামত এদেরকে পরিবর্তন করে নেয়া যায়। এই সফটওয়্যারটির কমান্ড লাইনেও কাজ করা যায়। ফটোশপের আদলে তৈরি করা এ সফটওয়্যারের রয়েছে ফাইল ফরম্যাট এবং এফেক্ট ফিল্টার ব্যবহার করার জন্য অসংখ্য প্লাগিনস। ওপেনসোর্স অপারেটিং সিস্টেম লিনাক্সের সঙ্গে ছবি সম্পাদনার সফটওয়্যার হিসেবে জিম্প ডিফল্টভাবে দেয়া থাকে। এছাড়াও উইন্ডোজের এক্সপি, ভিসতা, সান ওপেন সোলারিস, ম্যাকের জন্য রয়েছে এর আলাদা সংস্করন। সবগুলোই বিনামূল্যে নামানো যাবে।
ফায়ারফক্স
মজিলা ফায়ারফক্স ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের কাছে একটি অতিপরিচিত নাম। ওয়েবসাইট দেখার এ ব্রাউজার ব্যবহারকারী প্রায় ৪০০ মিলিয়ন। মজিলা ফায়ারফক্স ব্রাউজারটি বর্তমানে একই উইন্ডোতে একাধিক ট্যাব খুলে ব্রাউজিং, বানান পরীক্ষা, ডাউনলোডিং, প্রাইভেট ব্রাউজিং, ইন্টিগ্রেটেড সার্চ অপশন ইত্যাদি সুবিধা পাওয়া যায়। সব ভাষাভাষীদের সুবিধার জন্য ফায়ারফক্সের সর্বশেষ সংস্করনটি ৮৬টি ভাষায় পাওয়া যাবে িি.িসড়ুরষষধ.পড়স/বহ-টঝ/ভরৎবভড়ী/ধষষ.যঃসষ#ষধহমঁধমবং ঠিকানার ওয়েবসাইট থেকে। এ সাইট থেকে বাংলায়ও পাওয়া যাবে ফায়ারফক্স। লিনাক্স ছাড়াও উইন্ডোজ, ম্যাকের জন্যও রয়েছে আলাদা সংস্করণ।
মজিলা নামক একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান যারা ওয়েবের উন্নতিতে কাজ করে যাচ্ছেন, তারা এটিকে নিয়ন্ত্রন করে থাকেন। বর্তমানে বিশ্বে এটি সর্বাধিক ব্যবহƒত ওয়েব ব্রাউজারের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে অবস্থান করছে। সারাবিশ্বের বড় একটি অংশ ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ব্রাউজিংয়ের জন্য মজিলা ফায়ারফক্স ব্যবহার করছেন। ২০০৪ সালের ৯ নভেম্বর এর প্রথম সংস্করন ফায়ারফক্স ১.০ ব্যবহারের জন্য উš§ুক্ত করা হয়। উইন্ডোজের জন্য ফায়ারফক্সের একটি পোর্টেবল সংস্করনও রয়েছে। এছাড়া সি/সি++, জাভাস্ক্রিপট, সিএসএস দিয়ে তৈরি মজিলা ফায়ারফক্সের সোর্সকোড জিএনইউ জিপিএল, জিনু এলজিপিএল অথবা মজিলা পাবলিক লাইসেন্সের অধীনে মুক্তিপ্রাপ্ত। চাইলে যে কেউ বিনামূল্যে এর কাস্টমাইজ ও বিতরন করতে পারবে। মোবাইলের জন্যও ‘ফিননেক’ নামে রয়েছে একটি মোবাইল সংস্করণ। প্রথমে নকিয়া এন৯০০-এর জন্য বের করলে বর্তমানে জাভা সমর্থিত প্রায় সব মোবাইল ও পিডিএ-তে ব্যবহার করা যায়। রয়েছে গুগলের মুক্ত অপারেটিং সিস্টেম অ্যান্ড্রোয়েডের জন্য আলাদা সংস্করণ।

মজিলার জনপ্রিয় কিছু অ্যাড-অন্স:
স্ক্রিনশট নেয়ার অ্যাড-অন্স: ওয়েবসাইট থেকে স্ক্রিনশট নিতে ফায়ারফক্সে ‘শুটার’ নামে রয়েছে জনপ্রিয় একটি অ্যাড-অন্স। এর সাহায্যে ওয়েব নামে পেজের সম্পূর্ণ অংশ বা আংশিক অংশের স্ক্রিনশট নেওয়া যাবে এবং চঘএ ও ঔচঊএ ফরম্যাটসহ বিভিন্ন বিভিন্ন ফরম্যাটে সেভ করা যাবে। এ অ্যাড-অন্সের সাহায্যে সম্পূর্ণ পেজ সেভ করতে চাইলে ইমেজ ফরম্যাট পছন্দ করে সেভ করে নিলেই হয়। আর ওয়েব পেজের নির্দিষ্ট অংশ সেভ করতে চাইলে মাউস দ্বারা পছন্দের অংশটুক নির্বাচন করে সেভ করুন। এই অ্যাড-অন্সটি ডাউনলোড করা যাবে যঃঃঢ়ং://ধফফড়হং.সড়ুরষষধ.ড়ৎম/বহ-টঝ/ভরৎবভড়ী/ধফফড়হ/১৩৪৮৫ ঠিকানা থেকে।

ফেসবুক থেকে ভিডিও ফাইল ডাউনলোড: ফেসবুক থেকে ভিডিও ডাউনলোড করা যাবে ফায়ারফক্সের মাধ্যমে। এ জন্য ফেসবুক ভিডিও নামের অ্যাড-অন্সটি যঃঃঢ়ং://ধফফড়হং.সড়ুরষষধ.ড়ৎম/বহ-টঝ/ভরৎবভড়ী/ধফফড়হ/৯৬১৪ ঠিকানা থেকে ডাউনলোড করে ইনস্টল করুন। অ্যাড-অন্সটি ইনস্টল হয়ে গেলে ফায়ারফক্স রিস্টার্ট করুন। এবার ফেসবুকে ঢুকে আপনার বন্ধুর বা নিজের প্রোফাইলের (মানে যেখান থেকে ডাউনলোড করবেন) ভিডিও ট্যাবে ক্লিক করুন। যে ফাইলটিকে নামাতে চান, সেটি চালু করুন অথবা বাম পাশে থাকা ভিডিও ফাইল থেকেও চালু করতে পারেন। এবার ডান পাশে একটু নিচের দিকে ফড়হিষড়ধফ ারফবড় অপশনে ক্লিক করুন। ডাউনলোড শুরু হয়ে যাবে। উল্লখ্যে, আপনি ভিডিও ফাইলটিকে কনভার্ট করেও নামাতে পারেন। এর জন্য পড়হাবৎঃ ারফবড় অপশনে ক্লিক করতে হবে। এর মাধ্যমে বেশ কয়েকটি ফরম্যাটে ভিডিও ফাইলটিকে কনভার্ট করতে পারবেন, সেই সঙ্গে ডাউনলোডও করে নিতে পারবেন।
বাংলা বানান পরীক্ষক: ফায়ারফক্সে বাংলা লিখতে ভুল করলে সেটি যেমন বোঝা যাবে তেমনি তা সংশোধনও করা যায়। এ জন্য ৩৫৫ কিলোবাইটের অ্যাড-অন্সটি যঃঃঢ়ং://ধফফড়হং.সড়ুরষষধ.ড়ৎম/বহ-টঝ/ভরৎবভড়ী/ধফফড়হ/১৩৬৬০ থেকে ইনস্টল করে ফায়ারফক্স রিস্টার্ট করে নিন। সাধারণত ইংরেজী ভাষাকে স্পেল চেকার হিসাবে ডিফল্ট ভাবে দেয়া থাকে, বাংলা ভাষাকে ডিফল্ট দিলে ইনপুট বক্সে বাংলা লিখে দিলে ভুল বানানের নিচে লাল আন্ডারলাইন দেখা যাবে। বানানটি সংশোধন করতে শব্দটির উপরে মাউসের ডান বাটন ক্লিক করলে উপরে কিছু বানানের সাজেশন দেবে পছন্দেরটিতে ক্লিক করলেই হবে।

ডাউনলোড ম্যানেজার: মজিলা ফায়ারফক্সে নিজস্ব ডাউনলোড ব্যবস্থা থাকলেও ‘ডাউন দেম অল’ অ্যাড-অন্স ব্যবহার করে ফায়ারফক্সের নিজস্ব ডাউনলোড ম্যানেজার থেকেও অনেক বেশি গতিতে ডাউনলোড করা সম্ভব। অ্যাড-অন্সটি যঃঃঢ়ং://ধফফড়হং.সড়ুরষষধ.ড়ৎম/বহ-টঝ/ভরৎবভড়ী/ধফফড়হ/২০১ ঠিকানা থেকে ইনষ্টল করতে পারবেন। এটি ফায়ারফক্সের সকল সংস্করণ সমর্থন করে। ফায়ারফক্সে ব্রাউজ করার সময় যেকোন লিংকে মাউসের ডান বাটন ক্লিক করলেই ডাউনলোড করার অপশন পাওয়া যাবে।

ইউটিউবের ভিডিও ও লিরিক দেখা: ইউটিউবের ভিডিও দেখার পাশাপাশি লিরিক দেখতে রয়েছে অ্যাড-অন্স। গ্রিয়েসমানকি (এৎবধংবসড়হশবু) নামের অ্যাড-অন্সটি দিয়ে ইউটিউবের যেকোন ভিডিও এবং ভিডিওটির লিরিক দেখা যাবে ভিডিওর ডানপাশের সাইডবারে। অ্যাড-অন্সটি যঃঃঢ়ং://ধফফড়হং.সড়ুরষষধ.ড়ৎম/বহ-টঝ/ভরৎবভড়ী/ধফফড়হ/মৎবধংবসড়হশবু/ ঠিকানা থেকে ডাউনলোড করা যাবে।

থিম পরিবর্তন: ইচ্ছে করলে বিভিন্ন থিম ব্যবহার করা যাবে মজিলা ফায়ারফক্স ব্রাউজারে। থিম পরিবর্তনের জন্য যঃঃঢ়://িি.িমবঃঢ়বৎংড়হধং.পড়স/বহ-টঝ/ ঠিকানা থেকে অ্যাড-অন্সটি ইনস্টল করে আপনার পছন্দের থিম নির্বাচন করে নিতে পারবেন।

কথা বলা: মজিলা ফায়ারফক্স লেখাকে শব্দ হিসেবে পড়ে শোনানো যায়। শব্দকে পড়ে শোনানোর জন্য অ্যাড-অন্সটি যঃঃঢ়ং://ধফফড়হং.সড়ুরষষধ.ড়ৎম/বহ-টঝ/ভরৎবভড়ী/ধফফড়হ/৩৫৫২ ঠিকানা থেকে ডাউনলোড করে নিন। এরপর ইনস্টল করে ফায়ারফক্স রিস্টার্ট করুন। এবার যে কোন লেখা (ইংরেজি) নির্বাচন করুন। এরপর লেখার উপর মাউসের রাইট বাটন ক্লিক করুন। মেনু থেকে ঝধু ওঃ ক্লিক করুন। এখন শুনুন আপনার ব্রাউজারটি লেখাকে পড়ে শোনাচ্ছে।
মাউস ছাড়া ফায়ারফক্স ব্রাউজ: মাউস ছাড়াই ফায়ারফক্স ব্যবহার সম্ভব একটি অ্যাড-অন্স ব্যবহারের মাধ্যমে। এ জন্য প্রথমে অ্যাড-অন্সটি যঃঃঢ়ং://ধফফড়হং.সড়ুরষষধ.ড়ৎম/বহ-টঝ/ভরৎবভড়ী/ধফফড়হ/৮৭৯
ঠিকানা থেকে ডাউনলোড করে ইন্সটল করুন। এবার ফায়ারফক্স রিস্টার্ট করুন। এখন দেখা যাবে প্রত্যেকটি লিংকের সাথে একটি করে সংখ্যাও এসেছে। উক্ত লিংকে যেতে একই উইন্ডোতে ঈঃৎষ+ উক্ত সংখ্যা, নতুন ট্যাবে যেতে অষঃ+ উক্ত সংখ্যা, অষঃ+ঈঃৎষ+ উক্ত সংখ্যা চাপুন নতুন উইন্ডোতে যেতে।

ফায়ারফক্সে নিজের ছবি: ফায়ারফক্স খুললে সাধারণত সাদা একটি পৃষ্ঠা আসে। এখানে ইচ্ছে করলে আপনার ছবি দিতে পারবেন। এ জন্য অ্যাড-অন্সটি যঃঃঢ়ং://ধফফড়হং.সড়ুরষষধ.ড়ৎম/বহ-টঝ/ভরৎবভড়ী/ধফফড়হ/১০৫৫০ ঠিকানা থেকে ডাউনলোড করে ইন্সটল করুন এবং ফায়ারফক্স রিস্টার্ট করুন। এখন নিচের দিকে স্ট্যাটাস বারের ডানদিকে একটি সবুজ আইকন দেখা যাবে। এখানে মাউসের ডান বাটন ক্লিক করুন। মেনু থেকে ইৎড়ংিবৎ ইধপশমৎড়ঁহফং এ ক্লিক করুন। ঋরৎবভড়ী, গড়ারব, এবহবৎরপ এর মধ্যে যে ছবিগুলো আছে সেগুলো মুছে দিন। এবার ঘবি ঈড়ষষবপঃরড়হ এ ক্লিক করুন। এবার অফফ বাটনে ক্লিক করে ছবি আনুন ইচ্ছা মতো। এখন থেকে ফায়ারফক্স খুললে আপনার ছবিগুলো দেখাবে, একাধিক ছবি থাকলে একটার পর আরেকটা আসবে। ছবি এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় নিতে ঈঃৎষ চেপে টেনে আনুন। আরো বিস্তারিত জানা যাবে িি.িনৎড়ংিবৎনধপশমৎড়ঁহফং.পড়স/ননবীঃথযড়ঃিড়ঁংব.ঢ়যঢ় ঠিকানায়।

ডাউনলোড শেষে বন্ধ হবে কম্পিউটার: প্রায়ই বিভিন্ন ফাইল ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড করার প্রয়োজন পড়ে। এসব ক্ষেত্রে বড় ফাইলগুলো ডাউনলোড করতে অনেক সময়ের প্রয়োজন হয়। তাই বেশীরভাগ সময় অনেকেই বড় ডাউনলোডের কাজগুলো রাতে করে থাকেন। তবে ঠিক কত সময় ধরে ডাউনলোড শেষ হবে তা ঠিক করা সমস্যাই বটে। ফায়ারফক্স ব্যবহার করে সহজেই এর সমাধান পাওয়া সম্ভব। এর ফলে ডাউনলোড শেষ হয়ে গেলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কম্পিউটার বন্ধ হয়ে যাবে। এর জন্য অ্যাড-অন্সটি যঃঃঢ়ং://ধফফড়হং.সড়ুরষষধ.ড়ৎম/বহ-টঝ/ভরৎবভড়ী/ধফফড়হ/৫৪৫২ ঠিকানা থেকে ডাউনলোড করে ইনস্টল করে নিন। এবার ফায়ারফক্স রিস্টার্ট দিন। স্টাট্যাস বারের নিচের দিকে একটি অটো-শার্ট ডাউন আইকন দেখা যাবে। এখানে ক্লিক করলে অটো শাটডাউন চালু হবে, এতে চলতি ফাইল ডাউনলোড শেষ হলে কম্পিউটার বন্ধ হয়ে যাবে। কোন অপশনের পরিবর্তন আনতে চাইলে মেনু থেকে ঙঢ়ঃরড়হং এ গিয়ে পরিবর্তন করা যাবে। অটো শাটডাউন বন্ধ করতে উক্ত আইকনের উপর ক্লিক করুন।

ক্রিকেটের স্কোর দেখা: ক্রিকেট খেলার চলতি স্কোর বিভিন্ন ওয়েব সাইট থেকে দেখা যায়। কিন্তু কোন ওয়েব সাইটে না ঢুকেই যদি ফায়ারফক্সের স্ট্যাটসবারে ক্রিকেটের চলতি স্কোর দেখতে চাইলে স্কোরওয়াচ নামের একটি অ্যাড-অন্স ইনস্টল করে এই সেবা পাওয়া যায়। এজন্য যঃঃঢ়ং://ধফফড়হং.সড়ুরষষধ.ড়ৎম/বহ-টঝ/ভরৎবভড়ী/ধফফড়হ/৪৬৯৯ থেকে অ্যাড-অন্সটি ইনস্টল করে ফায়ারফক্স রিস্টার্ট করুন। এখন স্ট্যটাসবারের ডানে স্কোর আসবে। এখানে ক্লিক করে স্কোরওয়াচ মেনু থেকে চলতি সকল খেলার স্কোর দেখা যাবে তবে স্ট্যটাসবারে যে খেলাটির স্কোর দেখতে চান গধঃপয খরংঃ থেকে সেটির উপরে ক্লিক করলে সেই খেলাটির স্কোর স্ট্যটাসবারে প্রদর্শন করবে এবং নিয়মিত হালনাগাদ হবে। এছাড়াও চৎবভবৎবহপব এ ক্লিক করে কত সময় পর পর হালনাগাদ করতে চান তা নির্ধারণ করে দিতে পারেন এবং ডরপশবঃ অষবৎঃ ও নির্বাচন করতে পারেন। ডিফল্ট হিসাবে ক্রিকইনফোর (িি.িপৎরপরহভড়.পড়স) স্কোর দেখায়। স্কোর সোর্স পরিবর্তন করতে পারেন স্কোরওয়াচ মেনুর ঝড়ঁৎপব এর ড্রপডাউন মেনু থেকে পরিবর্তন করলেই হবে। আর কোন চলতি খেলার পূর্ণাঙ্গ স্কোর দেখতে স্কোরওয়াচ মেনুর উক্ত খেলার ডানের ঋঁষষ ংপড়ৎবপধৎফ বাটনে ক্লিক করলেই পেজটি খুলবে।

ওয়েব ব্রাউজারেই পিডিএফ ফাইল পড়া: সাধারণত কোন পিডিএফ রিডার সফটওয়্যার ইনস্টল দেওয়া না থাকলে পিডিএফ ফাইল পড়া যায় না। অনলাইনের কোন পিডিএফ ফাইল পড়তে হলে তাই বেশ ঝামেলায় পড়তে হয়। যদিও অনলাইনেই কিছু কিছু সাইটে পিডিএফ ফাইল পড়া যায়। তবে ফায়ারফক্স ব্যবহারকারীরা চাইলে মচউঋ নামের একটি অ্যাড-অন্স ইনস্টল করেই গুগল ডক্স ভিউয়ারের সাহায্যে পিডিএফ ফাইল পড়তে পারেন। ফায়ারফক্সের জন্য অ্যাড-অন্সটি যঃঃঢ়ং://ধফফড়হং.সড়ুরষষধ.ড়ৎম/বহ-টঝ/ভরৎবভড়ী/ধফফড়হ/১৪৮১৪ থেকে থেকে ইনস্টল করে নিন। এবার যে কোন ওয়েব সাইটের পিডিএফ লিংকে ক্লিক করলে তা সয়ংক্রিয়ভাবে গুগল ডক্স ভিউয়ারে লোড হবে এবং দেখা যাবে।

ওয়েবপেজকে পিডিএফ বানানো: বিভিন্ন কারনে ওয়েবপেজকে পিডিএফ বা ইমেজ (ছবি) হিসাবে সেভ করার প্রয়োজন হয়। এমন অনেক সফটওয়্যার আছে যার দ্বারা ওয়েবপেজকে পিডিএফ বানানো যায়। তবে এর মধ্যে মজিলা ফায়ারফক্সের পিডিএফ ইট অ্যাড-অন্স দ্বারা সহজেই যেকোন ওয়েবপেজের সম্পূর্ণ বা দৃশ্যমান অংশকে পিডিএফ বা ইমেজ (ঔচঊএ/চঘএ) ফাইলে সেভ করা যায়। এজন্য যঃঃঢ়ং://ধফফড়হং.সড়ুরষষধ.ড়ৎম/বহ-টঝ/ভরৎবভড়ী/ধফফড়হ/৭৫২৮ থেকে অ্যাড-অন্সটি ইনস্টল করে ফায়ারফক্স রিস্টার্ট করুন। এবার যে ওয়েবপেজটি পিডিএফ করতে চান সেই ট্যাবে এসে ঞড়ড়ষং মেনু থেকে চফভ ওঃ!>ঝধাব অং চউঋ এ ক্লিক করে সম্পূর্ণ বা দৃশ্যমান অংশকে পিডিএফ করবেন তা নিবার্চন করে সেভ করলেই হবে। একইভাবে ইমেজ হিসেবেও সেভ করা যাবে। শটকার্টের মাধ্যমেও সেভ করা যাবে। আর কোন সেটিং পরিবর্তন করতে চাইলে ঞড়ড়ষং>চফভ ওঃ!>ঙঢ়ঃরড়হং গিয়ে করতে পারেন।

