তরুণদের আবিষ্কার বদলে দিচ্ছে বিশ্ব

বিজ্ঞানীরা সর্বদাই নিমগ্ন থাকেন নতুন কিছু আবিষ্কারের জন্য, নতুন কিছু একটা পৃথিবীর সামনে নিয়ে আসবার জন্য। তবে তরুণদের সর্বদাই তাদের কাজের জন্য উৎসাহ প্রদান করা হয়ে থাকে। আজকের একজন তরুণ উদ্ভাবক ভবিষ্যতে তার কাজের মাধ্যমে সমগ্র বিশ্বকে চমকে দিতে পারেন।
ইন্সটিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি (IET) তাই তরুণদের এই আবিষ্কারকে স্বাগত জানাবার জন্যই শুরু করেছে Start Your Story নামক ক্যাম্পেইন, যেখানে তরুণ প্রকৌশলীরা তাদের আবিষ্কার প্রদর্শন করতে পারেন। তাদের মধ্য থেকে তিনটি আবিষ্কার নিয়ে আজকের আয়োজনঃ

Hipsterice:
ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন তরুণ প্রকৌশলী আবিষ্কার করেছেন তাদের হিপ্সটারআইস নামক এই উদ্ভাবনটি। এই তিনজন হলেন, জোশুয়া দে গ্রমোবয়, ইউলিম রবটম ও সিদ্ধার্থ গুপ্ত।
তাদের এই উদ্ভাবনটি হচ্ছে এমন একটি কুলার যার মাধ্যমে প্রতিদিন পাঁচ ঘন্টা আপনি আপনার ল্যাপটপকে কর্মক্ষম রাখতে পারবেন। এটির দাম খুবই কম এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে এটি চালাতে কোন ধরণের শক্তির প্রয়োজন হবে না। গ্রীষ্মপ্রধান সব দেশে এই কুলার খুবই প্রয়োজনীয়।

Nura Headphones:
নুরা প্রতিষ্ঠানের সহ-প্রতিষ্ঠাতা কাইল স্ল্যাটার সঙ্গীত ভালোবাসেন। এই সঙ্গীতের প্রতি ভালোবাসা থেকেই তিনি এমন একটি আবিষ্কার করলেন যার মাধ্যমে এটি অস্ট্রেলিয়ায় এ বছরে সবচেয়ে বেশি অর্থলগ্নি করা আবিষ্কারে পরিণত হয়েছে। তার আবিষ্কৃত “নুরা হেডফোন” মানুষের রুচি অনুযায়ী সঙ্গীত বাজিয়ে শোনাবে। কেমন করে?
ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের এই শিক্ষার্থী তার মাথায় এই চিন্তাটা আনেন যে, আমাদের মোবাইলে কিংবা কম্পিউটারে নানা ধরণের গান থাকে। কিন্তু সকল ধরণের গান কেউ শোনে না, শাফল করতে হয়। কাইল চিন্তা করলেন যে এমন একটি হেডফোন আবিষ্কার করলে কেমন হয় যেটি মানুষের পছন্দমত গান নিজেই শোনাবে? আর শাফল করতে হবে না? যেই ভাবা, সেই কাজ। তৈরি করলেন সম্পূর্ন একটি নতুন ধরণের হেডফোন।

FREDsense:
ক্যালগারি বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডিরত ছাত্র রবার্ট মায়োল তার ফ্রেডসেন্স নামক আবিষ্কারটি দিয়ে জিতে নিয়েছেন ২০১৬ সালের IET পুরস্কার। তার আবিষ্কারটি হচ্ছে একটি বায়োসেন্সর- যেটি মানুষের শরীরে কোন ধরণের আক্রান্তবাহী জীবাণু থাকলে তা সনাক্ত করতে সমর্থ হবে।
রবার্ট বলেন, “যেখানে একটি জীবাণু সনাক্ত করতে তিন থেকে চারদিন সময় লাগে, সেখানে আমার আবিষ্কৃত এই যন্ত্রটি পাঁচ মিনিটেই বলে দিতে পারবে আপনার শরীরে জিকা ভাইরাসের অস্তিত্ব আছে কি নেই।”

সূত্রঃ Gizmodo.co.uk

comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.