টেলিভিশনঃ বিজ্ঞানের এক বিস্ময়কর আবিষ্কার

জন লোগি বেয়ার্ডের একটি অবিস্মরণীয় আবিষ্কার হচ্ছে টেলিভিশন। কেউ কেউ এটিকে জাদুর বাক্স বলে থাকেন, আবার কেউ কেউ এটিকে বলে থাকেন সময় নষ্ট করার যন্ত্র। তবে যে যাই বলুক না কেন, বিংশ শতাব্দীর এগিয়ে যাবার ক্ষেত্রে টেলিভিশন নামক যন্ত্রটি যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় পালন করেছে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। আজ তাই টেলিভিশন নিয়ে বলা হল কিছু মজার তথ্যঃ

১) টেলিভিশন সম্প্রচার শুরু হবার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম দিককার একটি অনুষ্ঠান ছিল ‘The Television Ghost’ এটি সম্প্রচারিত হয় ১৯৩১ সালে। এই অনুষ্ঠানে অভিনেতারা নিজেদের সাদা কাপড়ে জড়িয়ে মৃত সেজে দর্শকদের তাদের খুন হবার গল্প শোনাত।

টেলিভিশনের 'ভূত"
টেলিভিশনের ‘ভূত”

২) ব্রিটিশ “টপ গিয়ার” নামক অনুষ্ঠানটি বিশ্বের ১৭০টি দেশে সপ্তাহে ৩৫০ মিলিয়ন বার দেখা হত। এটিই সবচাইতে দেখা অনুষ্ঠানের তালিকায় প্রথম।

৩) ১৯৬৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডির মৃত্যুর পর চার দিন ধরে তার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার অনুষ্ঠান টেলিভিশন চ্যানেলগুলোতে ফ্রি কভারেজে শোনানো হয়।

৪) মজার ব্যপার কি জানেন? টেলিভিশনের আবিষ্কারক বেয়ার্ড তার নিজ সন্তানদের টেলিভিশন দেখতে দিতেন না।

৫) ১৯৮৭ সালে এক ব্যক্তি “ডক্টর হু” নামক সিরিয়ালটি চলাকালীন সময়ে একটি টেলিভিশন স্টেশনে আক্রমণ করে। তাকে ধরার চেষ্টা করলেও লাভ হয় না। চাতুর্যের সাথে সে পালিয়ে যায়।

৬) নরওয়ের টেলিভিশন চ্যানেলগুলোতে প্রোডাক্ট প্লেসমেন্ট আইনত দন্ডনীয় অপরাধ।

৭) ১৯৭৪ সালে, যুক্তরাষ্ট্রের এক টেলিভিশন উপস্থাপিকা দর্শকদের সামনে অনুষ্ঠান চলাকালীন সময়ের আগে ঘোষণা দিয়ে নিজেকেই নিজে গুলি করে আত্মহত্যা করেন।

সূত্রঃ kickassfacts.com

comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.