ফায়ারফক্সে টিভি দেখা : ফায়ারফক্স ব্যবহারকারীরা ইচ্ছে করলে ব্রাউজার থেকে সহজেই টিভি দেখতে পারেন। এজন্য ‘টিভি ফক্স’ নামের অ্যাড-অন্সটি ব্রাউজারে ইনস্টল করে নিতে হবে। এর মাধ্যমে দুই হাজার ৭৮০ হাজার টিভি চ্যানেল অনলাইনে সরাসরি দেখা যাবে। অ্যাড-অন্সটি যঃঃঢ়://ধফফড়হং.সড়ুরষষধ.ড়ৎম/বহ-টঝ/ভরৎবভড়ী/ধফফড়হ/১১২০০/ ঠিকানা থেকে ডাউনলোড করে ইনস্টল করে নিন। এখন ফায়ারফক্স রির্স্টাট করুন। দেখুন ব্রাউজারের অ্যাড্রেস বারের নিচে সবুজ ও নীল রঙের টিভির দুটি আইকন এসেছে। নীল রংয়ের টিভির আইকনটিতে ইংরেজি বর্ণমালা অনুযায়ী পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের নাম রয়েছে। এখান থেকে আপনি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের টিভি চ্যানেল দেখতে পারবেন। সবুজ রঙের টিভির আইকনে বিনোদন, খেলা, সিনেমা, সংগীত, সংবাদ ইত্যাদি বিভিন্ন ক্যাটাগরি অনুযায়ী টিভি চ্যানেল রয়েছে। এখান থেকে পছন্দের ক্যাটাগরির টিভি চ্যানেল দেখতে পারবেন।

ফাইল ডাউনলোডের সময় জেনে নিন : নানা কারণে ইন্টারনেট থেকে আমাদের বিভিন্ন প্রকার ফাইল ডাউনলোড করতে হয়। কিন্তু অনেক সময় বোঝা যায় না যে কোন ফাইল নামাতে কত সময় লাগবে, ফাইলটির প্রকৃত সাইজ কত ইত্যাদি। ফায়ারফক্সে ‘ডাউনলোড স্ট্যাটাসবার’ নামের অ্যাড-অন্সের সাহায্যে সহজেই ডাউনলোডের বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে। অ্যাড-অন্সটি যঃঃঢ়ং://ধফফড়হং.সড়ুরষষধ.ড়ৎম/বহ-টঝ/ভরৎবভড়ী/ধফফড়হ/২৬/ ঠিকানা থেকে ডাউনলোড করে ইনস্টল করে নিন। এখন ফায়ারফক্স রির্স্টাট করুন। এরপর থেকে ফায়ারফক্স থেকে কোনো ফাইল ডাউনলোড করলে ব্রাউজারের নিচে বা পাশে ফড়হিষড়ধফ ংঃধঃঁংনধৎ নামে একটি অপশন পাবেন। ওই অপশনে মাউস রাখলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেখা যাবে ফাইল নামানোর জন্য কতটুকু সময় লাগবে, ফাইলটির প্রকৃত সাইজ কত ইত্যাদি।

থ্রিডি ট্যাব দিয়ে ফায়ারফক্স সাজান: ফায়ারফক্সকে বিভিন্ন ধরনের অ্যাড-অন্স দিয়ে নিজের মতো করে সাজানো যায়। এ রকম একটি প্রোগ্রাম হচ্ছে থ্রিডি ট্যাব ব্রাউজিং। এটি দিয়ে একই সঙ্গে টপ সাইটগুলো আলাদাভাবে বুকমার্ক করা যাবে এবং সাম্প্রতিক বন্ধ করা সাইটগুলো ও বর্তমান খোলা সাইটগুলো থ্রিডি আকারে দেখা যাবে। যে সাইটটি খোলা দরকার তাতে ক্লিক করলেই সেই সাইটে প্রবেশ করবে। এতে পছন্দমতো থিম এবং থ্রিডি স্টাইল ব্যবহার করা যায়। অ্যাড-অন্সটি যঃঃঢ়ং://ধফফড়হং.সড়ুরষষধ.ড়ৎম/বহ-টঝ/ভরৎবভড়ী/ধফফড়হ/৮৮৭৯/ ঠিকানা থেকে ডাউনলোড করে ইন্সটল করে নিন। এখন ফায়ারফক্স রিস্টার্ট করুন। দেখুন হোম মেনু আইকনের পাশে একটি নতুন আইকন এসেছে। তাতে ক্লিক করুন। এবার ডান পাশে ওপরের দিকের আইকন থেকে থিম ও স্টাইল পছন্দ করে নিন এবং আপনার পছন্দের সাইটগুলো অ্যাড করুন।

ছবি আপলোড করুন: ছবি শেয়ার করা বা সংরক্ষণ করার জন্য অনেকেই ছবি হোস্টিং করার ওয়েবসাইটে ছবি আপলোড করে থাকেন। জনপ্রিয় ফ্রি ছবি হোস্টিং সাইট ইমেজশ্যাকে ছবি আপলোড করা যায় রেজিস্ট্রেশন করে অথবা রেজিস্ট্রেশন ছাড়াও। তবে রেজিস্ট্রেশন করার সুবিধা হচ্ছে পরবর্তীতে ছবির নিয়ন্ত্রণ করা যায়। ইমেজশ্যাকে ছবি আপলোড করার দারুণ একটি অ্যাড-অন্স হচ্ছে রিহোস্ট ইমেজ। এই অ্যাড-অন্স দ্বারা ফায়ারফক্স থেকে এক ক্লিকেই ছবি আপলোড করা যায়। এজন্য যঃঃঢ়ং://ধফফড়হং.সড়ুরষষধ.ড়ৎম/বহ-টঝ/ভরৎবভড়ী/ধফফড়হ/৯২২১/ থেকে অ্যাড-অন্সটি ডাউনলোড করে ইনস্টল করে ফায়ারফক্স রিস্টার্ট করুন। এবার যে ছবিটি আপলোড করতে চান সেটি ফায়ারফক্সে খুলে অথবা অন্য কোন ওয়েব সাইটের ছবির উপরে মাউসের ডান বাটন ক্লিক করে জবযড়ংঃ ওসধমব ধহফ ঈড়ঢ়ু ঃড় ঈষরঢ়নড়ধৎফ এ ক্লিক করুন তাহলে কিছুক্ষণের মধ্যে ছবিটি আপলোড হয়ে যাবে যা স্টাটাস বারে দেখাবে। ডিফল্টভাবে ছবিটি ইমেজশ্যাকে রেজিস্ট্রেশন বিহীন আপলোড হবে। ইমেজশ্যাকের নিজের একাউন্টে বা অন্য কোন এফটিপি সার্ভারেও ছবি আপলোড করা যাবে। এফটিপি সার্ভারে ছবি আপলোড করার জন্য এ্যাড-অন্সের জবযড়ংঃ ওসধমব এর অপশনে গিয়ে টঢ়ষড়ধফ ঃড় এর ড্রপ-ডাউনে ঋঞচ নির্বাচন করে নিচে এফটিপির তথ্য দিয়ে ঙশ করুন। ইমেজশ্যাকের নিজের একাউন্টে আপলোড করতে টঢ়ষড়ধফ ঃড় এ ওসধমবঝযধপশ নির্বাচিত রেখে নিচের টঢ়ষড়ধফ ঃড় ুড়ঁৎ ধপপড়ঁহঃ রেডিও বাটন নির্বাচন করে জবমরংঃৎধঃরড়হ পড়ফব এ একাউন্টের প্রোফাইল থেকে প্রাপ্ত রেজিষ্ট্রেশন কোড বসিয়ে ঙশ করুন। এছাড়াও আপলোডের সময় ছবি রিসাইজ করা, রিনেম করা, আপলোডকৃত ছবির লিংকের হিস্টোরি দেখা ইত্যাদি সুবিধাও আছে।
ফায়ারফক্সের রয়েছে অসংখ্য অ্যাড-অন্স। অ্যাড-অন্সের বিশার ভান্ডার পাবেন যঃঃঢ়ং://ধফফড়হং.সড়ুরষষধ.ড়ৎম/বহ-টঝ/ভরৎবভড়ী/ ঠিকানার ওয়েবসাইটে।

ফায়ার ফক্সের কিছু প্রয়োজনীয় টিপস
মজিলা-ফায়ারফক্স ব্যবহারকারীরা অ্যাড-অন্স ইনস্টল করে থাকেন নানা কারনে। কিন্তু ফায়ারফক্সেই এর কনফিগারেশন পরিবর্তন করার অপশন রয়েছে। এটি ব্যবহার করেও অনেক সুবিধা পাওয়া সম্ভব। এটি পরিবর্তন করা যায় ধনড়ঁঃ:পড়হভরম থেকে। ফায়ারফক্সের ওয়েবসাইটের অ্যাড্রেস লেখার জায়গায় গিয়ে ধনড়ঁঃ:পড়হভরম লিখে এন্টার দিলে আসবে সতর্কতা মূলক একটি বার্তা। তখন ও’ষষ নব পধৎবভঁষষ, ও ঢ়ৎড়সরংব! লেখা বাটনটি ক্লিক করলে পাওয়া যাবে এর বিশাল কনফিগারেশন তালিকা। এর মধ্যে প্রয়োজনীয় যে যে বিষয় গুলো পরিবর্তন করতে চান তা ঋরষঃবৎ লেখার লেখাটির পাশের খালি জায়গায় লিখতে হবে। ফায়ারফক্সের প্রয়োজনীয় কিছু কনফিগারেশন হচ্ছে-

লোকেশন বারের সাজেশনের সংখ্যা পরিবর্তন করা : লোকেশন বারে কোন ওয়েবসাইটের ঠিকানা লেখার সময় নিচে একটি সাজেশন লিস্ট ওপেন হয়। সেখানে সাধারণত ১২ টি সাজেশন থাকে। প্রয়োজন অনুযায়ী এটা পরিবর্তন করা যায়। এ জন্য নৎড়ংিবৎ.ঁৎষনধৎ.সধীজরপযজবংঁষঃং লিখুন। এতে ডিফল্ট ১২ থাকে। এখন পরিবর্তন করে যতগুলো দেখতে চান সেই সংখ্যা লিখলেই হবে। সাজেশন বন্ধ করতে চাইলে -১ লিখতে হবে।

সেশন রি-স্টোর বন্ধ করা: ফায়ারফক্স প্রতি ১০ সেকেন্ড পর পর সেশন সেভ করে, ফলে হঠাৎ বন্ধ করলে বা ক্র্যাশ করলে তা রি-স্টোর করা যায়। চাইলে এটি বন্ধ করা যাবে। বন্ধ করতে নৎড়ংিবৎ.ংবংংরড়হংঃড়ৎব.বহধনষবফ লিখুন। এতে ডিফল্ট থাকে ঞৎঁব, এখন বন্ধ করতে চাইলে ঋধষংব লিখলে বন্ধ হয়ে যাবে।

সেশন রি-স্টোর অ্যাডজাস্ট করা: সেশন রি-স্টোর যেমন বন্ধ করা যাবে, তেমনই এটি কতক্ষণ পর পর সেভ করবে তাও ঠিক করে দেয়া যায়। এ জন্য নৎড়ংিবৎ.ংবংংরড়হংঃড়ৎব.রহঃবৎাধষ লিখুন। ডিফল্ট ভাবে ১০০০০ (মাইক্রো সেকেন্ডে দেয়া, ১০০০০ মানে ১০ সেকেন্ড) থাকে তা পরিবর্তন করে ১০০০ মানে ১ সেকেন্ড, ৬০০০০ দিলে ১ মিনিট পর পর সেভ হবে।

অ্যাডভান্স কালার প্রোফাইল সাপোর্ট: এটি এমন একটি সুবিধা যার মাধ্যমে ফায়ারফক্সে ছবি আরও ভালো কোয়ালিটিতে দেখা যাবে। এই সুবিধাটা বন্ধ করা থাকে, কারন এর ফলে ব্রাউজার ধীরে ওপেন হতে পারে। তবে দরকার মনে করলে এটি চালু করে নেয়া যাবে। এ জন্য মভী.পড়ষড়ৎথসধহধমবসবহঃ.বহধনষবফ লিখুন। ডিফল্ট থাকে ঋধষংব পরিবর্তন করে ঞৎঁব দিলে কালার প্রোফাইল সাপোর্ট অন হবে।

ট্যাব স্ক্রল কনফিগার করা: অনেকগুলা ট্যাব ওপেন করতে থাকলে ফায়ারফক্সে ট্যাব গুলার আকার (১০০ঢ়ী) হবার পর ট্যাবগুলো পর পর ওপেন হতে থাকে। এতে স্ক্রল করে ট্যাবগুলা দেখতে হয়। ট্যাবের আকার কমিয়ে দিলে আগের চাইতে বেশি ট্যাব ওপেন হবার পর স্ক্রল করতে হবে। উদাহারন হিসাবে ৭০ দেয়া যাবে। এজন্য নৎড়ংিবৎ.ঃধনং.ঃধনগরহডরফঃয লিখুন। ডিফল্ট ভাবে ১০০ দেয়া থাকে। এটি পরিবর্তন করে ০ দিলে বন্ধ হবে। এছাড়া অন্য যে নম্বর দেয়া হবে সেটি সেট হবে।

ট্যাব এর ঈষড়ংব বাটন দেখা/ বন্ধ কর: ফায়ারফক্সে প্রতিটি ট্যাবে ঈষড়ংব বাটন থাকে। এর ফলে অনেকের কাজ করতে অসুবিধা হতে পারে। এটি পরিবর্তন করা যায়। এ জন্য নৎড়ংিবৎ.ঃধনং.পষড়ংবইঁঃঃড়হং লিখতে হবে। ডিফল্ট ভাবে থাকে ১। পরিবর্তন করতে চাইলে ০ (অ্যাকটিভ ট্যাব-এ ঈষড়ংব বাটন থাকবে), ১ (সবগুলা ট্যাব-এ ঈষড়ংব বাটন থাকবে), ২ (কোথাও কোন ঈষড়ংব বাটন থাকবে না), ৩ (একেবারে শেষ প্রান্তে একটা ঈষড়ংব বাটন থাকবে)।

বানান পরীক্ষা করা: সাধারণত একের বেশি লাইন লেখার অপশন থাকলেই কেবল বানান চেক করা যায় তবে এটি পরিবর্তন করা যায়। এ জন্য ষধুড়ঁঃ.ংঢ়বষষপযবপশউবভধঁষঃ লিখতে হবে। এতে ডিফল্টভাবে ১ (একের বেশি লাইনে বানান চেক করবে) থাকে। এটি পরিবর্তন করে ০ (কখনোই বানান চেক করবে না), ২ (সকল টেক্সট বক্সে বানান চেক করবে)।

সার্চ বক্সের ফলাফল নতুন ট্যাবে খুলবে: ব্রাউজারের উপরের ডান দিকে যে সার্চ বক্স রয়েছে সেখানে কিছু সার্চ করলে ফলাফল ঐ ট্যাবেই দেখা যায় তবে এটি পরিবর্তন করলে ফলাফল গুলো নতুন ট্যাবে দেখাবে। এ জন্য নৎড়ংিবৎ.ংবধৎপয.ড়ঢ়বহরহঃধন লিখতে হবে। ডিফল্ট থাকে ঋধষংব পরিবর্তন করে দিন ঞৎঁব। এতে ফলাফল নতুন ট্যাবে ওপেন হবে।

ক্যাশ মেমোরির পরিমাণ বাড়িয়ে নিন: যখন কোন পেজ ওপেন হয় তখন তা হার্ডডিস্কে ক্যাশ হিসাবে জমা থাকে। ফলে পরবর্তীতে উক্ত পেজ ওপেন করতে হলে ক্যাশ থেকে দ্রুত ওপেন হয়। ফায়ারফক্সের জন্য এটি ৫ মেগাবাইট থাকে। চাইলে বাড়ানো যাবে, তখন বেশি পেজ সেভ থাকবে। ক্যাশ বাড়াতে হলে নৎড়ংিবৎ.পধপযব.ফরংশ.বহধনষব এটি ঞৎঁব থাকতে হবে। এ জন্য নৎড়ংিবৎ.পধপযব.ফরংশ.পধঢ়ধপরঃু লিখুন। ডিফল্ট থাকে ৫০০০ পরিবর্তন করে দিতে হবে ৫০০১ (ক্যাশ বাড়বে), ৪৯৯৯ (ক্যাশ কমবে)।

অটোফিল টজখ : কোন অ্যাড্রেস লেখা শুরু করলে এর বাকি অংশটুকু লেখা হয়ে যাবে। এ জন্য নৎড়ংিবৎ.ঁৎষনধৎ.ধঁঃড়ভরষষ লিখুন। ডিফল্ট থাকে ঋধষংব পরিবর্তন করে দিন ঞৎঁব (টজখ অটোফিল হবে)।

সকল ক্ষেত্রে একই জুম লেভেল: ফায়ারফক্সে ওয়েবপেজ গুলো জুম করে দেখা যায়। সব পেজ-ই সমান জুম ব্যবহার করা সম্ভব। এ জন্য নৎড়ংিবৎ.ুড়ড়স.ংরঃবঝঢ়বপরভরপ লিখুন। ডিফল্ট থাকে ঞৎঁব পরিবর্তন করে লিখুন ঋধষংব (সব ওয়েবসাইটের সমান জুম প্রিফারেন্স)।

অ্যাড-অন্স ইনস্টলের সময় ডিলে টাইম বন্ধ করা: প্রতিবার অ্যাড-অন্স ইনস্টল করার সময় কয়েক সেকেন্ড করে অপেক্ষা করতে হয়। ডিলে টাইম বন্ধ করতে ংবপঁৎরঃু.ফরধষড়মথবহধনষবথফবষধু লিখুন। ডিফল্ট থাকে ২০০০ (সংবপ) পরিবর্তন করে ০ দিন (সাথে সাথে ইনস্টল শুরু হবে)।
অনেকই নতুন ফায়ারফক্স ইনস্টল করে অ্যাড-অন্স সমস্যায় পড়েন। দেখা যায় পুরাতন কিছু অ্যাড-অন্স সমর্থন করে না। কিন্তু ফায়ারফক্সের এক্সটেনশন চেকিং বন্ধ করে রাখলে পুরাতন অ্যাড-অন্স ব্যবহার করা যাবে। এজন্য নতুন ট্যাবে গিয়ে ধনড়ঁঃ:পড়হভরম লিখে এন্টার করে এবং ও’ষষ পধৎবভঁষষ, ও ঢ়ৎড়সরংব! বাটনে ক্লিক করুন। এবার যে কোন জায়গায় মাউসের ডান বাটন ক্লিক করে পপআপ মেনু থেকে ঘবি এ ক্লিক করে ইড়ড়ষবধহ এ ক্লিক করুন। এবার ঘবি নড়ড়ষবধহ াধষঁব তে বীঃবহংরড়হং.পযবপশঈড়সঢ়ধঃরনরষরঃু লিখে এন্টার করুন এবং ভধষংব নির্বাচন করে ওকে করুন। এবার কাঙ্খিত অ্যাড-অন্সটি ইনস্টল করে ফায়ারফক্স রিস্টার্ট করুন। যদি অ্যাড-অন্সের সাইট থেকে সরাসরি অ্যাড-অন্সটি ইনস্টল করা না যায় তাহলে অন্য ব্রাউজার দ্বারা অ্যাড-অন্সটি ডাউনলোড করে ইনস্টল করুন।

