প্রায় সবার কাছেই এম.পি.থ্রী প্লেয়ার থাকে। তাছারা আমাদের দেশে মোবাইল তো সবার ই আছে। এসব যন্ত্র থাকলেই তো হয় না , নিয়মিত এদের খাদ্য দিতে হয় । আপনারা তো জানেন এদের খাদ্য কি? মাঝে মাঝে এদের অসময়ে খিদা পায় মানে চার্জ শেষ আরকি। এমন অসময়ে খুদা লাগে যে তখন এদের খাদ্য না ও থাকতে পারে ( বিদ্যুৎ থাকে না ) । তো কি করা যায় ? যারা ল্যাপটপ ব্যবহার করেন কিংবা যারা সর্বদা কম্পিউটার নিয়েই পড়ে থাকেন তাদের সব তো কম্পিউটার রিলেটেড হওয়া দরকার । তো একটু খেতে তৈরি করুন ইউ.এস.বি ব্যাটারি চার্জার । এই চার্জারটি বানাতে আপনাকে ইলেক্ট্রনিক্স এ তেমন দক্ষ হওয়ার দরকার নাই ।

c-1

যা যা লাগবেঃ
১. ১ টি ইউ.এস.বি ক্যাবল ( নষ্ট মাউস থেকে নিতে পারেন )

f-3
২. ৬ টি IN 4148 ডায়োড বা যেকোনো সিলিকন ডায়োড

Diode -1
৩. ১ টি ব্যাটারি কেসিং

যেভাবে কাজ করেঃ

কম্পিউটারের ইউ.এস.বি পোর্টের আউতপুত ভোল্টেজ ৫ ভোল্ট । কিন্তু একটা AAA হচ্ছে ১.২ ভোল্টের । আমরা জানি একটা ডায়োড ০.৬ ভোল্ট করে ড্রপ করে , তাহলে ৬ তা ডায়োড সিরিজে সংযুক্ত করলে ৩.৬ ভোল্ট ড্রপ করবে । তাহলে ৫ ভোল্ট থেকে ৩.৬ ভোল্ট বাদ দিলে আউতপুত পাবো ১.৪ ভোল্ট । একটু খেয়াল করে দেখুন এই সার্কিটকে সামান্য মডিফাই করে আপনারা মোবাইল চার্জার ও বানাতে পারবেন । সেক্ষেত্রে মবাইলের ব্যাটারি ভোল্টেজ কত তা দেখতে হবে এবং সে অনুপাতে ডায়োডকে সিরিজে লাগাতে হবে ।

যেভাবে তৈরি করবেনঃ

ইউ.এস.বি ক্যাবলের লাল ও কাল তার দুটি ছাড়া বাকি তারগুল ছেঁটে ফেলুন । ৬ টি ডায়োড কে সিরিজ সংযোগ দিন । সিরিজ ডায়োডের এনোড প্রান্তটি লাল তারের সাথে সংযোগ দিন । এবার সিরিজ ডায়োডের ক্যাথোড প্রান্তটি ব্যাটারি কেসিং এর (+) প্রান্তে এবং কাল তারটি ব্যাটারি কেসিং এর (-) প্রান্তে সংযোগ দিন । হয়ে গেল আপনার ইউ.এস.বি ব্যাটারি চার্জার ।

নিজের লেখা পড়ে নিজের কাছেই যেন মনে হচ্ছে সহজ করে বলতে পারি নি। ক্ষমা করবেন। আরও সহজ ভাবে বলতে চেষ্টা করবো । ও হ্যাঁ , এটা কিন্তু AAA ব্যাটারি চার্জার। চাইলে এটাকে মোবাইল চার্জার বানাতে পারবেন।

comments

14 কমেন্টস

  1. তথ্যপূর্ণ দরকারী পোষ্ট। তবে, ভাই বানানের প্রতি একটু যত্নবান হবেন আশা করছি। 😉

    ধন্যযোগ। 🙂

    • …ঠিক বলেছেন …।একটু এদিক ওদিক হলে ……। তবে সহজ…। সবাই পারবে আশা করি .

    • অতি জরুরি কেন ?? ব্যাপার টা তো ঘাপলা মনে হচ্ছে ………।

  2. পোস্টটি খুবই উপকারী।
    কিন্তু আরো সহজ ভাষায় লেখা প্রয়োজন। প্রয়োজনে ডায়াগ্রাম সহ ছবি সংযুক্ত করলে আরো ভাল হয়।
    আশা করছি এর প্রতিফলন আমরা খুব তাড়াতাড়ি দেখতে পাব।

    • ডায়াগ্রাম যোগ করতে ছেয়েছিলাম কিন্তু…ডায়াগ্রাম আকা কঠিন ……

  3. প্রেরক :
    মাহফুজ, মোহাম্মাদপুর, ঢাকা । ই-মেইল # mahfuz08@yahoo.com

    ব্লগারদের কাছে কিছু প্রশ্নের উত্তর চাই।

    ১/ উইন্ডোজ # ৭ উপরের আপগ্রেড কনফিগারেশনে চালানো সম্ভব কিনা ?
    ৩২ বিট এবং ৬৪ বিট – এর মধ্যে কোনটি উপরের আপগ্রেড কনফিগারেশনে চালানো সম্ভব ?
    উইন্ডোজ # ৭ – এর মধ্যে কি কি ভাগ আছে এবং কোনটি ভালো ?
    ১ বা ২ টেরাবাইট হার্ডডিস্কের পার্টিশন কি পরিমাণে ভাগ করা হবে ?
    আমি যদি অন্যান্ন সফ্টওয়ার প্রোগ্রাম ফাইলের ডিরেক্টরি এবং মাই ডকুমেন্ট সি এর পরিবর্তে ডি ড্রাইভে
    ইন্সটল করতে চাই তবে উইন্ডোজ # ৭ – এ প্রোগ্রাম ফাইলের পাথ (রুট ডিরেক্টরি) কি ভাবে পরিবর্তন
    করতে হয় ?
    বড় হার্ডডিস্কের ব্যবহারের ফলে উইন্ডোজ # ৭ বা এক্স-পিতে কোন সমস্যা হয় কিনা ?

    ২/ আমার কম্পিউটারে ইন্টারর্নাল সাটা হার্ডডিস্ক আছে যা ৮০ গিগা. । আমি একে এক্সট্রার্নাল হার্ডডিস্কে
    রুপান্তর করতে চাই।
    ‌ইন্টারর্নাল সাটা হার্ডডিস্ক কে এক্সট্রার্নাল হার্ডডিস্কে রুপান্তর করার সহজ উপায় কি ?
    ইন্টারর্নাল সাটা হার্ডডিস্ক কে ইউ.এস.বি এক্সট্রার্নাল হার্ডডিস্কে রুপান্তর করা যায় কি না এবং কি ভাবে?

    বি.দ্রু. : দয়া করে উত্তরটি অভ্র বা ইউনিকোডের মাধ্যমে বাংলায় এম.এস.ওয়ার্ড ফাইলে লিখে তা ই-মেইলে
    যুক্ত করে পাঠান ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.