ঘটনাটি সত্যিই অবিশ্বাস্য, মানুষ সত্যি কতোই না বোকার মতো কাজ করে। সামান্য তম বস্তু যদি স্ক্যানারে ধরা পরে তবে আস্ত মানুষ কেন পড়বে না।

ঘটনাটি ঘটেছে গত মঙ্গলবার মরক্কতে। এক ১৯ বছর বয়সি টিনএজার মেয়ে ছোট্ট ঐ বাচ্চাটিকে একটি বড় সুটকেস ব্যাগে ভর্তি করে সে দেশের বর্ডার অতিক্রম করার চেষ্টা করছিলো।

যখন আর সবার মতো ঐ মেয়েটি ব্যাগ চেক করার জন্য এয়ারপোর্টের কাস্টমস কর্মকর্তাদের কাছে আগিয়ে যায় তখন কর্মকর্তারা লক্ষ করে যে, মেয়েটি অনেক নার্ভাস হয়ে পড়েছে এবং তার গতিবিধি ভাল না। এক পর্যায়ে কর্মকর্তারা তার ব্যাগটি স্ক্যানারে পরিক্ষা করতে দেয় এবং ফলাফল দেখে সবার চোখ কপাকে উঠে যায়। একটি আস্ত শিশু বাচ্চাকে কিভাবে ব্যাগের মধ্যে করে দেশের বাইরে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছিলো।

afp-eight-year-old-smuggled-to-spain-in-suitcase-police

পরে মেয়েটিকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা যায় যে, বাচ্চাটি তার না। মেয়েটি ঐ বাচ্চাটিকে তার বাবার কাছ থেকে টাকার বিনিময়ে বর্ডার ক্রস করার দায়িত্ব নেয়। এবং জানা গেছে বাচ্চাটির বাবা এবং সে ২ জনই আইভরিকোস্টের বাসিন্দা।

আরও একটি অবাক করা ব্যপার হচ্ছে, এই ঘটনার কিছু বাদেই আবার সেই ছেলেটির বাবা চেষ্টা করে বর্ডার ক্রস করার। পুলিশ তাকেও ধরতে সক্ষম হয়। বর্তমানে বাপ-বেটা  দু জনকেই জেলে পুরে রাখা হয়েছে এবং বিস্তার জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

হিউম্যান রিসার্সের একটি রিপোর্ট থেকে জানা গেছে যে, প্রায় প্রতি বছর গড়ে ৪,৩০০ মানুষ এই পথ ধরে বর্ডার ক্রস করার সাহস করে। তবে সফলতার হার সেখানে একেবারেই নাম মাত্র।

comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.