ফায়ারফক্সের গতি বাড়াতে
ক্স লিখুন হবঃড়িৎশ.যঃঃঢ়.ঢ়রঢ়বষরহরহম। ডিফল্ট থাকে ঋধষংব পরিবর্তন করে দিন ঞৎঁব।
ক্স লিখুন হবঃড়িৎশ.যঃঃঢ়.ঢ়ৎড়ীু.ঢ়রঢ়বষরহরহম। ডিফল্ট থাকে ঋধষংব পরিবর্তন করে দিন ঞৎঁব।
ক্স লিখুন হবঃড়িৎশ.যঃঃঢ়.ঢ়রঢ়বষরহরহম.সধীৎবয়ঁবংঃং। ডিফল্ট ভাবে থাকে ৪ পরিবর্তন করে দিন ৪ থেকে বেশি কিন্তু ৮ থেকে কম কোন নম্বর।
ক্স লিখুন হবঃড়িৎশ.যঃঃঢ়.সধী-পড়হহবপঃরড়হং। ডিফল্ট ভাবে থাকে ৩০ পরিবর্তন করে দিন ৯৬।
ক্স লিখুন হবঃড়িৎশ.যঃঃঢ়.সধী-পড়হহবপঃরড়হং-ঢ়বৎ-ংবৎাবৎ। ডিফল্ট ভাবে থাকে ১৫ পরিবর্তন করে দিন ৩২।
ফায়ারফক্সের কিছু শর্টকার্ট
ফায়ারফক্সের কিছু কীবোর্ড শর্টকাট ব্যবহারের মাধ্যমে ব্রাউজিংকে অনেক গতিশীল এবং স্বাচ্ছ্যন্দময় করে তোলা সম্ভব। উল্লেখযোগ্য কিছু শর্টকার্ট কী হচ্ছে-
ক্স ঝঢ়ধপবনধৎ -পৃষ্ঠার নিচে যাওয়া
ক্স ঝযরভঃ-ঝঢ়ধপবনধৎ -পৃষ্ঠার উপরে যাওয়া
ক্স ঈঃৎষ+ঋ – খোঁজা
ক্স অষঃ-ঘ – পরবর্তী মিল খোঁজা
ক্স ঈঃৎষ+উ – পৃষ্ঠা চিহ্নিত করা
ক্স ঈঃৎষ+ঞ – নতুন ট্যাব খোলা
ক্স ঈঃৎষ+ক – সার্চ বক্সে যাওয়া
ক্স ঈঃৎষ+খ – অ্যাড্রেস বারে যাওয়া
ক্স ঈঃৎষ+ – লেখার আকার বড় করা
ক্স ঈঃৎষ+- লেখার আকার ছোট করা
ক্স ঈঃৎষ+ড – ট্যাব বন্ধ করা
ক্স ঋ৫ – রিলোড
ক্স অষঃ+ঐড়সব – হোম পেইজে গমন
ক্স ঈঃৎষ + খ — এড্রেস বারে যেতে
ক্স ঈঃৎষ + চ — বর্তমান পেইজটি প্রিন্ট করতে
ক্স ঈঃৎষ + ঐ — আপনার ব্রাউজিং হিস্টোরী) দেখতে
ক্স ঈঃৎষ + ড — বর্তমান ট্যাবটি বন্ধ করতে
ক্স ঈঃৎষ + ঞধন — পরবর্তী ট্যাবে স্থানান্তরিত হওয়ার জন্য
ক্স ঈঃৎষ + ঝযভঃ + ঞধন — পূর্বের ট্যাবে ফিরে যাওয়ার জন্য
ক্স ঈঃৎষ + ১-৯ — সংখ্যা নির্বাচনের মাধ্যমে সরাসরি নির্দিষ্ট সংখ্যার ট্যাবে যাওয়ার জন্য
ক্স ঈঃৎষ + ই — বুকমার্ক কলাম খুলতে
ক্স ঈঃৎষ + ও — বুকমার্ক কলাম বন্ধ করতে
ভিএলসি (ঠখঈ)
ভিএলসি একটি মুক্ত মিডিয়া প্লেয়ার এবং মাল্টিমিডিয়া ফ্রেমওয়ার্ক। এটি পোর্টেবল মিডিয়া প্লেয়ার হিসাবেও ব্যবহার করা যায়। ডিভিডি, ভিসিডি বিভিন্ন স্ট্রিমিং মিডিয়াসহ প্রায় সকল অডিও এবং ভিডিও ফাইল ফরম্যাট সমর্থন করে। এছাড়া নেটওয়ার্কে স্ট্রিমিং এবং মিডিয়া ফাইলের ফরম্যাট পরিবর্তন করার কাজটি করা যায় এই সফটওয়্যার ব্যবহার করে। মাইক্রোসফট উইন্ডোজ, ম্যাক, লিনাক্স, বিএসডি, সোলারিস, আইওএস সহ প্রচলিত প্রায় সকল ওএস উপযোগী সংস্করণ পাওয়া যায়। ভিএলসি মিডিয়া প্লেয়ার একটি ওপেন সোর্স প্রজেক্ট। খুবই সাধারণ চেহারার এই মিডিয়া প্লেয়ারে রয়েছে দারুণ সব বৈশিষ্ট্য। এই মিডিয়া প্লেয়ারটি বলতে গেলে সব ধরণের মিডিয়াই চালাতে পারে। এটি ভিডিও ল্যানের অন্তর্গত একটি প্রজেক্ট যা স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রমের মাধ্যমে পরিচালিত। এটি সম্পূর্ণ নিজস্ব কোডেক দ্বারা চলে। ল্যানের মিডিয়া দেখতে সফটওয়্যারটির জুড়ি নেই। ইচ্ছে করলে ওয়েবসাইট থেকে স্কিন ডাউনলোড করে এর চেহারা পাল্টে দেয়া যায়। অন্যান্য মিডিয়া প্লেয়ারগুলোর বড় একটা সমস্যা হচ্ছে এগুলো নিজস্ব কোডেক ব্যবহার করে না, ফলে মাঝেমাঝেই সমস্যা হয়। ভিএলসির ক্ষেত্রে এই সমস্যা নেই বললেই চলে। ভিএলসি প্লেয়ার কেবল একটি অন্যতম জনপ্রিয় মিডিয়া প্লেয়ারই নয়, এটি সেরা ওপেনসোর্স সফটওয়্যার গুলোর একটি। সহজবোধ্য ইন্টারফেস এবং সহজে স্মরণযোগ্য শর্টকাট, সেই সঙ্গে মানসম্পন্ন উপস্থাপনা ভিএলসি প্লেয়ারের বৈশিষ্ট্য। বিশেষ করে ৩এচ, গচ৪, গঙঠ, ঋখঠ, অঝঋ, অঠও, ডগঠ, ডগঅ, অঅঈ, অঠও, গওউও, ঝঠঈউ এ ধরনের ফরম্যাটগুলো সাধারণ মিডিয়া প্লেয়ার চলে না। ফলে আলাদা আলাদা মিডিয়া প্লেয়ার ব্যবহার করতে হয়। কিন্তু ভিএলসি মিডিয়া প্লেয়ার প্রায় সকল ধরনের ফরম্যাটের অডিও ভিডিও চলে। এমনকি এক ফরম্যাটের অডিও ভিডিও অন্য ফরম্যাটে কনভার্ট করাও যায়। আর সফটওয়্যারটিতে বাংলাসহ অনেকগুলো ভাষাতে ব্যবহার করা যাবে। সফটওয়্যাটির উইন্ডোজসহ অন্যান্য সকল অপারেটিং সিস্টেমের সংস্করণ রয়েছে। এই মিডিয়া প্লেয়ারের সাথে একাধিক মিডিয়া লাইব্রেরী সংযোজন করা হয়ে থাকে যেন কোনো ধরনের মালিকানাধীন কোডেকের উপর নির্ভর করতে না হয়। প্রায় সকল ক্ষেত্রেই এটি সফটওয়্যারটির নিজস্ব মাক্সার এবং ডিমাক্সার ব্যবহার করে থাকে। এটি লিনাক্সের প্রথম মিডিয়া প্লেয়ার যেখানে এনকোডেড ডিভিডি চালানো সম্ভব হয়েছে। জাভা, জাভাস্ক্রীপট, সি#, পাইথন এপিআই এর মাধ্যমে এই সফটওয়্যারটি এবং এর বৈশিষ্টসমূহ ব্যবহার করা যায়। ভিলসি ডাউনলোড করা যাবে িি.িারফবড়ষধহ.ড়ৎম ঠিকানা থেকে।

জনপ্রিয় কিছু মুক্ত সোর্স মিডিয়া প্লেয়ার
মুক্ত সোর্সের বেশ কয়েকটি মিডিয়া প্লেয়ার রয়েছে। আপনার পছন্দ অনুযায়ী যে কোন মিডিয়া প্লেয়ারই ব্যবহার করতে পারেন। প্রতিটি প্লেয়ারেই রয়েছে আলাদা আলাদা বৈশিষ্ট্য। এমন কিছু মুক্ত সোর্স মিডিয়া প্লেয়ার হচ্ছে-

সংবার্ড (ঝড়হমনরৎফ)
সংবার্ড একটি মুক্তসোর্স অডিও প্লেয়ার এবং ওয়েব ব্রাউজার। এটি ক্রসপ্ল্যাটফর্ম সফটওয়্যার। এই বৈশিষ্ট্য অর্জনের জন্য সংবার্ড মজিলার এক্সইউএল রানার এবং জিস্ট্রিমার ফ্রেমওয়ার্ক ব্যবহার করেছে। মাইক্রোসফট উইন্ডোজ, অ্যাপলের ম্যাক, সোলারিস এবং লিনাক্সের প্রায় সকল ডিস্ট্রিবিউশনে এটি ব্যবহার করা যায়। উইন্ডোজ এবং ম্যাকে অ্যাপল ফেয়ারপ্লে এডকোডেড মিডিয়া ফাইল চালানো যায়। মিডিয়া লাইব্রেরী তৈরীর জন্য এটি সম্পূর্ণ কম্পিউটার অনুসন্ধান করতে পারে এবং মিডিয়া ফাইলসমূহ ব্রাউজারের পাতায় তালিকা হিসাবে দেখায়। মজিলা ইঞ্জিনের মাধ্যমে এখানে একটি পূর্ণাঙ্গ ওয়েব ব্রাউজার অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ফলে একটি সফটওয়্যারের মাধ্যমেই ওয়েব ব্রাউজিং এবং মিডিয়া ফাইল ব্যবহার করা যায়। সংবার্ড যঃঃঢ়://িি.িমবঃংড়হমনরৎফ.পড়স ঠিকানা থেকে ডাউনলোড করা যাবে।

অ্যামারক (অসধৎড়শ)
মিউজিকের নানা সুবিধা সহজে পাওয়ার লক্ষ্য সামনে রেখে তৈরী করা হয়েছিল অ্যামারক নামের মিউজিক প্লেয়ারটি। প্রতিনিয়ত বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য সংযোজন করার ক্ষেত্রেও এই ট্যাগলাইনটি প্রাধান্য পায়। কন্টেক্সট সার্চ, উইকিপিডিয়া অনুসন্ধান এবং গানের লিরিক্স ডাউনলোড করার বৈশিষ্ট্যগুলো ব্যবহারকারীর গানটি সম্পর্কে জানতে সহায়তা করে। এটির সাথে ষধংঃ.ভস এবং মেগাটিউন সংযোজন করা আছে ফলে নির্দিষ্ট কোনো শিল্পীর সাম্প্রতিকতম তথ্যগুলো সহজেই সংগ্রহ করা যায়। এই মিউজিক প্লেয়ারটি প্রধানত লিনাক্স ডিস্ট্রিবিউশনসমূহে ব্যবহার উপযোগী করে তৈরী করা হলেও কেডিই প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে উইন্ডোজে ব্যবহার করা যায়। এখানে ঋখঅঈ, ঙমম, গচ৩, অঅঈ, ডঅঠ, ডরহফড়ংি গবফরধ অঁফরড়, অঢ়ঢ়ষব খড়ংংষবংং, ডধাচধপশ, ঞঞঅ এর মত প্রচলিত প্রায় সকল অডিও ফাইল চালানো যায়। প্লেয়ারটি পাওয়া যাবে যঃঃঢ়://িি.িধসধৎড়শ.শফব.ড়ৎম/বহ ঠিকানায়।

বানসী (ইধহংযবব)
বানসী নামের এই মিডিয়া প্লেয়ারটি সাম্প্রতিক সময়ে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। জিস্ট্রিমার মাল্টিমিডিয়া প্ল্যাটফর্মের উপর ভিত্তি করে এটি তৈরী করা হয়েছে। মিডিয়া ফাইল চালানোর পাশাপাশি এটি অ্যাপল আইপড, অ্যান্ড্রোয়েড ডিভাইস এবং ক্রিয়েটিভ জেন প্লেয়ারের মত বিভিন্ন ধরনের বাহনযোগ্য মিডিয়াপ্লেয়ার সমর্থন করে। আইপডে যে কোনো ধরনের গান, ভিডিও এবং অ্যালবাম স্থানান্তর সমর্থন করে এটি। বর্তমান সময় পর্যন্ত এটি শুধুমাত্র লিনাক্স ডিস্ট্রিবিউশন গুলোতে চালানো যায়। পাশাপাশি উইন্ডোজ এবং ম্যাকের জন্য ডেভেলপমেন্ট সংস্করণ রয়েছে। সম্প্রতি এটি উবুন্টু অপারেটিং সিস্টেমে ডিফল্ট মিডিয়া প্লেয়ার হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বানসী ডাউনলোড করা যাবে যঃঃঢ়://িি.িনধহংযবব.ভস ঠিকানা থেকে।

মিডিয়া প্লেয়ার ক্লাসিক (গবফরধ চষধুবৎ ঈষধংংরপ)
মিডিয়া প্লেয়ার ক্লাসিক ৩২বিট এবং ৬৪বিট মাইক্রোসফট উইন্ডোজে ব্যবহার উপযোগী করে তৈরী করা হয়েছে। এই সফটওয়্যারটির ইন্টারফেস উইন্ডোজ মিডিয়া প্লেয়ার ৬.৪-এর মত কিন্তু আধুনিক মিডিয়া প্লেয়ারের সকল বৈশিষ্ট্য এখানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বেশ কিছু কোডেক প্যাকের সাথে এটি অন্তর্ভুক্ত করা থাকে। মুক্ত সফটওয়্যারের মধ্যে বেশ কিছু জনপ্রিয় প্লেয়ার রয়েছে যেগুলোতে প্রায় সব রকমের ফরম্যাট চালানো যায়। অর্থাৎ এমন একটা প্লেয়ার যাতে ডিভিডি, ভিসিডি, অডিও সিডি, এমপিইজি ১,২ ও ৪, কুইক টাইম, রিয়েল ভিডিও, ডিআইভিএক্স, এক্সভিআইডি, এমপিথ্রি, এভিআই বিভিন্ন কোডেক কমপ্রেসনসহ চালানো যায়। তাহলে আর আলাদা আলাদা ফরম্যাটের জন্য আলাদা আলাদা প্লেয়ার ইনস্টল করতে হবে না । এই সুবিধা পেতে হলে লাইট মেগা কোডেক প্যাক ইনস্টল করতে হবে। বিনামূল্যে এ কোডেক প্যাকটি ডাউনলোড করা যাবে যঃঃঢ়://িি.িভৎবব-পড়ফবপং.পড়স/কথখরঃবথগবমধথঈড়ফবপথচধপশথফড়হিষড়ধফ.যঃস
ঠিকানার ওয়েবসাইট থেকে। ৩০ মেগাবাইটের কোডেক প্যাকটির ভিতরেই দেওয়া আছে মিডিয়া প্লেয়ার ক্লাসিক এবং সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ কোডেক গুলো। মিডিয়া প্লেয়ার ক্লাসিক দেখতে একেবারে উইন্ডোজ মিডিয়া প্লেয়ারের মতো। কিন্তু আসলে উইন্ডোজ মিডিয়া প্লেয়ারের মত দেখতে হলেও এটি আসলে একেবার অন্য একটি সফটওয়্যার। উইন্ডোজ মিডিয়া প্লেয়ারের সাথে মিডিয়া প্লেয়ার ক্লাসিকের কোনো সম্পর্ক নেই। এই প্যাকেজটি ইনস্টল করলে আলাদা করে আর রিয়েল প্লেয়ার এবং কুইক টাইম প্লেয়ার ইনস্টল করার প্রয়োজন নেই। প্রাথমিকভাবে ক্লোজসোর্স সফটওয়্যার হিসাবে ডেভলপমেন্ট শুরু করা হলেও পরবর্তীতে মিডিয়া প্লেয়ার ক্লাসিক প্লেয়ারটি মুক্ত লাইসেন্সের অধীনে প্রকাশ করা হয়। কম্পিউটারে কোনো টিভিটিউনার ইনস্টল করা থাকলে এটি টিভি থেকে ভিডিও ধারন করার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যায়। মিডিয়া প্লেয়ার ক্লাসিক মূল সফটওয়্যারটির পাশাপাশি ‘মিডিয়া প্লেয়ার ক্লাসিক হোম সিনেমা’ নামে উন্নত একটি মিডিয়া প্লেয়ার তৈরীর কাজ করছে। শুধুমাত্র এ প্লেয়ারটি পাওয়া যাবে যঃঃঢ়://সঢ়প-যপ.ংড়ঁৎপবভড়ৎমব.হবঃ ঠিকানার ওয়েবসাইটে।

পিজিন (চরফমরহ)
প্রতিনিয়ত নানা কাজে প্রয়োজন হয় তাৎক্ষনিক বার্তা আদান-প্রদান (চ্যাট) সুবিধা। এসব ক্ষেত্রে প্রায় বিনামূল্যে ই-মেইল সেবা প্রদান কারী প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের আলাদা ম্যাসেঞ্জার ব্যবহারের সুযোগ দেয়। তবে একসাথে ভিন্ন ভিন্ন ম্যাসেঞ্জার ব্যবহার করতে গেলে প্রয়োজন হয় একটি ম্যাসেঞ্জার যেখানে সবগুলো আইডি ব্যবহার করে চ্যাট করা যায়। এক্ষেত্রে জনপ্রিয় মুক্ত সফটওয়্যার পিজিন বেশ জনপ্রিয়। এ ম্যাসেঞ্জারে একসাথে ইয়াহু, জিমেইল, হটমেইল, এআইএম, ফেসবুক ইত্যাদির চ্যাট করা সম্ভব। সফটওয়্যারটির উইন্ডোজ, ম্যাকের জন্য আলাদা সংস্করণও রয়েছে। সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করা যাবে িি.িঢ়রফমরহ.রস/ফড়হিষড়ধফ ঠিকানা থেকে। ইন্টারনেটে তাৎক্ষণিক বার্তা আদান-প্রদানের যে মেসেঞ্জার আছে সেসবের প্রায় সবগুলোর কাজই করা যাবে পিজিন থেকে। ইয়াহু, এমএসএন, গুগলটকের মতো জনপ্রিয় প্রায় সব মেসেঞ্জারের বিকল্প হিসেবেই এটি ব্যবহার করা যায়। পিজিনের বিশেষ সুবিধা হলো, এটিতে একই সঙ্গে একাধিক অ্যাকাউন্টে ঢুকে বার্তা আদান-প্রদান করা যায়। ইয়াহু, গুগল বা এমএসএনের একাধিক অ্যাকাউন্ট একই সঙ্গে ব্যবহার করা যাবে এখানে। সেই সঙ্গে ব্যবহার করা যাবে ফেসবুকের চ্যাট অপশনটিও। পিজিনে এমনিতে ফেসবুক চ্যাটের সুবিধা সরাসরি না থাকলেও ছোট একটি প্রোগ্রামের মাধ্যমে এটি ব্যবহার করা যাবে। উইন্ডোজ বা লিনাক্স দুই ধরনের অপারেটিং সিস্টেমে ইনস্টল করা যাবে এই প্রোগ্রামটি। প্রোগ্রামটি পাওয়া যাবে যঃঃঢ়://পড়ফব.মড়ড়মষব.পড়স/ঢ়/ঢ়রফমরহ-ভধপবনড়ড়শপযধঃ ঠিকানার ওয়েবসাইটে। ব্যবহারকারীর কম্পিউটারের উপযোগী সংস্করণটি নামিয়ে সেটি ইনস্টল করে নিতে পারবেন। ইনস্টল করার পর পিজিন চালু করে অপপড়ঁহঃং>>গধহধমব অপপড়ঁহঃং নির্বাচন করলে নতুন অ্যাকাউন্ট যুক্ত করার অপশন পাওয়া যাবে। সেখানে অফ বাটনটি চাপলে অ্যাকাউন্ট যোগ করার একটি উইন্ডো দেখা যাবে। এখানে অ্যাকাউন্টের ধরন, ব্যবহারকারীর নাম ও পাসওয়ার্ড লিখতে হয়। ফেসবুক চ্যাট চালু করার জন্য এই উইন্ডোতে চৎড়ঃড়পড়ষ-এর পাশে ঋধপবনড়ড়শ এবং টংবৎহধসব, চধংংড়িৎফ-এর স্থানে ইমেইল ঠিকানা ও পাসওয়ার্ড লিখতে হবে। মেসেঞ্জার থেকেই ফেসবুকের স্ট্যাটাস পরিবর্তন করা যাবে। অপপড়ঁহঃং থেকে ঋধপবনড়ড়শ অ্যাকাউন্টটিতে ক্লিক করা হলে ঝবঃ ঋধপবনড়ড়শ ংঃধঃঁং নামের অপশনটি পাওয়া যাবে। পিজিন হল উন্মুক্ত সোর্স কোড ভিত্তিক একটি ম্যাসেঞ্জার। এটি দিয়ে এক সাথে একাধিক তাৎক্ষণিক বার্তার নেটওয়ার্কের একাধিক অ্যাকাউন্টে এক সাথে লগইন করা যায়। বিশেষ করে যারা লিনাক্স ঘরনার অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করেন তাদের কাছে এটা খুবই পরিচিত। মূলতঃ লিনাক্সের জন্য তৈরী হলেও এর উইন্ডোজ সংস্করনও রয়েছে। অন্যান্য মেসেঞ্জারের মতো না হলেও পিজিন অনেক লাইট ওয়েটেড ও কম ব্যন্ডউইথে বেশ ভালো চলে। আর নিয়মিত আপডেট হয় বলে সমস্যাগুলো কিছু দিন পর পর ফিক্স করা করা হয়। পিজিনের সাথে বেশ কিছু প্লাগইন থাকে। সেই সাথে আরো অনেক প্লাগইন পাওয়া যায় যা ইনস্টল করে নিলে আরো বিশেষ কিছু সুবিধা পাওয়া যায়। পিজিনে অওগ, ওঈছ, ঔধননবৎ/ঢগচচ, গঝঘ গবংংবহমবৎ, ণধযড়ড়!, ইড়হলড়ঁৎ, এধফঁ-এধফঁ, ওজঈ, ঘড়াবষষ এৎড়ঁঢ়ডরংব গবংংবহমবৎ, ছছ, খড়ঃঁং ঝধসবঃরসব, ঝওখঈ, ঝওগচখঊ, গুঝঢ়ধপবওগ, ধহফ তবঢ়যুৎ সমর্থন করে।
থান্ডারবার্ড (ঞযঁহফবৎনরৎফ)
মজিলা থান্ডারবার্ড মজিলা ফাউন্ডেশন কর্তৃক তৈরীকৃত একটি ডেস্কটপ ইমেইল ক্লায়েন্ট। যার মাধ্যমে পপ, আইম্যাপসহ সকল ধরনের ইমেইল এবং একাধিক ইমেইল অ্যাকাউন্টের ইমেইল সংগ্রহ, ব্যবস্থাপনা এবং ইমেইল প্রেরণও করা যায়। লিনাক্স ছাড়াও উইন্ডোজ, ম্যাক, ওপেন সোলারিসসহ বিভিন্ন অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহার করা যায়। এটি এমবক্স, মর্ক, সিকুয়েললাইটসহ বিভিন্ন ফরম্যাট সমর্থন করে। যারা একসাথে ৪-৫টি ইমেইল ঠিকানা ব্যবহার করেন তাদের জন্য এটা অনেক উপকারী হতে পারে। সফটওয়্যারটির বাংলা ও ইংরেজি সংস্করণ ডাউনলোড করা যাবে িি.িসড়ুরষষধ.ড়ৎম/বহ-টঝ/ঃযঁহফবৎনরৎফ/ধষষ.যঃসষ ঠিকানা থেকে। সবচেয়ে বড় সুবিধা এটি সম্পূর্ন ফ্রি ও মুক্ত সফটওয়্যার। যা বিনামূল্যে ব্যবহার ও শেয়ার করার স্বাধীনতা প্রদান করে। এতে আছে ট্যাব ভিত্তিক ইমেইল ব্রাউজ, অ্যাড্রেস বুক, উন্নত ইমেইল সার্চিং সুবিধা এবং ফিল্টারিং ব্যবস্থা, উন্নত ফোল্ডার ম্যানেজার, নতুন ইমেইল সারাংশ প্রদর্শন ব্যবস্থা, নতুন অ্যাড-অন্স ম্যানেজার, নতুন থিম সংযোজন ইত্যাদি সুবিধা। ইমেইলের জন্য আছে উন্নত নিরাপত্তা এবং সুরক্ষা ব্যবস্থা। প্রায় ৫২টি ভাষায় পাওয়া মজিলা থান্ডারবার্ড।
থান্ডারবার্ডের নানা সুবিধা

সহজ মেইল একাউন্ট সেট-আপ: সহজেই নতুন মেইল অ্যাকাউন্ট যুক্ত করা যায় থান্ডারবার্ডে। এজন্য ম্যানুয়ালি ওগঅচ, ঝগঞচ, ঝঝখ/ঞখঝ প্রভৃতি সেটিংস ঠিক করে দেয়া লাগে না, থান্ডারবার্ড স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেগুলো খুঁজে বের করে যুক্ত করে নিবে। এটি জনপ্রিয় ই-মেইল সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ছাড়াও বিভিন্ন হোস্টিং প্রোভাইডারদের কাছ থেকে প্রাপ্ত মেইলের জন্যেও একই সেটিংসগুলো নিজেই খুঁজে নিতে পারে। নতুন মেইল অ্যাকাউন্ট যুক্ত করার জন্য শুধু নাম, ই-মেইল ঠিকানা আর পাসওয়ার্ড দিতে হবে।

সহজেই অ্যাড্রেসবুকে ই-মেইল অ্যাকাউন্ট যুক্ত করা: থান্ডারবার্ডে সহজে অ্যাড্রেসবুকে ই-মেইল অ্যাকাউন্ট যুক্ত করা যায়। এই সুবিধাটি হল যদি কোন ব্যক্তির কাছ থেকে মেইল আসে এবং ওই মেইল অ্যাকাউন্টটি নিজের অ্যাড্রেস বুকে যোগ করতে চাইলে শুধু তার মেইলের অ্যাড্রেসের ওপর ক্লিক করতে হবে, তাতে ছোট একটা পপ-আপ বক্স আসবে, সেখানে নাম দিয়ে উড়হব বাটনে ক্লিক করলেই তা অ্যাড্রেস বুকে যুক্ত হয়ে যাবে। ডিটেইল কিছু যোগ করতে চাইলে বা বাদ দিতে চাইলে তবে ঊফরঃ উবঃধরষং – এ ক্লিক করে তা করতে হবে। ইচ্ছে করলে ছবি, জš§দিন এবং অন্যান্য তথ্যাদিও রাখা যাবে।

অ্যাটাচমেন্ট রিমাইন্ডার: যখনই মেইল লিখার সময় অ্যাটাচমেন্ট জাতীয় বা এর সাথে সম্পর্কযুক্ত কোন শব্দ টাইপ করা হবে তখনই এটি মনে করিয়ে দেবে অ্যাটাচমেন্ট যুক্ত করার কথা, বহুল ব্যবহƒত ফাইল টাইপগুলোর নাম টাইপ করলেও এমন রিমাইন্ডার পাওয়া যাবে।

কুইক ফিল্টার টুলবার: এই টুলবার ব্যবহারের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় শব্দগুলো টাইপ করার সাথে সাথে সেটার সাথে সামঞ্জস্য আছে এমন মেইলগুলোকে লিস্ট আকারে দেখাবে, নতুন বর্ণ এবং শব্দ টাইপ করার সাথে সাথে সেগুলো আপডেট হতে থাকবে, ফলে অতি কম সময়ে নিজের প্রয়োজনীয় ফাইলগুলো খুঁজে পাওয়া সম্ভব।

ট্যাবস: বর্তমানে প্রায় সব ব্রাউজারই ট্যাবড ব্রাউজিংয়ের সুবিধা দিয়ে থাকে। মেইল ক্লায়েন্টদের মধ্যে থান্ডারবার্ডে ফায়ারফক্সের মতোই রয়েছে ট্যাবড ব্রাউজিং সুবিধা। এতে কম সময়ে ট্যাবের মাধ্যমে একাধিক মেইল খুলে রাখা যাবে সহজেই।

সার্চ: থান্ডারবারডের নিজস্ব দু’টি সার্চ অপশন আছে, একটি হলো কুইক ফিল্টার টুলবারে ইনস্ট্যান্ট সার্চ আর অন্যটি অ্যাডভান্সড সার্চ। অ্যাডভান্সড সার্চ অপশনের মাধ্যমে কাঙ্খিত মেইল বা মেইল অ্যাকাউন্ট অথবা ই-মেইলে থাকা যেকোনো কিছু খুঁজে বের করা যায়।

মেসেজ আর্কাইভ: চাইলে থান্ডারবার্ডে প্রাপ্ত ই-মেইল আর্কাইভ করে রাখা যায়। এক্ষেত্রে নিরাপত্তার খাতিরে অনেকে মেইলটি ইনবক্সে রাখতে চান না। এ সুবিধার মাধ্যমে ইনবক্সে না রেখেই মেইলটি আর্কাইভ করা যাবে। এতে যেকোনো মেইলকে আর্কাইভ করে রাখা যায়, যাতে পরবর্তীতে দরকার হলে পড়া যায়, মেইল ওপেন করা অবস্থায় বা মেইল লিস্ট থেকে মেইল সিলেক্ট করে আর্কাইভ বাটনে ক্লিক করে অথবা “অ” বাটনে ক্লিক করে মেইলকে আর্কাইভ করা যাবে, চাইলে একসাথে বহু মেইলকেও আর্কাইভ করা সম্ভব।

থিম: থান্ডারবার্ডে রয়েছে থিম ব্যবহারের সুযোগ। ফায়ারফক্সের মতো এতেও আছে হালকা কম সাইজের স্কিন ব্যবহার করার সুবিধা। প্রচুর থিম থেকে নিজের পছন্দের থিম দিয়ে রাঙ্গিয়ে নিতে পারেন আপনার থান্ডারবার্ডকে।

অ্যাড-অন্স ম্যানেজার: ইচ্ছেমতো অ্যাড-অন্স ব্যবহার করার জন্য থান্ডারবার্ডে আছে অ্যাড-অন্স ম্যানেজার। এটি ব্যবহারের মাধ্যমে সুবিধার জন্য ইচ্ছেমত অ্যাড-অন্স যোগ করে থান্ডারবার্ডকে আরো ব্যবহার উপযোগী করে তোলা সম্ভব। ফায়ারফক্সের মতো থান্ডারবার্ডের জন্যও রয়েছে অসংখ্য অ্যাড-অন্স। আর অ্যাড-অন্স ম্যানেজার ব্যবহারের মাধ্যমে এর সার্চ বক্সে সার্চ করে সহজেই বিভিন্ন ওয়েবসাইট দেখা ছাড়াই অতি সহজে খুঁজে পাওয়া যাবে প্রয়োজনীয় অ্যাড-অন্স। এর মধ্যে আপনার পছন্দের অ্যাড-অন্সগুলোকে এনাবল রেখে বাকিগুলো ডিসএবল করে দিতে পারবেন।

জাঙ্ক মেইলগুলো চিহ্নিত করা: সাধারণ ই-মেইল ব্যবহারের ক্ষেত্রে জাঙ্ক মেইলগুলো চিহ্নিত করার প্রয়োজনটি খুবই বেশি হয়। এসব মেইল অযথাই আপনার ইনবক্স ভরিয়ে তুলতে পারে। জাঙ্কমেইল চিহ্নিত করার ক্ষেত্রে থান্ডারবার্ডে রয়েছে দারুন ও শক্তিশালী ব্যবস্থা। এর জাঙ্ক মেইল শনাক্ত করার ক্ষমতা অন্য মেইল ক্লায়েন্টগুলোর তুলনায় অনেক শক্তিশালী, যার ফলে সহজেই জাঙ্ক মেইলগুলো এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব। তবে চিহ্নিত করেই এসব মেইল মুছে যাবে এমন নয় ইচ্ছে করলে পড়তেও পারবেন এসব মেইলও।

প্রাইভেসী: ই-মেইল ব্যবহারের ক্ষেত্রে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে প্রাইভেসী রক্ষা করা। থান্ডারবার্ড ইউজার প্রাইভেসী এবং রিমোট ইমেজ প্রটেকশন দিয়ে থাকে। এর ফলে অন্য কোন লিংক থেকে কোন ইমেজ লোডিং হওয়ার আগে তা অটো ব্লক হয়ে যাবে থান্ডারবার্ডের সিকিউরিটি সিস্টেম দ্বারা। পরবর্তীতে ব্যবহারকারীকে নটিফিকেশন দিয়ে জানাবে যে আপনি যদি ইমেজ দেখতে ইচ্ছুক কিনা। ব্যবহারকারীর অনুমোদন সাপেক্ষে তবেই সেই ইমেজকে থান্ডারবার্ডে লোড হয়ে সেভ হয়।

ফিশিং প্রটেকশন: থান্ডারবার্ড স্ক্যাম মেইলগুলোর থেকে রক্ষা করে যেগুলো বিভিন্নভাবে বার্তার মাধ্যমে আকৃষ্ট করে নিজের ব্যক্তিগত বিভিন্ন তথ্য বা কোন বিশেষ কিছু হাতিয়ে নেয়ার উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়। বিশেষ করে ব্যাংকিং কিংবা অনলাইনে কাজ করার ক্ষেত্রে অনেক তথ্য চেয়ে নিয়ে সেসব তথ্যের মাধ্যমে অনেকে অ্যাকাউন্ট হ্যাক করার চেষ্টা করে। এসব অ্যাকাউন্ট হ্যাক করার চেষ্টায় ফিশিং সাইট বানিয়ে তথ্য হাতিয়ে নেয়ার সুযোগ নিয়ে থাকে অনেক হ্যাকার। এসব ক্ষেত্রে থান্ডারবার্ডের বিশেষ প্রটেকশন সিস্টেম এগুলো অটো ডিটেক্ট করে ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে জানিয়ে দেয়।

স্বয়ংক্রিয় আপডেট: সাধারণত এসব সফটওয়্যার নির্দিষ্ট সময়ের পর পর স্বয়ংক্রিয় ভাবে আপডেট হয়। প্রতিটি আপডেটেই থাকে নতুন নতুন বেশ কিছু বৈশিষ্ট কিংবা সুবিধা। থান্ডারবার্ডের আপডেট সিস্টেম প্রতিনিয়ত চেক করে ব্যবহƒত সংস্করণটি সর্বশেষ কিনা। এর পাশাপাশি এতে নতুন নতুন সিকিউরিটি আপডেট যুক্ত হয়েছে। শুধু তাই নয় কোন ধরনের সমস্যা হলে এর সমাধানগুলোও তখন স্বয়ংক্রিয় ভাবে হয়ে যাবে। এর ফলে ব্যবহারকারীর থান্ডারবার্ড ব্যবহারের ক্ষেত্রে সবসময় থাকতে পারবেন আপডেটেড। এছাড়া ব্যবহৃত থান্ডারবার্ডটির ডাটাবেসও থাকে আপডেটেড।

জুমলা (ঔড়ড়সষধ)
জুমলা বর্তমান সময়ে বিশ্বের জনপ্রিয় কনটেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (সিএমএস)। জুমলা পিএইচপিতে লেখা একটি উন্মুক্ত সোর্সের সিএমএস সফটওয়্যার। শুরুতে জুমলা ছিলো অন্য পরিচয়ে পরিচিত। জুমলা ম্যাম্বো নামক আরেকটি সিএমএস থেকে জš§ হয়ে খুব দ্রুত জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। এই দ্রুত জনপ্রিয়তার কারণ হলো, প্রচুর সংখ্যক এক্সটেনশনের সহজলভ্যতা, নির্ভরযোগ্য সহায়তার জন্য সক্রিয় ফোরাম এবং সর্বোপরি জুমলা ব্যবহারে সহজতা। সাধারণত কন্টেন্ট বলতে বোঝায় লেখা, ছবি, শব্দ, ভিডিও ইত্যাদি। জুমলার অসংখ্য বৈশিষ্ট্যের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে এর সহজ ব্যবহারযোগ্যতা এবং এটি দিয়ে যে কোন ধরনের ওয়েবসাইট তৈরির ক্ষমতা। জুমলা দিয়ে ইকমার্স ওয়েবসাইট থেকে শুরু করে অনলাইন ম্যাগাজিন, সংবাদপত্রের ওয়েবসাইট, সরকারি/বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট, ছোট-বড় ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট, ব্যক্তিগত ও পারিবারিক ওয়েবসাইট খুব সহজেই তৈরি করা যায়। সর্বোপরি জুমলা হচ্ছে ওপেন সোর্স যা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ব্যবহার করা যায়।
জুমলার ওয়েবসাইটের (িি.িলড়ড়সষধ.ড়ৎম) বিভিন্ন সাব সাইটে জুমলা সম্পর্কিত সব তথ্য পাওয়া যাবে। বর্তমান সময়ে আমাদের দৈনিন্দিন কর্মকান্ডগুলো যেমন কম্পিউটার আর ইন্টারনেট নির্ভর হয়ে পড়েছে তেমনি ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনগুলো ধীরে ধীরে ডেস্কটপ অ্যাপ্লিকেশনের জায়গা দখল করে নিয়েছে। ছোট বড় যে কোন ধরনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি ওয়েবসাইট থাকাটা বর্তমানে একটা নিয়ম হয়ে পড়েছে। এসব ক্ষেত্রে যাদের প্রোগ্রামিং জানা আছে তারা নিজের প্রতিষ্ঠানের জন্য ওয়েবসাইট নিজেই তৈরি করেন তবে অন্যদের এ পথে যেতে খরচ হয় ভালোই। যুগের এই চাহিদা মেটাতে জুমলা হচ্ছে এমন একটি সফটওয়্যার যা দিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ ওয়েসাইট তৈরি করা যাবে কোন রকমের প্রোগ্রামিং এবং টেকনিক্যাল জ্ঞান ছাড়াই।
সিএমএস কোন ওয়েব সাইটকে চালানোর উপযোগী একটি সফটওয়্যার। যখন কোন আগ্রহী ব্যক্তি ওয়েবসাইটের কোন কিছু দেখতে চান, তখন সিএমএস সফটওয়্যার সেটা যোগান দেয়। পাশাপাশি, সিএমএসের সুবিধা ব্যবহার করে ওয়েব মাস্টার প্রয়োজনে তার ওয়েবসাইটে বাড়তি তথ্য, ছবি, ভিডিও ইত্যাদি যোগ করতে পারেন খুব সহজেই। পুরোনো তথ্য ইত্যাদি আর্কাইভ করে রাখার সুবিধাও থাকে। নিবন্ধিত সদস্যসরা তাদের নিজেদের খবর, তথ্য ইত্যাদি জমা দিতে পারেন। কোন সম্পাদক তা অনুমোদন করলে তা প্রকাশ পাবে, এমন ব্যবস্থাও থাকে। এ ধরনের সব সুবিধা থাকে সিএমএসের এডমিন প্যানেলে। যে সব ওয়েবসাইটের বিষয়বস্তু প্রায়ই পরিবর্তিত হয়, সেসব ওয়েবসাইট দেখভাল করার জন্য সিএমএসে এর চাইতে ভাল আর কিছু হতে পারে না। যে সব সাইট সদস্য ব্যস্থাপনা করে তাদেরও অনেক কিছু দিতে পারে সিএমএস। ওয়েবসাইট তৈরির জন্য জুমলা কনটেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম দারুন আকর্ষণীয়। সফটওয়্যারটি যে কেউ বিনামূল্যে ডাউনলোড ও ব্যবহার করে ওয়েব সাইট ও ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে পারবেন।
বর্তমানে ই-কমার্সের মত ওয়েবসাইটেও সহজেই তৈরি করা যাচ্ছে জুমলা ব্যবহার করে। কী করা যায় না জুমলা দিয়ে? করা যাবে আপনার পছন্দ অনুযায়ী ইমেজ গ্যালারী তৈরী, ফরম বানানো, ডাউনলোড ম্যানেজার, গেস্টবুক, স্লাাইড শো, গুগলের অ্যাডসেন্স প্রোগ্রামসহ অসংখ্য প্রোগ্রাম ইত্যাদি। জুমলার জন্য ওয়েবসাইটে রয়েছে হাজার হাজার টেমপ্লেট ও প্রয়োজনীয় এক্সটেনশন। শুধুমাত্র জুমলার টেমপ্লেটের জন্য ইন্টারনেটে রয়েছে প্রচুর সাইট। িি.িলড়ড়সষধ২৪.পড়স ওয়েবসাইটেই রয়েছে ৩০ হাজারেরও বেশি টেমপ্লেট। তবে শুধু টেমপ্লেটই নয়, আছে এক্সটেনশনের জন্য আলাদা ওয়েবসাইট। যঃঃঢ়://বীঃবহংরড়হং.লড়ড়সষধ.ড়ৎম ওয়েবসাইটে রয়েছে অসংখ্য এক্সটেনশন। এ ওয়েবসাইট দুটো জুমলার জন্য বেশ নিরাপদ এবং অনেক কাজের। পিএইচপি দিয়ে এ সিএমএসটির তৈরী এবং জুমলা মাইসিকুয়েল ডাটাবেজ ব্যবহার করে। অনেকের ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইট রয়েছে যেখানে শুধু জুমলার কাজই রয়েছে কয়েক হাজার ডলারের। জুমলার মাধ্যমে ওয়েবসাইট তৈরীই নয় এতে দক্ষ হয়ে বিভিন্ন টেম্পলেট তৈরী করে আপনি যোগ দিতে পারেন আউটসোর্সিংয়ে। জুমলা ইন্সটল করার পূর্বে কম্পিউটারে একটি ওয়েব সার্ভার ইন্সটল করে নিতে হবে। জনপ্রিয় একটি ওয়েব সার্ভার সফটওয়্যার হচ্ছে ঢঅগচচ। কম্পিউটারে জুমলা ইন্সটল করার পূর্ণাঙ্গ দিকনির্দেশনা পাওয়া যাবে যবষঢ়.লড়ড়সষধ.ড়ৎম ওয়েবসাইট থেকে।

জুমলার এক্সটেনশন
জুমলাকে সাধারণভাবে কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হিসেবে পরিচিত হলেও জুমলার ব্যবহার শুধুমাত্র তথ্য ব্যবস্থাপনার উপরই সীমাবদ্ধ নয়। বিভিন্ন এক্সটেনশন যোগ করে এটিকে যে কোন ধরনের ওয়েবসাইটে রূপান্তর করা সম্ভব। এক্সটেনশন হচ্ছে অতিরিক্ত প্রোগ্রাম যা জুমলাকে নতুন নতুন বৈশিষ্ট্য দান করে। এই এক্সটেনশনগুলো জুমলার ব্যবহারকারীরাই তৈরি করে থাকে যা বীঃবহংরড়হং.লড়ড়সষধ.ড়ৎম সাইট থেকে বিনামূল্যে ডাউনলোড করা যায়। জুমলাতে একটি নতুন এক্সটেনশন যুক্ত করা খুবই সহজ, অনেকটা কোন অপারেটিং সিস্টেমে একটি সফটওয়্যার ইন্সটল করার মতই। এক্সটেনশনের ুরঢ় ফাইলকে এডমিনিস্ট্রেশন প্যানেল থেকে আপলোড করে দিলেই হল। জুমলা পাঁচ ধরনের এক্সটেনশন সাপোর্ট করে। এগুলো হচ্ছে কম্পোনেন্ট, মডিউল, প্লাগইন, টেম্পলেট এবং ল্যাংগুয়েজ।

ক্স কম্পোনেন্ট: জুমলা হচ্ছে একটি ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন, আর কম্পোনেন্ট হচ্ছে জুমলার অভ্যন্তরে আরেকটি অ্যাপ্লিকেশন। কম্পোনেন্টগুলো জুমলার অচও এর উপর ভিত্তি করেই তৈরি করা হয়ে থাকে। জুমলাকে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে কল্পনা করলে, জুমলার ‘কন্টেন্ট কম্পোনেন্ট’কে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড হিসেবে বলা যায়। তবে অপারেটিং সিস্টেমে যেখানে এক সাথে একাধিক প্রোগ্রাম চালানো যায়, সেখানে জুমলার একটি পৃষ্ঠায় মাত্র একটি কম্পোনেন্ট লোড হয়। কম্পোনেন্টটি সেই পৃষ্ঠার মূল কাজগুলো সম্পন্ন করে থাকে।
ক্স মডিউল: মডিউলগুলো কম্পোনেন্টের বাইরে অবস্থান করে জুমলাকে অতিরিক্ত বৈশিষ্ট্য প্রদান করে। মডিউল সাধারণত একটি নির্দিষ্ট কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়, যেমন মেনু, লিস্ট, ব্যানার প্রদর্শন করা ইত্যাদি।
ক্স প্লাগইন: প্লাগইনের নানা ব্যবহার রয়েছে। তবে সাধারণত একটি কম্পোনেন্টের ক্ষমতা বাড়াতে প্লাগইন ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
ক্স টেম্পলেট: টেম্পলেট একটি সাইটের লেআউট এবং ডিজাইন প্রদান করে থাকে। ঐঞগখ/ঈঝঝ দিয়ে তৈরি করা ডিজাইনকে একটি নির্দিষ্ট পদ্ধতি অনুসরণ করে খুব সহজেই জুমলার টেম্পলেটে রূপান্তর করা যায়। বিভিন্ন সাইটে জুমলার ফ্রি টেম্পলেট পাওয়া যায়, যা একটি মাত্র ক্লিকের মাধ্যমেই সাইটে ইন্সটল করা যায়।
ক্স ল্যাংগুয়েজ: বাংলাসহ বিশ্বের ৬০টিরও অধিক ভাষায় জুমলা পাওয়া যায়। অন্যান্য এক্সটেনশন যোগ করার মত জুমলায় ভাষা পরিবর্তন করাও খুব সহজ।

জুমলার জনপ্রিয় কিছু এক্সটেনশন

ভার্চমার্ট : ভার্চুমার্ট এক্সটেনশনের সাহায্যে জুমলাকে একটি পূর্ণাঙ্গ ই-কমার্স সাইটে রূপান্তর করা যায়। এর শক্তিশালী অ্যাডমিনিস্ট্রেশন প্যানেলের সাহায্যে অসীম সংখ্যক ক্যাটাগরি, প্রোডাক্ট, অর্ডার, ডিসকাউন্ট, কাস্টমার ব্যবস্থাপনা করা যায়। ভার্চমার্ট প্রায় সকল জনপ্রিয় পেমেন্ট এবং শিপিং মডিউল সাপোর্ট করে।

জেসিই : এটি হচ্ছে একটি শক্তিশালী টেক্টট এডিটর যা ঞরহুগঈঊ এডিটরের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। এই এডিটরের সাথে মিডিয়া, ফাইল ও লিংক ব্যবস্থাপনা, প্লাগইন সাপোর্ট এবং এডিটরের সেটিং পরিবর্তনের জন্য একটি উন্নত অ্যাডমিনিস্ট্রেশন প্যানেল রয়েছে।

ফোচা গ্যালার: এটি হচ্ছে একটি চমৎকার ও দৃষ্টিনন্দন ফটো গ্যালারী। এই কম্পোনেন্টটি ছবিকে স্লাইডশোর মাধ্যমে দেখাতে পারে। একটি আধুনিক ফটো গ্যালারীর সকল বৈশিষ্ট্যই এতে রয়েছে।

জুমফিস : একাধিক ভাষায় ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্য এটি একটি অপরিহার্য এক্সটেনশন। এর সাহায্যে জুমলার যে কোন কন্টেন্টকে খুব সহজেই অনুবাদ করা যায়।

কমিউনিটি বিল্ডার: এই এক্সটেনশনটি জুমলার ইউজার ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকে বর্ধিত করে জুমলাকে কমিউনিটি ওয়েবসাইটে পরিবর্তন করে। এর মূল ফিচারগুলো হল- প্রোফাইলে অতিরিক্ত ফিল্ড যুক্ত করা, উন্নত রেজিষ্ট্রেশন পদ্ধতি, ব্যবহারকারীর লিস্ট ইত্যাদি।

কুনিনা: এটি হচ্ছে জুমলার প্রধান ফোরাম কম্পোনেন্ট। এর সাহায্যে খুব সহজেই কমিউনিটি ভিত্তিক ফোরাম সাইট তৈরি করা যায়।

জেকমেন্টেস : এই এক্সটেনশন দিয়ে সাইটে মন্তব্য দেয়ার বৈশিষ্ট্য যুক্ত করা যায়।

অলভিডিওস : এটি একটি অপরিহার্য অডিও/ভিডিও ম্যানেজমেন্ট এক্সটেনশন। এটি প্রায় সকল ধরনের মিডিয়া ফাইল চালাতে পারে।

কর্নফর্মস: যেকোন ধরনের ফর্ম তৈরির জন্য এটি একটি অসাধারণ এক্সটেনশন। এই কম্পোনেন্টের সাহায্যে ড্র্যাগ অ্যান্ড ড্রপ পদ্ধতিতে ফর্ম তৈরি করা যায়। অন্যান্য এক্সটেনশনের মত এটিও বিনামূল্যে ব্যবহার করা যায়, তবে প্রতিটি ফর্মের নিচে ডেভেলপারের সাইটের লিংক থাকে। ডেভেলপারকে ছোট একটি ফি দিয়ে লিংকটি সরানো যায়।

এক্সটেনটেড মেনু: এই মডিউলের সাহায্যে ঈঝঝ ভিত্তিক দৃষ্টিনন্দন মেন্যু তৈরি করা। মেন্যুর ভেতরে সাব-মেন্যুও খুব সহজে এটি দিয়ে তৈরি করা যায়।

ওয়ার্ডপ্রেস (ডড়ৎফঢ়ৎবংং)
ওয়ার্ডপ্রেস হচ্ছে আরেকটি জনপ্রিয় এবং শক্তিশালী কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (সিএমএস), যা পিএইচপি এবং মাইএসকিউএল দ্বারা তৈরিকৃত ওপেন সোর্স প্রযুক্তির ব্লগিং সফটওয়্যার। ওয়ার্ডপ্রেস প্রথম পর্যায়ে একটি ফ্রি ব্লগিং প্ল্যাটফর্ম ছিল যা পরবর্তীতে একটি ইঞ্জিন তৈরি করে এবং বিনামূল্যে তা ডাউনলোড করে যেকোনো ব্লগারকে ব্যবহারের সুবিধা দিতে শুরু করে। ওয়ার্ডপ্রেস মূলতঃ একটি ব্লগ পাবলিশিং অ্যাপ্লিকেশনস ও সিএমএস। সিএমএস হলো এমন একটি পদ্ধতি যা সাইট অথবা ব্লগের বিভিন্ন তথ্য ব্যবস্থাপনার একটি সক্রিয় সিস্টেম। সিএমএসের মাধ্যমে সাইট বা ব্লগের যেকোন পরিবর্তন, সংশোধন, সংযোজন বা মুছে ফেলা যাবে। সম্পূর্ণ বিনামূল্যের ওয়ার্ডপ্রেস হল সময়ে জনপ্রিয় একটি দারুন সিএমএস।
ওয়ার্ডপ্রেস একটি ওপেন সোর্স সিএমএস হলেও এটাকে পেশাগত কাজেও ব্যবহার করা যায়। অনলাইনে অনেক মার্কেটপ্লেস আছে যেখানে ওয়ার্ডপ্রেসের কাজ করে আয় করা সম্ভব। বর্তমান সময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্লগ তৈরির সাইটের মধ্যে অন্যতম একটি হচ্ছে ওয়ার্ডপ্রেস। ওয়ার্ডপ্রেসের রয়েছে দারুন সব থিম আর রয়েছে ৩ গিগাবাইট জায়গা। ওয়ার্ডপ্রেসের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রকার ওয়েব ভাষার প্রাথমিক জ্ঞান জানা থাকলে সহজেই একটি প্রফেশনাল মানের ওয়েবসাইট তৈরী করা সম্ভব। এইচটিএমএল অথবা পিএইচপির কোড পরিবর্তন ছাড়াই করা যাবে উইজেট পরিবর্তনের কাজ। সফটওয়্যারটি ওপেনসোর্স হওয়ার কারনে এটি বিনামূল্যে ডাউনলোড ও এর কোড পরিবর্তন করে আপনার পছন্দ অনুযায়ী ব্যবহার উপযোগী করা সম্ভব। এছাড়াও বিনামূল্যে রয়েছে এর কয়েক হাজার থিম, প্লাগইন। সিএমএস হবার ফলে এর রয়েছে এতটি সুন্দর এবং সহজ নিয়ন্ত্রন ব্যবস্থা, যা দিয়ে আপনি সহজেই যেকোন তথ্য, ছবি, ভিডিও পরিবর্তন, পরিবর্ধন, সংযোজন বা বিয়োজন করতে পারবেন। এছাড়া বিভিন্ন ক্যাটাগরি তৈরি, ক্যাটাগরি অনুযায়ী পোস্ট, পোস্টে বিভিন্ন ট্যাগ যোগ ইত্যাদি সুবিধার পাশাপাশি এটি অনেকটাই সার্চ ইঞ্জিনবান্ধব। শুধু কম্পিউটারেই নয় বিভিন্ন ডিভাইসের মাধ্যমে ওয়ার্ডপ্রেসের কন্ট্রোল প্যানেল ব্যবহার করা যায়। এর মধ্যে রয়েছে আইফোন, আইপ্যাড, অ্যান্ড্রোয়েড ফোন, ব্ল্যাকবেরি ইত্যাদি। এটি ব্লগ লেখালেখির প্ল্যাটফর্ম হলেও প্লাগইন ও থিম ব্যবহার করে সামাজিক সম্পর্ক, গ্যালারী, ই-কমার্স, ম্যাগাজিন, পত্রিকা, পোর্টাল, পোর্টফোলিও, ফোরাম ইত্যাদি যেকোন ধরণের সাইট তৈরী করা সম্ভব। ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহারের জন্য চঐচ ৪.৩ বা এর উপরের সংস্করণ, গুঝছখ ৪.০ বা এর উপরের সংস্করণ এবং ব্যবহৃত কম্পিউটারকে লোকাল সার্ভার এ পরিনত করতে অঢ়ধপযব, ওওঝ অথবা খরঃব ংঢ়ববফ লাগবে । ক্রসপ্ল্যাটফরমে তৈরি করা এই সফটওয়্যার দিয়ে বিভিন্ন ভাষায় কাজ করা যায়। আমাদের দেশে ওয়ার্ডপ্রেসে বাংলাভাষায় প্রচুর ব্লগ ও ওয়েবসাইট রয়েছে । ওয়ার্ডপ্রেসের নানা উইজেট ট্যাব থেকে আপনার ইচ্ছামত সাইডবারে ড্রাগ করে ড্রপ করে ব্যবহার করা যায়। এভাবেই সাইডবার বিভিন্ন প্রয়োজনীয় উইজেটগুলো দিয়ে সাজানো সাইট দেখতেও লাগে দারুন। ওয়ার্ডপ্রেস জনপ্রিয় হবার অন্যতম কারন এর প্রচুর প্লাগইন। প্রয়োজন মত যে কোন কিছুই অ্যাড করা যায় প্লাগইনগুলোর মাধ্যমে। এজন্য প্রয়োজনীয় প্লাগইনগুলো আপলোড করতে হয় হোস্টের ওয়ার্ডপ্রেস ফোল্ডারে। হোস্টের ওয়ার্ডপ্রেস ফোল্ডারের ঢ়ি পড়হঃবপঃ>ঢ়ষঁমরহমং ফোল্ডারের ভেতর দিলেই হয়। অবশ্য এই আপলোড প্রক্রিয়াটি ড্যাশবোর্ড থেকেও করা যায়। ড্যাশবোর্ড থেকে ওহংঃধষষ ঢ়ষঁমরহমং ট্যাবে গিয়ে অপঃরাব ক্লিক করে এক এক করে একটিভ করুন প্লাগিংস গুলো। ওয়ার্ডপ্রেসের বিস্তারিত জানা যাবে যঃঃঢ়://িি.িড়িৎফঢ়ৎবংং.পড়স ঠিকানার ওয়েবসাইটে।

ওয়ার্ডপ্রেসের জনপ্রিয় কিছু প্লাগইন

সাইডবার লগইন : সাইডবার লগ-ইনের কাজ মূলপাতার সাইডবারে লগ-ইন বক্স যোগ করা। আলাদা পেজে গিয়ে লগ-ইন করতে যে সময় অপচয় হয় তা থেকে মুক্তির জন্য এর বিকল্প নেই।
ওয়ার্ডপ্রেস রিলেটেড পোস্ট : পোস্টের শেষে রিলেটেড পোস্ট শো করাই এই প্লাগইনের কাজ।

ডব্লিউ পি থাম্বনেইল: পোস্ট থাম্বনেইল ইমেজ শো করানোর জন্য এই প্লাগইনটি ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

একিজমেট: স্প্যাম কমেন্ট থেকে মুক্তি পেতে একিজমেট প্লাগইনটি বেশ জনপ্রিয়। এটা ওয়ার্ডপ্রেসের বিল্ট ইন একটি প্লাগইন। স্প্যাম কমেন্ট সমস্যা থেকে মুক্তি দেয় প্লাগইনটি।

ডব্লিউ পি থ্রেড কমেন্ট: কমেন্টের রিপ্লাই কমেন্ট দেয়ার ক্ষেত্রে ডব্লিউ পি থ্রেড কমেন্ট প্লাগইনটির প্রয়োজন হয়। এই প্লাগইনের কাজ হচ্ছে পোস্ট কমেন্টে রিপ্লাই অপশন যোগ করা। যার মাধ্যমে কমেন্টের রিপ্লাই কমেন্ট দেয়া যাবে।

সোশ্যাল বুকমার্কিং রিলোডেড : এখন বিভিন্ন সাইটেই সরাসরি থাকে সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে লিংক দেয়ার সুযোগ। পোস্ট সোশ্যাল নেটওয়ার্ক সাইটগুলোতে শেয়ারের জন্য সোশ্যাল বুকমার্কিং রিলোডেড প্লাগইনটি বেশ সহায়ক।

ওয়ান ক্লিক রিটুইট/ফেসবুক লাইক/ শেয়ার: সামাজিক যোগাযোগের জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ফেসবুকের লাইক দিতে এ প্লাগইনটি বেশ উপকারী। এছাড়া প্লাগইনটি দিয়ে পোস্ট রিটুইট, ফেসবুকে শেয়ারও করা যায়।

ডব্লিউ থ্রী টোটাল ক্যাশ: সাইট ব্রাউজের ক্ষেত্রে ডব্লিউ থ্রি টোটাল ক্যাশ প্লাগইনটি বেশ কাজের। মূলতঃ সাইটের লোডিং টাইম কমানোর জন্য এই প্লাগইনটি কাজ করে।

ওয়াস আপ: ভিজিটরদের খোঁজ খবর জানার জন্য জন্য এই প্লাগইনটি খুবই ভালোমানের একটি এনালাইটিকস যা দিয়ে প্রতিটি ট্রাফিকের সম্বন্ধে জানা যাবে আলাদাভাবে।
হূ ইজ অনলাইন: এটি দ্বারা অনলাইনে থাকা সাইটের ভিজিটর সংখ্যা দেখানো যায় সাইটে।

বাংলা তারিখ, সময়, মাস, বছর: এ প্লাগইনটি ব্যবহারের মাধ্যমে বাংলায় তারিখ, সময়, মাস ও বছর দেখানো যায়। বাংলা ব্লগ তৈরীর ক্ষেত্রে এ প্লাগইনটি বেশ প্রয়োজনীয়।

বাংলা কেবি: মূলত বাংলা ব্লগের জন্য এ প্লাগইনটি বেশ জরুরী। পোস্ট লেখার সময় বাংলা জনপ্রিয় লেআউটগুলো যোগ করে দিতে প্লাগইনটি ব্যবহৃত হয়। এ প্লাগইনটি সক্রিয় থাকলে কমেন্টেও বাংলা অপশনটি রাখা যায়।

ভার্চুয়াল বাংলা কী বোর্ড: বাংলা ব্লগ তৈরীর ক্ষেত্রে বাংলা লেখা কিংবা বাংলা কী বোর্ডের প্রয়োজন হয়। সাইটের কমেন্টে ভার্চুয়াল বাংলা কী বোর্ড যোগ করা যায় এই প্লাগইনটির মাধ্যমে।

অল ইন এসইও প্যাক: আলাদাভাবে পোস্টে মেটা কী ওয়ার্ড, মেটা ডেসক্রিপশন আর টাইটেল শো করানো যায় এই প্লাগইন ব্যবহার করা হয়। এ কাজটি সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের (এসইও) জন্য খুবই সহায়ক।

গুগল সাইটম্যাপ জেনারেটর: গুগল সাইটম্যাপ জেনারেটরের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয় সাইটম্যাপ জেনারেট আর সাবমিট করা যায়। এই প্লাগইনটি ব্যবহার করলে সার্চ ইঞ্জিনে এগিয়ে থাকা যায়।

মেইনটেন্যান্স মুড : সাইটের মেইনটেন্যান্সের কাজ চলার সময় তা ভিজিটরদের অবহিত করা আর এডমিন প্যানেলে প্রয়োজন মতো কাজ করতে এ প্লাগইনটি বেশ উপকারী।
মোবাইল প্রেস: বর্তমান সময়ে শুধুমাত্র কম্পিউটারেই ওয়েবসাইট দেখা সীমাবদ্ধ নয়। স্মার্টফোনের এ যুগে মোবাইল থেকে সাইট ব্রাউজ করেন অনেকেই। মোবাইল ফোন থেকে দেখার ক্ষেত্রে এই প্লাগইনটি খুবই সহায়ক।

নেক্সট জেন: সাইট তৈরীর ক্ষেত্রে ফটো গ্যালারীর দিকে জোর দেন অনেকেই। সাইটে ফটো গ্যালারী যোগ করার জন্য দারুণ একটি প্লাগইন হচ্ছে নেক্সট জেন।
এডস ম্যানেজার: সাইটে বিজ্ঞাপনের বিষয়টি অনেকক্ষেত্রেই জরুরী। এডস ম্যানেজারের ম্যাধমে পোস্টে এড শো করানো যায়।

ডেটাবেস ব্যাকআপ: একটি সাইটের সবচেয়ে গুরত্বপূর্ণ অংশ ডেটাবেস যা হারালে আপনার সাইটটিই শেষ হতে পারে। তাই ডেটাবেসের নিয়মিত ব্যাকআপ রাখার জন্য এটি খুবই দরকারী একটি প্লাগইন হচ্ছে ডেটাবেস ব্যাকআপ।

ভিজিটর কন্টাক্ট: এই প্লাগইনটি দ্বারা সাইটের ভিজিটরদের জন্য কন্টাক্টের ফরম এবং কন্টাক্ট বাটন তৈরী হয়।

জিএনইউ ক্যাশ (এঘট ঈধংয)
জিএনইউ ক্যাশ হচ্ছে ব্যবসায়িক বা ব্যক্তিগত প্রয়োজনে কম্পিউটারে অর্থ সংক্রান্ত হিসাব করা ও রাখার জন্য একটি মুক্ত সফটওয়্যার। যারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে সহজেই কম্পিউটারে হিসাবের কাজগুলো সারতে চান তাদের জন্য একটি অসাধারণ সফটওয়্যার। ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য তৈরি করার উদ্দেশ্য এর কাজ শুরু হলেও পরবর্তীতে ছোট-খাট ব্যবসায়িক প্রয়োজনে ব্যবহার করার জন্যও প্রয়োজনীয় সুবিধা যোগ করা হয়। জিএনইউ ক্যাশ একটি ওপেন সোর্স অ্যাকাউন্টিং সফটওয়্যার যার মাধ্যমে ডাবল এন্ট্রি বুককিপিংয়ের কাজ করা যায়। ব্যক্তিগত, ছোট এবং মাঝারি আকারের প্রতিষ্ঠানের অ্যাকাউন্টিংয়ের কাজ করার উপযোগী করে তৈরি করা হয়েছে এই সফটওয়্যারটি। সফটওয়্যারটিতে লাইব্রেরীর অ্যাকাউন্টিং ব্যবস্থাপনার বৈশিষ্ট্যসমূহ অন্তর্ভুক্ত করা আছে। মূল জিএনইউ প্রকল্পের অংশ হিসেবে এটি শুরু করা হয়েছিল।
জিএনইউ ক্যাশ জিএনইউ প্রজেক্টেরই একটি অংশ। ১৯৯৭ সালে এটি তৈরী করার কাজ শুরু হয় এবং ১৯৯৮ সালে এর প্রথম সংস্করণ সবার জন্য উš§ুক্ত করা হয়। প্রথম দিকে শুধুমাত্র লিনাক্স প্ল্যাটফর্মের জন্য তৈরি করা হলেও বর্তমানে অন্যান্য প্ল্যাটফর্মের যেমন উইন্ডোজ, ম্যাক, সোলারিস, ওপেনবিএসডি ইত্যাদির জন্য রয়েছে আলাদা সংস্করণ।
ডাবল এন্ট্রি অ্যাকাউন্টিং সিস্টেম মেনে চলা সফটওয়্যারটিতে একাধিক মুদ্রা ব্যবহার করা যায়। এছাড়াও রয়েছে সব দেনা পাওনার হিসাব সংরক্ষণ, লাভ-ক্ষতির হিসাব বিবরনী, ট্রানজেকশন খুঁজে বের করাসহ করা যায় শেয়ার বাজারের হিসাব সংরক্ষণ। ছোট ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার জন্যও রয়েছে এর আরও কিছু সুবিধা। ইনভয়েসিং, সিডিউল ট্রানজেকশনিং, কর্মচারীদের ব্যয় হিসাব সংরক্ষণ, অননুমোদন, বিভিন্ন ট্যাক্সের জন্য সিডিউল তৈরি ইত্যাদি আরো সুবিধা। এছাড়াও এর মাধ্যমে চলতি ও সঞ্চয়ী ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ম্যানেজ করা সম্ভব ।
ক্রস প্ল্যাটফর্মে তৈরি করা এই মুক্ত সফটওয়্যারটি বিভিন্ন ভাষায় পাওয়া যায় এবং এটি বিনামূল্যে ব্যবহার, শেয়ার করার সুবিধা প্রদান করে। এছাড়াও এর সোর্সকোড উন্মুক্ত হওয়ার কারণে যে কেউ তার ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের জন্য নিজের সুবিধা মত কাস্টমাইজ ও একাধিক সুবিধা যোগ করার স্বাধীনতা পায়। এটির নিজস্ব ওয়েবসাইট িি.িমহঁপধংয.ড়ৎম থেকে সহজেই বিনামূল্যে এর সর্বশেষ সংস্করনটি ডাউনলোড করা যাবে এবং এই সাইট থেকে এটি ব্যবহারের সব ধরনের নির্দেশিকা রয়েছে।
বাজারে পাওয়া যায় হিসাব-নিকাশের বেশ কিছু সফটওয়্যার। টাকা খরচ করে এসব বাণিজ্যিক সফটওয়্যার ব্যবহার করতে না চাইলে রয়েছে ওপেনসোর্সভিত্তিক হিসাব-নিকাশের সফটওয়্যার জিএনইউ-ক্যাশ। বাজারের অন্যান্য হিসাবরক্ষণ সফটওয়্যারের তুলনায় কোনো অংশে কম না হলেও ওপেনসোর্সভিত্তিক সফটওয়্যারটি ব্যবহার করা যায় বিনামূল্যেই। আবার যাঁরা এসব সফটওয়্যার কম্পিউটারে ইনস্টলের ঝামেলায় যেতে চান না, তারা ব্যবহার করতে পারেন সফটওয়্যারটির পোর্টেবল সংস্করণও। আকারে ছোট হওয়ায় বেশিরভাগ পোর্টেবল সংস্করণে খুব বেশি ফিচার না থাকলেও এ ক্ষেত্রে ব্যতিক্রমী সফটওয়্যার জিএনইউ ক্যাশ। সফটওয়্যার চালু হতে সময় একটু বেশিই নেয়, তবে চালু হওয়ার পর দ্রুত হিসাব-নিকাশের কাজ করা যায়। সফটওয়্যারটিতে অনেক অপশন থাকায় ব্যবহারকারীরা নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী কার্যক্রমের কনফিগার সেট করতে পারবেন। উদাহরণস্বরূপ, এতে রয়েছে অ্যাকাউন্টের কারেন্সি নির্ধারণ, কোন কোন ধরনের অ্যাকাউন্ট মেইনটেইন করতে চান সেটি নির্ধারণ, সিম্পল চেকবুক, বিজনেস অ্যাকাউন্ট, কার লোন, চাইল্ড কেয়ার, কমন অ্যাকাউন্ট, ফিক্সড অ্যাসেটসহ অন্যান্য হিসাব করার সুবিধা। প্রতিটি অ্যাকাউন্ট টাইপের অধীনেই রয়েছে সাব-ক্যাটাগরি, কমন অ্যাকাউন্টের অধীনে আছে বুকস, শিক্ষা, লন্ড্রি ইত্যাদি সাব-ক্যাটাগরি। এর পোর্টেবল সংস্করণ ডাউনলোড করা যাবে যঃঃঢ়://ঢ়ড়ৎঃধনষবধঢ়ঢ়ং.পড়স/ধঢ়ঢ়ং/ড়ভভরপব/মহঁপধংযথঢ়ড়ৎঃধনষব ঠিকানার ওয়েবসাইট থেকে।

সিকুয়েল লেজার (ঝছখ-খবফমবৎ)
সিকুয়েল লিজার একটি মুক্ত এন্টারপ্রাইজ রিসোর্স প্ল্যানিং বা ইআরপি এবং ডাবল এন্ট্রি অ্যাকাউন্টিং ব্যবস্থা। ইআরপি এমনটি একটি ব্যবস্থা, যা একটি প্রতিষ্ঠানকে কার্যকরভাবে পরিচালনা করতে এর প্রয়োজনীয় সব অভ্যন্তরীন ও বহিস্থ: তথ্য একসাথে করে উপস্থাপন করে। প্রতিষ্ঠানের নিয়ম কাজের মধ্যে রয়েছে অর্থনৈতিক, উৎপাদন, বিক্রয় সেবা ইত্যাদি সংক্রান্ত তথ্য। আর ডাবল এন্ট্রি অ্যাকাউন্টিং ব্যবস্থায় কিছু নিয়মের ভিত্তিতে একটি প্রতিষ্ঠানের সবধরনের অর্থনৈতিক হিসাব কোন একটি ব্যবস্থাতে লিপিবদ্ধ করা হয়ে থাকে, যাতে প্রতিটি লেনদেন অন্তত দুটি ভিন্ন লেজার অ্যাকাউন্টে হয়ে থাকে। এর হিসাব নিকাশের সব ধরনের তথ্য একটি সিকুয়েল ডাটাবেজ ব্যবস্থায় জমা হয়ে থাকে এবং একটি স্ট্যান্ডার্ড ওয়েব ব্রাউজার দ্বারা এর ইউজার ইন্টারফেস একসেস করা যায়। সফটওয়্যারটির সম্পূর্ন ব্যবস্থা একটি রেখাচিত্রের মাধ্যমে সংযুক্ত অ্যাকাউন্টের সাথে সংযুক্ত অবস্থায় থাকে ফলে যখন একটি পন্য ক্রয় বা বিক্রয় করা হয় তখন এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপডেট হয়ে যায়। সফটওয়্যারটির ইউজার ইন্টাফেস ৩০টিরও বেশী ভাষায় ব্যবহার করা যায়, সাথে সাথে এর বিভিন্ন তথ্য, ইনভয়েস ইত্যাদি প্রিন্ট আউট করার ব্যবস্থাও রয়েছে। আলাদা আলাদা ভাবে ব্যবহারকারীরা পৃথিবীর যেকোন স্থান থেকে নিজ নিজ ভাষায় এটি ব্যবহার করতে পারবেন। জনপ্রিয় অ্যাকাউন্টিং সফটওয়্যার এসএমবির প্রায় সব স্ট্যান্ডার্ড ফিচারই এতে পাওয়া যাবে। এন্টারপ্রাইজ সাপোর্ট কন্ট্রাকটরদের জন্য রয়েছে স্পেসিফিকেশন ব্যবস্থায় প্রসেসিংয়ের জন্য পার্ল ল্যাংগুয়েজ দিয়ে তৈরি করা একটি ডাটাবেস। ইন্টারফেস ব্যবহার করা হয়েছে এবং পোস্টগ্রিসিকুয়েল নামক একটি অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড রিলেশনাল মুক্ত ডাটাবেস ব্যবস্থাপনা সিস্টেম ব্যবহার করে তেরি হয়েছে সিকুয়েল লেজারটি। মূলত ডাটা স্টোর করার জন্য এ সফটওয়্যারটি বেশ কার্যকর। এই সফটওয়ারটির প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ডিডব্লিউএস সিস্টেম ইনকর্পোরেশন প্রধানত বিক্রয় পরবর্তী সেবার মাধ্যমে আয় করে থাকে। এদের সেবার মধ্যে রয়েছে বর্তমান ও পূর্ববর্তী সংস্করণের সোর্সকোড প্রদান করা, সফটওয়্যারটির সাপোর্ট ফোরাম পরিচালনা করা ইত্যাদি। এর উন্নত সংস্করণটি সবার জন্য উন্মুক্ত নয়। প্রতিটি পণ্যের অনুযায়ী আলাদা কাস্টমাইজেশনের ব্যবস্থা আছে সফটওয়্যারটিতে। সিকুয়েল লিজার ব্যবহার করার প্রয়োজনীয় নিয়মাবলি রয়েছে সফটওয়্যারের বিস্তারিত অংশে। লিনাক্স ছাড়াও সফটওয়্যারটি অন্যান্য অপারেটিং সিস্টেম যেমন উইন্ডোজ, ম্যাক, নিক্স এ ব্যবহার করা যায়। এর বিশেষ ফিচারগুলোর মধ্যে রয়েছে ভাউচার ব্যবস্থাপনা, পন্যদ্রব্যের পরিসংখ্যান ব্যবস্থাপনা, বিলি দেয়া নেয়া, টাইম কার্ডস, পারসেজ বা সেল অর্ডার, ট্যাক্স ব্যবস্থাপনা, মাল্টি ইউজার ও কোম্পানী, ফরেইন কারেন্সী, সিকুয়েল সার্ভার ব্যাকইন্ড, কাস্টমাইজেবল টেমপ্লেট ইত্যাদি। সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করা যাবে িি.িংয়ষ-ষবফমবৎ.পড়স ঠিকানার ওয়েবসাইট থেকে।

জেনকার্ট (তবহ-ঈধৎঃ)
নানা সুবিধা আর সহজ মাধ্যম হওয়ায় বর্তমানে অনেকেই চান সহজেই ঘরে বসেই কেনাকাটার কাজটি সেরে ফেলতে। আর এ জন্য অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে ই-কমার্স সাইট। যেসব প্রতিষ্ঠান অনলাইনে বা ইন্টারনেটে পণ্য বিক্রি করতে চায় তাদের অবশ্যই ই-কমার্স সুবিধা যুক্ত ওয়েবসাইটের প্রয়োজন হয়। ই-কমার্স সাইটে থাকতে হয় অনলাইন পেমেন্টের সুবিধা। সরাসরি বিক্রি করার সুবিধার কথা মাথায় রেখে ই-কমার্স সাইট বানানোর দারুন এক সফটওয়্যার হচ্ছে জেনকার্ট। উন্মুক্ত প্রোগ্রামিং সংকেতভিত্তিক জেনকার্টে রয়েছে একাধিক পেমেন্ট পদ্ধতি সুবিধা। এক্সএইচটিএমএল ভিত্তিক টেমপ্লেট, অসংখ্য ক্যাটাগরি রাখার ব্যবস্থা, একাধিক ডিসপ্লের সুবিধা ইত্যাদিও আছে এ সফটওয়্যারে। এছাড়া নিয়মিত নতুন পণ্যের খবর গ্রাহকদের ই-মেইলে, নিউজ লেটার পাঠানোর ব্যবস্থা আছে জেনকার্টে। নানা সুবিধার এ সফটওয়্যারটি ব্যবস্থাপনা কঠিন নয়। সাধারণ কর্মীরাই সহজেই এটির মাধ্যমে দোকান ব্যবস্থাপনা শিখে ফেলতে পারবেন। জেনকার্ট ডাউনলোড করা যাবে যঃঃঢ়://িি.িুবহ-পধৎঃ.পড়স ঠিকানার ওয়েবসাইট থেকে।

ই-গ্রুপওয়্যার (ঊমৎড়ঁঢ়ধিৎব)
কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য প্রাতিষ্ঠানিক নিজস্ব নেটওয়ার্ক তৈরীসহ যোগাযোগ স্থাপনের জন্য প্রয়োজন হয় নির্দিষ্ট সফটওয়্যারের। উন্মুক্ত সোর্স ভিত্তিক এমন একটি সফটওয়্যার হচ্ছে ই-গ্রুপওয়্যার। এটি একটি ওয়েবভিত্তিক সফটওয়্যার। ইন্টারনেটে বা নিজস্ব প্রতিষ্ঠানের নেটওয়ার্কে এটি সংস্থাপন করা যায়। এর নানা বৈশিষ্ঠ রয়েছে। এর ফাইল আলাদাভাবে ব্যক্তি বিশেষ, দল বিশেষের জন্য উন্মুক্ত করা যায়। যে কোন বিষয় জানাতে সহজেই সফটওয়্যারে যুক্ত সবাইকে ই-মেইল পাঠানোর পাশাপাশি একাধিক ই-মেইল ম্যানেজ করাও যায়। রয়েছে প্রত্যেক কর্মীর জন্য আলাদা আলাদা কর্মসূচী সংরক্ষণের জন্য ক্যালেন্ডার ব্যবস্থা। এর প্রজেক্ট ও টাস্ক ম্যানেজারের মাধ্যমে দলীর কাজের সম্পর্কে জানা যায় সহজেই। ই-গ্রুপওয়্যার সফটওয়্যারটি িি.িবমৎড়ঁঢ়ধিৎব.পড়সঠিকানা থেকে ডাউনলোড করা যাবে।

লিব্রে অফিস (খরনৎব ঙভভরপব)
অফিস স্যুটের মধ্যে বেশ কয়েকটি সফটওয়্যার বেশ জনপ্রিয়। এর মধ্যে ওপেন সোর্স সফটওয়্যার হিসেবে লিব্রে অফিস অন্যতম। এই সফটওয়্যারটির ডেভেলপমেন্টের কাজটি পরিচালনা করে ডকুমেন্ট ফাউন্ডেশন নামে একটি প্রতিষ্ঠান। এটি ওপেন অফিস ডট অর্গ সফটওয়্যারের একটি ফর্ক হিসেবে ডেভেলপমেন্ট শুরু করা হয়েছে। এটি ওডিএফ ফরম্যাট সমর্থন করে, পাশাপাশি বর্তমানে জনপ্রিয় অফিসস্যুটগুলোতে তৈরি ফাইলসমূহ এই সফটওয়্যারের মাধ্যমে পড়া এবং সম্পাদনা করা যায়। এটি একটি মাল্টিপ্ল্যাটফর্ম সফটওয়্যার। বেশ কিছু লিনাক্স ডিস্ট্রিবিউশন যেমন ফেডোরা, লিনাক্স মিন্ট, ওপেন সুসি, উবুন্টু ইত্যাদি লিনাক্স ডিস্ট্রিবিউশনে এটি ডিফল্ট হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা থাকে। সফটওয়্যারটি পাওয়া যাবে যঃঃঢ়://িি.িষরনৎবড়ভভরপব.ড়ৎম ঠিকানার ওয়েবসাইটে।

সেভেন জিপ (৭-তরঢ়)
সেভেন জিপ একটি আর্কাইভ ব্যবস্থাপনা এবং ফাইল কম্প্রেস করার সফটওয়্যার। নানা ধরনের ফাইল কম্প্রেস সফটওয়্যারের মধ্যে সেভেন জিপ সফটওয়্যারটি জনপ্রিয়তার তালিকায় শীর্ষে। অন্যান্য কম্প্রেশন সফটওয়্যারের তুলনায় এই সফটওয়্যারের কম্প্রেশন রেশিও বেশি। অর্থাৎ এটি কম্প্রেশনের মাধ্যমে ফাইলকে অধিকতর ছোট আকারে কমিয়ে আনতে পারে। সফটওয়্যারটি বহুল ব্যবহৃত প্রায় সবাই প্যাকিং/আনপ্যাকিং ফরম্যাট সমর্থন করে। সেভেন জিপের মাধ্যমে তওচ, ইতওচ২ এবং ঞঅজ ফরম্যাট প্যাকিং ও আনপ্যাকিংয়ের পাশাপাশি নিয়মিত ভাবে প্রয়োজনীয় জঅজ, ঈঅই, অজঔ, খতঐ, ঈঐগ, ঈচওঙ, জচগ, উঊই এবং ওঝঙ ফরম্যাটের ফাইল আনপ্যাক করা যায়। প্যাকিং/আনপ্যাকিংয়ের প্রায় সব ধরনের ফরম্যাট যেমন সমর্থন করে তেমনি ফাইল কম্প্রেসের ক্ষেত্রেও অনেক সহজে কাজ করার সুবিধা পাওয়া যায় সফটওয়্যারটিতে। গ্রাফিক্যাল উইজার ইন্টারফেসের পাশাপাশি কমান্ড লাইনের মাধ্যমেও এই সফটওয়্যারটি ব্যবহার করা যায়। বাংলাসহ প্রায় ৬০টিরও বেশি ভাষায় পাওয়া যায় এই সফটওয়্যারটি। সফটওয়্যারটি পাওয়া যাবে যঃঃঢ়://িি.ি৭-ুরঢ়.ড়ৎম ঠিকানার ওয়েবসাইটে।
ইঙ্কস্কেপ (ওহশংপধঢ়ব)
ইঙ্কস্কেপ টু ডাইমেনশনাল ভেক্টর গ্রাফিক্যাল এডিটর। এই ধরণের কাজের জন্য যেসব বাণিজ্যিক সফটওয়্যার প্রচলিত রয়েছে সেগুলোর প্রায় সব বৈশিষ্ট্য রয়েছে এখানে। এটি একটি ক্রসপ্ল্যাটফর্ম সফটওয়্যার। মাইক্রোসফট উইন্ডোজ, ম্যাক এবং ইউনিক্স-লাইক অপারেটিং সিস্টেমসমূহে সফটওয়্যারটি ব্যবহার করা যায়। এটি একাধিক ভাষায় ব্যবহার করা যায়। এটি বাংলার মতো কম্পেক্স স্ক্রিপ্টসমূহের ইউনিকোড ব্যবহার পূর্ণাঙ্গভাবে সমর্থন করে। সফটওয়্যারটি পাওয়া যাবে যঃঃঢ়://িি.িরহশংপধঢ়ব.ড়ৎম ঠিকানার ওয়েবসাইটে।

ব্লেন্ডার (ইষবহফবৎ)
ব্লেন্ডার থ্রিডি অ্যানিমেশন এবং মডেলিংয়ের একটি সফটওয়্যার। এটি একটি ক্রসপ্ল্যাটফর্ম সফটওয়্যার। মুক্ত সফটওয়্যার ঘরানার নানা সফটওয়্যারের মধ্যে ব্লেন্ডার একটি। ব্লেন্ডার সফটওয়্যারটির মাধ্যমে থ্রিডি মডেলিং, টেক্সচাটিং, ওয়াটার এবং স্মোক সিমুলোশন, এনিমেশন, রেন্ডারিংয়ের কাজ করা যায়। প্রাথমিকভাবে এই সফটওয়্যারটি নিওজিও নামের অ্যানিমেশন স্টুডিও নিজেদের ব্যবহারের উদ্দেশ্যে তৈরি করেছিল এবং পরবর্তীতে এটি সবার জন্য মুক্ত করে দেওয়া হয়। সফটওয়্যারটি ব্যবহার করে বেশ কিছু জনপ্রিয় অ্যানিমেশন সিনেমা তৈরি করা হয়েছে। বর্তমানে আরো নানা ধরনের অ্যানিমেশন সিনেমার কাজও চলছে এ সফটওয়্যারের মাধ্যমে। সফটওয়্যারটি পাওয়া যাবে যঃঃঢ়://িি.িনষবহফবৎ.ড়ৎম ঠিকানার ওয়েবসাই

অডাসিটি (অঁফধপরঃু)
শব্দ মাধ্যমে শব্দ শোনা থেকে শুরু করে শব্দ রেকর্ডিং, শব্দ সম্পাদনা ইত্যাদি সব কিছুতেই বর্তমানে ব্যবহৃত হচ্ছে ডিজিটালপ্রযুক্তি। আর শব্দ রেকর্ডিং কিংবা শব্দ সম্পাদনার জন্য কখনো কখনো প্রয়োজন হয় বিভিন্ন সফটওয়্যারের। অডাসিটি এমনই একটি সফটওয়্যার যা সাউন্ড এডিটিং টুল বা শব্দ সম্পাদনাকারী সফটওয়্যার হিসেবে পরিচিত। সাধারণত টেপে কোনো কিছুর রেকর্ডিং হলো হয় এনালগ রেকর্ডিং। আর ডিজিটাল ফরমেটে কোনো কিছুর রেকর্ডিং যেমন-সিডি, ডিভিডি কিংবা কমপিউটারে রেকর্ডিং হচ্ছে ডিজিটাল রেকর্ডিংয়ের উদাহরণ। অডাসিটি হচ্ছে সাউন্ড রেকর্ডিং ও এডিটিংয়ের জন্য একটি মুক্ত সোর্স সফটওয়্যার। এটি ম্যাক, উইন্ডোজ, লিনাক্সসহ অন্যান্য অপারেটিং সিস্টেমে চালানো যায়। যঃঃঢ়://ধঁফধপরঃু.ংড়ঁৎপবভড়ৎমব.হবঃ/ফড়হিষড়ধফ সাইট থেকে এ সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করা যাবে। আকর্ষণীয় বেশ কিছু বৈশিষ্ট্যের সমন্বয়ে তৈরি হয়েছে অডাসিটি নামের এ সাউন্ড এডিটর ও রেকর্ডারে।

অডাসিটির কিছু বৈশিষ্ঠ্য:
ক্স রেকর্ডিং : মাইক্রোফোন কিংবা মিক্সারের মাধ্যমে অডাসিটি সরাসরি রেকর্ডিং (লাইভ অডিও) করতে পারে। ক্যাসেট টেপ থেকে রেকর্ডিংকে ডিজিটাইজ করার সামর্থ্যও রয়েছে এর। সাউন্ড কার্ডের সাহায্যে এটি স্ট্রিমিং অডিওকেও ক্যাপচার করতে পারে। অডাসিটি মাইক্রোফোন, লাইন ইনপুট কিংবা অন্য যেকোনো সোর্স থেকে রেকর্ড করতে পারে।
ক্স ইমপোর্ট ও এক্সপোর্ট : অডাসিটি বিভিন্ন সোর্স থেকে সাউন্ড ফাইল ইমপোর্ট করে, এডিট করে এবং প্রয়োজনে সেগুলো নতুন ফাইল বা নতুন কোনো রেকর্ডিংয়ের সাথে সমন্বয় করে। নির্দিষ্ট কিছু ফাইল ফরম্যাটে এটি রেকর্ডিংকে এক্সপোর্টও করতে পারে। অডাসিটির মাধ্যমে ডব্লিউএভি এআইএফএফ, এইউ অডিও এনকোর্ডিং ও স্ট্রিমিং প্রযুক্তি ফাইলসমূহ ইমপোর্ট ও এক্সপোর্ট করা যায়। উচ্চ মানসম্পন্ন অডিও ডিকোডারের (ম্যাড) সাহায্য নিয়ে এটি এমপিইজি অডিও (এমপি-টু এবং এমপি-থ্রি ফাইলসহ) ইমপোর্ট করতে পারে। ডব্লিউএভি বা এআইএফএফ ফাইলকে সিডিতে বার্নিংয়ের উপযুক্ত করতে পারে অডাসিটি।
ক্স এডিটিং : অডাসিটির মাধ্যমে সাউন্ড কাট, কপি, পেস্ট এবং ডিলিট করা যায়। প্রয়োজন অনুযায়ী যতবার দরকার ততবার আনডু এবং রিডু করা যায়। অডাসিটি ব্যবহার করে বড় বড় ফাইল খুব দ্রুত এডিট করা যায়। এর মাধ্যমে কোনো সাউন্ড ফাইলকে টুকরা টুকরা করা যায় কিংবা টুকরা টুকরা ফাইলসমূহ সংমিশ্রণ করা যায়।
ক্স সাউন্ডের গুণগত মান : অডাসিটি ১৬বিট, ২৪বিট এবং ৩২বিটের সাউন্ড স্যাম্পল রেকর্ড ও এডিট করতে পারে। এটি ৯৬ কিলোহার্টজ গতি পর্যন্ত রেকর্ড করতে পারে। ফলে অডাসিটির মাধ্যমে প্রাপ্ত রেকর্ডিংয়ের গুণগত মান খুব ভালো হয়।
অডাসিটি নিয়ে কাজ করার সময় কয়েকটি বিষয় মনে রাখা খুব দরকার। যেমন- ১. অডাসিটির প্রতিটি ট্র্যাকে একটি ক্লিপ রাখা যাবে এবং একটি নির্দিষ্ট সময়ে একটি ট্র্যাকে কেবল একটি অডিও থাকতে পারবে। অডাসিটি সব সময় নতুন ট্র্যাকে রেকর্ড করে। এডিট/ডুপ্লিকেট নতুন অডিও ফাইল তৈরি করে না। ব্যক্তিগত বা পেশাজীবী যেকোনো সাউন্ড এডিটরের কাজে অডাসিটির ব্যবহার হতে পারে লাভজনক।

ফাইলজিলা (ঋরষবুরষষধ)
এফটিপি সল্যুশন ফাইলজিলা ওয়েব ব্রাউজারের মত ট্যাব সুবিধার সাথে সাথে ফাইল মেনু থেকে ট্যাব নতুন ট্যাব পাওয়া যাবে। যার কারণে একাধিক ট্যাবে একাধিক সার্ভারের সংযোগ স্থাপন করা যায়। আগের অন্যান্য সংস্করণে নতুন কোন সার্ভারের সংযোগ স্থাপন করতে হলে চলতি সংযোগ বিছিন্ন না করে কাজ করা যেত না। এই সফটওয়্যার উইন্ডোজ, লিনাক্স, ম্যাকসহ সকল সংস্করণে চালানো যাবে।
সাধারণতঃ যতবারই ওয়েবসাইটে প্রবেশ করা হয় ততবারই কোন না কোন নির্দিষ্ট প্রটোকল অনুসরণ করতে হয়। ওয়েবসাইটের যঃঃঢ় হচ্ছে হাইপারটেক্সট ট্রান্সফার প্রটোকল, যা ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব সার্ভার থেকে যিনি ওয়েবসাইট দেখেন তাকে নির্দিষ্ট টিসিবি সার্ভার প্রটোকল ব্যবহার করে সাইটে নিয়ে যায়। নানা ধরনের ইন্টারনেট প্রটোকল আছে, যার মধ্যে খুবই গুরুত্বপুর্ণ একটি প্রটোকল হচ্ছে ফাইল ট্রান্সফার প্রটোকল বা এফটিপি। ওয়েবসাইট তৈরি এবং পরিচালনা করার জন্য সাধারণত এই প্রটোকলটি ব্যবহার করার প্রয়োজন হয়। এইচটিটিপির সঙ্গে এফটিপির অন্যতম একটি পার্থক্য হচ্ছে, এইচটিটিপির ক্ষেত্রে ওয়েবসাইট সার্ভারের সঙ্গে সংযোগ নেয়। এ ওয়েব সার্ভার ওয়েব স্ক্রিপ্ট চালানো, পৃথক ফাইলকে একটি পূর্ণাঙ্গ ওয়েব পেজে রূপ দেয়াসহ নানা কাজ করতে পারে। অন্যদিকে এফটিপির ক্ষেত্রে সংযোগ নিলে একটি ফাইল সার্ভারের সঙ্গে থাকে, ফলে এখানে ব্যবহৃত প্রযুক্তির মূল ফোকাস হবে কার্যকরভাবে ফাইল আপলোড এবং ডাউনলোড করা। এ কাজটি এফটিপি ব্যবহার করে অনেক বেশি দ্রুত এবং সঠিকভাবে সম্ভব হয়। ব্যবহারকারীর নিজের কম্পিউটার এবং দূরবর্তী ফাইল সার্ভারের মধ্যে নিশ্চিন্তে ফাইল ট্রান্সফার করার ক্ষেত্রে দারুন এক এফটিপি ফাইলজিলা। ফাইলজিলা একটি এফটিপি অ্যাপ্লিকেশন। নানা ধরনের এফটিপি প্রোগ্রামের মধ্যে ফাইলজিলা অন্যতম। এটি মুক্ত সফটওয়্যার যার সোর্স কোডটিও ডাউনলোড করে নিয়ে কাজ করা যায় নিজের মতো। এক্ষেত্রে সফটওয়্যারটি নিজের মতো করে পরিবর্তনও করে নেয়া যাবে। ফাইলজিলা উইন্ডোজ, ম্যাকওএসএক্স, লিনাক্স এবং বিএসডি সহ প্রয়োজনীয় সবগুলো অপারেটিং সিস্টেমই সমর্থন করে। এটি ঋঞচ, ঋঞচঝ (ঝঝখ/ঞখঝ), ঝঝঐ ফাইল ট্রান্সফার প্রটোকল সমর্থন করে। প্রায় ৪৮টি ভাষায় এর ইন্টারফেস সুবিধা পাওয়া যায়।
ফাইলজিলার বড় একটি বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এর সহজবোধ্য গ্রাফিকাল ইউজার ইন্টারফেস, যাতে আছে বুকমার্ক, ফাইলনেম ফিল্টারিং, ড্র্যাগ অ্যান্ড ড্রপ সমর্থনসহ একটি ফাইল ট্রান্সফার কিউ যাতে এ মুহূর্তে ডাউনলোড হচ্ছে এমন সব ফাইলের তালিকা দেখা যায়। আছে একটি কার্যকর সাইট ম্যানেজার। ইউজার যেসব সাইটের সঙ্গে কানেক্টেড তার সবগুলো সম্বন্ধে অ্যাকসেস ইনফরমেশন পাওয়া যাবে এ সাইট ম্যানেজারের মাধ্যমে। কোন ধরনের সমস্যা ছাড়াই চার গিগাবাইটের চেয়ে বড় ফাইলও ফাইলজিলার সাহায্যে ট্রান্সফার করা যায়। তবে কোন কারনে ট্রান্সফার প্রক্রিয়ায় সমস্যা হলে এটি অনেকটা ডাউনলোড ম্যানেজারের মতো কাজ করে।
অর্থাৎ যেখানে ফাইল ট্রান্সফার থামে সেখান থেকে আবার ডাউনলোড কিংবা আপলোড শুরু হয়। ফাইলজিলা অঝঈওও, নরহধৎু এবং চঅঝঠ মুড সমর্থন করে। রিমোট সার্ভারে অনেক ধরণের কাজ সম্পন্ন করা যায়। এর মধ্যে ডিরেক্টরি তৈরি এবং ফাইল পারমিশন সেট আপের মত ব্যপারগুলোও করা যাবে সহজেই। এছাড়া ফাইলজিলা নন-বুট পার্টিশন থেকেও রান করা সম্ভব। আপনার মাল্টিপল বুট পার্টিশন থাকলে এবং প্রতিটি পার্টিশনে এটিকে ইনস্টল করা এড়াতে চাইলে এ ফিচারটি ব্যবহার করা যাবে।
ফাইলজিলার হোমপেজ থেকে ‘ডাউনলোড ফাইলজিলা ক্লায়েন্ট’ বাটনে ক্লিক করে এটি ব্যবহার করা যাবে। সফওয়্যারটির বিস্তারিত জানা যাবে যঃঃঢ়://রিশর.ভরষবুরষষধ-ঢ়ৎড়লবপঃ.ড়ৎম/উড়পঁসবহঃধঃরড়হ ওয়েবসাইট থেকে।

কমিটবার্ড (ঈড়সবঃনরৎফ)
ওয়েবসাইট দেখার ব্রাউজারের ক্ষেত্রে মুক্ত সফটওয়্যার ঘরানার ব্রাউজারগুলোর জনপ্রিয়তা তুঙ্গে। এ তালিকায় শীর্ষে আছে মজিলা ফায়ারফক্স। তবে মজিলা ইঞ্জিন ব্যবহার করে তৈরী করা প্রায় মজিলা ফায়ারফক্সের মতো কমিট বার্ড ওয়েব ব্রাউজারটি বেশ দ্রুত কাজ করে। মুক্ত সোর্সের এ ব্রাউজারটি ফায়ারফক্সের অ্যাড-অন্স থেকে শুরু করে প্রায় সবকিছুই সমর্থন করে। বিনামূল্যে ৮ মেগাবাইটের সফটওয়্যারটি যঃঃঢ়://িি.িপড়সবঃনরৎফ.পড়স ঠিকানা থেকে ডাউনলোড করা যাবে।

এইচটিট্র্যাক (ঐঞঞৎধপশ)
অন্যান্য দেশের তুলনায় আমাদের দেশে এখনো ইন্টারনেট ব্যবহারের ক্ষেত্রে খরচ অনেক বেশিই। ফলে ইন্টারনেটে ব্যবহার করতে গিয়ে সময় ও অর্থ দুটোর ক্ষতি হয় অনেক। এর একটি সহজ সমাধান ওয়েবসাইটটি পুরো পুরি সেইভ করে নিজের হার্ডডিস্কে রাখা। ওয়েবসাইট দেখার জন্য ইন্টারনেট সংযোগের প্রয়োজন। আর একবার ইন্টারনেটে গিয়ে যদি প্রয়োজনীয় ওয়েবসাইট পুরোপুরি কপি করে ডাউনলোড করে রাখা যায় তাহলে যে কোন সময় তা পড়া যাবে। মুক্ত সফটওয়্যার এইচটিট্র্যাক ব্যবহারের মাধ্যমে এ কাজটি করা সম্ভব। এইচটিট্র্যাক নামের একটি সফটওয়্যারের মাধ্যমে যেকোনো ওয়েবসাইটের একটি সম্পুর্ণ কপি ডাউনলোড করে নেওয়া যায় নিজের কম্পিউটারে। অর্থাৎ যখন আপনার ইন্টারনেট সংযোগ থাকবে তখন আপনি আপনার কাঙ্খিত ওয়েবসাইটটি হার্ডডিস্কে কপি করে রাখতে পারবেন। পরবর্তী সময়ে আপনি আপনার কম্পিউটার থেকেই ওই ওয়েবসাইটটি দেখতে পারবেন। সফটওয়্যারটি পাওয়া যাবে যঃঃঢ়://িি.িযঃঃৎধপশ.পড়স ঠিকানার ওয়েবসাইটে।

ওপেন বিবলিও (ঙঢ়বহ ইরনষরড়)
ওপেন বিবলিও ছোট-বড় প্রায় সব ধরনের লাইব্রেরি ব্যবস্থাপনার একটি ইন্টিগ্রেট ব্যবস্থা। যেসব প্রতিষ্ঠানের জন্য কমার্শিয়াল সফটওয়্যার ব্যবহার করে নিজেদের সর্বোচ্চ সুবিধা পাচ্ছেন না তাদের জন্য মুক্ত সফটওয়্যার ওপেন বিবলিও দারুন এক সফটওয়্যার। সহজেই বিনামূল্যে এই মুক্ত সফটওয়্যারটি ব্যবহার করতে পারেন আগ্রহীরা। এটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর লাইব্রেরিজনিত সমস্যা সমাধানের জন্য দারুন একটি উপকারী সফটওয়্যার। পিএইচপি প্রোগ্রামিং ভাষা দিয়ে তৈরি করা এই সফটওয়্যারটি ২০০২ সালে জেনারেল পাবলিক লাইসেন্সের অধীনে সবার জন্য বিনামূল্যে উন্মুক্ত করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে ব্যবহারকারীদের জন্য অনলাইনে বিভিন্ন সুবিধা এক্সেস করা, বইপত্রের তালিকা তৈরি করা, হিসাব করা ও সংরক্ষণ করাসহ বিভিন্ন সুবিধা। চিলি, কলম্বিয়া, কিউবা, ভেনেজুয়েলাসহ বিভিন্ন দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে এই মুক্ত সফটওয়্যার ব্যবহার করা হচ্ছে। লাইব্রেরি বিজ্ঞানে ব্যবহৃত মেশিন রিডেবল ক্যাটালগ মার্কের ওপর ভিত্তি করে এর ক্যাটালগ ফরম্যাট তৈরি করা হয়েছে। এর সঙ্গে ইন্টিগ্রেটেড অবস্থায় রয়েছে অনেকগুলো মডিউল। এর মধ্যে সার্কুলেশন মডিউল ব্যবহারকারীদের ধার নেওয়া, জমা দেওয়া, সঞ্চয় করা, বাড়তি ফি আদায় প্রভৃতি হিসাবের তথ্য হালনাগাদ করে থাকে। বিবলিওগ্রাফিক্যাল রেকর্ড ও তাদের অনুলিপিগুলো নিয়ন্ত্রণ করে থাকে ক্যাটালগিং মডিউল। অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ এবং রিপোর্ট মডিউল সিস্টেমের কনফিগারেশন ও ব্যবস্থাপনা এবং ডাটাবেজ থেকে বিভিন্ন ডাটা হালনাগাদের কাজটি করে থাকে। ওপেন বিবলিও এর মুক্ত কোড সংশোধিত করে মাতৃভাষায় ব্যবহার উপযোগী করে সহজেই আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কাজে লাগানো যেতে পারে। এর সোর্সকোড ও বিস্তারিত যঃঃঢ়://ড়নরনষরড়.ংড়ঁৎপবভড়ৎমব.হবঃ ঠিকানার ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।
ওপেন ইআরপি (ঙঢ়বহ ঊজচ)
ব্যবসার ক্ষেত্রে নানা ধরনের কার্যক্রম রয়েছে যা সমাধান জন্য বর্তমানে প্রয়োজন হয় সফটওয়্যারের। ব্যবসার নানান জটিল সমাধানের জন্য প্রায় প্রতিটি প্রতিষ্ঠানই সফটওয়্যারের উপর নিজেদের নির্ভরশীলতা বাড়াচ্ছে। প্রতিষ্ঠান যত বড় হয় এর বিভাগের সংখ্যাও বাড়তে থাকে। সাধারণত মানবসম্পদ, বিপণন, আদায়, হিসাব, ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি বিভাগ এবং তার অনুবিভাগে এখন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলো বিভক্ত। সবার কাজের মধ্যে সমন্বয় সাধন করা এখন যেকোনো প্রতিষ্ঠানের জন্য সবচেয়ে জরুরী। বর্তমানে এ সফল কাজের জন্য এন্টারপ্রাইজ রিসোর্স প্ল্যানিং (ইআরপি) সফটওয়্যারের চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে। মুক্ত সফটওয়্যার ঘরানার এ রকম একটি সফটওয়্যার হলো ওপেন ইআরপি। এটি উন্নুক্ত প্রোগ্রামিং সংকেতভিত্তিক সফটওয়্যার। একটি করপোরেট অফিস ব্যবস্থাপনায় সফল মডিউল তথা অ্যাকাউন্টিং, মানবসম্পদ, বিক্রি, গ্রাহক ব্যবস্থাপনা, কেনাকাটা, ইনভেন্টরি, উৎপাদন, সেবা ব্যবস্থাপনা অর্থাৎ সব কিছুই এর অন্তর্ভুক্ত। সফটওয়্যারের নানা ধরনের মডিউলের মধ্যে যে কোন প্রতিষ্ঠান তাদের জন্য প্রয়োজনীয় মডিউল বাছাই করে নিতে পারে। দুই বা ততধিক মডিউল দিয়ে শুরু করে, ক্রমশ অন্যান্য মডিউল যোগ করা যায়। বিনা মূল্যের ওপেন ইআরপি সফটওয়্যার দিয়ে প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনার কাজ শুরু করে দিতে পারেন নিশ্চিন্তে। সফটওয়্যারটি পাওয়া যাবে যঃঃঢ়://িি.িড়ঢ়বহবৎঢ়.পড়স ঠিকানার ওয়েবসাইটে।

পেইন্ট ডট নেট (চধরহঃ.ঘঊঞ)
নানা ধরনের সহজ কাজের জন্য মাইক্রোসফট উইন্ডোজে অনেকেই ব্যবহার করে থাকেন পেইন্ট নামের সফটওয়্যার। মুক্ত সফটওয়্যার ঘরানার এ ধরনের একটি সফটওয়্যার হচ্ছে পেইন্ট ডট নেট। পেইন্ট ডট নেট সফটওয়্যারটিকে অনেকটা উইন্ডোজ এক্সপির সাথে পেইন্ট নামক সফটওয়্যারটির মতোই। তবে ফিচার ও সুযোগ সুবিধার মধ্যে অবশ্যই পেইন্ট ডট নেট অনেক এগিয়ে। এতে একাধিক লেয়ার নিয়ে কাজ করার সুবিধা পর্যন্ত আছে যা এ ধরনের সফটওয়্যারে বিরল। সফটওয়্যারটি ব্যবহার করতে হলে আপনার পিসিতে অবশ্যই গরপৎড়ংড়ভঃ .ঘঊঞ ঋৎধসবড়িৎশ ২.০ অথবা আরো উন্নত সংষ্করন থাকতে হবে। সফটওয়্যারটি পাওয়া যাবে যঃঃঢ়://িি.িমবঃঢ়ধরহঃ.হবঃ ঠিকানার ওয়েবসাইটে।
নাসা ওয়ার্ল্ড উইন্ড (ঘঅঝঅ ডড়ৎষফ ডরহফ)
দূর দূরান্ত থেকে নির্দিষ্ট ভাবে বিভিন্ন স্থান দেখার জন্য একক ভাবে বেশ জনপ্রিয় সফটওয়্যার হচ্ছে গুগল আর্থ। গুগল আর্থ ইনস্টল করে যে কোন কম্পিউটারে বসেই স্যাটেলাইট ম্যাপের মাধ্যমে দেখা যায় বিশ্বের বিভিন্ন স্থান। তবে অনেক ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট জায়গা ভালো ভাবে দেখতে জুম করলে নির্দিষ্ট জায়গাটি স্যাটেলাইট ম্যাপে তেমন পরিস্কার দেখা যায় না গুগল আর্থে। এক্ষেত্রে ব্যাতিক্রম আরেকটি মুক্ত সফটওয়্যার হচ্ছে নাসা ওয়ার্ল্ড উইন্ড। গুগল আর্থের মতো এ সফটওয়্যারটি কাজ করে। তবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে স্যাটেলাইট ম্যাপের কোয়ালিটি গুগল আর্থের চেয়ে নাসা ওয়ার্ল্ড উইন্ড সফটওয়্যারটি অনেক ভালো। সফটওয়্যারটি পাওয়া যাবে যঃঃঢ়://ড়িৎষফরিহফপবহঃৎধষ.পড়স/রিশর/ঘঅঝঅথডড়ৎষফথডরহফথউড়হিষড়ধফ ঠিকানার ওয়েবসাইটে।

পার্টেড ম্যাজিক (চধৎঃবফ গধমরপ)
সাধারণত নিয়মিতভাবে ডেস্কটপ ব্যবহারের ক্ষেত্রে হার্ডডিস্কে বেশ চাপ পড়ে। আর নানা কারনে হার্ডডিস্কে সমস্যাও হতে পারে। হার্ডডিস্কে সমস্যা হলে বিভিন্ন টুলস দ্বারা এর সমাধান করা যায়। বিশেষ করে সাধারণত পার্টিশন করা থেকে শুরু করে নানা ধরনের সমস্যার জন্য টুলস ব্যবহৃত হয়। পার্টিশন করা বা এ ধরনের সমস্যা সমাধানের দারুণ একটি বুটেবল টুলস গ্রুপ হচ্ছে পার্টেড ম্যাজিক। এতে রয়েছে পার্টিশন প্রোগ্রাম, ফাইল সিস্টেম টুলস, বুটিং লোডার টুলস, এক্স ইউটিলিটিস, কনসল ইউটিলিটিস শ্রেণীতে ১০০টির মত টুলস। পার্টেড ম্যাজিক টুলসের পূর্ণাঙ্গ তলিকা পাওয়া যাবে যঃঃঢ়://িি.িঢ়ধৎঃবফসধমরপ.পড়স/ঢ়ৎড়মৎধসং.যঃসষ ঠিকানার ওয়েবসাইটে। পার্টেড ম্যাজিকের আইএসও ফাইলটি যঃঃঢ়://ংড়ঁৎপবভড়ৎমব.হবঃ/ঢ়ৎড়লবপঃং/ঢ়ধৎঃবফসধমরপ ঠিকানা থেকে ডাউনলোড করে সিডিতে রাইট করে নিন। ওপেন সোর্স এই বুটেবল ডিক্সটি দ্বারা কম্পিউটার চালু করে সমাধান করতে পাবেন হার্ডডিক্সের বিভিন্ন সমস্যাগুলোর। হার্ডডিস্কের সহজ সমাধানের জন্য ব্যবহার করতে পারেন পার্টেড ম্যাজিক টুলস।
ক্ল্যামউইন (ঈষধসরিহ)
বর্তমান সময়ে প্রযুক্তি ব্যবহার যত বাড়ছে এর পাশাপাশি কম্পিউটারেও বেড়েছে ভাইরাসের আনাগোনা। বেশীরভাগ ভালো অ্যান্টি ভাইরাসের জন্যই অর্থ খরচ করতে হয় অর্থাৎ কিনতে হয়। তবে তাও আবার এক বছরের লাইসেন্স কিনতে হয়। অনেকক্ষেত্রে লাইসেন্স অ্যান্টিভাইরাস সুরক্ষা করে কম্পিউটারকে। আবার ক্ষেত্রবিশেষে ফ্রি অ্যান্টি ভাইরাসগুলো যথার্থ প্রতিরক্ষা দিতে সক্ষম হয় না অনেক সময়ই। সেক্ষেত্রে একটি গ্রহণযোগ্য অ্যান্টিভাইরাস হতে পারে ওপেন সোর্স ভিত্তিক সফটওয়্যার ক্লেমউইন। সব ধরনের উইন্ডোজ সব ওএসের জন্যই এটি কাজ করে। ভাইরাস এবং স্পাইওয়্যার ডিটেকশনের সফলতার হার অনেক ভালো। পাশাপাশি স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপডেট ডাউনলোড এবং ভালো অ্যান্টিভাইরাসের অন্যান্য সুবধাও রয়েছে এতে। বিনামূল্যের ওপেন সোর্স অ্যান্টিভাইরাসটি পাওয়া যাবে যঃঃঢ়://িি.িপষধসরিহ.পড়স ঠিকানার ওয়েবসাইটে।

অ্যাজুরস (অুঁৎবঁং)
ফাইল শেয়ারিংয়ের ক্ষেত্রেও রয়েছে নানা ধরনের ফাইল। ফাইল শেয়ারিং অ্যাপ্লিকেশন হিসেবে ওপেনসোর্সের রয়েছে অ্যাজুরেস সফটওয়্যার। বিট-টরেন্ট এর সমমানের অ্যাপ্লিকেশন হিসেবে এটি ব্যবহার করে প্রয়োজনীয় সব কাজই করা যাবে। এটি পাওয়া যাবে যঃঃঢ়://ধুঁৎবঁং.ংড়ঁৎপবভড়ৎমব.হবঃ ঠিকানার ওয়েবসাইটে।
হ্যান্ডব্রেক (ঐধহফইৎধশব)
মিডিয়া ফাইলকে এক ফরম্যাট থেকে অন্য ফরম্যাটে রূপান্তর করতে রয়েছে নানা ধরনের কনভার্টার। মুক্ত সফটওয়্যার হ্যান্ডব্রেক ফাইল কনভার্টারের মধ্যে অন্যতম। ভিডিও বা ব্লু-রে ডিস্ক থেকে এটি এমপিইজি ৪, এমকেভি ফরম্যাটে রূপান্তর করতে সক্ষম করতে পারে। এর মাধ্যমে ভিডিও রূপান্তর গুণগত মানটি অক্ষুণœ থেকে ফরম্যাট হয়। অডিও কোডেক হিসেবে এতে এএসি, এমপিথ্রি প্রভৃতি এবং ভিডিও কোডেক হিসেবে ব্যবহার করে এমপিইজি-৪, এইচ.২৬৪ প্রভৃতি। চমৎকার এই ফাইল কনভার্টারটি যঃঃঢ়://যধহফনৎধশব.স০শ.ড়ৎম ঠিকানা থেকে ডাউনলোড করা যাবে।

আরএসএস আউল (জঝঝঙষি)
ফিড হলো কোন ওয়েবের/ব্লগের সর্বশেষ প্রকাশিত লেখার তালিকা। ব্লগে কিংবা নির্দিষ্ট কোন ওয়েবসাইটে নিয়মিত না যেতে পারলে সহজে আরএসএস ফিড সাবক্রাইব করলে সেখান থেকেই পাওয়া যাবে সব ধরণের আপডেট। ই-মেইল সাবক্রাইব করলে নতুন পোস্ট প্রকাশ হওয়ার পর তা ই-মেইলে চলে আসবে। নানা ধরনের আরএসএস সুবিধা ব্যবহার করেন অনেকেই। এ রকম একটি ক্রস প্ল্যাটফর্মের আরএসএস ক্লায়েন্ট হচ্ছে আরএসএস আউল। মুক্ত সোর্সের এ ক্লায়েন্টটি ব্যবহারের মাধ্যমে আরএসএস ফিডের সব ধরনের সুবিধাই পাওয়া যাবে। এ ক্লায়েন্ট সফটওয়্যারটি উইন্ডোজ, লিনাক্স, অ্যাপল ম্যাক ওএসএক্স সহ সব ধরনের বড় অপারেটিং সিস্টেমে চলতে সক্ষম। এছাড়াও আরএসএসওডব্লিউএল ইংরেজি, জার্মান, ফ্রান্স, স্প্যানিশ, পর্তুগিজ, ইটালিয়ান, পোলিশ, চায়না ভাষাসহ বিভিন্ন ভাষায় পাওয়া যায়। অনেকেই ইতিমধ্যেই নানা ধরনের আরএসএস ফিড ব্যবহার করছেন। তাদের চিন্তার কিছু নেই। গুগলের আরএসএস রিডার অ্যাকাউন্টে থাকা আপনার সবগুলো সাবস্ক্রিপশন সিংক্রোনাইজ করা যাবে আরএসএস আউল দ্বারা। আনরিড থাকা অবস্থা, লেভেল, স্টার করা সবকিছুই আগের মতোই থাকবে। রয়েছে মাল্টিপল ট্যাবে সাবস্ক্রিপশন দেখার সুবিধা এবং ব্রাউজারে ওয়েবসাইটের মতোই খুলে দেখার সুবিধা। আলাদা আলাদা গ্রুপ অনুযায়ী রাখার সুবিধাও থাকছে আরএসএস আউল এ। সংবাদপত্রে যেভাবে সংবাদ ছাপা হয় সেভাবে দেখার সুবিধার পাশাপাশি রয়েছে কী ওয়ার্ড ফিড ব্যবহারের সুযোগ। সাধারণত আরএসএস বিভিন্ন ওয়েবসাইটে কনটেন্টগুলো শেয়ারের জন্য ব্যবহার করা হয়। এজন্য ওয়েবসাইটের কনটেন্টগুলোর (আরএসএস নিয়মানুযায়ী) .ীসষ ফাইল বানিয়ে ওয়েবসাইটে আপলোড করতে হয়। এই এক্সএমএল ফাইলটিকে আরএসএস ধমমৎবমধঃড়ৎ দিয়ে রেজিস্টার করলে প্রতি দিন ফাইলটির আপডেট সংগ্রহ করে, জমা করে এবং অন্য সাইটগুলোতে সরবরাহ করে। আরএসএস আউল ডাউনলোড করা যাবে যঃঃঢ়://িি.িৎংংড়ষি.ড়ৎম ঠিকানার ওয়েবসাইট থেকে।

জিপার্টেড (মঢ়ধৎঃবফ)
হার্ডডিস্ককে পার্টিশন করার অনেক জনপ্রিয় পার্টিশন ম্যানেজারের মধ্যে মুক্ত সোর্স ভিত্তিক সফটওয়্যঅর জিপার্টেড অন্যতম। বেশির ভাগ লিনাক্স সংস্করণের সাথে জিপার্টেড পার্টিশন ম্যানেজার থাকে, তারপরেও আলাদা ভাবে জিপার্টেড লাইভ সিডি/ইউএসবি উপযোগী আএসও ফাইল পাওয়া যায়, যার মাধ্যমে লাইভ সিডি হিসাবে এই পার্টিশন ম্যানেজার ব্যবহার করা যাবে। জিপার্টেড দ্বারা যেকোন ড্রাইভ রিসাইজ (ডাটা না মুছে), মার্জ, ডিলিট, ফরম্যাটসহ পার্টিশনের সকল কাজই করা যায়। এমনকি অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল থাকা ড্রাইভকেও রিসাইজ করা যায়। এছাড়াও পার্টিশন (হুবহু) কপি পেস্ট করা যায়। লিনাক্স ভিত্তিক হবার ফলে এটি সকল অপারেটিং এর উপযোগী ফাইল সিস্টেম ঘঞঋঝ, ঋঅঞ৩২, বীঃ২, বীঃ৩, ৎবরংবৎভং ইত্যাদি সমর্থন করে এবং পার্টিশন/ফরম্যাট করা যায়। সফটওয়্যারটি বিনামূল্যে যঃঃঢ়://মঢ়ধৎঃবফ.ংড়ঁৎপবভড়ৎমব.হবঃ/ষরাবপফ.ঢ়যঢ় থেকে ডাউনলোড করে সিডিতে রাইট করুন। এবার লাইভ সিডি দ্বারা কম্পিউটার বুট করুন এবং পার্টিশনের যাবতীয় কাজ করুন গ্রাফিক্যাল ইন্টারফেসে।
আরো কিছু কাজের মুক্ত সফটওয়্যারের তালিকা:

বিভিন্ন সফটওয়্যারের মতো মুক্ত সফটওয়্যার বিভিন্ন অপারেটিং সিস্টেমেই ব্যবহার করা যায়। উইন্ডোজ ব্যবহারকারীরা ইচ্ছে করলেই পছন্দসই মুক্ত সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারবেন। এমনই কিছু সফটওয়্যারের ঠিকানা দেওয়া হলো।
মিরো (ভিডিও প্লেয়ার): িি.িমবঃসরৎড়.পড়স
এএমএসএন (চ্যাট ক্লাইন্ট): যঃঃঢ়://ধসংহ.ংড়ঁৎপবভড়ৎমব.হবঃ
কে-মিলিয়ন (ওয়েব ব্রাউজার): যঃঃঢ়://শসবষবড়হ.ংড়ঁৎপবভড়ৎমব.হবঃ
এমায়া (ওয়েব ব্রাউজার): িি.ি৩ি.ড়ৎম/অসধুধ
ক্যাবওএস (প্লেয়ার টু প্লেয়ার ফাইল শেয়ারিং): যঃঃঢ়://পধনড়ং.ংড়ঁৎপবভড়ৎমব.লঢ়
গুনুসিলিয়াস (সার্চ এবং ফাইল শেয়ারিং): িি.িমহঁপষবঁং.পড়স
এবি ওয়ার্ড (ওয়ার্ড প্রসেসর): িি.িধনরংড়ঁৎপব.পড়স
জুস (পডকাষ্টিং ক্লাইন্ট): যঃঃঢ়://লঁরপবৎবপবরাবৎ.ংড়ঁৎপবভড়ৎমব.হবঃ
মিডিয়ার কোডার (ভিডিও কনভার্টার): যঃঃঢ়://সবফরধপড়ফবৎ.ংড়ঁৎপবভড়ৎমব.হবঃ
এক্স চ্যাট: িি.িংরষাবৎবী.ড়ৎম/ফড়হিষড়ধফ
মিউসিক কিউব (এমপিথ্রি প্লেয়ার): িি.িসঁংরশপঁনব.পড়স
পোর্ট স্ক্যানার: িি.িরহংবপঁৎব.ড়ৎম/হসধঢ়/ফড়হিষড়ধফ.যঃসষ
আরো কিছু মুক্ত সফটওয়্যার সাইট:

িি.িঃঁৎনড়পধংয.পড়.ুধ/
িি.িঃৎধহমষড়ং.পড়স/ভৎবব/শবুহড়ঃব.যঃসষ
ভঃঢ়://ভঃঢ়.ষরহীঁপধহধফধ.পড়স/ঢ়ঁন/ছঁধংধৎ/১.৪.৭/নরহধৎরবং/ডরহফড়ংি/
যঃঃঢ়://ভৎববসরহফ.ংড়ঁৎপবভড়ৎমব.হবঃ/রিশর/রহফবী.ঢ়যঢ়/গধরহথচধমব
িি.িফশষবারহব.পড়স/মবহবৎধষ/ংড়ভঃধিৎব/ঃপ১০০০/লধৎহধষ.যঃস
িি.িভৎড়ংঃরিৎব.ড়ৎম/
িি.িংযধঃঃবৎং.হবঃ/পবষবংঃরধ/ফড়হিষড়ধফ.যঃসষ
িি.িংঃবষষধৎরঁস.ড়ৎম/
যঃঃঢ়://ংড়ঁৎপব.নঁহমরব.ড়ৎম/ষরহশ/
যঃঃঢ়://পড়ফবহধঁঃরপং.পড়স/ুড়সনরবং/
যঃঃঢ়://নুভষধম.ড়ৎম/
িি.িবিংহড়ঃয.ড়ৎম/
যঃঃঢ়://পৎবধঃরাবপড়সসড়হং.ড়ৎম/ঃড়ড়ষং/পপঢ়ঁনষরংযবৎ
িি.িরিৎবংযধৎশ.ড়ৎম/ফড়হিষড়ধফ.যঃসষ
িি.িঃৎঁবপৎুঢ়ঃ.ড়ৎম/ফড়হিষড়ধফং.ঢ়যঢ়
িি.িযবরফর.রব/বৎধংবৎ/ফড়হিষড়ধফ.ঢ়যঢ়
যঃঃঢ়://সঢ়৩নড়ড়শযবষঢ়বৎ.ংড়ঁৎপবভড়ৎমব.হবঃ/
যঃঃঢ়://সঢ়৩মধরহ.ংড়ঁৎপবভড়ৎমব.হবঃ/
িি.িবফঁপ.ঁসঁ.ংব/ূপড়নরধহ/পড়নরধহনধপশঁঢ়.যঃস
িি.িীবসধপং.ড়ৎম/উড়হিষড়ধফ/রিহ৩২/
যঃঃঢ়://শড়সঢ়ড়ুবৎ.হবঃ/ফড়হিষড়ধফ.ঢ়যঢ়
িি.িরপংযধৎঢ়পড়ফব.হবঃ/ঙঢ়বহঝড়ঁৎপব/ঝউ/উড়হিষড়ধফ/
যঃঃঢ়://হড়ঃবঢ়ধফ-ঢ়ষঁং.ংড়ঁৎপবভড়ৎমব.হবঃ/ঁশ/ংরঃব.যঃস
যঃঃঢ়://ংপরহঃরষষধ.ংড়ঁৎপবভড়ৎমব.হবঃ/ঝপরঞঊউড়হিষড়ধফ.যঃসষ
যঃঃঢ়://িি.িফবাংরফব.হবঃ/ংবৎাবৎ/বিনফবাবষড়ঢ়বৎ
যঃঃঢ়://ড়িৎষফরিহফ.ধৎপ.হধংধ.মড়া/
যঃঃঢ়://িি.িঢ়ধফড়ধিহ.ফশ/মৎধঢ়য/
যঃঃঢ়://ংড়ঁৎপবভড়ৎমব.হবঃ/ঢ়ৎড়লবপঃং/ংঃ-স
যঃঃঢ়://িি.িভৎববড়ঃভব.ড়ৎম/সড়নরষবথংরঃব/রহফবী.যঃসষ
যঃঃঢ়://ধৎসধমবঃৎড়হধফ.হবঃ/
যঃঃঢ়://িি.িবপড়হংঁষঃধহঃ.পড়স/র-ধিহঃ-ড়ঢ়বহ-ংড়ঁৎপব-ংড়ভঃধিৎব/রহফবী.যঃসষ

comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.